A to Z

A to Z Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from A to Z, Digital creator, Sylhet.

আমার জীবনে সেরা কিছু আনন্দের মধ্যে এই চিঠিটা অন্যতম।ততদিনে প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষার দুই বছর পার হয়ে গেছে। বৃত্তি পাবার ...
29/11/2025

আমার জীবনে সেরা কিছু আনন্দের মধ্যে এই চিঠিটা অন্যতম।

ততদিনে প্রাইমারি বৃত্তি পরীক্ষার দুই বছর পার হয়ে গেছে। বৃত্তি পাবার আনন্দ ও স্মৃতি দুটোই ভুলতে বসেছি। আচমকা একদিন আসল একটা পার্সেল।

একটা চিঠি, দুইটা বই।

চিঠি পাঠিয়েছেন স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

কী এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার! কী অবিশ্বাস্য!

তখন ফেসবুকের যুগ নয়। ব্যাপারটা ভাইরাল করে ক্রেডিট পাবার কোনো সুযোগ ছিল না। প্রি ঘোষণাও দেয়া হয়নি। নেয়া হয়নি পোস্ট ক্রেডিট।

আমার বাবা আনন্দে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। শুধু আমার জন্যে নয়, তাঁর কাছেও এই একটা পাতা ছিল প্রচণ্ড গৌরবের বিষয়।

প্রসঙ্গত, বেগম খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় ও শেষ শাসনামল পুরোপুরি স্মৃতিতে আছে। আব্বার পত্রিকা রাখার অভ্যাস, একসাথে সংসদ, বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকা শোনার কারণেই সেই সরকারের সবাইকেই জানতাম। বেশিরভাগ মন্ত্রীর মন্ত্রণালয়সহ নাম এখনো মুখস্ত।

এটাও মনে আছে, ২০০১-২০০৬ সময়টা নিষ্কলুষ ছিল না। পত্রিকা তুলনামূলক স্বাধীন থাকার কারণেই প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো পত্রিকার শিরোনামে কার্টুনসহ খালেদা জিয়ার সমালোচনা থাকতো। রাজনীতির পাঠে এই অধ্যায় নিয়ে বহু কাঁটাছেড়া হয়েছে, হবেও ভবিষ্যতে। আজকে থাক এসব।

তবে জিয়া ও বিএনপির ঘোরতর শত্রুও সম্ভবত এখন স্বীকার করবে; ২০০১-২০০৬ সময়টা প্রাথমিক মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য ছিল স্বর্ণযুগ। শেষ ভালো পিরিয়ড। তার একটা নজির এই চিঠি।

বর্তমান সময় ও বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে বিশ্বাস করা কঠিন হবে যে দেশের কোনো সরকার প্রধান সদ্য কিশোরে পা রাখা কোনো ছেলে মেয়েকে সরাসরি চিঠি পাঠাতে পারেন। কোনো দাবী বা প্রত্যাশার মুখে নয়, নয় কোনো ক্রেডিটের লোভে।

আরেকটা ব্যাপার লক্ষণীয়। তিনি উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞান বিষয়ক দুইটা বই। তিনি আশা করেছেন তাঁর উপহার একজন টিনএজারকে বিজ্ঞানমনস্ক করতে সহায়তা করবে। আরো বিস্ময়ের বিষয়, দুইটা বইয়ের মূল গ্রন্থটার লেখকের নাম, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সঙ্গে যার সম্পর্ক আজীবন ছিল ভীষণ শীতল।

সবশেষে, চিঠির ভাষা। মনে হবে ভীষণ চেনাজানা একজন গার্ডিয়ান মাথায় হাত রেখে প্রশংসা, পরামর্শ ও স্নেহ বিলি করছেন। "আমি বিজ্ঞানবর্ষ ঘোষণা করেছিলাম" এর বাইরে কোথাও আমিত্ব নেই। প্রধানমন্ত্রীকে পাশ কাটিয়ে পুরো চিঠির মূল চরিত্র ক্লাস সেভেনের কোনো কিশোর বা কিশোরী।

