HelloSylhet24.com

HelloSylhet24.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HelloSylhet24.com, Media/News Company, Sylhet.

"Metabolism" নিয়ে অত্যন্ত সহজ সরল ভাবে লেখার চেষ্টা করেছি:যার জীবন আছে, সেই জীবের দেহে সংঘটিত সকল রাসায়নিক প্রক্রিয়া, ...
27/03/2025

"Metabolism" নিয়ে অত্যন্ত সহজ সরল ভাবে লেখার চেষ্টা করেছি:

যার জীবন আছে, সেই জীবের দেহে সংঘটিত সকল রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে খাদ্য ও পানীয়কে শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, এই শক্তি শরীরকে সচল রাখতে, কোষ গঠন ও মেরামত করতে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও মেটাবলিজম হলো কেমিকেল ইঞ্জিন ও সিস্টেম যা আমাদেরকে জীবন্ত রাখে।

💠মেটাবলিজম শরীরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাই, মেটাবলিজম সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা এবং এর যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।

📕Metabolism প্রধানত দুই প্রকারের:
১. Analysis or catabolism: যা জৈব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত করে।
২. Synthesis or anabolism: যা অসংখ্য ক্ষুদ্র অংশকে সংযুক্ত করে বৃহৎ অংশ গঠন করে।

📕 মেটাবলিসমের উদ্দেশ্য, প্রয়োজনীয়তা ও কিভাবে আমাদের শরীরে কাজ করে:
👉খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা।
👉খাবার থেকে পাওয়া কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিণত হয়।
👉এই উপাদানগুলো রক্তপ্রবাহে মিশে কোষে পৌঁছায়।
👉কোষের মধ্যে, এই উপাদানগুলো অক্সিজেনের সাথে মিশে শক্তি উৎপন্ন করে।
👉উৎপন্ন শক্তি শরীর বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে, যেমন: শ্বাস-প্রশ্বাস, রক্ত সঞ্চালন, পেশী সংকোচন, কোষ বৃদ্ধি ও মেরামত।
👉প্রোটিন, লিপিড, নিউক্লিক এসিড ও কিছু শর্করা ধরনের খাদ্যকে দেহ গঠনের ব্লকে পরিবর্তিত করা।
👉দেহ থেকে টক্সিক ও নাইট্রোজেন ধরনের উপাদানকে বর্জ্য হিসাবে অপসারিত করা।
👉এর কারণে প্রাণিদেহ টিকে থাকে ও বেড়ে ওঠে। দেহের গঠন ঠিক থাকে, পুনরুৎপাদনে সক্ষম হয় এবং পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
👉 যার মেটাবলিজম যত দ্রুত বা গতিশীল হবে, তার শরীর তত বেশি ক্যালরি হজম বা বার্ন করে শক্তি অর্জন করার উপযোগি হবে।

📕মেটাবলিজম বিভিন্ন রকমের হওয়ার কারণসমূহ:
👉বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়।
👉লিঙ্গ: পুরুষদের মেটাবলিজম সাধারণত মহিলাদের চেয়ে দ্রুত হয়।
👉পেশীর পরিমাণ: বেশি পেশী থাকলে মেটাবলিজম দ্রুত হয়।
👉হরমোন: থাইরয়েড হরমোন মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
👉বংশগতি: কিছু মানুষের মেটাবলিজম বংশগতভাবে দ্রুত বা ধীর হতে পারে।
👉পর্যাপ্ত ঘুম: অপর্যাপ্ত ঘুম আপনার মেটাবলিজমকে ধীর করে দিতে পারে।
👉অতিরিক্ত স্ট্রেস: স্ট্রেস মেটাবলিজমকে ধীর করে দিতে পারে।
👉 লাইফস্টাইল ও পরিবেশ: সর্বোপরি পরিবেশ ও জীবন যাপনের স্টাইলের উপর মেটাবলিজম কম-বেশি নির্ভর করে।

📕মেটাবলিজম বাড়ানোর উপায়:
👉নিয়মিত ব্যায়াম: বিশেষ করে পেশী তৈরির ব্যায়াম মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।
👉পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ: প্রোটিন হজম করতে শরীরের বেশি শক্তি লাগে, যা মেটাবলিজম বাড়ায়।
👉পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা: পানি বিপাকক্রিয়ার জন্য খুবই জরুরি।
👉পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো: প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
👉স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: ফল, সবজি, শস্য এবং প্রোটিন ও ভালো ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
👉 প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকা খাওয়া ও চলাফেরা করা।
👉 পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখা।
👉 নিয়মিত সূর্যের আলো উপভোগ করা এবং ভিটামিন ডি লেভেল ঠিক রাখা।
👉 মানসিক ও আত্মিক শান্তি নিশ্চিত করা।
👉 সর্বোপরি সঠিক সুস্থ সুন্দর লাইফস্টাইল মেনে চলা।

📕মেটাবলিক রেট নিয়ন্ত্রণ করে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা:
মেটাবলিজম হল আমাদের শরীরের কেমিকেল ইঞ্জিন যা আমাদেরকে জীবন্ত রাখে। মেটাবলিজমের গতি একেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। যাদের মেটাবলিজমের গতি কম তাদের শেষ ভাগের জ্বালানি (ক্যালরি) চর্বি হিসেবে শরীরে জমা হতে থাকে। অন্যদিকে, যাদের মেটাবলিজম গতি বেশি, তারা বেশি পরিমাণ ক্যালরি বার্ন করতে পারে এবং তাদের শরীরে চর্বি জমার সম্ভাবনা কম থাকে। এই কারণেই কিছু মানুষকে দেখা যায়, যারা প্রচুর খাদ্য গ্রহন করতে পারে, অথচ তাদের শরীরে কোন চর্বি জমা হয় না। অন্যদিকে কম খাওয়ার পরও অনেককে মোটা হতে দেখা যায়।

