News Media

News Media We are published true and faithful news

06/07/2026

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, বসতবাড়ির উঠান থেকে মরদেহ উদ্ধার

06/07/2026

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, বসতবাড়ির উঠান থেকে মরদেহ উদ্ধার

মৌলভীবাজারের রাজনগরে নিখোঁজের প্রায় ১৯ দিন পর এক নারীর মরদেহ স্বামীর বসতবাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে ভিকটিমের স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৩৫) আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জায়েদা বেগম (৩৮) রাজনগর উপজেলার ৩ নম্বর মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সোনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে। তার স্বামী আলমগীর হোসেন (৩৫) করিমপুর চা বাগান এলাকার বাসিন্দা।

গত ৩ জুলাই জায়েদা বেগমের বাবা আব্দুল হান্নান মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রাজনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৪২, তারিখ: ০৩/০৭/২০২৬) করেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে রাজনগর থানার এসআই (নিঃ) অরূপ সরকার ৫ জুলাই বিকেলে আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী গত ১৯ জুন সৌদি আরবে চলে গেছেন। তবে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ও সন্দেহজনক তথ্য পাওয়া গেলে তাকে থানায় এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পরে ৫ জুলাই পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটককৃত আলমগীর হোসেন জানান, গত ১৭ জুন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তিনি তার সহযোগীসহ জায়েদা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। একদিন পরে মরদেহ নিজ বসতবাড়ির উঠানে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে ঘাতক স্বামীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) নোবেল চাকমা, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খয়ের এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল শিকদারের উপস্থিতিতে রাজনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে জায়েদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই ঘটনায় ভিকটিমের স্বামীসহ ২ জন পুলিশ হেফাজতে আছে। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা: জিডি করতে এসে গ্রেপ্তার স্বামীমৌলভীবাজার প্রতিনিধি মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্ত্রীক...
06/07/2026

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা: জিডি করতে এসে গ্রেপ্তার স্বামী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারের রাজনগরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দিয়ে নিখোঁজের নাটক সাজানো স্বামী আলমগীর হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার ২০ দিন পর আজ (৬ জুলাই) সোমবার তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নিজ বাড়ির উঠান থেকে স্ত্রী জাহেদা বেগমের (২৭) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন রাতে পারিবারিক কলহের জেরে আলমগীর হোসেন তার স্ত্রী জাহেদাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তিনি বাড়ির উঠানে গর্ত খুঁড়ে লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখেন।
নিজে বাঁচার জন্য আলমগীর এক চতুর কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি আজ রাজনগর থানায় গিয়ে স্ত্রী নিখোঁজ হয়েছে মর্মে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে বিদেশে চলে গেছেন। তবে জিডি করার সময় আলমগীরের অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অস্বাভাবিক আচরণে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পুলিশের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মুখে আলমগীর ভেঙে পড়েন এবং হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ পুলিশ বাড়ির উঠান খুঁড়ে জাহেদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।
রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক স্বামী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মৌলভীবাজারে এনসিপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিছবি- এনসিপির সংবাদ সম্মেলন ...
05/07/2026

মৌলভীবাজারে এনসিপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

ছবি- এনসিপির সংবাদ সম্মেলন - মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি.
মৌলভীবাজার জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলাকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
আজ রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মৌলভীবাজার পৌর শহরে স্থানীয় একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য এসব দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি।
তারা বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের দায় এড়াতে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত কিছুদিন আগে কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রতিবাদে একটি প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি। ওই কর্মসূচি চলাকালে আব্দুল্লাহ আল হোসাইন, কামরুল হাসান, জাবেদ রহমান এবং শাফাকাত হোসেন সাদেকসহ একদল ব্যক্তি দলের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এ সময় দলের মুখ্য সমন্বয়ক জনাব নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীকে বহনকারী গাড়িতেও হামলা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, পরবর্তী কর্মসূচি চলাকালে কমলগঞ্জ উপজেলার শমসেরনগরেও একই ব্যক্তিরা আবারও বিশৃঙ্খলা ও হামলার চেষ্টা চালায়। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিলে তারা মৌলভীবাজার ফিরে যান। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আব্দুল্লাহ আল হোসাইনকে ‘ছাত্রলীগ কর্তৃক অপহরণ’ করা হয়েছে বলে অপপ্রচার চালানো হয় এবং দলের দায়িত্বশীল নেতাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “মামলার এজাহারে যাদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, তারা কেউই সাক্ষী হওয়ার বিষয়ে অবগত নন এবং তাদের কোনো বক্তব্য বা সম্মতি নেওয়া হয়নি। এই তথ্যগুলো প্রমাণ করে যে মামলাটি সম্পূর্ণ সাজানো।”
এনসিপি নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই না করে, এমনকি জেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্য না নিয়েই মৌলভীবাজার মডেল থানা তড়িঘড়ি করে মামলাটি গ্রহণ করেছে, যা মামলার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আমরা শুরু থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা প্রশাসনে কাছে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং যারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত তাদের উদ্দেশ্যও সবার সামনে স্পষ্ট হবে।”
দলটি জানায়, তাদের কাছে অভিযুক্তদের বিশৃঙ্খলা ও মিথ্যা মামলার সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণাদি রয়েছে, যা প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মৌলভীবাজার শাখার আহবায়ক খালেদ হাসান ও সদস্য সচিব রুহুল আমিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এহসান বিন জাকারিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব বিমল কুমার সিংহ ।

