Ragib Rayhan

Ragib Rayhan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ragib Rayhan, Digital creator, modina market, Sylhet.

21/02/2026

ইনকিলাব জিন্দাবাদ

21/02/2026

ما شاء الله
بارك الله في صوته

ফুলটাইম মা হওয়াই সবচে বড় এবং শ্রেষ্ঠ ক্যারিয়ার "আমাদের বাড়িতে নিচ তলায় একজন ভাড়াটিয়া আছে যারা নাকি হাসবেন্ড ওয়াইফ দুজনে...
24/06/2025

ফুলটাইম মা হওয়াই সবচে বড় এবং শ্রেষ্ঠ ক্যারিয়ার

"আমাদের বাড়িতে নিচ তলায় একজন ভাড়াটিয়া আছে যারা নাকি হাসবেন্ড ওয়াইফ দুজনেই চাকরি করে। তাদের দুজন বাচ্চা একজন ছেলে আরেকজন মেয়ে। ওরা দুই ভাই বোন বাসায় একা থাকে সারাদিন।আমি প্রতিদিন ক্যামেরায় ওদের দেখি মূলত ওদের আমি ফলো করি। গেইট দিয়ে আবার বের হয়ে যায় নাকি। ওরা সারাদিন আমাদের বাসার এই গ্যারেজেই বেশিরভাগ সময় থাকে। দুই ভাইবোন খেলে আবার গেইট ধরে অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে ,আবার সিড়িতে বসে থাকে আবার রুমে যায় আবার আসে। এমন করে ওদের সারাটা দিন কাটে। আমি সারাদিন কাজ করি আর একটু পর পর ওদের দেখি মনিটরে। আমার খুব খারাপ লাগে ওদের জন্য সারাটাদিন কিভাবে একা পাড় করে দুটো বাচ্চা। বোনটা ছোট মাঝে মধ্যে কান্না করে তখন আবার ভাইটা কোলে নেয় বোনকে। হয়তো এই শহরে টিকে থাকার জন্য বাবা মায়ের দুজনের কাজ করতে হয়। এই শহরে আসলে টিকে থাকাও একটা লড়াই।এই জন্য চাইলেও হয়তো মা টা বাসায় বাচ্চা নিয়ে থাকতে পারছে না।

ঠিক এই কারনের জন্য নিজের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা না করে আমি ফুল টাইম মাদার হওয়ার ডিসিশন নিয়েছিলাম। পড়াশোনা শেষ করে যখন দেখলাম আমার সাথের প্রায় সব বান্ধবীরা চাকরি ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছে।ঠিক তখন আমি হয়ে গেলাম একজন ফুল টাইম মাদার। আমার মনে হয়েছিল ক্যারিয়ারের চাইতে আমার জীবনে এখন আমার বাচ্চা বেশি জরুরি।সবাই আমাকে বলেছে এত পড়াশোনা করলা এখন কিছু একটা করো। হাসবেন্ড এর থেকে টাকা চেয়ে নিয়ে শখ পুরন করার চাইতে নিজে কিছু করা ভালো না। আমি সবাইকে একটাই উত্তর দিয়েছি না আমি মা হতে চাই আমার ক্যারিয়ার লাগবে না।

এই যে আমার বাচ্চার ছোটবেলার সময়টা আর জীবনে ফিরে আসবে না। বড় হলে ওর আলাদা জগৎ হবে তখন ওর এতটা মায়ের দরকার হবে না। কিন্তু এখন ও এক সেকেন্ড মা ছাড়া থাকতে পারবে না। কয়েক মাস আগেও আমার শ্বশুর বেশ অপমান জনক ভাবে আমাকে বলেছিল পড়াশোনা করে জীবনে কি করছো কয়েক টাকাতো ইনকাম করতে পারো নাই। আমি চুপ হয়ে কোনো উত্তর দেইনি কারন সে আমার স্বামীর বাবা আর আমার শিক্ষায় তাকে উওর দেয়া চলে না। হয়তো অন্য মানুষ হলে আমি দারুন একটি উত্তর দিয়ে দিতাম। যাইহোক এমন আরও হাজার হাজার বার আমি শুনেছি একটা জব করতে পারলাম না কি করলাম জীবনে আমি। আমি যা করেছি তা শুধু আমি জানি।

