Jakir Husen

Jakir Husen My parsonal page

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় মাত্র ১৪ দিনের নিজ সন্তানকে ড্রা-মে-র পানিতে চু-বি-য়ে হ%ত্যা করলেন মা 😰এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে নোয়া...
18/08/2026

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় মাত্র ১৪ দিনের নিজ সন্তানকে ড্রা-মে-র পানিতে চু-বি-য়ে হ%ত্যা করলেন মা 😰

এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে৷ এ ঘটনায় মা ফাতেমা বেগমকে আ-ট-ক করেছে পুলিশ। মেয়েটারও বয়স কম দেখলাম মাত্র ১৯ বছর৷

পরিবারের সদস্যরা জানান, সন্ধ্যার পর নবজাতক নিখোঁজ হলে ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথমে তিনি দাবি করেন, অজ্ঞাত কেউ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। একপর্যায়ে শিশুটিকে জিনে নিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ঘরের কোণে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে নবজাতককে উদ্ধার করেন।

পুলিশের দাবি, ফাতেমা জানিয়েছেন, সন্তান অতিরিক্ত কান্নাকাটি করায় তার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ কাজটা করেন৷

তবে আমার একটা কথা আছে এটা নিয়ে৷ জানিনা কে কিভাবে নিবেন৷ মেয়েটা আসলেই দোষী এটা অস্বীকার করার অপশন নাই কিন্তু একজন মা কেন এমন করবে সেটাই মূল কথা৷

বাচ্চা হওয়ার পর অনেক মেয়েদের শরীরে হরমোনের আকস্মিক পরিবর্তন হয়৷ তাদের অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং নতুন দায়িত্বের চাপের কারণে সাধারণত প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বা এক বছরের মধ্যে তাদের এই সমস্যা দেখা দিতে পারে৷

যেটাকে বলে "পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন" এটা কিন্তু এক ধরণের গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা৷ এবং এটাকে অবহেলা করার সুযোগ নাই৷ নিম্মবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত পরিবারের অনেকে নারীদের এ সমস্যাটা বোঝে না৷

এ সমস্যা হলে, মেয়েরা অতিরিক্ত কান্নাকাটি বা কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ করে৷ সন্তানের প্রতি টান বা আবেগ অনুভব করে না৷ নিজের বা সন্তানের ক্ষতি করার চিন্তা আসে৷ এমনকি পরিবার ও বন্ধুবান্ধব থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখে৷

দেখেন এটা জাস্ট আমার ব্যক্তিগত কথা৷ মেয়েটার মনে কি ছিলো আল্লাহ জানেন! তবে আমার মনে হচ্ছে তার এ সমস্যাটাই ছিলো৷

আপনি কি মনে করেন মেয়েটা কেন এমন করতে পারে? বা আমি যা বললাম আপনিও কি সেরকম ভাবলেন?

শতভাগ GPA-5 পাওয়া নাছিমা কাদের মোল্লা স্কুলকে নোটিশ পাঠাল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড 😮নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যা...
17/08/2026

শতভাগ GPA-5 পাওয়া নাছিমা কাদের মোল্লা স্কুলকে নোটিশ পাঠাল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড 😮

নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ছিল অবাক করার মতো৷ স্কুলের শতভাগ শিক্ষার্থী পেয়েছে জিপিএ-৫।

কিন্তু এই ফলাফল নিয়েই উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। বলা হচ্ছে, ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে নির্বাচনী পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া কিংবা এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ না দেওয়ার মতো কৌশল নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে এবার স্কুলটিকে শোকজ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

স্কুল কর্তৃপক্ষকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে বোর্ডে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি, নিবন্ধন, টেস্ট পরীক্ষা ও এসএসসির ফরম পূরণ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিও চেয়েছে বোর্ড।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্কুলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মানে, জিপিএ-৫-এর রেকর্ডের পেছনে আসলে কী ছিল—সেটাই এখন বের হবে!

বেচারা শিক্ষকরা পড়ছে বিপদে৷ ফেল করলেও দোষ এখন শতভাগ পাস করেও দোষ 😂

আপনার কি মনে হয়! নাছিমা কাদের মোল্লা স্কুল আসলেই দোষী?

