29/10/2025
১৮ বছরের রোজ যখন ৩২ বছরের বয়সের মাফিয়া ডনকে নিজের কন্ট্রোলে রাখে।
রোজ এবার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। রোজার বাবা জায়ান তিহার একজন বড় মাফিয়া ডন যার কারণে তার অনেক পরিচিত এবং অপরিচিত শত্রু আছে এদের মধ্যে জয়ান তিহারে সবচেয়ে কাছের বন্ধু আরিফ।
রোজার বয়স যখন পাঁচ বছর তখন জায়ান তিহারে বন্ধু আরিফ বেইমানি করে। রোজার মাকে মেরে ফেলে জায়ান তিহার যখন জানতে পারে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু আরিফ তার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে। তখন জয়ান তিহার স্ত্রী মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আরিফের পুরো পরিবারকে মেরে ফেলো।
রোজের বাবা জায়ান তিহার ছোটবেলা থেকেই মেয়েকে অনেক বেশি ভালোবাসতো। মেয়ের প্রত্যেকটা ইচ্ছা পূরণ করতো জায়ান তিহার। রোজের প্রাপ্ত বয়স হওয়ার আগেই রোজের পার্সোনাল বাড়ি গাড়ি ছিলো। কিন্তু রোজের বাবা জায়ান তিহার সব সময় চাইতো রোজ তার সাথেও লন্ডনে থাকুক। কিন্তু রোজ চাইতো বাবার থেকে একটু দূরে থেকে নিজের মতো করে বাঁচতে। যার কারনে রোজ বাংলাদেশের থাকতো জয়ান তিহার লন্ডন থেকে মেয়ের প্রত্যেকটা পদক্ষেপের উপর নজর রাখতে। যাতে রোজকে কেউ কোনো ক্ষতি করতে না পারে।
রোজের মাস একজন রাশিয়ান মেয়ে ছিলো। জয়ান তিহার রাশিয়া একজন মাফিয়ার সাথে দেখা করতে যায়। তখন জয়ান তিহার একটা মেয়েকে বন্ধু অবস্থায় দেখে। জয়ান তিহার বন্দী মেয়েটার বিষয় জিজ্ঞাসা করে জানতে পারে। মেয়েটার নাম এলি এলির বড় ভাই একজন মাফিয়া এলির ভাই এর থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এলে কি এখানে বন্দী করে রেখেছে। এদিকে প্রথম দেখায় জায়ান তিহারে অনেক ভালো লাগে। যার কারনে এলিকে নিয়ে বাংলাদেশের চলে আসে জায়ান
তিহার।
( ঘটনা চলে আসে বর্তমানে )
সারারাত বন্ধুদের সাথে পার্টি করে এসে। যার কারণে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে ঘড়িতে সকাল দশটা বাজে। ঘুম ঘুম চোখের রোজ মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখে বন্ধুরা অনেকবার কল দিয়েছে তাকে। রোজ ব্যাট থেকে উঠে ওয়াশ রুম গিয়ে ফ্রেশ হয়ে একদম কলেজের জন্য রেডি হয়ে রোজ নিচে নেমে এলো। রোজের চোখে পড়লো ডাইনিং টেবিলের উপর। কেয়ারটেকার রোজের জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি করে রেখেছে ডাইনিং টেবিলের উপরে।
রোজ ব্রেকফাস্ট না করে বাইকের চাবি নিয়ে বাইকে করে সোজা কলেজের দিকে রওনা দিলো। রোজ তার নিজের বাড়িতে একলা থাকে, যার কারণে রোজকে ডাক দেওয়ার মতো কেউ নেই। শুধু বাড়িতে কিছু কাজের লোক রয়েছে যারা।