03/06/2026
এত পড়াশোনা, আর এত সাফল্য—সবকিছুর মূল্যই বা কী, যদি নিজের মা-বাবার খোঁজ নেওয়ার মতো সময় না থাকে?
এক মায়ের মরদেহ ৭ দিন ধরে একা একটি ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল। নিঃসঙ্গতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন, অথচ মৃত্যুর পরও দীর্ঘ সাত দিন কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি। এই ঘটনাটি আমাদের সমাজের জন্য এক গভীর সতর্কবার্তা। আমরা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য কত পরিশ্রম করি, কত ডিগ্রি অর্জন করি, কত বড় পদে পৌঁছাই। কিন্তু সেই সাফল্যের প্রকৃত অর্থ কী, যদি শেষ বয়সে মা-বাবা একাকীত্ব, অবহেলা আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন কাটান?
এই মা-ই একদিন সন্তানদের পৃথিবীর আলো দেখিয়েছিলেন। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে তাঁদের বড় করেছেন, শিক্ষিত করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অথচ জীবনের শেষ অধ্যায়ে তাঁর সঙ্গী হয়েছে নিঃসঙ্গতা। প্রতিদিন হয়তো আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করি, কিন্তু মা-বাবার সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ খুব কমই আছে। তাঁদের একটি ফোন দিন, খোঁজ নিন, পাশে বসুন, সময় দিন। অনেক সময় তাঁরা অর্থ বা উপহার চান না—শুধু সন্তানের কণ্ঠস্বর শুনতে চান।
আজ আমরা ব্যস্ত। কাল হয়তো আমাদের সন্তানরাও ব্যস্ত হবে। তাই আজ আমরা তাঁদের সঙ্গে যেমন আচরণ করব, আগামী প্রজন্মও সেখান থেকেই শিক্ষা নেবে।
মা-বাবাকে ভুলে যাবেন না। তাঁরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, সবচেয়ে বড় ঋণ।
❤️ যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, আজই তাঁদের খোঁজ নিন। একটি ফোন কল হয়তো তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যথেষ্ট। ❤️
— মানবিক হই, মা-বাবার পাশে থাকি।