তাই সুস্থ সঠিক লাইফস্টাইল ও সঠিক জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুসরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের মেটাবলিক সিস্টেম নিয়ন্ত্রন করে সুন্দর জীবন ও সুস্বাস্থ্য উপভোগ এবং রোগ হীন জীবন যাপন করার জন্য নিয়ত করি ও আস্তে আস্তে চেষ্টা করি✅💚


কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা নিন এই ১০ এআই টুলেরJasperঈদের ছুটি এবার টানা ৯ দিনের । এই লম্বা ছুটিতে সময় কাটানোর ভালো উপায় সা...
26/03/2025

কনটেন্ট তৈরিতে সহায়তা নিন এই ১০ এআই টুলের
Jasper
ঈদের ছুটি এবার টানা ৯ দিনের । এই লম্বা ছুটিতে সময় কাটানোর ভালো উপায় সামাজিক মাধ্যমের জন্য বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করা । আর এখন প্রায় সব সামাজিক মাধ্যম থেকে আয় - রোজগারেরও সুযোগ রয়েছে । অনেকে মনে করেন , ভিডিও , অডিও কিংবা ডিজাইন কনটেন্ট তৈরি করা বেশ কঠিন কাজ । সেটা একসময় ছিল বটে ; কিন্তু এখন অনেক ধরনের এআই টুলস থাকায় বিষয়গুলো খুব সহজ । সে রকম ১০ এআই টুলস নিয়ে লিখেছেন মোস্তাফিজ মিঠু ।

অওলি রাইটার হুটস্যুট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ১৪ বছরের গবেষণার ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে অওলি রাইটার । এই এআই টুল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের স্ক্রিপ্টের কাজ সহজ এবং আরও সৃজনশীল করে তুলবে । টুলটি ব্যবহারকারীদের ব্লগ পোস্ট , সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট , ই - মেইল , নিউজ লেটার এবং আরও নানা ধরনের লেখার জন্য বেশ কাজে দেয় । এর মূল বৈশিষ্ট্য , এতে বিভিন্ন ভাষার ব্যবহার রয়েছে । ফলে আন্তর্জাতিক কনটেন্ট তৈরি করার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী ।

ক্যানভা

অত্যন্ত জনপ্রিয় ডিজাইন টুল ক্যানভা । এটি ব্যবহারকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট , প্রেজেন্টেশন , ডকুমেন্ট ডিজাইন এবং আরও অনেক কিছু তৈরিতে সহায়তা করে । ক্যানভার ম্যাজিক ডিজাইন ফিচারের মাধ্যমে সহজে এবং দ্রুত ডিজাইন টেমপ্লেট তৈরি করা যায় । এ ছাড়া পুরোনো কনটেন্টকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপনে সাহায্য করে এটি । চ্যাটজিপিটি কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য চ্যাটজিপিটি বর্তমান সময়ের অন্যতম এআই টুল । এই চ্যাটবট এআই

b .

invideo

Canva

ChatGPT

* Claude

MIDJOURNEY AI ART

beautiful.ai

অনেকটা মানুষের মতো কনটেন্ট তৈরি করতে পারে । এটি দ্রুত নতুন আইডিয়া তৈরি করার মধ্য দিয়ে লেখাকে আরও ভালোভাবে সাজাতে সাহায্য করে । কনটেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসইও ঠিক করে দেয় । এতে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব হয় । এ ছাড়া লেখা কিংবা ভাষার ধরন ও ভঙ্গি পরিবর্তন করতে পারে । এই চ্যাটবট এখন আরও উন্নত হওয়ায় বিভিন্ন ছবিও তৈরি করা যাচ্ছে ।

ইনভিডিও

ভিডিও তৈরি করতে চাইলে ইনভিডিও হতে পারে দারুণ এক এআই টুল । বিভিন্ন নির্দেশনার মাধ্যমে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও তৈরি করে দিতে পারে । যারা ছোট পরিসরে কনটেন্ট তৈরি করে , তাদের জন্য বেশ উপকারী এই এআই টল । ইনভিডিও দিয়ে তৈরি করা ভিডিওতে পরবর্তী সময়ে লেখা , ছবি , অডিও ইত্যাদি যোগ করা যায় । এর মাধ্যমে ভিডিওটি আরও বেশি আকর্ষণীয় এবং ব্র্যান্ডিংয়ের উপযোগী হয়ে ওঠে । The Great Bangladesh

ক্লড

এনথ্রোপিক প্রতিষ্ঠানের তৈরি ক্লড এআই টুল কোডিং তৈরিতে দক্ষ । তাই এটি ওয়েব ডেভেলপারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় । নতুন আইডিয়া তৈরি করা ছাড়াও ক্লড ভিডিও এবং পডকাস্টের অডিও থেকে টেক্সট তৈরি করে দিতে

কনটেন্ট

All Presentations

Created by M

< Shared With Me

BY HOLDERS

copy.ai

CREATED BY ME

( 8 )

Al

descript

Project Manageme

Marketing Campaign

anagement Presentation Templat ...

Brand campaign des

arterly Review

Social Media Strategy Presentation

www.DREAMANART.COM

Project Report

Social Media Strategy Presentation

We Put

Strategy entation

People First .

পারে । সে কারণে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য এটি খুবই সময় সাশ্রয়ী এবং সুবিধাজনক টুল । এ ছাড়া যেকোনো জটিল বিষয় সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারে ক্লড এআই ।

মিডজার্নি

এটি গ্রাফিকস জেনারেশন অ্যাপ । ফলে মোবাইল থেকেও খুব সহজে এটি ব্যবহার করা যায় । ব্যবহারকারীদের পছন্দমতো আর্টওয়ার্ক এটি তৈরি করতে পারে । এই টুল ব্যবহার করে সহজে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট , ব্যানার বা ক্যাম্পেইন গ্রাফিকস তৈরি করা যায় । ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পেজ কিংবা প্রোফাইল আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে । এটি দিয়ে প্রফেশনাল লোগো ডিজাইন করা যায় ।

জ্যাসপার

বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় টেক্সট জেনারেটর এআই টুল থাকলেও অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পছন্দ জ্যাসপার । বিশেষ করে যাঁরা শুধু স্ক্রিপ্টের দিকে

