Have a video

Have a video চাঁদের মতো হাঁসি. আমি তারেই ভালোবাসি।

আব্বাটা।🥰
16/07/2025

আব্বাটা।🥰

21/06/2025

Tushar Emran

17/05/2025

কিছু আত্নীয় স্বজনদের চেয়ে রাস্তার কুকুর ভালো।
অন্তত কুকুর গুলা খেয়ে বাড়ি পাহাড়া দেয়।

20/04/2025

Context📍
পারভেজ নামের এই ছেলেটি তার নিজের ক্যাম্পাসে খুন হয়েছে!

ক্যাম্পাসের সামনে পারভেজ তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে শিঙাড়া খাচ্ছিল। সেখানে দুই নারী শিক্ষার্থীও দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা মনে করে ওরা তাদেরকে নিয়ে হাসাহাসি করছে।

তাই তারা কাউকে খবর দেয়। খুব সম্ভবত বয়ফ্রেন্ড হবে। ক্যাম্পাসের বাইরের তিনটা ছেলে এসে পারভেজদের কাছে হাসাহাসির কারণ জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি মিটমাট করে দেন। কিন্তু ঐ তিন যুবক আরও কয়েকজনকে নিয়ে এসে পারভেজ ক্যাম্পাস থেকে বের হতেই তাঁকে ছুড়িকাঘাত করে।

একটা ছুড়ির আঘাত ঠিক হৃদপিণ্ডের উপর পড়ে। এক ইঞ্চির একটা ক্ষত! মারা যায় পারভেজ। একেবারে তুচ্ছ একটা ঘটনায় খুন হয় ছেলেটা। প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত সে।

পারভেজ যখন ইন্টারে পড়ত, ময়মনসিংহের টাউন হলের পাশেই একটা মেসে থাকত সে। রয়েল মিডিয়া কলেজের ছাত্র ছিল। কী হাসিখুশি নির্মল একটা ছেলে। সালাম দিয়েই যেন হেসে নুয়ে যেত! এই হাসিই তার জন্য কাল হলো!

এই হত্যা ক্ষমতা প্রদর্শনের হত্যা, দর্প প্রদর্শনের হত্যা। এই জঘন্যতম হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন। সে ঢাবি, বুয়েটের ছাত্র না, তাই চুপ থাকবেন, এমন যেন না হয়। তার খুনের বিচারের দাবি তুলুন। আওয়াজ না তুললে বিচার হয় না এদেশে।

বাচ্চা একটা ছেলে! মানুষের জীবন, হত্যা এত সহজ ব্যাপার হয়ে গেল!

‼️৭ মাস শিশুর দৈনিক আদর্শ খাবার তালিকা‼️সকাল ৭ :০০ঃ ঘুম থেকে উঠে ( বুকের দুধ /ফর্মুলা মিল্ক)সকালের নাস্তা ৮:০০ঃ ওটস কলা ...
05/04/2024

‼️৭ মাস শিশুর দৈনিক আদর্শ খাবার তালিকা‼️

সকাল ৭ :০০ঃ ঘুম থেকে উঠে ( বুকের দুধ /ফর্মুলা মিল্ক)

সকালের নাস্তা ৮:০০ঃ ওটস কলা /ওটস কলার পরিজি/রাগী পরিজি /আপেল পরিজি /মিষ্টি আলু ম্যাশ করা / চালের সিরিয়াল/গাজর সুজি পরিজি /মিষ্টি কুমড়া ওটসের পরিজি/বিটের ওটসের পরিজি/ কলা ম্যাশ করা /বিটরুট + আলু পিউরি/ব্রাউন রাইচ পরিজি/গাজর ওটস পরিজি/গাজর পরিজি /আম ম্যাশ

সকাল ৯:০০ঃ বুকের দুধ/ ফর্মুলা মিল্ক

সকাল ৯:৩০ঃ এক ঘন্টা ঘুমানো

মধ্যে সকাল ১০:৩০-১১:০০টাঃ ঘুম থেকে জেগে উাঠানো ( বুকের দুধ/ফর্মুলা মিল্ক)গোসল

দুপুরের খাবার ১২:৩০ঃ মুগ ডাল + ভাত ম্যাশ করা/ ডিমের কুসুম + ভাত ম্যাশ করা / মিষ্টি কুমড়া + মসুর ডাল খিচুড়ি /পালংশাক খিচুড়ি / আপেল পরিজি /গাজর পরিজি/ ডালের সুপ /মটরশুঁটি +আলু খিচুড়ি /গাজর খিচুড়ি / পেপে পিউরি / চাল+ ডাল খিচুড়ি / চিকেন সিদ্ধ

