Abdus Samad Al Azad

Abdus Samad Al Azad � Abdus Samad Al Azad | � Teacher, Islamic Activist & Religious Speaker | � Promoting Justice & Knowledge.

চেতনা ব্যবসা: মুক্তিযুদ্ধ থেকে আকাবির পর্যন্ত✍️---মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসা---বাংলাদেশে চেতনা ব্যবসার ইতিহাস নতুন নয়।প্...
11/09/2025

চেতনা ব্যবসা: মুক্তিযুদ্ধ থেকে আকাবির পর্যন্ত✍️
---
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসা---
বাংলাদেশে চেতনা ব্যবসার ইতিহাস নতুন নয়।
প্রথমে দেখা গেল—মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসা।
একসময় মানুষ শেখ মুজিব সাহেবকে স্বাধীনতার স্থপতি হিসেবে সম্মান করতো। সবাই তাঁকে গ্রহণ করেছিল, মুক্তিযোদ্ধাদের যথেষ্ট সম্মান দিতো এবং এখনও দেয়। এমনকি আওয়ামী লীগ যখন তাঁকে “জাতির পিতা” বা “হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি” বলে উপস্থাপন করতো, মানুষ এটিকে তাদের দলের বক্তব্য হিসেবেই নিয়েছিল,তাই কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

কিন্তু মানুষ কবে মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রত্যাখ্যান করলো❓
যখন তাঁকে জোর করে জাতির পিতা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হলো। যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্যবসায় রূপান্তর করা হলো।
যখন মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধকে একচ্ছত্র সম্পদ বানানো হলো।
যখন যেকোনো মবকে চেতনার নামে বৈধতা দেওয়া হলো।
সেই মুহূর্তেই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিল।
শেষমেষ জুলাই আন্দোলনে সারা দেশে “তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার” স্লোগান আওয়ামী লীগ, মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধের নামে গড়ে ওঠা ব্যবসায়ী চেতনাকে ✌ জয়বাংলা ✌ করে দিয়েছে।
---

আজকে একই চিত্র ইসলামিক রাজনীতিতেও দেখা যাচ্ছে।
কিছু দল নিজেদেরকে আকাবির-আসলাফ চেতনার একচ্ছত্র মালিক দাবি করছে। অথচ আল্লাহই ভালো জানেন—এই চেতনা কখন "জয়বাংলা" পরিণতি পায়।
তাদের আচরণ অনেকটা আওয়ামী লীগের মতো—
তাদের ঘাটে থাকলে আপনি “ইমামুল আউলিয়া”,
আর না থাকলে “আকাবির বিদ্বেষী”।
যেমন আওয়ামী লীগে থাকলে রাজাকারও মুক্তিযোদ্ধা হয়, আর না থাকলে দেশবিরোধী রাজাকার।
---
খেলাফত মজলিস মহাসচিবের বক্তব্য বিতর্ক--

সম্প্রতি মজলিসের মহাসচিব একটি বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক আলেমদের কিছু অদূরদর্শী সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন—যেগুলো পাকিস্তান আমলে ও স্বাধীনতার পর আলেমদের জনবিচ্ছিন্ন করেছিল। তাঁর বক্তব্য ছিল রাজনৈতিক বৈচিত্র ও শিষ্টাচারের নিরিখে।
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় তা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। কোন এক চেতনাবাহী দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ সেটিকে এমনভাবে প্রচার করছে যেন—
মাদানি রহ. সত্যের মাপকাঠি তাঁর রাজনৈতিক দর্শন অকাট্য গ্রহণীয়,
আর ভিন্নমত মানেই মাদানি বা আকাবির বিদ্বেষ।
এটি নিছক রাজনৈতিক অদক্ষতা ও ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিরপ্রকা, যার সঙ্গে বিদ্বেষের কোনো সম্পর্ক নেই।
---
চেতনা ব্যবসার ফলাফল---
এই চেতনা ব্যবসা সমাজে যে চিত্র তৈরি করেছে তা হলো—
উগ্রতা: ভিন্নমত সহ্য করতে না পারা।
অজ্ঞতা: ইতিহাসের গভীরতা না জানা।
ফ্যাসিবাদী প্রবণতা: মতপ্রকাশে গলাচেপে ধরা।
রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা: বাস্তব রাজনীতিতে কোনো প্রভাব ফেলতে না পারা।