Project Report

1

Business Plan

নজর দিতে চান । কারণ , এই টুল বিশেষভাবে স্ক্রিপ্টের জন্যই তৈরি । ব্লগ আর্টিকেল , সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট , স্ক্রিপ্ট এবং আরও অনেক ধরনের কনটেন্ট তৈরি করতে সক্ষম জ্যাসপার । এ ছাড়া বিজ্ঞাপন কিংবা ক্যাম্পেইনের জন্য ইমেজ তৈরির পাশাপাশি স্ক্রিপ্ট বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করতে পারে এটি । কপি এআই

যাঁরা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে কনটেন্ট তৈরি করেন , তাঁদের জন্য বেশ উপকারী কপি এআই । ব্যবসায়িক কনটেন্ট , সেলস ও মার্কেটিং কনটেন্ট দ্রুত গুছিয়ে তৈরি করতে সাহায্য করে । সেলস পিচ , বিজ্ঞাপন , ই - মেইল ক্যাম্পেইন এবং অন্যান্য মার্কেটিং কনটেন্ট তৈরি করতে কপি এআই বেশ জনপ্রিয় । বিউটিফুল এআই যাঁদের নিয়মিত অফিস অথবা ব্যবসার জন্য প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে হয় , তাঁদের সুবিধার জন্য তৈরি হয়েছে বিউটিফুল এআই ।

প্রেজেন্টেশনের জন্য এটি স্লাইড তৈরির কাজ সহজ করে । এ ছাড়া বিউটিফুল এআই বিভিন্ন পরিসংখ্যান রিপোর্ট তৈরি করতে পারে , যার মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসার অগ্রগতি এবং কার্যক্রম বোঝানো হয় ।

ডেসক্রিপ্ট

এই এআই টুল অডিও এবং ভিডিও সম্পাদনা করতে সাহায্য করে । ডেসক্রিপ্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক মিডিয়া ফাইল সম্পাদনা করা যায় । এ ছাড়া ট্রান্সক্রিপশন তৈরি , ক্যাপশন যুক্ত করা এবং অডিও বা ভিডিওর কোনো অংশ পরিবর্তন করা যায় । ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয় এআই টুল ।

এআই কনটেন্ট ক্রিয়েশন টুলস ব্যবহার করে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে আরও সহজ ও দ্রুত করতে পারেন । এতে সময় বাঁচিয়ে , সৃজনশীল কাজে আরও সময় দেওয়া যায় ।

সূত্র : হুটস্যুট ব্লগ

সোর্স আজকের পত্রিকা

Empower your freelance journey with Dreamanart. Discover essential resources, tools, and a supportive community to thrive as a freelancer or find top talent to grow your business with Freelancers.

পায়ের তলায় তেল লাগানোর উপকারিতা১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তাঁর পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্য...
26/03/2025

পায়ের তলায় তেল লাগানোর উপকারিতা

১। একজন মহিলার নানার ৮৭ বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু তাঁর পিঠ বাঁকা হয়নি, গাঁটে ব্যথা হয়নি, মাথাব্যথা বা দাঁতের সমস্যা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, "কলকাতায় রেললাইনের কাজ করার সময় একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি আমাকে শিখিয়েছিলেন যে, ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে!"

২। একজন ছাত্র জানিয়েছে, তার মায়ের পরামর্শে সে তেল লাগানোর অভ্যাস করেছিল। তাঁর মায়ের দৃষ্টিশক্তি এক সময় কমে গিয়েছিল, কিন্তু তেল লাগানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।

৩। এক ব্যবসায়ী চিত্রালে একবার ঘুমাতে না পারায় এক বৃদ্ধ রাত্রিকালীন প্রহরী তাঁকে পায়ের তলায় তেল লাগানোর পরামর্শ দেন। ফলস্বরূপ তিনি গভীর ঘুমে ঢলে পড়েন।

৪। ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় তেল লাগালে ক্লান্তি দূর হয় এবং গভীর ঘুম আসে।

৫। আমার পেটের সমস্যাও পায়ের তলায় তেল লাগানোর মাধ্যমে দুইদিনের মধ্যে সেরে গেছে।

৬। তেল লাগানোর এই অভ্যাসে সত্যিই জাদুর মতো কাজ করে!

৭। আমি ১৫ বছর ধরে এটি করছি। আমার সন্তানদেরও পায়ের তলায় তেল লাগাই, এতে তারা সুস্থ থাকে।

৮। পায়ে ব্যথা ছিল, তেল লাগিয়ে ব্যথা দূর হয়েছে।

৯। পায়ের ফোলাভাবও মাত্র দুইদিনে কমে গেছে।

১০। এটি ঘুমের ওষুধের থেকে ভালো কাজ করে।

১১। একজন থাইরয়েড রোগী তেল লাগানোর অভ্যাসে ধীরে ধীরে সুস্থতা লাভ করেছেন।

১২। বয়স ৯০-এর এক হাকিম আমাকে বাওয়াসিরের চিকিৎসায় তেল লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। এটি শুধু বাওয়াসিরই নয়, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং শরীরের ক্লান্তিও দূর করেছে।

পদ্ধতি :
রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেল, জলপাই তেল বা যে কোনো তেল পায়ের তলায় ২-৩ মিনিট ধরে ভালোভাবে মালিশ করুন। শিশুদেরও এই অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রাচীন চীনা চিকিৎসা মতে, পায়ের নিচে প্রায় ১০০টি এক্যুপ্রেশার পয়েন্ট রয়েছে- যেগুলো মালিশের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুন।

26/03/2025

45+ AI tools to finish months of work in minutes.

