06/07/2022
আসসালামু আলাইকুম।
আসন্ন ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা। ঈদুল আযহার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলিম যারযার সাধ্য নুযায়ী পশু কুরবানি দিয়ে থাকেন।
কুরবানির পশুর চামড়া জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ সংরক্ষণের দায়িত্ব সকলের। কুরবানির সময়ে পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ, বর্জ্য সঠিকভাবে অপসারন ও চামড়ার গুনগত মান রক্ষায় নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখা প্রয়োজন।
কুরবানির সময় সতর্কতাঃ
১. পশু জবাইয়ের ৬ ঘন্টা পূর্বে পশুকে খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে ও জবাইয়ের দুই ঘন্টা পূর্বে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়াতে হবে।
২. ছুরির অগ্রভাগ দিয়ে জবাই করার স্থান থেকে গলা, বুক ও পেট বরাবর সোজা দাগ কাটতে হবে।
৩. জবাই করার সময় শ্বাসনালী, খাদ্যনালী ও দুই শিরা যাতে কাটে সেটি খেয়াল রাখতে হবে। কোন প্রকারেই তাড়াহুড়ো করার জন্য স্পাইনাল কর্ড ফুটা করা যাবে না।
বর্জ্য অপসারন
১. জবাই এর পর গর্ত করে রক্ত, গোবর, হাড়, শিং ইত্যাদি পুতে ফেলতে হবে। পুতে ফেলার পর গর্ত পূরণের পূর্বে রক্ত, গোবর, হাড়, শিং এর উপর চুন অথবা ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে মাটি ভরাট করা উত্তম।
চামড়া সংরক্ষণ
চামড়া মূল্যবান সম্পদ। এটি সংরক্ষণে আপনাদের সকলের সহযোগিতা কাম্য। চামড়া সংরক্ষণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাঃ
১) চামড়া সংরক্ষণের জন্য চামড়ার ওজনের ২০% লবণ চামড়ায় প্রয়োগ করা উত্তম।
২) লবণ চামড়ার ফ্লেশ সাইডে এমনভাবে প্রয়োগ করতে হবে যাতে করে কোন অংশ ফাকা না থাকে।
৩) চামড়া ছাড়ানোর ৪-৬ ঘন্টার মধ্যে লবণ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। লবণ দিতে দেরি হলে চামড়ার মান কমে যাবে।
৪) চামড়ায় লেগে থাকা চর্বি, মাংস, রক্ত, মাটি ও গোবর ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৫) চামড়া রোদে শুকালে চামড়ার মান কমে যায় অথবা চামড়া বৃষ্টিতে ভিজতে দেওয়া যাবে না।
৬) চামড়া পরিষ্কার করে লবণ দেওয়ার পর ভাজ করে রাখতে হবে
সকলকে ধন্যবাদ।