মঞ্চে ওঠার শক্তি ছিলো না শিক্ষকের তাই প্রধানমন্ত্রীই নেমে গেলেন তাঁর কাছে!চার বছর ধরে বকেয়া পাওনার অপেক্ষায় থাকা এমপিওভু...
15/08/2026

মঞ্চে ওঠার শক্তি ছিলো না শিক্ষকের তাই প্রধানমন্ত্রীই নেমে গেলেন তাঁর কাছে!
চার বছর ধরে বকেয়া পাওনার অপেক্ষায় থাকা এমপিওভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মুখে যখন অবশেষে স্বস্তির হাসি, ঠিক তখনই ঘটলো এমন এক দৃশ্য যেটা পুরো আয়োজনের সব আলো কেড়ে নিয়েছে।

শারীরিকভাবে অসুস্থ এক প্রবীণ শিক্ষক।মঞ্চে ওঠা তাঁর পক্ষে কষ্টকর।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে মঞ্চে ওঠার অপেক্ষায় রাখলেন না। বরং নিজেই মঞ্চ থেকে নেমে গেলেন সেই শিক্ষকের কাছে।হাতে তুলে দিলেন স্মারক ও আর্থিক সহায়তা।

ব্যাপারটা ছোটো.... অনেকের কাছে এ আবার এমন কি!! কিন্তু ভাই এটাই পার্থক্য!
ক্ষমতা দেখিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আর সম্মান দেখিয়ে নিজেই মানুষের কাছে নেমে আসা দুটো এক জিনিস নয়।
যে শিক্ষক সারাজীবন মানুষ গড়েছেন, তাঁর বার্ধক্যে রাষ্ট্র যদি তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়ায় এর চেয়ে বড় সম্মান আর কী হতে পারে? হুম????

এই দৃশ্যটা মনে রাখার মতো।
কারণ অর্থ দেওয়া যায় হাতে, কিন্তু সম্মান পৌঁছে দিতে হয় হৃদয়ে। 🖤

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুল...
15/08/2026

পুরোপুরি সুস্থ একজন মানুষ আমি। জাস্ট নরমাল একটা চেকআপে গিয়েছিলাম সেদিন ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার বলছিলেন, "আপনি তো আলহামদুলিল্লাহ সুস্থই আছেন। তবুও যেহেতু আপনি ধারণা করছেন আপনার থাইরয়েড হয়েছে নাকি, তাহলে সাথে আরও কিছু টেস্ট দেই, একবারে করে যান।" মনে মনে বিরক্ত হলাম যে, এই তো শুরু হয়ে গেল অযথাই টেস্টের পালা।

তো যাই হোক, পরবর্তীতে ব্লাডের কয়েকটা টেস্ট, ইসিজি প্লাস আল্ট্রাসাউন্ডও দিল। এটা দেখে তো আমি আরও হতাশ যে, আল্ট্রা কেন? আমার তো পেটে আল্লাহর রহমতে একটু গ্যাসের সমস্যাও নেই। যাই হোক, দিয়েছে যেহেতু করেই যাই।

একশো নম্বর সিরিয়ালে আমাকে ডাকলেন আল্ট্রাসাউন্ড রুমে। স্ক্রিনে তাকিয়েই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, পেটে ব্যথা কেমন, ডায়াবেটিস আছে কিনা, আরও বেশ কিছু প্রশ্ন।

এদিকে এসবের কিচ্ছুটিই আমার নেই। তখন আল্ট্রাসাউন্ডের ডাক্তার বললেন, "তাহলে কেন আসছেন ডাক্তারের কাছে?" পরে বললাম যে নরমাল চেকআপে।

উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আমার কি সিরিয়াস কিছু হয়েছে কিনা?" উনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তীতে যখন সব রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারকে দেখাই, তখন উনি ইমারজেন্সিভাবে হোল অ্যাবডোমেন সিটি স্ক্যান দেন। তখনও আমি একদমই ভাবিনি কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে। পরদিন সিটি স্ক্যান করে চলে আসি। একদিন পর রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গেলে ডাক্তার জানান যে, আমার ক্যান্সার হয়েছে। দ্রুত যেন ঢাকায় ডাক্তার দেখাই।

এই খবর শোনার পর মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে, সেই প্রসঙ্গে আর না গেলাম। রাতে বাসায় ফিরে ভীষণ কান্নাকাটি করে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। পরদিন সকালে উঠে থেকে কিভাবে যেন শক্ত হয়ে গেছি। আর খোঁজ শুরু করলাম, কী আমল করলে আমার রব্ব আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দিবেন।

সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করলাম অগণিত বার। তাহাজ্জুদ, ইস্তিগফার, দরূদ—সবই বাড়িয়ে দিলাম। এর মধ্যেই ঢাকায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া হলো। প্রথম সাক্ষাতে ডাক্তার বলছেন, "তোমার কিভাবে এই ক্যান্সার হতে পারে? এটা তো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। আর এতটা সুস্থ থাকাও সম্ভব না, যদি হয়েও থাকে।"

এবং খুব আশ্বাস দিলেন যে, অন্তত ক্যান্সার না।

এরপর উনি আরও কিছু টেস্ট দিলেন। এর মধ্যে এমআরসিপি রিপোর্টে প্যানক্রিয়াসে বেশ বড়সড় একটা টিউমারই দেখা দিল। তখনও ডাক্তার আমাকে কনফিডেন্টলি বললেন যে, এটা ক্যান্সার না। তবুও আমি এফএনএসি দিচ্ছি। এটা করিয়ে কনফার্ম হয়ে ট্রিটমেন্ট করব তোমার। অপারেশনও নাও লাগতে পারে। যথারীতি এফএনএসি করা হলো এবং রিপোর্ট আসল ৪ দিন পর। খুবই আগ্রাসী ক্যান্সারের। কেন যেন এই রিপোর্ট দেখে তেমন আর মন খারাপ হয়নি। মানে খুব সহজেই মেনে নিচ্ছিলাম। কিন্তু ভাবছিলাম, অবশ্যই আল্লাহ আমাকে সুস্থ করবেন, পরিপূর্ণভাবে।

তারপর পিজি সহ ঢাকার সনামধন্য দুই-তিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখালাম। পিজিতে বোর্ডও বসল যে, এটা কিভাবে সম্ভব এই বয়সে? কিন্তু রিপোর্ট তো এই কথাই বলে।

শেষ অবধি আমার কেমোথেরাপি শুরু হলো। আগে টিউমার ছোট করতে হবে, এরপর অপারেশন।

এর মধ্যে আমি একদম ভেঙে পড়িনি। এসব কিছুই আমি নিজে ফেস করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আমার তখন একটাই চিন্তা ছিল, আমার রব্বের কাছ থেকে চেয়ে নেব।

তখন একটা মোটামুটি রুটিন বানিয়ে নিলাম। এমন—

প্রতি ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

৭ বার সূরা ফাতিহা

৩ বার দরূদে ইবরাহিম

১ বার ইসমে আজম

আয়াতে শিফা

এরপর যত ইচ্ছা সূরা আন'আমের ১৭ নম্বর আয়াত।

এইটুকু ছিল ফিক্সড। তা ছাড়া অসংখ্য বার সূরা ফাতিহা, দরূদে ইবরাহিম, সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার পড়েছি। আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া পড়েছি। আরও আরও শিফার যত দোয়া যেখানে যা পেয়েছি, তাই পড়েছি।

আজান-ইকামতের মাঝখানের সময়টাতে অঝোরে কেঁদে দোয়া করেছি। তাহাজ্জুদে কান্নাকাটি করে চেয়েছি।

শুধু বলতাম, "ইয়া রব্ব, ইয়া শাফি, আপনি আমাকে সূরা ফাতিহার উসিলায় এমনভাবে পরিপূর্ণ শিফা দান করুন, যেন আমার শরীরে কোনো রোগই ছিল না।"

যত রকমভাবে আকুতি ভরে আল্লাহকে বলা যায়, সেভাবেই বলেছি। এভাবে করতে করতে অর্ধেক কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর টেস্ট করতে দিল, কতটুকু ছোট হলো টিউমার। ফলাফল—ছোট তো হয়ইনি, বরং আরও একটু বড় দেখাচ্ছে।

ডাক্তার সহজ ভাষায় জানিয়ে দিলেন, "আপনার ট্রিটমেন্ট কাজ করেনি। সার্জারি ডাক্তারের সাথে কথা বলে দেখেন। অপারেশন করে ফেলেন এভাবেই।" রিপোর্ট নিজেই প্রথমে দেখেছি এবং একটুও বিচলিত হইনি, আলহামদুলিল্লাহ।

আমার আব্বু আমার সাথে ছিলেন। খুবই ভেঙে পড়েছিলেন। আমি বলছিলাম, "আব্বু, আমার ক্যান্সারই হয়নি। এই জন্য কেমোথেরাপি কাজ করেনি।"

তখন আব্বু বলছিলেন, "এত পজিটিভ ভাবো কিভাবে, আম্মু?"