1. Research

- ChatGPT
- Claude
- Copilot
- Gemini
- Abacus
- Perplexity

2. Image

- Fotor
- Dalle 3
- Stability AI
- Midjourney

3. CopyWriting

- Rytr
- Copy AI
- Writesonic
- Adcreative AI
- otio

4. Writing

- Jasper
- HIX AI
- Jenny AI
- Textblaze
- Quillbot

5. Website

- 10Web
- Durable
- Framer
- Style AI
- Landingsite

6. Video

- Klap
- Vidnoz
- Opus
- Eightify
- InVideo
- HeyGen
- Runway
- ImgCreator AI
- Morphstudio .xyz

7. Meeting

- Tldv
- Otter
- Noty AI
- Fireflies

8. SEO

- VidIQ
- Seona AI
- BlogSEO
- Keywrds ai
- Seona

9. Chatbot

- Droxy
- Chatbase
- Mutual info
- Chatsimple

10. Presentation

- Decktopus
- Slides AI
- Gamma AI
- Designs AI
- Beautiful AI
- PopAi

11. Automation

- Make
- Zapier
- Xembly
- Bardeen

12. UI/UX

- Figma
- Uizard
- UiMagic
- Photoshop

13. Design

- Canva
- Flair AI
- Clipdrop
- Autodraw
- Magician design

14. Logo Generator

- Looka
- Designs AI
- Brandmark
- Stockimg AI
- Namecheap

15. Audio

- Lovo ai
- Eleven labs
- Songburst AI
- Adobe Podcast

https://www.facebook.com/share/p/15mzT1MnFy/
09/03/2025

https://www.facebook.com/share/p/15mzT1MnFy/

ঘরে বসেই বিভিন্ন দেশের ভিসা চেক করুন:
১। তানজানিয়া www.tanzania.go.tz
২। কাতার www.moi.gov.qa/site/english
৩। কুয়েত www.moi.gov.kw
৪। পাকিস্তান www.moitt.gov.pk/
৫। সৌদি আরব www.moi.gov.sa/
৬। দুবাই/আরব আমিরাত www.moi.gov.ae
৭। মিশর www.moiegypt.gov.eg/english/
৮। বাংলাদেশ www.moi.gov.bd
৯। সাইপ্রাস http://moi.gov.cy/
১০। নেপাল http://www.moic.gov.np/
১১। আলবেনিয়া http://www.moi.gov.al/
১২। জামবিয়া http://www.moi.gov.gm/
১৩। জর্দান http://www.moi.gov.jo/
১৪। ইন্ডিয়া http://labour.nic.in/
১৫। কেনিয়া www.labour.go.ke/
১৬। ইটালী https://www.visaservices.org.in/Italy-Bangladesh-Tracking/
১৭। সিংগাপুর: www.mom.gov.sg/
সিঙ্গাপুরের ভিসা চেক করতে: http://singapore.embassyhomepage.com/
১৮। গ্রীস www.mddsz.gov.si/en
১৯। শ্রীলংকা: www.labourdept.gov.lk/
২০। দক্ষিণ আফ্রিকা www.labour.gov.za/
২১। ইরান: www.irimlsa.ir/en
২২। গানা www.ghana.gov.gh/
২৩। থাইল্যান্ড: www.mfa.go.th
২৪। বাহরাইন: www.mol.gov.bh
২৫। ভূটান www.molhr.gov.bt/
২৬। কলমবিয়া www.labour.gov.bc.ca/esb/ www.gov.bc.ca/citz
২৭। কানাডা: www.labour.gov.on.ca/english/
২৮। বারবাডোস www.labour.gov.bb/
২৯। কোরিয়া: www.moel.go.kr/english
৩০। জাপান www.mhlw.go.jp/english/
৩১। সাইপ্রাস www.mfa.gov.cy/
৩২। ভিয়েতনাম english.molisa.gov.vn/
৩৩। নিউজিল্যান্ড www.dol.govt.nz/
৩৪। নামিবিয়া www.mol.gov.na/
৩৫। মালদ্বীপ mhrys.gov.mv/
৩৬। মায়ানমার www.mol.gov.mm/
৩৭। লেবানন www.labor.gov.lb/
৩৮। পোল্যান্ড www.mpips.gov.pl/en
৩৯। ইংল্যান্ড www.ukba.homeoffice.gov.uk
৪০। বুলগেরিয়া www.mlsp.government.bg/en
৪১। আমেরিকা www.dvlottery.state.gov/ESC www.dol.gov/
৪২। স্পেন: www.mtin.es/en
৪৩। ইউক্রেইন www.mlsp.gov.ua/
৪৪। উগান্ডা www.mglsd.go.ug/
৪৫। পেলেস্তাইন www.mol.gov.ps/
৪৬। ব্রুনাই: www.labour.gov.bn/
৪৭। ইয়ামেন: www.dol.gov/
৪৮। নেদারল্যান্ড: english.szw.nl/
৪৯। জামবিয়া: www.mlss.gov.zm
৫০। অষ্ট্রেলিয়া: www.workplace.gov.au/
৫১। জিমবাবুয়ে www.dol.gov/
৫২। ফিলিফাইন: www.dole.gov.ph/
৫৩। মালয়েশিয়া: www.mohr.gov.my
৫৪। রাশিয়া: www.labour.gov.on.ca/
৫৫। ভারতীয় ভিসা আবেদন: www.indianvisaonline.gov.in/visa/
http://indianvisaonline.gov.in/visa/indianVisaReg.jsp
৫৬।UAE ভিসা চেক: http://united-arab-emirates.visahq.com/
৫৭।কানাডা : www.cic.gc.ca/english/index.asp
৫৮।ওমান : www.rop.gov.om/english/onlineservices-visastatus.asp
৫৯। ওমানের ভিসা : www.rop.gov.om/
৬০। Entry Permit চেক করার জন্য www.moi.gov.ae/
৬১। বাহরাইন www.markosweb.com/www/mol.gov.sa/
৬২। সৌদি আরব: www.saudiembassy.net/
৬৩। হাঙ্গেরী: www.huembwas.org/

**দ্য আলকেমিস্ট বই থেকে ১০টি শিক্ষা**  পাওলো কোয়েলহোর বিখ্যাত বই **"দ্য আলকেমিস্ট"** শুধুমাত্র একটি গল্প নয়, বরং জীবনের ...
29/01/2025

