23/09/2025
আজকে সকালের একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি👇
অনেকক্ষণ সাইনবোর্ড বাস স্টেশনে দাঁড়িয়ে বিরক্ত হয়ে গেলাম।
ঢাকা টু কক্সবাজার লিখা দেখে "সেন্টমার্টিন"নামে একটা বাস
সিগন্যাল দিলাম কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত।
ভেবেছিলাম দূরপাল্লার বাস খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছে যাবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য! প্রত্যেকটা স্টেশন ধরল লোকাল বাসের মত। যাত্রীদের সাথে ঠান্ডা মাথায় প্রতারণা!
একটা যুবক সাইনবোর্ড থেকে আমাকে ফলো করে,আমার সাথে খাতির করে,
আমার সাথে একসাথে সাইনবোর্ড থেকে সামনে হেঁটে মাদ্রাসা রোড এ যায় একই বাসেও ওঠে,
আমি পকেট থেকে মাস্কটা বের করে মুখে লাগিয়ে রাখি🫣
পাশাপাশি বসতে চাইলে
বললাম না এখানে সিট খালি আছে আমি এখানে বসি আপনি ডানদিকের পাশে বসেন,
সমস্যা নাই।
পাশে বসতে না পেরে পাশাপাশি সিট এ বসলো, চিটাগাং রোড থেকে তিনটা মহিলা সিট ছাড়া উঠে দাঁড়িয়ে আছে😰
"মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমি দাঁড়িয়ে সম্মান করে,মা বোন, স্ত্রীর কথা মনে পড়ে,সিট খালি করে দেই"
বন্ধু তখন আমাকে তার সিটে বসানোর জন্য খুব আপ্যায়ন করলো,
সর্বশেষ বললাম, আচ্ছা আপনি বসেন আমি গৌরীপুর গিয়ে একটু বসবোনি🙄
গৌরিপুর বাস স্টেশনে এসে আমি যে মহিলারদের সিট খালি করে দিলাম, ওদের গন্তব্য ও শেষ হয়ে গেল🤗
তখন তো সুযোগ😏দুইটা সিটি খালি হলো, পথিক বন্ধু আমার বলল আসুন একসাথে বসি।
তখন ঠিক ওনার সামনে একটা সিটও খালি হলো,
আমি সুযোগটা গ্ৰহন করি।
বললাম::ভাই ঐদিকে রৌদ্র পড়বে, আপনি পিছনে বসুন,আমি আপনার সামনে বসলাম।
কিছুক্ষণ পর পেয়ারাওয়ালা লবণ দিয়ে কাঁটা পেয়ারা নিয়ে উঠলো,,আগ বাড়িয়ে পথিক বন্দু ২০ টাকার এক পেকেট পেয়ারা কিনে আমাকে জোর করে হাতে ধরিয়ে দিলো,নেন খান..
যেহেতু আমার সামনেই হকার পেয়ারা ম্যাকিং করে দিলো মাস্ক খুলে খাওয়া শুরু করলাম, দু'পিস খাওয়ার পর বুঝলাম উনিও এখান থেকে খাবে,
সাথে সাথে পেকেটটা ওনার হাতে দিয়ে দিলাম,
উনি বললেন....আরে এতগুলো আমি খেতে পারবো না,
আপনি আরো নেন..
আমি পেকেটটা ওনার হাতে দিয়ে
আবার মাস্ক লাগিয়ে বসে রইলাম,
কিছুক্ষণ পর পিছন থেকে বন্ধু পুনরায় ২ পিছ পেয়ারা আমার হাতে ধরিয়ে দিল,নেন এগুলো শেষ করে ফেলুন।
আমি কেন জানি ভাবতে শুরু করলাম কিছুক্ষণ হাতে রেখে দিলাম🧐
আর সচেতনতার সাথে আস্তে করে আমার সাথে থাকা ব্যাগের ভিতরে অবশিষ্ট পেয়ারা পেকেট ঢুকিয়ে ফেললাম।
আসুন দিনটা শুরু করি যেকোন একটা ভালো কাজের মধ্যে দিয়ে,
আল্লাহ আপনার সহায় হয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