কিন্তু আমি পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখেছিলাম রব্বের প্রতি।

এরপর গেলাম সার্জারি ডাক্তারের কাছে। উনি রিপোর্ট দেখে কিছুটা বিচলিত হলেও বুঝতে না দিয়ে বললেন, ইমারজেন্সি ভর্তি হয়ে যেতে।

ভর্তি হওয়ার পর ১ সপ্তাহ অবজারভেশনে রেখেছিলেন। এর মধ্যে সব ডাক্তার বোর্ড বসল। আমাকে সহ গার্ডিয়ান ডাকল এবং বুঝিয়ে বলল যে, এমনও হতে পারে পেটে কেটে আবার সেলাই করে দিব। আমাদের কিছুই করার থাকবে না। আবার এমনও হতে পারে, হাফ টিউমার এখন কাটব, আবার পরবর্তীতে হাফ কাটব। অন্য আরেক রোগীর উদাহরণ দিলেন, যেন ওদের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিই। ওদেরও দুইবার অপারেশন লেগেছে।

সবাই মোটামুটি ভেঙে পড়েছে ততদিনে। আমি শুধু একটা কথাই বলতাম যে, দেখবেন অপারেশন শেষে ডাক্তার বলবেন, "আপনার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে।" আর বলতাম আম্মুকে যে, আমি সুস্থ হয়ে আমার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলব, ইনশা আল্লাহ।

অপারেশনের দিন আসল। আমাকে নেওয়া হলো অপারেশন থিয়েটারে। নেওয়ার পরেও প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আমার অপারেশন শুরু হয়। এই দেড় ঘণ্টা বোধহয় আমি দেড় মিনিটও দরূদে ইবরাহিম পড়া বাদ দিইনি।

আমার বিন্দুমাত্র কোনো ভয় লাগেনি, আল্লাহর রহমতে।

অলমোস্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশন শেষে বের হয়ে ডাক্তার সেইম এই কথাটাই বলছিলেন যে, "তোমার মেয়ের অপারেশন এত সহজ আর সুন্দর হয়েছে, আমাদের কল্পনার বাইরে ছিল এটা। পুরো টিউমার আমরা উঠিয়ে এনেছি এবং ওর সবকিছু ভালো আছে।" আলহামদুলিল্লাহ এভাবে করে অপারেশনের ৩ দিন পর আমার বায়োপসি রিপোর্ট আসে। আমি তখনও পোস্ট-অপারেটিভ রুমেই।

আমার হাসবেন্ড রিপোর্ট পেয়েই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে দেখিয়ে আমার কাছে এসে বলল, "তোমার বায়োপসি রিপোর্ট এসেছে এবং আলহামদুলিল্লাহ, এতে কোনো ক্যান্সার নেই।"

আমার তখন মনে হচ্ছিল যে, হ্যাঁ, এটাই তো হওয়ার ছিল। আমার রব্ব তো আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানতাম।

তারপর রিপোর্ট নিয়ে মেইন ডাক্তার পুরো টিমসহ এসে সে কী উচ্ছ্বাস! বারবার বলছিলেন, "It's a miracle from Allah."

এরপর প্রতিবার ফলোআপে ডাক্তার একই কথা বলেন, "It's a miracle from Allah."

"আমরা অনেক রিস্ক নিয়ে তোমার অপারেশনে গিয়েছিলাম। ঠিক যেভাবে সুতার ওপর ভর দিয়ে মানুষ হাঁটে। কিন্তু আল্লাহ যে তোমাকে কই থেকে কই এনেছেন, এটা কল্পনাতীত।"

আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।

(এমনকি আমার সাথে ওই সময়েই আরও কয়েকটা রোগীর এরচেয়ে ছোট টিউমারও পুরোপুরি উঠে আসেনি, আর আমার টিউমার ছিল বেশ বড়।)

আজ এই গল্পটা লিখলাম শুধু একটা কথাই বলার জন্য—

মানুষের রিপোর্ট শেষ কথা নয়, শেষ কথা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ যখন "কুন" বলেন, তখন অসম্ভবও সম্ভব হয়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।

আমি আমার রব্ব এর এই "কুন" এর অপেক্ষায় ছিলাম আর প্রতিবার এই আয়াত পড়তে নিলেই আমার খুশি লাগতো।

- সংগৃহীত

টপাটপ ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় তৃতীয় সেশনটা হয়তো বাংলাদেশের না, কিন্তু দ্বিতীয় দিনটা ঠিকই বাংলাদেশের। এখনো হাতে চার উইকেট আছে,...
14/08/2026