**দ্য আলকেমিস্ট বই থেকে ১০টি শিক্ষা**

পাওলো কোয়েলহোর বিখ্যাত বই **"দ্য আলকেমিস্ট"** শুধুমাত্র একটি গল্প নয়, বরং জীবনের গভীর শিক্ষা ও অনুপ্রেরণার এক অনন্য সৃষ্টি। এটি আমাদের স্বপ্নকে অনুসরণ করার, জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার এবং আত্ম-উন্নতির পথ প্রদর্শন করে। নিচে বইটির গুরুত্বপূর্ণ দশটি শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হলো:

# # # ১. **নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করা**
জীবনে সফল হতে হলে অবশ্যই নিজের স্বপ্নকে অনুসরণ করতে হবে। বইয়ের প্রধান চরিত্র সান্তিয়াগো তার স্বপ্নপূরণে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তবুও সে নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি। এতে বোঝা যায়, স্বাচ্ছন্দ্য ছেড়ে বেরিয়ে আসা এবং সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া জীবনের আসল সাফল্যের চাবিকাঠি।

# # # ২. **হৃদয়ের কথা শোনা**
বইটি শেখায়, নিজের হৃদয়ের কথাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। চলার পথে অন্যদের পরামর্শ মূল্যবান হতে পারে, তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের মনের কথা শুনতে হবে। কারণ, নিজের হৃদয়ই জানে প্রকৃতপক্ষে কী চাই।

# # # ৩. **আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে বাস্তবতা মেলানো**
আধ্যাত্মিকতা ও বাস্তবতার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারলে জীবনের অর্থ আরও গভীর হয়। বইটি মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর অনেক বড় অর্জন সম্ভব হয়েছে কারণ মানুষ নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করেছে এবং আধ্যাত্মিক চিন্তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে।

# # # ৪. **ভয়কে জয় করা**
ভয় মানুষের উন্নতির প্রধান বাধা। সান্তিয়াগোর যাত্রায় দেখা যায়, ভয়কে জয় করেই জীবনের লক্ষ্য পূরণ সম্ভব। ব্যর্থতার ভয়কে পিছনে ফেলে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা বইটি খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করে।

# # # ৫. **অধ্যবসায়ের শক্তি**
সাফল্যের জন্য অধ্যবসায় অপরিহার্য। সান্তিয়াগোর অটল অধ্যবসায় ও ধৈর্য তাকে তার স্বপ্নের ধনভাণ্ডার পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছে। জীবনে কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে হলে স্থির লক্ষ্য নিয়ে বারবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

# # # ৬. **ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া**
ভুল হওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়। বরং প্রতিটি ভুল শেখার একটি সুযোগ। সান্তিয়াগো তার ভুলগুলোকে শিক্ষায় পরিণত করে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে গেছে। বইটি শেখায়, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া স্বপ্নপূরণের পথে একটি বড় ধাপ।

# # # ৭. **সত্যকে গ্রহণ করা**
সত্য যত কঠিনই হোক, সেটিকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা থাকা উচিত। বইটির ভাষায়, "সত্যিকারের কোনো কিছু কখনো হারিয়ে যায় না।" সত্যের মুখোমুখি হওয়া আমাদের জীবনের উন্নতিতে সাহায্য করে।

# # # ৮. **ভালোবাসার শক্তি**
ভালোবাসা শুধু আবেগ নয়, এটি স্বপ্নপূরণে প্রেরণা জোগাতে পারে। সান্তিয়াগো ও ফাতিমার ভালোবাসা তাদের স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছে। সঠিক মানুষের ভালোবাসা জীবনের বড় লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

# # # ৯. **বর্তমানে বাঁচা**
অনেক সময় আমরা ভবিষ্যতের চিন্তায় বর্তমানকে উপেক্ষা করি। অথচ সুখী হতে হলে বর্তমানকে উপভোগ করতে হবে। জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য বর্তমানের মুহূর্তগুলোতেই লুকিয়ে আছে।

# # # ১০. **জীবন একটি যাত্রা**
বইটি জীবনকে একটি চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে তুলনা করেছে। জীবনে পরিবেশ, চাওয়া-পাওয়া সবকিছু পরিবর্তন হবে, কিন্তু যাত্রা চলতে থাকবে। প্রতিটি মুহূর্তকেই মূল্য দেওয়া উচিত।

**উপসংহার:**
*"দ্য আলকেমিস্ট"* বইটি আমাদের জীবনের গভীর অর্থ বোঝায় এবং সাহস, অধ্যবসায়, ভালোবাসা ও স্বপ্নের গুরুত্বকে সামনে আনে। এটি শুধু একটি বই নয়, বরং জীবনের পথপ্রদর্শক।
collected

16/01/2025

সংস্কার কমিশনের সুপারিশ

পাল্টে যাচ্ছে দেশের নাম, থাকছে না ধর্মনিরপেক্ষতা
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ২৩: ০২
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮: ৪৮

পাল্টে যাচ্ছে দেশের নাম। থাকছে না ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র। বিদ্যমান ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’-এর স্থলে ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ গঠন এবং বিদ্যমান সংবিধানের চার মূলনীতি থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র বাদ দিয়ে সাম্য, বহুত্ববাদসহ পাঁচটি মূলনীতি করার প্রস্তাব করা হয়েছে সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশে। এছাড়া মূলনীতিতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের সুপারিশ করা হয়েছে, যার মেয়াদ হবে চার বছর করে। সংসদের মতো রাষ্ট্রপতির মেয়াদও হবে চার বছর। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বৃহত্তর নির্বাচকমণ্ডলীর ভোটে। জীবদ্দশায় দুবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ ও স্থানীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনটি অঙ্গের প্রতিনিধির সমন্বয়ে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠিত হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, অমানবিক নির্যাতন, অর্থপাচারসহ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কোনো দলের সদস্য হতে না পারা, আইসিটি আইনে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। কোনো আসনে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে পুনরায় নির্বাচন হবে। এমনসব সুপারিশ এসেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত চারটি সংস্কার কমিশনের সুপারিশে।

