Voice of Citizen - VOC

Voice of Citizen - VOC True News

হায় হায়, হায় আল্লাহ খালেদ ভুলেই গিয়েছিলাম আইনটা করতে। আচ্ছা আর একবার যদি ক্ষমতা পাই!!! 🤣
16/09/2026

হায় হায়, হায় আল্লাহ খালেদ ভুলেই গিয়েছিলাম আইনটা করতে। আচ্ছা আর একবার যদি ক্ষমতা পাই!!! 🤣

08/09/2026
'শুধু রিটেনটা পাশ কর, ভাইবা আমরা দেখবো।'সরকারি কর্মচারী নিয়োগে গ্রেড ১১–২০-এর ক্ষেত্রে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি ...
08/09/2026

'শুধু রিটেনটা পাশ কর, ভাইবা আমরা দেখবো।'

সরকারি কর্মচারী নিয়োগে গ্রেড ১১–২০-এর ক্ষেত্রে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি গ্রহণযোগ্য নয়।

এটি একটি চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে বিএনপি সরকার সরকারি চাকরির নিয়োগে আবারও লবিং, স্বজনপ্রীতি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছে। যে জায়গায় দীর্ঘদিনের দাবি ছিল লিখিত পরীক্ষায় মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন বাড়িয়ে ভাইভার প্রভাব কমানো, সেখানে তারা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছে। এর ফলে মেধাবী প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পুরো নিয়োগব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী ভালো করেও যদি ভাইভায় লবিং, মামা-খালু বা টাকার জোরে পিছিয়ে যায়, তাহলে মেধাভিত্তিক নিয়োগের আর অর্থ কী?

সরকারি চাকরি কোনো দলের লোক নিয়োগের জায়গা নয়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর বদলে যদি পুরোনো সেই পথ আবার খুলে দেওয়া হয়, তাহলে এর চেয়ে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কী হতে পারে!

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় গ্রেড ১১–১২-তে লিখিত ১০০-এর বিপরীতে ভাইভা ৫০, গ্রেড ১৩–১৬-তে ৪০ এবং গ্রেড ১৭–২০-তে ২৫ নম্বর। অর্থাৎ লিখিত পরীক্ষায় একজন প্রার্থী কতটা ভালো করেছেন, তার ফলাফলকে interview board-এর subjective assessment দিয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এখানেই আপত্তি।

লিখিত পরীক্ষা তুলনামূলকভাবে objective। সবাই একই প্রশ্নে, একই সময়ে পরীক্ষা দেন। কিন্তু ভাইভা অনেক বেশি subjective। ফলে ভাইভার নম্বর যত বাড়বে, interview board-এর discretionary power তত বাড়বে। আর এই discretion-এর জায়গায় transparency ও accountability দুর্বল হলে পক্ষপাত, পরিচিতি এবং রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগও বাড়বে।

আর গ্রেড ১১–২০-এর কর্মচারীরা মূলত street-level bureaucrat—সরাসরি জনগণের service provider। সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে গেলে তাদের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি সেবা নিতে হয়। তাই এই পর্যায়ের নিয়োগে partisan consideration ঢোকার সুযোগ তৈরি করা কোনোভাবেই ছোট বিষয় নয়।

কারণ মনে রাখা দরকার, এই পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীরা যদি দলীয় বিবেচনায় কাজ করে, তাতে জনগণ যে শুধু সেবা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে তাই নয়, বরং ব্যাপক জনঅসন্তোষ তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে। street level bureaucrat রা যদি fair এবং জনগণের সেবক না হন, তাহলে সরকার যে সেবাই চালু করুক, হোক তা ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড, তা কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের লোকজনের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

সরকারি চাকরি কোনো দলের লোক নিয়োগের জায়গা নয়। একজন মানুষকে রাষ্ট্রের হয়ে জনগণকে সেবা করার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগের সময় যদি রাজনৈতিক আনুগত্য, ব্যক্তিগত পরিচয় বা পক্ষপাতের প্রভাব রাখার সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে সেই কর্মকর্তা ভবিষ্যতে কতটা নিরপেক্ষভাবে জনগণকে সেবা দেবেন—সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