টপাটপ ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় তৃতীয় সেশনটা হয়তো বাংলাদেশের না, কিন্তু দ্বিতীয় দিনটা ঠিকই বাংলাদেশের। এখনো হাতে চার উইকেট আছে, আর ১৫৩ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করবে বাংলাদেশ।

সবকিছু সবসময় আমাদের মনমতো হবে না, এই টেস্টে অনেক কিছুই হয়েছে৷ তাই নতুন বলে শান্ত-লিটন-মুশির আউটে তাদের দোষ না ধরে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিলিয়ান্সের প্রশংসাই করছি। তারাও খেলতেই এসেছে! তবে ৬ উইকেট যাওয়ার পর মিরাজ-হাসানের জুটিটা দারুণ! ১৪৭ বলে ৪৩ রানের জুটি! রান হয়তো আসেনি, কিন্তু এই যে আরেকটা ধৈর্যের পরীক্ষা নিলো হাসান আর মিরাজ, এটা বা কম কি?

এই জুটিটা বেশ ভালো লেগেছে, হ্যাঁ, প্রথমদিকে মিরাজ হাসানকে বেশি স্ট্রাইক দিচ্ছিলো৷ কিন্তু হাসানের ডিফেন্স টেকনিক তো সলিড। এর আগেও সে এর প্রমাণ দিয়েছে। তবে মিরাজের ক্ষেত্রে যেটা ভালো লেগেছে, ওদের মূল এক্সপ্রেস বোলার স্টার্ক থেকে হাসানকে যথাসম্ভব রক্ষা করেছে। একাধিক সিঙ্গেল ডিনাই করেছেন মিরাজ, তাই মিরাজও যথেষ্ট দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন।

মিরাজের রান দিন শেষে ৭৩ বলে ৩২, হাসান আরো বেশি বল খেলেছেন, ৭৬টা। ৭৬ বলে হাসানের রান ১৩। প্রথম দুই দিনের খেলা দেখে বাংলাদেশকে শুধু ধন্যবাদই দিতে চাই! দ্বিতীয় দিনেও দারুণ খেলেছে৷ আর অস্ট্রেলিয়া কামব্যাকের সুযোগ পাওয়ার পরেও যে তাদের ইনস্ট্যান্ট সুযোগটা দেয়া হয়নি, এটাও কিন্তু বাংলাদেশের জন্য খুবই একটা পজিটিভ বার্তা।

হাসানকে ৮ এ নামানোর সিদ্ধান্তটা খুব ভালো প্রমাণিত হয়েছে। তৃতীয় দিনে এই খেলার ধারা অব্যহত থাকুক, এই কামনায়....

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক৷ পৌর মেয়র থেকে এমপি৷ মন্ত্রী থেকে মহাসচিব আর মহাসচিব থেকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি!বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি...
13/08/2026

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক৷ পৌর মেয়র থেকে এমপি৷ মন্ত্রী থেকে মহাসচিব আর মহাসচিব থেকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি!

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু মানুষ থাকেন, যারা শুধু পদে থাকেন না দলের কঠিন সময়ের ভারও কাঁধে তুলে নেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তেমনই একজন নেতা।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি যেভাবে বিএনপিকে আগলে রেখেছেন, দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বিগত সরকারের তীব্র দমন-পীড়ন, অসংখ্য মামলা, গ্রেপ্তার এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি বিএনপিকে ভেঙে যেতে দেননি। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর ২০১১ সালে মির্জা ফখরুলকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর ধীরে ধীরে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস ও অসুস্থতার কঠিন সময়েও দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার খোঁজখবর রাখা এবং দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন।

রাজনীতিতে মতের পার্থক্য থাকবে, নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও থাকবে। কিন্তু দীর্ঘ কঠিন সময়ে একজন নেতার দলের প্রতি আনুগত্য, ধৈর্য এবং দায়িত্ব বোধসেটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

অভিনন্দন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনাকে যেন জনগনের পাশে পাই৷

বাংলাদেশে মানুষ খু%ন এখন বোধহয় দুইবেলা ভাত খাওয়ার চেয়েও সহজ হয়ে গেছে 🙂ঘটনা সিলেটের। ৯০ বছর বয়সী এম আব্দুস সাত্তার, তাঁর ...
13/08/2026