আমি না খেয়ে বাচ্চা সামলেছি ,রাতে না ঘুমিয়ে বাচ্চা পেলেছি ,কুলে নিয়ে রান্না করেছি ,খেতে বসে বার বার উঠেছি পটি ক্লিন করার জন্য ,দু হাত পেতে বমি ধরেছি বাচ্চার। এই যে ছোট ছোট হাত দুটো আমায় এসে জড়িয়ে ধরে সারাদিন আমার সাথে লেপটে থাকে এটাই আমার জীবনের প্রাপ্তি। আমি যদি অফিস করতাম এই বাচ্চাটাই অসহায়ের মত তাকিয়ে থাকতো কখন আমি আসবো ,সঠিক টাইম গোসল করতো না ,হয়তো ময়লা জামা পড়তো বিনিময়ে আমি মাস শেষে কিছু টাকা পেতাম এইতো! যে সব মায়েরা বাচ্চা রেখে জব করে তাদের আমি অনেক সম্মান করি ,নিজের বাচ্চা বুক থেকে রেখে যেয়ে জব করা মুখের কথা না।

হ্যাঁ আমার বাচ্চা একদিন বড় হবে আলাদা জগৎ ,বিয়ে করবে সংসার করবে হয়তো এই গুলো মনেও থাকবে না ওর কিন্তু আমি যে ওকে আমার জীবনের পুরোটা সময় দিয়ে বড় করে তুলেছি এটাই আমার জীবনের এচিভমেন্ট।তার জন্য হয়তো দিন শেষে ইনকাম করিনা স্বামীর থেকে চেয়ে নিতে হয়। আমি এটা স্বেচ্ছায় বেছে নিয়েছি। কারন আমি মা হতে চেয়েছিলাম ক্যারিয়ার চাইনি"
(কপি)

সালাফিদের বড় একটা অংশ আমাদের পবিত্র ভূমির সংগ্রা°মী ভাইদের খা/রে/জি ও জ/°ঙ্গি মনে করে। কথাটা কিন্তু বাস্তব।তাদের এই চিন্...
07/04/2025

সালাফিদের বড় একটা অংশ আমাদের পবিত্র ভূমির সংগ্রা°মী ভাইদের খা/রে/জি ও জ/°ঙ্গি মনে করে। কথাটা কিন্তু বাস্তব।

তাদের এই চিন্তাধারার ছাপ আপনি দে°শীয় কিছু আহলে হাদিসের মাঝেও দেখতে পাবেন।

আফ'সোসের বিষয় হলো, সালাফি নামধারী লোকদের মধ্যে Ya হুদীদের প্রকৃত এজেন্ট পর্যন্ত আছে। অবাক হচ্ছেন? ছবির লোকটা এমনই একজন।

ভদ্রলোকের নাম নুর দাহরি (Noor Dahri)
ইনি একজন পাকি°স্তানি বংশোদ্ভূত। বর্তমানে ইস/রাইলের নাগরিক।
আকিদা : সালাফি।
মাযহাব : লামাজহাবি।
তিনি মুসলিম টেরো/রিজ/মের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। 'ই/জ/রাইল টাইমস' ও 'জেরু/জালে/ম অনলাইন'—এ নিয়মিত লেখালেখি করেন।

তার একমাত্র লক্ষ্য- পৃথিবীর সকল মুসলিম দেশগুলোকে ইস/রাইলের সাথে সম্পর্ক জুড়ে দেওয়া।

পুরস্কার : ইস/রাইলের সিটিজেনশীপ। বিশাল অংকের ব্যাংক ব্যালেন্স। ইনিই সেই ব্যক্তি, যিনি ইস/রাইলের ছত্রছায়ায় পবিত্র কুর°আনকে বিকৃত করেছেন এবং তার নাম দিয়েছেন 'ফুরকানুল হক'। Marketing Terr°orism বইয়ের সম্পাদক তিনি।

06/04/2025

এটার খুব খুব দরকার ছিল। দারুণ একটা কাজ হয়েছে। এরকম কাজ আরো বেশি বেশি হওয়া দরকার। এই ভিডিওটা সবাই দ্রুত ছড়িয়ে দিন।

Video Credit = Nasir Tamzid Official

শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু------------------------------------------মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী------------------...
01/02/2025

শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু

------------------------------------------
মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী
------------------------------------------
বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে শিশুদেরকে প্রহার করা জায়িয নয়। হাত দিয়ে মৃদুভাবে শাসন করা যায়। কিন্তু তা-ও একসাথে তিনবারের বেশী জায়িয নয়।

এ ব্যাপারে হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে–

قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني

হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

তেমনি ফাতওয়ার কিতাবে এরকমই বলা হয়েছে। দেখুন, হাশিয়া-ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতারের ইবারত–

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)

“দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–” بید“ (শিষ্টাচারের জন্য মা-বাবা সন্তানদেরকে হাত দ্বারা মামুলীভাবে প্রহার করতে পারেন,) এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হলো– সেটা তিনের বেশী হতে পারবে না। তেমনি শিক্ষকের জন্য জায়িয হবে না তিনবারকে অতিক্রম করা। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” এ হাদীসটি ইসমাঈল (রহ.) আল্লামা আস্তুরুশনী (রহ.)-এর “আহকামুস সিগার” কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ হাদীসের বাহ্যত নির্দেশনা হলো–নামায ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রেও বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করা যাবে না। এভাবে দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–”لا بخشبة“ (লাঠির দ্বারা নয়।) এখানে লাঠি বলতে ব্যাপক মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তাই লাঠি বা দোররা ইত্যাদি যে কোন জিনিস দ্বারা প্রহার করা নিষিদ্ধ হবে। (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা)

সেই সাথে এ ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতওয়া রয়েছে। তার লিঙ্ক নিম্নে প্রদত্ত হলো–

https://darulifta-deoband.com/home/ur/others/156983

দেওবন্দের উক্ত ফাতওয়ার অনুবাদ নিম্নে প্রদত্ত হলো--

শিরোনাম : ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়?

প্রশ্ন--১ :
----------

তালিবে ইলমীর যমানায় দেখতাম, আমাদের শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদেরকে খুব পেটাতেন। চামড়ার বেল্ট, হিটারের তার ও বেত দ্বারা প্রহার করতেন। আর এ ব্যাপারে বলতেন--শরীরের যেখানে উস্তাযের আঘাত লাগে, সেই স্থানে দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ কথা কতটুকু সঠিক?

২ :-
----

ছাত্রদেরকে এভাবে যবরদস্তি করে পিটিয়ে অথবা জিঞ্জিরে বেঁধে শাস্তি দেয়া (ঐ ইলম শেখানোর জন্য যা ফরজে কিফায়াহ)--এটা কি জায়িয হবে?

উল্লিখিত প্রশ্ন দু’টির দলীল-প্রমাণ ও বিচার-বিবেচনাভিত্তিক জবাব প্রদান করে বাধিত করে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করবেন। এটা বড় ইহসান হবে।

দারুল উলূম দেওবন্দের উত্তর :--
-------------------------------

بسم الله الرحمن الرحيم

কুরআন, হাদীস ও নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে আমরা এ কথা পাইনি যে, ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। বরংহযরত নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন--

إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک

“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

ফিকাশাস্ত্রবিদগণ এই হাদীসের আলোকে বলেছেন, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার জন্য উস্তাদ হাত দ্বারা হালকা-মোলায়েমভাবে বাচ্চাদেরকে মারতে পারবেন। কিন্তু এক‌ সময়ে তিনবারের বেশি মারবেন না এবং বেত, লাঠি, ডান্ডা, কোড়া ও চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে কখনো মারবেন না। শরীয়তে তার অনুমতি নেই। চাই সেটা ফরজে আইনের ইলম হোক বা ফরজে কিফায়াহ পর্যায়ের ইলম হোক। তেমনিভাবে মা-বাবাও শিষ্টাচারিতার জন্য সন্তানদেরকে শুধু হাত দ্বারা হালকা-পাতলা শাসন করতে পারেন। কিন্তু বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে মারতে পারবেন না।

সুতরাং মক্তব ও মাদরাসাসমূহের কিছু উস্তায যে ছাত্রদেরকে জিঞ্জিরে বেঁধে নির্দয়ভাবে মারেন, অথবা বেত, লাঠি, চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে মারা কিছুতেই জায়িয হবে না। উস্তাযগণের জন্য এত্থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র স্নেহ ও মহব্বতের মাধ্যমে তা‘লীম দেয়া কর্তব্য। অথবা হালকা-পাতলা-মামুলী প্রহার বা শাসনের উপর ক্ষান্ত করা উচিত।

