23/09/2026
ছাত্রলীগ কর্মী শেখ আহাদ আহমেদ ইতুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক ও প্রতিবাদ
বাগেরহাট জেলাধীন রামপাল উপজেলার রামপাল উপজেলার ১০নং বাঁশতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী ও সংগঠক শেখ আহাদ আহমেদ ইতুকে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর তারিখে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মীরা ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এত হত্যা, এত লাশ; এত শোক- বাংলাদেশ সইবে কেমন করে?
শুধু তাই নয়, নিহতের পিতা ফরিদুজ্জামান বয়াতি এবং মাতা নাজমা বেগমকেও আঘাত করে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি, শেখ আহাদ আহমেদ ইতুর পরিবারের মালিকানাধীন জমি সরকারী দলের নেতাকর্মীরা দখল করে এলাকা থেকে উচ্ছেদ করতে চায়, আগেও একাধিকবার চেষ্টা করেছে; কিন্তু পারেনি। শুধু আওয়ামী লীগের সমর্থক পরিবার, এবং মাত্র ২৪ বছর বয়সী সন্তান ছাত্রলীগের কর্মী হওয়ায় এই হামলা ও নিহত-আহতের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ-কোন বাংলাদেশ, যেখানে স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই? এই প্রশ্ন আমি দেশবাসীর কাছে রাখলাম।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট থেকে শেখ আহাদ আহমেদ ইতুর মতো ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ এবং আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে। এমনকি কারাগারেও নির্যাতন করে হত্যা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে নাৎসি ইউনূসের ধারাবাহিকতায় পাতানো নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সংসদীয় স্বৈরাচারী সরকারও একই পথ অবলম্বন করছে। আজ দেশে বিচারের বাণীও নিভৃতে কাঁদছে। হত্যাকারীরা ভুলে যাবেন না, এভাবে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করা যাবে না।
এহেন নির্মম হত্যাকাণ্ডে শোক জানানোর ভাষা নেই, তবুও আমি গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার গভীর সহানুভূতি জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।
আমি বিশ্বাস করি, শহীদ শেখ আহাদ আহমেদ ইতু-দের মতো অগণিত শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। আমরা একটি নিরাপদ ও সহাবস্থানের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি এবং এই লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েই ঘরে ফিরবো। সে-দিন বেশি দূরে নয়, যেদিন শেখ আহাদ আহমেদ ইতুর মতো সকল হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার বাংলার মাটিতেই হবে। ইনশাল্লাহ।
আমি শহীদ শেখ আহাদ আহমেদ ইতুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।