বুধবার সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও পুলিশ সংস্কার কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পরে বিকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষে আইন, পরিবেশ ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান। এছাড়া সংস্কার কমিশনের প্রধানরাও পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সুপারিশগুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি তারা ওয়েবসাইটেও সুপারিশমালা আপলোড করেন।

প্রধান উপদেষ্টার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ সমন্বয় করার জন্য প্রতিবেদন জমা দেওয়া চারটি কমিশনসহ মোট ছয়টি কমিশনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিশনগুলো বসে প্রাধান্যগুলো ঠিক করবে। এরপর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে রাজনৈতিক সংলাপ শুরু হবে। তবে সংস্কার কমিশনগুলো তাদের কাজ আগেভাগে শেষ করতে পারলে ফেব্রুয়ারির প্রথমদিকে সংলাপ শুরুর সম্ভাবনা আছে বলে জানানো হয়।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ

সংবিধান সংস্কার কমিশন তার সুপারিশে একটি কার্যকর গণতন্ত্র, মৌলিক মানবাধিকার সুনিশ্চিতকরণ ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতটি প্রধান বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। এগুলো হলো : স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান আদর্শ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, ক্ষমতার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, প্রধানমন্ত্রী পদের একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানো, অন্তর্বর্তী সরকার কাঠামোর প্রস্তাব, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ ও মৌলিক অধিকারের আওতা সম্প্রসারণ, সাংবিধানিক সুরক্ষা ও বলবৎযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ।

কমিশন তার সুপারিশে জনগণের সার্বভৌম অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্রকে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করে জনগণের জন্য একটি সংবিধান রচনাসহ বিধিবদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে।

সংবিধানের বিদ্যমান প্রস্তাবনায় পরিবর্তন এনে ‘মুক্তিযুদ্ধের’ পরিবর্তে ‘জনযুদ্ধ’ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এ যুদ্ধের চেতনা এবং ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীনতার আদর্শে আদর্শ রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। জনগণের সম্মতি নিয়ে এই সংবিধান ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’-এর সংবিধান হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।

নাগরিকতন্ত্রের ক্ষেত্রে ‘প্রজাতন্ত্র’ ও ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘নাগরিকতন্ত্র’ ও ‘জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হবে বলে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ইংরেজি সংস্করণে ‘Republic’, ‘Peoples Republic of Bangladesh’ শব্দগুলো বিদ্যমানের মতো রাখার কথা বলা হয়েছে।

ভাষার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রভাষা ‘বাংলা’র পাশাপাশি নাগরিকদের মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহৃত সব ভাষা এ দেশের প্রচলিত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিলুপ্ত করে ‘বাংলাদেশি’ প্রতিস্থাপিত করার সুপারিশ এসেছে। বিদায়ী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যুক্ত হওয়া সংবিধানবিষয়ক অপরাধ ও সংবিধান সংশোধনের সীমাবদ্ধতা কমিশন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ক ও ৭খ বিলুপ্তির সুপারিশ করেছে।

সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ এবং এই সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বিদ্যমান অধিকারের অনুচ্ছেদগুলোর সংস্কার- যেমন বৈষম্য নিষিদ্ধকরণের সীমিত তালিকা বর্ধিতকরণ, জীবনের অধিকার রক্ষায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুম থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, জামিনে মুক্তির অধিকার অন্তর্ভুক্তকরণ এবং নিবর্তনমূলক আটক-সংক্রান্ত বিধান বিলুপ্তির প্রস্তাব করা হয়েছে।

কমিশন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব করছে; একটি নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদ (National Assembly) ও একটি উচ্চকক্ষ (Senate-সিনেট)। দুটি কক্ষের মেয়াদ হবে চার বছর।

এর মধ্যে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে। এর আসনসংখ্যা হবে ৪০০। এর মধ্যে ৩০০ জন একক আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি ১০০ জন নারী সদস্য হবেন। এ ক্ষেত্রে দেশকে ১০০টি নির্বাচনি এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের ন্যূনতম ১০ শতাংশ আসনে তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবে। সংসদ সদস্য নির্বাচনের বয়স বিদ্যমান ২৫ বছর থেকে কমিয়ে ২১ বছর করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদে দুজন স্পিকার থাকবেন, যার একজন বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।

কোনো নেতা, প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক দলের প্রধান একক ব্যক্তি হতে পারবেন না। অর্থবিল ছাড়া সব ক্ষেতে নিম্নকক্ষের সদস্যরা দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারবেন। সবগুলো স্থায়ী কমিটির সভাপতি হবেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা।

উচ্চকক্ষ ১০৫ জন সদস্য থাকবেন, যার মধ্যে ১০০ জন সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবেন। ১০০ জনের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচজন সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বাকি পাঁচটি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবেন।

রাজনৈতিক দলকে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কমপক্ষে সংসদ নির্বাচনে এক শতাংশ ভোট পেতে হবে।

সংবিধানের সংশোধনী উভয় কক্ষের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন প্রয়োজন হবে। প্রস্তাবিত সংশোধনী উভয় কক্ষে পাস হলে এটি গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। গণভোটের ফলাফল সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

আন্তর্জাতিক চুক্তির আগে আইনসভার উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে অনুমোদন নিতে হবে। রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের ক্ষেত্রে নিম্নকক্ষ প্রস্তাব পাস করার পর তা উচ্চকক্ষে যাবে।

তিনটি অঙ্গের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতসহ ভারসাম্য রক্ষায় একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের সুপারিশ করেছে কমিশন। এ কাউন্সিলের সদস্য হবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, নিম্ন ও উচ্চকক্ষের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি এবং তৃতীয় প্রধান সংখ্যাগরিষ্ঠদের মনোনীত একজন সদস্য।

নির্বাচন কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি কর্মকমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, স্থানীয় সরকার কমিশন ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের নিয়োগের ক্ষেত্রে এনসিসি রাষ্ট্রপতির কাছে নাম পাঠাবে।