বাংলাদেশে মানুষ খু%ন এখন বোধহয় দুইবেলা ভাত খাওয়ার চেয়েও সহজ হয়ে গেছে 🙂

ঘটনা সিলেটের। ৯০ বছর বয়সী এম আব্দুস সাত্তার, তাঁর ৭২ বছর বয়সী স্ত্রী সুরাইয়া এবং তাঁদের বাসায় কাজ করা গৃহকর্মী তাহমিনা তিনজনই নির্মম হামলার শিকার হয়েছেন।

সাত্তার দম্পতির চার সন্তানই প্রবাসে থাকেন। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দেখাশোনার জন্য তাঁদের বাসায় থাকতেন গৃহকর্মী তাহমিনা। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, পরিবারের কাছে তিনি শুধু একজন গৃহকর্মী ছিলেন না, অনেকটা মেয়ের মতোই ছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, বাবুল মিয়া নামের এক ব্যক্তি বুধবার সকালে ওই বাসায় প্রবেশ করেন। তাহমিনার সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপরই ধারালো অ** দিয়ে তাহমিনাকে আ/ঘাত করা হয়।

তাহমিনার চিৎকার শুনে বৃদ্ধা সুরাইয়া এগিয়ে এলে তাঁকেও আ/ঘাত করা হয়। পরে গৃহকর্তা এম আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তিনিও হামলার শিকার হন।

মুহূর্তের মধ্যেই তিনটি জীবন থেমে গেল....... 💔

ঘটনার পর অভিযুক্ত বাবুল মিয়া পালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সিসিটিভির কিছু অংশে পুরো ঘটনা ধরা না পড়লেও আশপাশের ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়৷ এভাবে আর কত?

একজন মানুষ কীভাবে এত সহজে আরেকজন মানুষের জীবন কেড়ে নিতে পারে?

দিন দিন আমাদের চারপাশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বাইরে তো দূরের কথা, নিজের ঘরের ভেতরেও যদি মানুষ নিরাপদ না থাকে তাহলে নিরাপত্তা আসলে কোথায়?

আল্লাহ এই তিনজনের পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। 💔

#কালেক্টেড #সিলেট

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে তিরস্কার করলেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা৷রুমিন ফারহানা বলেন, "আমি সপ্তাহে তিনদিন গ্রামে থাকি, এবার আ...
11/08/2026

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে তিরস্কার করলেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা৷

রুমিন ফারহানা বলেন, "আমি সপ্তাহে তিনদিন গ্রামে থাকি, এবার আরও লম্বা সময় ৫ দিন ছিলাম। যাদের বাসায় আইপিএস নাই, তারা কিন্তু বুঝতে পারে লোডশেডিং কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি। ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা, সামটাইমস ইভেন মোর কারেন্ট থাকে না। এতোকিছুর পরেও মানুষের তিন-চার গুণ বিদ্যুৎ বিল গত দুই মাসে বেশি আসছে। এখন পর্যন্ত সরকারের তরফে আমরা কোনো জবাব শুনি নাই।

"এই মন্ত্রীর কারণে ২০০১ থেকে ২০০৬ সরকার ডুবেছিল। এখন আমি দেখি এই মন্ত্রী, যাকে ‘খাম্বা মন্ত্রী’ও বলা যায়, এই খাম্বা মন্ত্রী এখন বলতেছেন বসুন্ধরার মতো কিছু অলিগার্কের হাতে তেলের ইয়েটা তুলে দেবেন, বিপিসিকে সরিয়ে এটা বেসরকারি খাতে উনি দিয়ে দেবেন। উনি সামলাতে পারবেন?

এরপর আওয়ামীলাগের কথা টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, "অলিগার্ক আওয়ামী লীগ পুষেছিল এবং আওয়ামী লীগকে তার প্রাইস পে করতে হয়েছে। এবং আপনাকে মনে রাখতে হবে অলিগার্ক পুষতে গিয়ে আওয়ামী লীগ কিন্তু অন্তত সংকট সামাল দিয়েছিল। আমরা তো দেখলাম যে ২০০৮-এ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে কুইক রেন্টালের মাধ্যমে— হ্যাঁ, বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি আসছে, কিন্তু এটলিস্ট ওই লোডশেডিং থেকে মানুষ বাঁচছিল"

রুমিন ফারহানার কথার সাথে আপনি কতটুকু একমত?

#রুমিন #বিদ্যুৎ

09/08/2026
01/05/2026

আমল করে দেখতে পারেন

Address

Khadimnagar
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jakir Husen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share