রাজনীতি চর্চা না করে, ইতিহাস না জেনে শুধু ট্যাগিং ও চেতনার জিকিরে তারা ব্যস্ত। অথচ চেতনা সম্পদও ভাগে ভাগে বিভক্ত হয়েছে।
---
নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে এরা সত্যিই দক্ষ ও উগ্র ।
কিন্তু ইতিহাস বলে—যা-ই চাপিয়ে দেওয়া হয়, একসময় তা ভেঙে পড়ে।
আজকের এই আকাবির-আসলাফ চেতনা ব্যবসা যদি এভাবেই চলতে থাকে, তবে প্রশ্ন থেকে যায়—
👉 এই চেতনা ব্যবসাও ✌ জয়বাংলা ✌ হতে কত দূর❓
---
⚡ মূল কথা হলো :
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতোই আজ আকাবির-আসলাফের নামেও চেতনা ব্যবসা শুরু হয়েছে। চাপিয়ে দেওয়া চেতনা একসময় মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকে না—বরং উল্টো প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। تاریخ اس بات کی گواہ ہے।
#চেতনা
#ওসমান_হাদী
#মুক্তিযুদ্ধ
#জমিয়ত
#জাকসু

06/09/2025

✍️ বিভিন্ন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ও আমাদের করণীয়____

কওমী ছাত্র ভাইদের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা খুব জরুরি। আমাদের জজবা (উৎসাহ) অনেক উঁচু পর্যায়ের হলেও আমরা অনেক সময় বুঝে উঠতে পারি না—
👉 কখন কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার,
👉 কোন পরিস্থিতিতে কেমন প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে,
👉 স্থানীয় ও রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা কীভাবে বিবেচনা করতে হবে,
👉 আর আমাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা কোথায়।

আমি নিজেও একসময় এমন অবস্থায় ছিলাম। তবে একটি ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের (ইসলামি ছাত্র মজলিস) অংশ হয়ে স্থান, কাল ও পাত্র বিবেচনায় কীভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়—তা শিখতে পেরেছি। অথচ আমাদের কওমী (দেওবন্দী) ভাইরা আমরা এ দিক থেকে এখনো পিছিয়ে আছে। অথচ এটি আমাদের জন্য অপরিহার্য।

🚩 ইতিহাস সাক্ষী—মোদি বিরোধী আন্দোলনসহ অনেক আন্দোলনে আমরা বাস্তবতা ও সক্ষমতার চেয়ে আবেগকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। ফলাফল? রক্তে রঞ্জিত হওয়া, প্রাণহানি, এবং ব্যর্থতা। অথচ জনবল, পুঁজি ও সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও লাড়াই করার সক্ষমতা না থাকার পরেও কিন্তু সঠিক কৌশল অবলম্বন করে মাঠে না নেমেও সাফল্য অর্জন করা যায়।

---

🔑 আমাদের করণীয়

✅ পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পেইন চালু করা।
✅ ভিন্নমত থাকলেও দায়িত্বশীলভাবে উস্তাদ ও মুরুব্বিদের সিদ্ধান্ত মেনে চলা।
✅ পরিস্থিতি অনুযায়ী উত্তরণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের শিক্ষা দেওয়া।
✅ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঠিক ব্যবহার শেখানো।

ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক মতপ্রকাশ থেকে বিরত থাকা।

শীর্ষ আলেম ও মুরুব্বিদের সমালোচনা এড়িয়ে চলা।

(💡* প্রিয় ছাত্র ভাই, এখনই কেন ভুল ধরতেই হবে,তুমি নাধরলে মুরব্বিরা কেউ না কেউ ভুল ধরবে পর্মাশ দিবেনই —কিন্তু তুমি আগে নিজেকে প্রস্তুত করো। মুরুব্বিরা আছেনই ভুল ধরার জন্য। সময় এলে তুমিও দায়িত্ব পাবে। কিন্তু অল্প বয়সে শৃঙ্খলা ভেঙে সমালোচনা করলে শুধু অসভ্যতা প্রকাশ পায়—যা লোকের হাসির খোরাক ছাড়া কিছুই নয়।)