রাষ্ট্রপতির মেয়াদ হবে চার বছর। রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ দুবারের বেশি অধিষ্ঠিত থাকবেন না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচকমণ্ডলীর (ইলেক্টোরাল কলেজ) সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাচিত হবেন। আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্য, প্রতিটি ‘জেলা সমন্বয় কাউন্সিল’, ‘সিটি কর্পোরেশন সমন্বয় কাউন্সিল’-এর পরোক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

রাষ্ট্রপতির মতো প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদও হবে চার বছর। কোনো ক্রমেই কেউ দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।

আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হবে। এ সরকারের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৯০ দিন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন (জুডিশিয়াল অ্যাপয়েনমেন্টস কমিশন) গঠন করা হবে। বিচার বিভাগকে পূর্ণ আর্থিক স্বাধীনতা দিতে সুপারিশ করা হয়েছে। ‘অধস্তন আদালত’-এর পরিবর্তে ‘স্থানীয় আদালত’ ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি স্থানীয় সরকার কমিশন প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়েছে, যা একজন প্রধান স্থানীয় সরকার কমিশনার ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত হবে। সংবিধানের অধীন একটি স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত হবে বলে সুপারিশ করা হয়।

সাংবিধানিক কমিশন হিসেবে মানবাধিকার কমিশন, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, স্থানীয় সরকার কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন হবে বলে সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশনগুলোর মেয়াদ হবে ৪ বছর।

জরুরি অবস্থার বিধানাবলি : কেবল এনসিসির সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন। তবে জরুরি অবস্থার সময় নাগরিকদের কোনো অধিকার রদ বা স্থগিত করা যাবে না এবং আদালতে যাওয়ার অধিকার বন্ধ বা স্থগিত করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ১৫০টি সুপারিশ দিয়েছে। তাদের সুপারিশের মধ্যে রয়েছে সংবিধান সংশোধন

করে একটি স্থায়ী জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠন করে তার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন, নির্বাচন স্থগিত বা বাতিল ও পুনর্নির্বাচনসহ কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানো, কমিশন সচিব নিয়োগ কমিশনের ওপর ন্যস্তকরণ, জাতীয় নির্বাচনের পর গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে, ফলাফল গেজেটে প্রকাশের আগে, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে ঘোষণা দেওয়া, ফলাফলে সংক্ষুব্ধ হলে গেজেট প্রকাশের আগে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল বা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অভিযোগ করার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের পুরো দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের কাছে ন্যস্ত, ইসি কর্তৃক ‘ভোটার প্রার্থী মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, নির্বাচনী ও পোলিং এজেন্টদের সুরক্ষা দেওয়া, আউয়াল কমিশন যেসব বিতর্কিত রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছে, যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা। এ ছাড়া ইসি সংস্কার কমিশন, কমিশনের আইনি, আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রস্তাব কোনো মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে সংসদের প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষের বা সংসদীয় কমিটির কাছে উপস্থাপনের বিধান করা; কমিশনারদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের অভিযোগ উঠলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে সুরাহা, রিটার্নিং কর্মকর্তা/সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগে ইসির কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার, নির্বাচন কমিশনের ব্যয় পুনরায় নির্ধারণ, নির্বাচন কমিশনের জনবল নিয়োগে পৃথক সার্ভিস কমিশন গঠন, ঋণ খেলাপিদের প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখা, ফেরারি আসামি হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখা, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে বিচারিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার শুরু থেকেই সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা, আইসিটি আইনে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে) শান্তিপ্রাপ্তদের সংসদ নির্বাচনে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার শুরু থেকেই সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা, গুরুতর মানবাধিকার (বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, অমানবিক নির্যাতন, সাংবাদিকদের/মানবাধিকারকর্মীর ওপর হামলা ইত্যাদি) এবং গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগে গুম কমিশন বা দুর্নীতি দমন কমিশন বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত হলে তাদের একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য করা; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পদত্যাগ না করে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা; তরুণ, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য শতকরা ১০ ভাগ মনোনয়নের সুযোগ তৈরির বিধান করা, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫০০ ভোটারের সম্মতির বিধান করা, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বা নির্বাচিত হলে তা বাতিল করা, একাধিক আসনে কোনো ব্যক্তির প্রার্থীর হওয়ার বিধান বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৫ বছরের আয়কর রিটার্নের কপি জমা দেওয়ার বিধান করা, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান বাতিল করা, প্রয়োগকারী সংস্থার সংজ্ঞায় প্রতিরক্ষা বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন বন্ধ করা ও কোনো আসনে মোট ভোটারের ৪০ শতাংশ ভোট না পড়লে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠান করার সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংসদ সদস্যদের প্রত্যাহারের (রিকল) বিধান করার সুপারিশ করেছে। সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি, আবাসিক প্লট, সব ধরনের প্রটোকল ও ভাতা পর্যালোচনা ও সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং এ নির্বাচন নির্দলীয় করার জন্য আইন সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়েছে। ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে নারীর জন্য আসন সংরক্ষণের বিধান করা; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচিত হলে শিক্ষকের পদ থেকে পদত্যাগের বিধান করা; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে জাতীয় বাজেটের ৩০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার বিধান করার সপারিশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত শিথিল ও ৫ বছর পর পর দল নিবন্ধন নবায়ন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রবাসী পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা; অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা, প্রবাসীদের ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণের সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে ২০১৮ সালের নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সবার বিরুদ্ধে তদন্ত করে কমিশন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে বলে কমিশন প্রধান বদিউল আলম মজুমদার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সরকার চাইলে ২০১৩ ও ২০২৪ সালের ভোটের বিষয়টি তদন্ত করতে পারে বলে তিনি জানান।

নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে দলের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র, শিক্ষক ও শ্রমিক সংগঠন, ভ্রাতৃপ্রতিম বা যেকোনো নামেই হোক না কেন, না থাকার বিধান করা; দলের কোনো বিদেশি শাখা না থাকা; সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের জন্য তিন বছরের সদস্য পদ থাকা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করছে ইসি সংস্কার কমিশনের সুপারিশে।