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)۔

واللہ تعالیٰ اعلم

দারুল ইফতা
দারুল উলূম দেওবন্দ।
ফাতওয়া নং : 305-325/N=4/1439

22/12/2024

একজন মুসলিম বোনের টাইম লাইন থেকে কপি করলাম।
পড়ে সত্যি অনেক খারাপ লাগলো। বিশ্বাস হয়না এটাই যে আমার দেশে, ৯০% মুসলমানের দেশ।

আমি সাধারণ জেনারেল এ পড়ুয়া একজন। খুবই স্বাভাবিক life style লিড করি। 8 বছর যাবত বোরখা পরি, তবে গত 3/4 বছর যাবত নিকাব পড়ি আলহামদুলিল্লাহ, আস্তে আস্তে নিজেকে পরিবর্তন করতে চাচ্ছি। এখন এসে বুঝতে পারছি যে নিছের এই হাদিস টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তব 🥹। গত 6/7 মাস যাবত চাকরির জন্য চেষ্টা করছি, যোগ্যতা নেই এমন না, বিষয় হলো আমি নিকাবি🥲। নিকাব পারে কাজ করতে চাই এতেই চাকরি হচ্ছে না। নিকাব পরলে নাকি ক্লায়েন্ট সেটিস্ফাইড হবে না, আসলেই কি তাই?? তাহলে আমরা কেনো বলছি যে আমাদের দেশটা মুসলিম প্রধান দেশ? যেখানে মুসলিম এর ধর্মিয় পোশাক পরে কাজ করতে বাধা, যে দেশে ডিরেক্ট একটা মেয়েকে তার মুখের উপর বলা হয় যে, কাজ করতে হলে আপনাকে নিকাব খুলতে হবে(আস্তাগফিরুল্লাহ)।

কতা গুলো বানুয়াট না এই কতা গুলো আমরা নিজের ফেইস করা। আজও এক জায়গায় গিয়েছিলাম ইন্টারভিউ এর জন্য। প্রথমেই আমাকে বলা হয়, আপনার নিকাবটা কি খুলা যাবে,? ( এই জিনিসটা মানলাম যে যেহেতু চিলা জানার একটা বিষয় আছে। আসলে সিভি এর মানুষ আর বাস্তব মানুষ এক কিনা যাচাই-বাছাই করার জন্য)।

তারপর আমাকে আমার এডুকেশনাল কুয়ালিফিকেশন জিজ্ঞেস করা হলো, আমার IELTS এর কোন পার্ট এ কত মার্ক এন তেন এই আরকি।।।। এক পর্যায়ে বললো যে, সব-ই ঠিক আছে কিন্তু তোমাকে নিকাব খুলতে হবে, নিকাব পরে কাজ করা যাবে না। এতে করে ক্লায়েন্ট ইতস্তত হবে😊😊।

এতে আমার মনে প্রশ্ন জাগে এই ক্লায়েন্ট গুলো কি আমাদের মুসলিম রাষ্ট্রের নাকি পশ্চিমা থেকে আসা কেউ?

এখান থেকে আরেকটা কথা মনে পরল। আমারই দুই পরিচিত মানুষ একজন usa থাকেন আর একজন আমার ফ্রেন্ড যে uk থাকে। তারা যদি খ্রিস্টান দেশে থেকে ধর্মিয় পোশাক (বোরকা, নিকাব)পরে কাজ করার স্বাধীনতা পায় তাহলে আমরা মুসলিম দেশে কেনো আমি পারবো না??

আফসোস এইগুলোও দেখা কেউ নেই, বলার কেউ নেই। বিষয় গুলো দেখে খুব কষ্ট লাগে। এই নিয়ে তৃতীয় বারের মতো বিষয়টা ফেইস করলাম😓😓😓।

আমার ভাবতেই খারাপ লাগে যে, একজন মুসলিম হয়ে কিভাবে অন্য মুসলিম মেয়েকে এই ধরনের প্রস্তাব দেয়। এদের কি একটুও আল্লাহর ভয় হয় না?? বুক কাপে না?

আল্লাহ এদের কে হেদায়েত দান করুন, (আমীন)

Address

Modina Market
Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ragib Rayhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share