আমরা ভাইভা বাতিলের কথা বলছি না। বরং ভাইভাকে আরও structured, transparent এবং accountable করতে হবে। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধাক্রমকে বড় ধরনের subjective নম্বর দিয়ে উল্টে দেওয়ার সুযোগ রাখা উচিত নয়।

আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—ভাইভা থাকুক, কিন্তু নির্দিষ্ট Rubrics মেনে। Subjective assessment থাকুক, কিন্তু নির্দিষ্ট criteria-এর মধ্যে। Interview board থাকুক, কিন্তু unchecked discretion নয়।

আর সরকারি নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয় নয়, মেধা ও যোগ্যতাই হোক একমাত্র ভিত্তি।

সরকার যদি সত্যিই নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন চায়, তাহলে নিয়োগে discretionary power বাড়ানোর পরিবর্তে transparency, accountability এবং merit-based recruitment শক্তিশালী করা উচিত।

আমাদের আপত্তি ভাইভায় নয়; আপত্তি এমন একটি ব্যবস্থায়, যেখানে ভাইভার subjective নম্বর দিয়ে objective merit-কে পরাজিত করার সুযোগ তৈরি হয়।

আমরা দিনশেষে সেই বাংলাদেশে ফিরতে চাইনা যেখানে সরকার দলীয় নেতা ঘোষণা করার ক্ষমতা পায় যে, 'তোরা রিটেনটা পাশ কর, ভাইবা আমরা দেখবো।'

আগেও তো পরীক্ষা ই ছিলো, হঠাৎ করে বাড়াতে হবে কেন?  পাবলিক সবই বুঝতে পারে। সেইম অন!
08/09/2026

আগেও তো পরীক্ষা ই ছিলো, হঠাৎ করে বাড়াতে হবে কেন? পাবলিক সবই বুঝতে পারে। সেইম অন!

07/09/2026

চাঁদা না পেয়ে চরের ঘাসে বিষ মেশাল ছাত্রদল নেতা।
মারা গিয়েছে ৫টি মহিষ।

কতটা মনুষ্যত্বহীন এরা !

https://dipti.com.bd/how-to-rank-number-1-on-google-maps?fbclid=IwdGRzaAT9SBVjbGNrBP1Hr3Bkb2YBZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcH...
27/08/2026

https://dipti.com.bd/how-to-rank-number-1-on-google-maps?fbclid=IwdGRzaAT9SBVjbGNrBP1Hr3Bkb2YBZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeL7RF8_hhaivViEx4mOf0SK9R1buiCT7OAAexgBK0QAno9QaKZmXvk51iitQ_aem_wY_5w-hTKHJecmTa7E0cWw

ধরুন, আপনার জরুরি ভিত্তিতে একটি কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টার প্রয়োজন অথবা আপনি পরিবার নিয়ে শহরের সেরা ক্যাফেতে খ....

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন ভাই।হয়তো কাল সকালে এই লেখাটাই আপনার বাবার রিপোর্টটা বুঝতে সাহায্য করবে।কারণ ...
07/08/2026

এই লেখাটা স্কিপ করার আগে ৩০ সেকেন্ড সময় দেন ভাই।
হয়তো কাল সকালে এই লেখাটাই আপনার বাবার রিপোর্টটা বুঝতে সাহায্য করবে।
কারণ যে রোগটা নিয়ে লিখছি, এটা ১৫ বছর আপনার লিভারে ঘুমিয়ে থাকে, আপনি টেরও পাবেন না...

গল্প ১: রফিক ভাই
রফিক ভাই, বয়স ৩৮। আমাদের বাজারের হার্ডওয়্যারের দোকানদার। সারাদিন হাসিখুশি মানুষ।
গত ঈদের পর হঠাৎ দেখি শুকিয়ে অর্ধেক হয়ে গেছে। পেটটা কেমন ফুলে আছে। ভাবলাম গ্যাস হইছে।
ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম, ডাক্তার Ultrasound দিয়ে মুখ কালো করে ফেললো। বললো, "লিভার সিরোসিস, একদম লাস্ট স্টেজ।"
রফিক ভাই অবাক! বলে, "আমি তো জীবনে মদ সিগারেট ছুঁই নাই ভাই, আমার কেন এমন হবে?"
আমরাও অবাক।