সংসদীয় এলাকার সীমানা নির্ধারণে ভবিষ্যতে একটি আলাদা স্বাধীন সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ গঠন করা; এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরের বিধান বাতিল করা; নাগরিকের তথ্য ফাঁসের ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের শান্তির ব্যবস্থা করা; ভবিষ্যতে ১০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী শিশুদের জন্য পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রম গ্রহণ; ‘জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন সংস্থা’ নামে একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠনের সুপারিশ এসেছে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশে।

ad
দুদক সংস্কার কমিশন

৪৭ দফা সুপারিশসহ, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছে দুদক সংস্কার কমিশন। দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা ও গভীরতা বিবেচনায় যে ধরনের পেশাগত বৈচিত্র্য থাকা দরকার, সেটি নিশ্চিত করতে একজন নারীসহ পাঁচজন দুদক কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। তাদের মেয়াদ হবে চার বছর। বুধবার দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান এই কথা বলেন।

সংস্কার কমিশন বলছে, দেশে জাতীয় দুর্নীতিবিরোধী কোনো কৌশল নেই। দুর্নীতি দমন শুধু দুদকের একার কাজ নয়, এখানে রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় অনেক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে। যেমন- সংসদ, আইন ও বিচার বিভাগ, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিভিন্ন কমিশন, ব্যবসা খাত ও রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজের দুর্নীতিবিরোধী ভূমিকা থাকতে হবে। যে জাতীয় কৌশল প্রণয়নের কথা বলা হচ্ছে, তাতে রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নির্ধারণ করা থাকবে, যার মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপগুলো কতটুকু বাস্তবায়িত হচ্ছে— সেটি নিয়মিতভাবে নজরদারি করতে হবে। তারা বলেছেন, রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী আয়ব্যয় নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। হলফনামার তথ্য প্রকাশ করতে হবে। যদি হলফনামায় পর্যাপ্ত তথ্য না থাকে, তথ্য গোপন করা হয় ও বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ থাকে, তবে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের দেশ-বিদেশে থাকা ব্যাংক হিসাবের লেনদেন ‘কমন রিপোর্টটি প্র্যাকটিস’–এর আওতায় আনার কথা বলেছে কমিশন। এর মাধ্যমে বিএফআইইউসহ (বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসব লেনদেনের তথ্য জানতে পারবে। এটি বার্ষিক প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করতে হবে। ১২২টি দেশ ইতোমধ্যে এই প্র্যাকটিসের অধীন এসেছে। ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানও এর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো হয়নি।

সংস্কার কমিশন বলছে, দুদক যে কাজ করবে, তার জবাবদিহি থাকবে। ভালো কাজের যেমন প্রশংসা থাকবে, তেমন কাজ করতে না পারলে জবাবদিহি করতে হবে। রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকে নিয়োগ বন্ধে সাত সদস্যের বাছাই কমিটি করার সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, পরে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে যিনি রয়েছেন, তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাছাই কমিটির প্রধান করার কথা বলা হয়েছে। এরপর সদস্য হবেন হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), সংসদ নেতার মনোনীত একজন, প্রধান বিরোধীদল থেকে মনোনীত একজন। এ ছাড়া একজন সরাসরি প্রধান বিচারপতি থেকে নিযুক্ত হবেন, যার দুর্নীতিবিরোধী কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। দুদককে আমলাতন্ত্র মুক্ত করতে সচিব, মহাপরিচালক ও পরিচালক— পদগুলোতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। যারা দুদকের কাজের জন্য নিজেদের যোগ্য মনে করবেন, তারা এসব পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া নিজস্ব প্রসিকিউশন বিভাগ ও প্রশিক্ষণ একাডেমি করা, ৫৪–এর ৩ ধারা বাতিল এবং বেতন দ্বিগুণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

পুলিশ সংস্কার

জুলাই-আগস্ট ঘটনায় ছাত্র-জনতাকে হত্যা ও আহত করার জন্য দোষী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে পুলিশ সংস্কার কমিশন। উচ্ছৃঙ্খল জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পাঁচ ধাপে বল প্রয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে সুপারিশে। এ ছাড়া এফআইআর বহির্ভূত আসামি গ্রেপ্তার না করা, ভুয়া/গায়েবি মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা; দোষী সাব্যস্ত না হলে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করা এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষার জন্য একটি সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

তল্লাশির সময় পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিতে অস্বীকার করলে অথবা সার্চ ওয়ারেন্ট না থাকলে নাগরিক নিরাপত্তা বিধানে জরুরি কল সার্ভিস চালু; অভিযানের সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম ও ভিডিও রেকর্ডিং ডিভাইসসহ ভেস্ট/পোশাক পরিধান; রাতের বেলায় ঘর তল্লাশিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি/স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ; আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত মানবাধিকার কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা; পুলিশ কমিশন গঠন, থানায় জিডি রেকর্ড, মামলা, তদন্ত ও পুলিশ ভেরিফিকেশন, চাকরি প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা রহিত করাসহ ভেরিফিকেশন ১ মাসের মধ্যে শেষ করা; পুলিশের কাজকর্মে ইচ্ছাকৃত ব্যত্যয় বা পেশাদারি দুর্নীতি রোধে স্বল্পমেয়াদি একটি কার্যক্রম হিসেবে ‘ওয়াচডগ বা ওভারসাইট কমিটি’ গঠন করা যায়। প্রতিটি থানা/উপজেলায় একটি ‘সর্বদলীয় কমিটি’ গড়ে তোলা যায়, যারা স্থানীয় পর্যায়ে ‘ওভারসাইট বডি’ হিসেবে কাজ করবে এবং দুর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে। বর্তমানে প্রচলিত কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণ করে এটিকে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের একটি পদ্ধতি হিসেবে প্রস্তাব করা হলো, যা পুলিশের জবাবদিহি বৃদ্ধি করবে এবং পুলিশের কাজে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করবে।

Address

Sylhet
3100

Telephone

+8801711244365

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HelloSylhet24.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share