দুপুর ২:০০টায়ঃ ঘুম ( ২/৩ ঘন্টার জন্য ঘুম

বিকাল টায় ৪:০০টায়ঃ বাহিরে ঘুরতে যাওয়া ( বুকের দুধ /ফর্মুলা মিল্ক)

রাতের খাবার ৬:০০-৭:০০ টায়ঃ

রাত ৮:০০-৯:০০ টায় : ঘুম পরানো ( বুকের দুধ/ ফর্মুলা মিল্ক)

৯ -১০ টায় : লাউ + ভাত ম্যাশ (খিচুড়ি)/ব্রকলি+ গাজর খিচুড়ি/টমেটো খিচুড়ি/দালিয়ার পরিজি /খেজুর + গাজরের সুজি হালুয়া /সেমাইয়ের পায়েস /সাবু পরিজি / সাবু সব ধরনের ফলের পরিজি/ওটসের সবজি খিচুড়ি ✨তবে দুপুরে যা দিচ্ছেন, তার বিপরীত খাবার দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

✅সবজি খিচুড়ি সাথে ১/২ টা সবজি মিক্সিং করবেন।এতে সহজে বাচ্চার হজম করবে। খাবারে শেষে বাচ্চাকে ঢেকু তুলবেন।

⚠️👉যেগুলো দিবেন না❌ : গরুর দুধ /মধু/চিনি /লবন / অধিক মশলা

খাবারের পরিমান :

৭ মাস বয়সী শিশুদের ১ পোয়া বাটির। ১ পোয়া বাটি অর্ধেক করে দিনে ২ বার। ১-২ বার পুষ্টিকর নাস্তা

১পোয়া পরিমান (২৫০মি.লি)

আমাদের নতুন পেইজটি Baby Food chart & Recipe ফলো /লাইক দিয়ে পাশে থাকবেন আপুরা

🚫শিশুর খাবারের সমস্যা আছে কি না কিভাবে বুবেন??

আতিরিক্ত সর্দি, পেট খারাপ বা ডায়রিয়া, কোষ্ঠ কাঠিন্য
পেটে ব্যাথা হওয়ার জন্য কান্না কাটি করা, চুলকুনি বা র‍্যাশে উঠা শরীরে

⚠️শিশুকে নতুন খাবার দেওয়ার পর সবসময় ৩ দিন অপেক্ষা করুন।কারণ খাবারে এলার্জি থাকলে তা প্রকাশ পেতে ৩ দিন মতো সময় লেগে যায়। যদি কোন খাবারে শিশুর অ্যালার্জি থাকে তাহলে সাথে সাথে সেটা খাওয়ানো বন্ধ করুন ।কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করতে পারেন। যদি এলার্জি খুব বাড়াবাড়ি হয় তাহলে ডাক্তার এর সাথে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন।

↔️৭ মাস বয়সে যা যা খাবার খাবে।

সবজি:গাজর, কুমড়ো ,মটর, বিন্স ,আলু ,মিষ্টিআলু, ব্রকলি, ফুলকপি, টমেটো, বীট,পালংশাক ,ব্রকলি ,বাঁধাকপি ,লাউ ,ক্যাপসিকাম ,চিচিঙ্গা ,বেগুন, ওলকপি, মাশরুম ,ভুট্টা ,শসা,পটল , ঢ্যাঁড়স। সিজিনে পাওয়া সব ধরনের সবজি খাওয়াতে পারেন।

ডাল ও দানা শস্য :
চাল,সুজি, রাগি ,বার্লি, ওটস, সাবুদানা ,মুড়ি,কুইনোয়া ,মুসুর ডাল, মুগ ডাল ,দালিয়া।

দুগ্ধ জাতীয় খাদ্য
টক দই, ফর্মুলা মিল্ক, ঘী খুবই সামান্য।

প্রোটিন /আমিষ:
ডিমের কুসুম

মসলা
হলুদ, জিরে,হিং(খুবই সামান্য পরিমানে) ,দারুচিনি ,এলাচ, ধনেপাতা ,কারিপাতা ,পুদিনা পাতা,আদা, পেঁয়াজ, রসুন ।