উল্লেখ্য যে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এনসিপির মৌলভীবাজার জেলা শাখার ‘মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক সম্পাদক’ আব্দুল্লাহ আল হুসাইনকে
মৌলভীবাজার শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন কোদালিপুর এলাকার জাম্বু মিয়ার গ্যারেজের পেছন থেকে জুনেদের নেতৃত্বে দলেরই কয়েকজন কর্মী তার গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে নেয়। গাড়িটি দ্রুত শ্রীমঙ্গলের দিকে রওনা হয়। অপহরণের সময় গাড়ির ভেতরে আব্দুল্লাহ আল হুসাইনকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, তিনি যদি দলের অন্য নেতা এহসান জাকারিয়ার সঙ্গে কোনও ধরনের দ্বন্দ্বে জড়ান, তবে তাকে মেরে গুম করে ফেলা হবে। পরবর্তীকালে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের ২ নম্বর পুল এলাকায় তাকে চলন্ত গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। এঘটনায় নেতাকর্মীরা আসামী করে মামলা রুজু হয।

04/07/2026

জুড়ীতে কুড়ালের আঘাতে পিতাকে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে নিজ পিতাকে কুড়াল দিয়ে হত্যা করার অভিযোগে সৌদি প্রবাসী ছেলে মোঃ ফয়াজ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মোঃ ফয়াজ মিয়াকে ০৩ জুলাই দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার কদমতলী থানাধীন পাগলা ওয়াসা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ২৬ জুন রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জুড়ী থানাধীন ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের মন্ত্রিগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ির উঠানে পারিবারিক কলহের জেরে সৌদি প্রবাসী মোঃ ফয়াজ মিয়া তার পিতা সুলতান আলীকে পেছন দিক থেকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সুলতান আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ঘটনার পর ফয়াজ মিয়া পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টিকে দুর্ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করে জানান যে, তার পিতা উঠানে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তবে তার ভাই আয়াজ মিয়ার স্ত্রী শামীমা আক্তার এবং বড় ভাই সামছু মিয়ার স্ত্রী হোছনা বেগম পুরো ঘটনাটির সাক্ষী ছিলেন।

পরবর্তীতে নিহতের মেয়ে হ্যাপি বেগম এবং ফয়াজ মিয়া নিজেই আহত সুলতান আলীকে দ্রুত কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হলে ফয়াজ মিয়া জানান যে, তিনি পরে সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাড়িতে ফিরবেন। কিন্তু হাসপাতাল থেকে তিনি পালিয়ে যান।

পরদিন ২৭ জুন নিহতের দাফনের সময় ফয়াজ মিয়া বাড়িতে উপস্থিত না হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ সময় শামীমা আক্তার ও হোছনা বেগম পরিবারের সদস্যদের জানান যে, ফয়াজ মিয়াই কুড়াল দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করে সুলতান আলীকে হত্যা করেছেন।

পরে নিহতের স্বজনরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করলে তাদের পরামর্শে মরদেহ দাফন না করে জুড়ী থানায় সংবাদ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরবর্তীতে নিহতের ছেলে সাহেদ মিয়া থানায় এজাহার দায়ের করলে জুড়ী থানায় হত্যা মামলা রুজু হয়।

মামলা রুজুর পর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর রহমান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঢাকার কদমতলী থানাধীন পাগলা ওয়াসা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে কর্মরত অবস্থায় মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ ফয়াজ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ (০৪ জুলাই) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে গ্রেফতারকৃত আসামি ঘটনার দায় স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

Address

Sagodighi Road Sreemangal
Sreemangal
3210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share