গল্প ২: স্কুলের আপা
আমার খালাতো বোন, বয়স ৩২। একটা প্রাইমারি স্কুলের টিচার।
বিয়ে হইছে ৬ বছর। বাচ্চা নিতে গিয়ে বারবার সমস্যা হচ্ছে, শরীর দুর্বল লাগে, একটু কাজ করলেই হাঁপিয়ে যায়।
সবাই বলতো, "মেয়ে মানুষের একটু আধটু দুর্বলতা থাকেই।"
গত মাসে একটা রুটিন চেকআপে ধরা পড়লো তার Hepatitis C পজিটিভ। লিভারের ৬০% ড্যামেজ হয়ে গেছে অলরেডি। সে তো কান্না থামাতেই পারছে না, বলছে "আমি কী পাপ করলাম?"

আচ্ছা বলেন তো...
দুইটা মানুষ, দুইটা বয়স, দুই রকম জীবন...
কিন্তু ভিলেন একজনই...

ভিলেনের নাম - হেপাটাইটিস বি / সি ভাইরাস।
আমরা একে চিনি না, কিন্তু সে আমাদের চেনে।

এই জিনিসটা আসলে কী? একদম সহজে বুঝাই।

আপনার লিভারটা হলো আপনার শরীরের ফ্যাক্টরি। এই ফ্যাক্টরি ৫০০ টার বেশি কাজ করে।
এই হেপাটাইটিস ভাইরাস হলো এমন এক চোর, যে ফ্যাক্টরির ভিতরে ঢুকে চুপচাপ বসে থাকে। চুরি করে না, ভাঙচুরও করে না। ৫ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর... আপনি বুঝতেই পারবেন না সে আছে।

আপনি দিব্যি খাচ্ছেন, ঘুমাচ্ছেন, সংসার করছেন।
আর ওদিকে সে আস্তে আস্তে ফ্যাক্টরির মেশিনগুলোতে জং ধরিয়ে দিচ্ছে। একটা সময় গিয়ে পুরো ফ্যাক্টরিটাই নষ্ট - এটাকেই ডাক্তাররা বলে লিভার সিরোসিস। আর সিরোসিসের পরের ধাপটাই হলো লিভার ক্যান্সার।

ভয়ংকর না?

এই চোরটা আমাদের শরীরে ঢোকে কিভাবে? ৪ টা রাস্তা মনে রাখেন, প্লিজ।

১. ব্লেড, সুঁই, সিরিঞ্জের মাধ্যমে:
একই ব্লেড দিয়ে ২ জন সেলুনে শেভ করলেন, নাক-কান ফোঁড়ানোর সময় একই সুঁই ব্যবহার হলো, দাঁতের ডাক্তারের যন্ত্রপাতি ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত না হলে, অথবা রাস্তাঘাটে আকুপাংচার বা হাতুড়ে ডাক্তারের একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার - এই ভাবেই সবচেয়ে বেশি ঢোকে। রফিক ভাই ১২ বছর আগে একটা ছোট অপারেশন করিয়েছিল গ্রামের এক ক্লিনিকে, সেখান থেকেই...

২. রক্ত নেওয়ার সময়:
আগে যখন রক্ত পরীক্ষার এত ভালো ব্যবস্থা ছিল না, তখন অনেকেই ইনফেক্টেড রক্ত নিয়ে ফেলেছে। এখনো যেখানে সেখানে রক্ত নিলে রিস্ক থেকেই যায়।

৩. মা থেকে বাচ্চায়:
আমাদের দেশের অনেক মা জানেই না তার শরীরে Hepatitis B আছে। সেই মা যখন বাচ্চার জন্ম দেয়, তখন বাচ্চাটাও সেটা নিয়ে জন্মায়। বাচ্চাটা সারাজীবন এই ভাইরাস বয়ে বেড়ায়।

৪. অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক:
এটা নিয়েও আমাদের দেশে কেউ কথা বলে না, লজ্জা পায়। কিন্তু এটাও একটা বড় কারণ।

এটা কিন্তু হাঁচি-কাশি, একসাথে খাওয়া, কোলাকুলি বা মশার কামড়ে ছড়ায় না। তাই রোগীকে ঘৃণা করবেন না, ভাই।

আমরা যে লক্ষণগুলোকে পাত্তাই দেই না...

এই রোগের সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো এর তেমন কোনো লক্ষণই নেই। তারপরও শরীর কিছু সিগন্যাল দেয়, আমরা বলি "আরে এমনিই..."