🎇৭ মাস বয়সে বাচ্চাদের লিড উইনিং বা ফিঙ্গার ফুড দিতে পারেন। আপনার বাবুর হাতে। আপনার হাতের ২ আঙুল চ্যাপটা ও আঙুল সমান লম্বা করে কেটে দিন। সবজিটা স্টিম বা সিদ্ধ করে নিবেন। ফিঙ্গার ফুড দেওয়ার সময় অবশ্য সুন্দর মতো গাইড বা শ্বাসনালী আটকে গেলে। বাবুর নাক মুখ নীল যাবে। আর গলার ভিতরে আটকে গেলে সেটা গ্যাগিন করে গিলে ফেলবে। এই ধরনের সমস্যা পরলে অবশ্য দ্রুত ডক্টরে কাছে যাবেন।
Copy from

27/01/2024

স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর ইচ্ছে করেই রান্নায় লবণ, হলুদ বেশি করে দিলাম।যেন খেতে না পারে।বুঝবে বৌয়ের সাথে ঝগড়া করার ফল।

স্বামী রাত এগারোটায় ফিরলো ক্লান্ত শরীরে।গা চিপচিপে ঘাম।ক্লান্ত স্বরে বললো

" স্বস্তিকা,চোখ বন্ধ করো "

চোখ বন্ধ করতেই চুলে কিছু একটার স্পর্শ অনুভব করলাম।চোখ মেলে দেখি গোলাপ ফুলের মালা।স্বামী বিষাদে বললো

" সারাদিন অফিসে একটুও মন বসেনি।আমার ছোট্ট পাখিটাকে বকা দিয়েছি,ভুল করেছি।নিজের কাছে খুব অপরাধী লাগছিলো।তোমার পছন্দের ফুল নিয়ে এসছি।রাগ কমেছে? "

এতোদিনের চেনা পরিচয়েও আজ যেন নতুন করে স্বামীর প্রেমে পড়ে গেলাম।অশ্রুসিক্ত হয়ে বললাম

" হু রাগ কমেছে।তুমি হাত মুখ ধুয়ে আসো।আমি রান্না করি "

স্বামী ভ্রু কুঁচকে বললো " কেন রান্না করোনি?"

প্রতিত্তোরে শুধু মাথা নাড়ালাম।কি আশ্চর্য! উনি বিষয়টা বুঝতে পেরে বললেন

" আচ্ছা ঠিক আছে, নতুন করে আর রান্না করতে হবে না।তরকারিতে বাড়তি একটু জল দিলেই তো লবণ কমে যাবে।ব্যাপার না,মেসে থাকতে কত এভাবে খেয়েছি "

রেগে বললাম " তখন তোমার বউ ছিলোনা তাই খেয়েছো।এখন বউ আছে।ফ্রীজে মাংস আছে,পোলাও রান্না করি? "

" আচ্ছা ঠিক আছে।আমি হাত মুখ ধুয়ে পেঁয়াজ কে'টে দিচ্ছি।তুমি কা"টতে যেয়ো না,হাত কে'টে ফেলবে "

লোকটার এই এক সমস্যা।আমার রাগ কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হতে দেয় না।এতোটা কেন?একটু কম ভালোবাসলেও তো কোনো ক্ষতি ছিলো না।

গল্প #অভিমান
লেখক #জয়ন্ত_কুমার_জয়

26/01/2024

যাদের হার্ট দুর্বল, তারা দয়া করে
এই পোস্টটি করবেন না।🫣

অনেকদিন থেকে পাশের রুমটা খেয়াল করছি সব
সময় তালা লাগানো থাকে। আমি কখনো রুমটায়
গিয়েছি বলে মনে পড়ে না!

আম্মুকে জিজ্ঞেস করলাম,,
আম্মু ওই রুমটাতে কি আছে..??

তোমার জানার প্রয়োজন নাই। ওই রুমে তোমার
যাওয়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করছি না।
আমি শুকনা মুখ নিয়ে আপুর সামনে দাঁড়ালাম।

আপু ওই রুমটাতে কি আছে তুমি জানো কি..??

তোর তাতে কি,, যা থাকার তাই আছে, যা ভাগ।
দাঁড়া এক গ্লাস পানি এনে দে তো।
আচ্ছা বলে রুম থেকে টানা পায় বের হয়ে গেলাম
পানি আনতে।

রাত ১২টা
আপু ঘুমিয়ে আছে মরার মতো,
দেখলেই বালিশ চাপা দিতে মন চায়।

আমার চোখে ঘুম নাই মাথায় একটা কথা ঘুরপাক
খাচ্ছে যে করেই হোক ওই রুমে যেতেই হবে
দেখতেই হবে, কি আছে?