✅ প্রতি মাসে অন্তত দুটি তারবিয়াতি মাহফিল আয়োজন করা—সে ছাত্র সংসদ বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগেই হোক না কেন।

⚠️ যদি এগুলো বাস্তবায়ন না হয়—তাহলে আমাদের ইতিহাস হবে শুধু— হেরে যাওয়া,মার খাওয়া,রাজনীতির শিকার হওয়া,আর রক্ত দিয়ে রক্ত দেওয়ার কষ্টের কাহিনি বলে গালা ফাটানো ছাড়া কোনো সাফল্য আমরা অর্জন করতে পারব না।
এটাই বাস্তব ও তিক্ত সত্য।

#কওমীছাত্র #প্রশিক্ষণ #দাওরায়ে_হাদীস #তারবিয়াত #আন্দোলন #ছাত্রসমাজ #মুরুব্বিরসম্মান #ডিসিপ্লিন #ইসলামিকচিন্তা #বাস্তবতা #কৌশল
#ইসলামিক #ইসলামেরকথা #রাজনীতি #নির্বাচন #বিএনপি #ত্রয়োদশ_জাতীয়_সংসদ_নির্বাচন #এনসিপি #মব #ওসমান_হাদী

🗳️ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন: জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পথ।পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বা...
28/08/2025

🗳️ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন: জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার পথ।

পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে জনগণ অবশ্যই তাদের প্রতিনিধিত্ব পাবে। কারণ এখানে ভোট দেওয়া হয় ব্যক্তিকে নয়, বরং দলকে। ফলে যেই দল ভোট পাবে, তারাই সংসদে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন পাবে, আর সেই আসনগুলোতে দল নিজস্ব প্রার্থীদের পাঠাবে।

এই ব্যবস্থায় দলের ওপর সরাসরি চাপ তৈরি হবে। যদি কোনো দলের প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে না যায়, মানুষের সমস্যার সমাধান না করে বা উন্নয়নমূলক কাজ না করে, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে পুরো দলকে খেসারত দিতে হবে। এতে দল বাধ্য থাকবে তাদের জনপ্রতিনিধিদের জনগণের দ্বারে পাঠাতে।

ফলে এককভাবে কোনো প্রার্থী দায় এড়িয়ে যেতে পারবে না; বরং দলের সাফল্য ও ব্যর্থতা—দুটোই দলকে একসাথে বহন করতে হবে। এতে দলীয় প্রধানও তার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরাসরি নির্দেশনা দিতে বাধ্য হবেন, কারণ দলের ভাবমূর্তি নির্ভর করবে প্রতিটি প্রতিনিধির কাজের ওপর।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—এই ব্যবস্থায় উন্নয়ন কাজ এক জায়গায় সীমাবদ্ধ না থেকে তুলনামূলকভাবে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

#জনগণেরঅধিকার #গণতন্ত্র #স্বচ্ছরাজনীতি
Abdus Samad Al Azad

আচ্ছা আমরা বাঙ্গালীরা এমন কেন?কারো একটা কাজ/মত আমার অপছন্দের হতে পারে,কোন দ্বায়িত্বশীল তার দ্বায়িত্বে আপনার আমার চুখে ভু...
18/07/2025

আচ্ছা আমরা বাঙ্গালীরা এমন কেন?
কারো একটা কাজ/মত আমার অপছন্দের হতে পারে,কোন দ্বায়িত্বশীল তার দ্বায়িত্বে আপনার আমার চুখে ভুল হতে পারে।
সে যা করছে তার তরফে অনেক যৌক্তিকতা থাকতে পারে, এখন এটা আমাদের মনে হচ্ছে ভূল সিদ্ধান্ত আমরা গঠনমূল সমালোচনা করতে পারি,সাক্ষাৎ করে এর বিপরীতে আমাদের মতামত তুলে ধরতে পারি।

কিন্তু এটা না করে ব্যক্তিআক্রমণ ও বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে গায়েল করতে উঠে পড়ে লেগে যাই কেন।

আর ফেসবুকতো মাশাল্লাহ আমাদেরকে (বাঙ্গালীদের কে) চরিত্র চরিতার্থ কারার মহা সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন এমন চলতে থাকলে একদিন হয়তো এজাতির হাল ধরতে কেউ এগিয়ে আসবে না।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdus Samad Al Azad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdus Samad Al Azad:

Share