কোনো কারণ ছাড়াই সবসময় দুর্বল লাগা, অল্পতেই হাঁপিয়ে যাওয়া
খাবারে অরুচি, একটু খেলেই পেট ভরে যাওয়া, বমি বমি ভাব
পেটের ডান পাশে উপরে হালকা ব্যথা বা ভারী লাগা
চোখ বা প্রস্রাব মাঝে মাঝে হলুদ হয়ে যাওয়া, আবার ঠিক হয়ে যাওয়া
কোনো কারণ ছাড়াই জয়েন্টে ব্যথা, মাংসে ব্যথা

এইগুলোকে আমরা গ্যাস্ট্রিক বলে গ্যাসের ওষুধ খেয়ে শেষ করে দেই।

ভয় পাইয়েন না ভাই... সুখবর হচ্ছে...

আল্লাহর রহমতে এখন এই রোগ নিয়ে ভয় পাওয়ার দিন শেষ।

Hepatitis B এর জন্য আমাদের হাতে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ একটা টিকা। এই টিকা নিলে আপনি সারাজীবনের জন্য অনেকটা নিরাপদ। আর যদি ভাইরাস থেকেও যায়, এখন এমন ওষুধ আছে যা ভাইরাসটাকে সারাজীবন ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারে।

আর Hepatitis C? এটা এখন ৯৫% ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। হ্যাঁ, ঠিক শুনছেন। ৩ মাসের একটা কোর্সে (DAAs) এই ভাইরাস শরীর থেকে একদম চলে যায়। WHO, CDC সবাই বলছে এটা সম্ভব। শুধু দরকার সময়মতো ধরা পড়া।

তাহলে এখন কী করবেন? ৩ টা কাজ করেন ভাই, আজকেই।

১. টেস্টটা করে ফেলেন:
বয়স ২০ এর উপরে হলে জীবনে একবার HBsAg আর Anti-HCV - এই দুইটা রক্ত পরীক্ষা করিয়ে ফেলেন। খরচ ৮০০-১২০০ টাকার বেশি না। এটা আপনার জীবনের সবচেয়ে লাভজনক ইনভেস্টমেন্ট হবে।

২. টিকা আছে কিনা নিশ্চিত হন:
যদি Hepatitis B নেগেটিভ আসে, কালকেই ডাক্তারের সাথে কথা বলে টিকা নিয়ে নেন। বাচ্চা জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১ম ডোজটা দেওয়া বাধ্যতামূলক, মনে রাখবেন।

৩. ব্লেড আর সুঁই নিয়ে সচেতন হন:
সেলুনে গেলে নিজের ব্লেড নিয়ে যান বা দেখে নিন নতুন ব্লেড ভাঙছে কিনা। নাক-কান ফোঁড়ানো, ট্যাটু, দাঁতের কাজ বা যে কোনো ছোট অপারেশন - যেখানেই সুঁই বা ব্লেডের ব্যাপার আছে, সেখানেই ১০০% নিশ্চিত হন যে সবকিছু জীবাণুমুক্ত কিনা।

ভাই, রফিক ভাইয়ের মতো মানুষগুলো যদি ১০ বছর আগে একটা ৫০০ টাকার টেস্ট করতো, আজ তার দুইটা ছোট বাচ্চা নিয়ে তাকে হাসপাতালে দৌড়াতে হতো না।

এই পোস্টটা আমার কোনো বই থেকে লেখা না ভাই, আমার নিজের চোখে দেখা।

যদি মনে হয় এই লেখাটা কারো কাজে লাগতে পারে, একটা শেয়ার দিয়ে দিয়েন। আপনার একটা শেয়ারে যদি একটা মানুষও কাল গিয়ে টেস্টটা করায়, এর চেয়ে বড় সওয়াব আর কী হতে পারে?

বুকে হাত দিয়ে বলেন তো...
জীবনে কখনো Hepatitis B এর টিকা নিয়েছেন কিনা বা HBsAg টেস্টটা কখনো করিয়েছেন কিনা সত্যি করে বলেন তো? ভুলে গেছেন?

কমেন্টে লিখেন, লজ্জার কিছু নাই। আমি রিপ্লাইয়ে বুঝিয়ে বলবো আপনার কী করা উচিত।


লেখা: EM health tips

Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Citizen - VOC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share