বিছানায় ঘন্টাখানেক গড়াগড়ি করে উঠে গেলাম আপুর পাশ থেকে।
নিঃশব্দে গুটি গুটি পায়ে ঘর থেকে বের হয়ে পাশের রুমটার সামনে দাঁড়াতেই ঘড়িতে শোনান দিল এখন রাত 1:30 বাজে।

উফ এই ঘড়ি টা আধা ঘন্টা পরপর কি যে শুরু করেছে।
ঘড়িটা চেন্জ করতে হবে আম্মুকে বলে।

ছিটকানি খুলে দরজা ধাক্কা দিতেই ক‍্যা...অ্যা...এচ আওয়াজ করে দরজাটা খুলে গেল আর তখনই মাথার উপর দিয়ে কিছু একটা উড়ে গেলো। খেয়াল করে দেখে বুঝতে পারলাম বাদুড় ছিলো ওগুলো

এই ঘরে বাদুড় আসলো কি ভাবে? আর এতো মাকড়শার জাল!!

কতোদিন এই ঘরে কেউ আসে না বুঝতে পারছিনা!

চারপাশে অন্ধকার.., মাঝে মাঝে দূরে দুই-একটা কুকুর ডেকে ওঠে রাতটাকে আরো ভয়ানক করে তুলছে।

আমি টর্চ মেরে গুটি গুটি পায়ে মাকড়সার জাল ছিঁড়তে ছিঁড়তে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।
হঠাৎ টর্চের আলো গিয়ে বাঁধলো দেয়ালে টাঙ্গানো
ফ্রেমে বাঁধানো ছবির দিকে।

আমার সারা শরীরে শীতল শিহরণ বয়ে গেল। কোথাও যেন একটা পেঁচা ডেকে উঠে জানান দিল ভুল করেছিস এখানে এসে।

যেখানে ভয় বেশি সেখানে কৌতুহল ও বেশি।

আমি ছবিটার দিকে তাকিয়ে আছি কাঁপা হাতে, টর্চ টা মেরে রেখেছি দেয়ালের দিকে।
'' এটাতো আমার ছবি !! "

টর্চ টা আস্তে আস্তে নিচের টেবিলের উপর গিয়ে বিঁধলো।
ধুলোর স্তর জমে আছে টেবিলে।
আর স্যাঁতস্যাতে গন্ধ।

নিস্তব্ধ হয়ে গেলাম।
মুখ থেকে একটা শব্দ বের হবার জো নেই।
হাত কাঁপতে শুরু হলো আমার।
আমি টর্চ টাকে আপ্রাণ চেষ্টা করছি ধরে রাখার, কিন্ত পারছি না।
শুধু, মুখ দিয়ে একটা কথাই বের হলো।

'' হায় আল্লাহ! এটাতো আমার পড়ার ঘর, এমন হলো কি করে,,,!!!"🌚

বি:দ্রঃ কিছু দিন পর আমার পরীক্ষা তাই পড়ার রুমে আসলাম নয়তো আজকেও আসা হতো না।🙂

নতুন নতুন গল্প পেতে আমার পেজ ফলো করুন।

আমার স্ত্রীকে সেদিন খুব মারার পর আর তেমন একটা কথা বলে না।  বেশিরভাগ সময় চুপচাপ থাকে । সংসারের কাজকর্ম চুকিয়ে চুপচাপ বসে ...
03/12/2023

আমার স্ত্রীকে সেদিন খুব মারার পর আর তেমন একটা কথা বলে না। বেশিরভাগ সময় চুপচাপ থাকে । সংসারের কাজকর্ম চুকিয়ে চুপচাপ বসে কাঁথা সেলাই করে। আগের মত আর ফোন চাপে না, গুন গুন সুরে গান করে না।

পাড়ার কোনো মহিলার সাথেও সেভাবে কথা বলে না।যখন হাতে একেবারেই কোনো কাজ থাকে না তখন পুকুর পাড়ে গিয়ে বসে।

আমার বেশ ভালই লাগে। সারাক্ষণ হাসি আর বক বক করে মাথা খেত। এতটা বাচাল হওয়া কোনো বিবাহিত মেয়েরই ঠিক নয়। তাই ভাবলাম শুরুতেই ডগা ছেঁটে দেই।
তাই সেদিন দিলাম কয়েক ঘা বসিয়ে। সেদিন অর্পি শুধু নির্বাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। তার চোখের জল টলমল করে উপছে পড়তে চায়। আমি হাত উঁচু করে বলেছিলাম যদি সে কাঁদে তবে তাকে খুন করে ফেলব।
সেইযে চুপ ভয়ে এখন সে কাঁদতেও ভুলে গিয়েছে।