চিঠির শেষটাও চমৎকার।

তোমাদের আপনজন,
খালেদা জিয়া।

যেন "আপনজন" ছাড়া খালেদা জিয়

03/10/2025
27/09/2025

কাউকে মানসিক কষ্ট দিচ্ছেন?
খুব যত্ন করে দিন, যাতে কেউ টের না পায়!
তবে নিজেকেও একটু তৈরী রাখবেন ভবিষ্যতের জন্য।
যে কষ্টগুলো আপনি দিচ্ছেন, দুনিয়াতেই তার পুরোটা না হলেও মিনিমাম এক তৃতীয়াংশ ভোগ করে যেতে হবে যে!
গোলাকার এই পৃথিবীতে আপনার দেওয়া কষ্টগুলো ঘুরেফিরে কিন্তু আপনার কাছেই ফেরত আসবে একদিন না একদিন। আপনি অনুশোচনা আর আত্মগ্লানিতে ভুগতে ভুগতে একটা সময় শেষ করে দেবেন নিজেকে, হয়তোবা আপনার সো কল্ড ইগোর জন্য ওই মানুষটার কাছে মাফও চাইতে পারবেন না!

সবারই মনে রাখা উচিত, মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস — সামনে এগোতে গেলে শিকলের মত পা জড়িয়ে টেনে ধরে। কেউ অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, ইংরেজিতে যাকে "Revenge of Nature" বলে। মানুষ ভুলে গেলেও প্রকৃতি কিছুই ভুলে না! সময়ের ব্যবধান মাত্র!!

কেউ নিজে দোষ করে উল্টা আপনাকে অপবাদ দিয়েছে, নিজের দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে আপনার অর্জনকে ছোট দেখাল, আপনার শ্রম-সফলতার স্বীকৃতি দিল না, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ন্যায্য হিস্যা থেকে আপনাকে বঞ্চিত করেছে, কথার বাণে আপনাকে করেছে ক্ষত-বিক্ষত! করুক না!! জরুরি না যে সবকিছুর উত্তর আপনাকে এখনই দিতে হবে! কিছু উত্তর সময়ের উপর ছেড়ে দেন না! দেখেনই না কি হয়?

সবসময় আমরা বুঝে উঠতে পারি না, ঠিক কোন অপরাধের শাস্তি আমরা পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে, অপমান করে, কাঁদিয়ে, কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু প্রকৃতি ভোলে না, প্রকৃতি ক্ষমা করে না!

এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সে হয়তো প্রতিবাদ করবে না, কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে আসা দীর্ঘশ্বাস আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ মহান সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না। তিনি কারোর একার না। তিনি সবার।
゚viralシfypシ゚viralシalシ

26/09/2025

হৃদয়ের আত্মচিৎকার হৃদয়ের দেয়াল বেদ করতে ব্যর্থ ছিল। অযথাই কাটটুকুরে পখির মত টুক টুক করে গেলাম।

ধরেন আপনার মেয়ে ধ*র্ষ*ণের শিকার হলো। আপনি দুঃখ পাবেন। কষ্ট পাবেন। হয়তো লজ্জাও পাবেন। এমন কোনো খারাপ অনুভূতি নেই যেটা আপন...
23/09/2025

ধরেন আপনার মেয়ে ধ*র্ষ*ণের শিকার হলো।

আপনি দুঃখ পাবেন। কষ্ট পাবেন। হয়তো লজ্জাও পাবেন। এমন কোনো খারাপ অনুভূতি নেই যেটা আপনার হবে না।

এখন প্রশ্নটা অন্যভাবে করি।

ধরেন, আপনার ছেলে কোনো মেয়েকে ধ*র্ষ*ণ করল।আপনি কেমন বোধ করবেন?

আপনি কি দুঃখ পাবেন না?
আপনার কি লজ্জা হবে না?
আপনার কি মরে যেতে ইচ্ছা হবে না?
আপনার কি একবারও মনে হবে না আপনার শিক্ষায় কোথাও ভুল আছে তাই আপনার বাচ্চা এমন কাজে জড়িয়েছে?

হবে না এমন কিছু মনে নাকি হবে?
আমি দিনে কমপক্ষে ২০০ মেসেজ পাই। মেয়ে বাচ্চার মায়েরা লেখে কিভাবে তারা আতঙ্কে থাকে, টেনশনে থাকে, সারাক্ষণ চিন্তিত থাকে মেয়ে শিশুর “সুরক্ষা”, নিরাপত্তা নিয়ে।

চিন্তিত থাকারই কথা। যে দুনিয়া আমরা দেখছি তাতে কোনো শিশুর বাবা মায়েরই ভবিষ‍্যত নিয়ে আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে উপায় নেই।

