05/12/2025
ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করে ,রাজনীতি করে , প্রেমও করে । আবার অনেকে দুয়িয়ার জীবনকে তুচ্ছ করে নিজেকে গড়ে তুলে আল্লাহর বন্দেগী ও মানবকল্যাণকর মানুষ হিসেবে।
তারা একই সাথে রাজনৈতিক নেতাও হয় আবার ট্যালেন্টেড স্টুডেন্টও হয় ।
রাতের বেলা আড্ডা দিয়ে সকাল বেলা পরীক্ষা দিতে যায় । আবার রাত জেগে অনেকেই মশগুল থাকে ইবাদতে ।
এরা বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেতেও অভ্যস্ত ,আবার গাড়ির সিটে ভাব নিয়ে বসতেও পটু ।
এক জুতায় বছর পার করে ,আবার স্নিকার্স পড়ে কুল হ্যান্ডসাম ডিউড সাজতেও এদের জুড়ি মেলা ভার ।
হলের পচা খাবার খেয়েও অভ্যস্ত । আবার দামী রেস্টুরেন্টের ফাস্টফুডও পেটে হজম হয় ।
এখানকার হলে প্রতি রাতে গল্প তৈরি হয় ।
অনুপ্রেরনার গল্প , সম্ভাবনার গল্প , রিলেশন ব্রেকাপ হওয়ার গল্প । পরিবার ছেড়ে দুরে থাকার গল্প । সবাই মিলে একসাথে বাসি মুড়ি খাওয়ার গল্প । রাত জেগে তাস পেটানোর গল্প ।
অসাধারন বন্ধুত্ব আর অপরিসীম শত্রুতা দুইটাই পাবেন এখানে ।
মেট্রিক ইন্টারে ডবল এ প্লাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে ইয়ার লস খাওয়া ছেলে যেমন পাবেন একই ভাবে দুইটা এ মাইনাস পেয়ে ক্যাম্পাসে এসে একবারে প্রতিটি মিড পাস করা ছেলেও পাবেন ।
মিডে ভালো মার্কস পেয়েও বেকার পাবলিকিয়ান যেমন পাবেন ,আবার কম টেনেটুনে গ্রেস মার্ক নিয়ে মিডে পাশ করে শাইন করা পাবলিকিয়ান ছেলেমমেয়েও পাবেন ।
এখানে এক রাত পড়াশুনা করে টেনেটুনে পাশ করা ছেলে যেমন আছে , একইভাবে সারা বছর পড়াশুনা করে অনার্স মার্ক পাওয়া স্টুডেন্টও আছে ।
মেকাপের আস্তরনে ঢাকা পটের বিবিও যেমন আছে ,একই সাথে ঘামে ভেজা সংগ্রামী মেয়েও পাবেন ।
এইটা ভার্সিটি ।
এখানে কেউ কারো ""বস"" নয় । এখানে সবাই একেকটা ""বস "" । এখানে প্রতিটা ছেলে মেয়ে একেকটা ক্রিয়েটর ।
এখানে স্বপ্ন তৈরি হয় না । এখানে স্বপ্নের স্রষ্টা তৈরি হয় । প্রতিটা স্টুডেন্ট তার জায়গা থেকে একেকজন বড় মাপের ড্রিমার ।
বগিতে ড্রাম বাজানো ছেলেটা
কিংবা টিউশনে গিয়ে বেতন না পেয়ে ঠকে যাওয়া মানুষটাকে তাই কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না ।
কারন এরা ভার্সিটি স্টুডেন্ট ।"