বেশ খেয়াল করে দেখছি যে তার ফোনে কোনো কলও আসে না৷ একটা আশংকা নিয়ে অর্পির ফোন নিয়ে দেখি ফোনটা খোলাই আছে। আমি অবাক হলাম এই ভেবে ফোন খোলা অথচ কেউ ফোন করে না।
অবশ্য ফোন করবে কে, বাবার বাড়ি থেকেই কোনো খোঁজ নেয় না তার আবার অন্য লোক! বিয়ের সময় বাবার বাড়ি থেকে যা যা দেবার কথা ছিলো করনার জন্য তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না বলে দিতে পারেনি বলেই যোগাযোগ করে না তারা।
কয়েকজন বান্ধবীর সাথে দেখতাম নিয়মিত কথা বলত।

এখন তাও বলছে না। কল লিস্ট এবং সেভ করা নম্বর চেক করে দেখি সেখানে শুধু আমার আর আমার আত্মীয়-স্বজনের নম্বর। ব্যাপারটা বেশ ভালই লাগল। বিয়ের পর মেয়েদের নিজের বাপের বাড়ির সাথে অত কথা কিসের? বেশ তৃপ্তি নিয়ে সেদিন ঘুমাতে গেলাম।
ঘুমের ঘোরে বিছানাটা ফাঁকা মনে হলো। হুট করেই জেগে দেখি পাশে অর্পি নেই। মুহুর্তেই ঘুম উধাও।
বিছানা ছেড়ে উঠে গেলাম।

ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম রাত তিনটার কাঁটা ছুঁয়ে গেছে।
ঘর ছেড়ে বারান্দায় এলাম সেখানেও অর্পি নেই। পাশের কামরায় উঁকি দিয়ে দেখি জানালা দিয়ে সে আকাশ দেখছে। ঠিক বুঝতে পারলাম না ঘোরতর অমাবস্যার রাতে আকাশে দেখার কি থাকে? ওর পিছনে দাঁড়িয়ে আমি নিজেও আকাশ পানে দৃষ্টি নিবদ্ধ করলাম। অজস্র তারায় আকাশটা কেমন সেজে উঠেছে। তারার অস্পষ্ট আলোতেও প্রকৃতি সত্যিই মোহনীয় সাজের দ্যূতি ছড়াচ্ছে। যারা এই আকাশ দেখেনি তারা বুঝবে না এর কি দুর্নিবার আকর্ষণ। অর্পি আকাশ দেখায় এতটাই মগ্ন যে আমার উপস্থিতি তার অনুভবেই আসেনি। কিছু না বলে পিছনের পা পিছনে রেখেই শোবার ঘরে ফিরে আসি। ঘরে এসে কিছুতেই মন টিকছে না। মেয়েটার উপর হয়তো অবিচার করা হচ্ছে।

খুব মন খারাপ করে থাকে আজকাল। যা বলি শুধু তারই উত্তর দেয়। যা বাজার করি তাই রান্না করে। বিগত ছয় ছয়টি মাস ধরে সে মুখ ফুঁটে কিছুই খেতে চায়নি। কেমন যেন বোবা হয়ে গিয়েছে। আদরেও নির্লিপ্ত থাকে শাসনেও তাই। কেমন যেন জড় পদার্থের মত হয়ে গিয়েছে। খাঁচায় ভরা পাখির মত মাঝে মাঝে ছটফট করে সে। তবে কি অর্পি মুক্তি চায়? মনটা খুব করে খারাপ হয়ে গেল কারণ বিয়ের সময় আমি আর্থিক কিছু না পেলেও বলতেই হয় যে একটা খুব সাংসারিক বৌ পেয়েছি,আর মেয়েটা অসম্ভব লক্ষি ধরনের একটা মেয়ে ।

সারাদিন শেষে ও তো শুধু বান্ধবীর সাথেই কথা বলতো।বাস্তবিক পক্ষে অর্পি খুব ভালো মানুষ। খুব ভালো মনের সে। তবে ওকে হারাবার কিসের ভয় আমার? তবে কি আমি সন্দেহ বাতিক গ্রস্থ? না, আর দেরি করা চলবে না। আগামীকালই আমি একজন সাইক্রিয়েটিস্ট এর কাছ থেকে পরামর্শ নেব। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে কখনযে ঘুমিয়ে গিয়েছি জানি না।
সকালে সবার চেচামেচিতে ঘুম ভেঙে বাইরে এসে দেখি ঘরের পূর্বদিকের খালপাড়ের কাত হয়ে পড়া জির গাছটির মোটা ডালে অর্পি কালো দঁড়ি গলায় দিয়ে ঝুলছে।

©

29/11/2023

Address

বাংলাদেশ
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Have a video posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category