কিন্তু এই দুনিয়ার সবচেয়ে আতঙ্কিত হবার মত বিষয় কি জানেন? এই ডেইলি ২০০ মেসেজের মধ‍্যে একটা মেসেজও, চার বছর ধরে শোনা অজস্র কেইসের মধ‍্যে একটা কেইসও, ত্রিশ বছর ধরে দেখে আসা ঘটনার একটা ঘটনাতেও

কখনো

কোনো ছেলের মাকে/বাবাকে

চিন্তা করতে দেখলাম না,
আতঙ্কিত হতে দেখলাম না,
ঘুমহারা হতে দেখলাম না

যে তার ছেলে যদি কোনো নারী লাঞ্ছ*নার কাজে কখনো কোনোভাবে জড়িয়ে পড়ে তাহলে সে কিভাবে সমাজে মুখ দেখাবে? কিভাবে পরের দিনটা বাঁচবে? কিভাবে সেই বেদনা সহ‍্য করবে?

কেন দেখলাম না? কেন ছেলে শিশুর মায়েরা এরকম করে ভাবে না?

এটা কি একটা অসুস্থ বি*কৃ*ত* সমাজের প্রধান লক্ষণ না?

যে সমাজে ছেলের বাবা মায়েরা সন্তানের চরিত্র নিয়ে চিন্তিত না, কখনো এনিয়ে ভাবেও না, সেই সমাজে মেয়েরা নিরাপদে থাকবে? কিভাবে? এটা কি কখনো সম্ভব?

#পারমিতার_প্রতিদিন



20/09/2025

বিষয় যখন নির্বাচন:

একজন অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে নির্বাচন বা চয়েজ বলতে বুঝি, তোমার অভাব অসীম কিন্তু সেই অভাব পুরনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ সীমিত......... তাই তোমার অভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জরুরী যেকটা ঐটাতে তোমার যা সম্পদ আছে তা নিয়োজিত করবা করে তোমার বিদ্যমান অভাব দুর করবা...এইটাই নির্বাচন।

ঠিক তেমনই আমাদের জাতীয় জীবনে অসংখ্য দল অসংখ্য প্রার্থী দিবে ঐ নির্দিষ্ট এলাকার মানুষ তাদের চোখে সবচে ভালো যাকে মনে করবে তাকে চুজ করবে...... এইটাই নির্বাচন।

প্রতীযোগীতায় অংশ নেয়া সবাই যদি শিরোপা দাবি করে তখন ত আর ঐটা প্রতিযোগিতা বা নির্বাচন হইলো না বিষয়টা সিম্পল।

আরেকটা হিসাব তারা দেখতেছি অনলাইনে গুরাচ্ছে....৩৫% পাইল একজন, ৩০% একজন, ২০% একজন,১৫% একজন....দেখা গেল ৩৫% এর জন এমপি বাকি ৬৫% এর ভোটের কোনো দাম নাই😆
বুদ্ধি দেই, ৬৫% পাওয়ার জন্য সবাই মিলে একটা দল করেন ভাওতাবাজি যুক্তি দিয়েন না।

আপনাদের কথামতো ত ঐ ১৫% প্রাপ্ত ব্যাক্তি কে সিট দিতে অইবো...তখন তারে দিলেন এই আসনেই তখন কতো পার্সেনরে বাইরে রাখলেন? 😆৮৫% রে....এই যুক্তি দিয়া সংসদে যাইতে চান? দেশের ১২ টা বাজাইয়া?
আর ঐ ১৫% ভোট পাওয়া ব্যাক্তিরে যখন ৩৫% পাওয়া ব্যাক্তির সমর্থকের এলাকায় এমপি বানাইয়া দিবেন তখন ক্যাচাল টা শামলাইবো কে?

যুক্তিযুক্ত দাবি যেগুলা ঐগুলা নিয়া কথা বলতেন আমরা সাধারণরা খুশি হইতাম...ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগ স্বাধীন, পুলিশ কমিশন গঠন,মানবাধিকার কমিশন গঠন,সাংবিধানিক সকল প্রথিষ্টান শক্তিশালী করণ....এইগুলা নিয়া কথা বলেন সবাই মিলে,ভন্ডামি বাদ দেন।

20/09/2025

আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেবের হত্যা কারি আওয়ামী লীগ কে নিয়ে আজ জামাত যাচ্ছে কবর জেয়ারত করতে 🥲

20/09/2025

ওরে আইডিয়া 🤪

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A to Z posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share