26/03/2026
কীভাবে স্ত্রীকে নেককার হিসাবে গড়ে তুলবেন⁉️
১. তাকে কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদের জন্য উৎসাহিত করবে।
২. কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৩. প্রতিটি কাজের মাসনুন দুআ, সকাল-সন্ধ্যা ও নামাযের পরের আযকারগুলো আদায়ের ব্যাপারে যত্ন নেওয়ার তাগিদ দেবে।
৪. তাকে সদাকা করার প্রতি উৎসাহিত করবে।
৫. বিভিন্ন উপকারী দ্বীনি ও ইসলামি বই পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৬. ঈমান ও আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদানকারী বিভিন্ন লেকচার ও আলোচনা শোনাবে এবং তা শোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করবে।
৭. তাকে নেককার ও উত্তম সঙ্গী নির্বাচন করে দিতে হবে— যার সাথে সে বসবে, অবসর সময়ে উত্তম উত্তম কথা বলবে এবং একসাথে হাঁটতে বের হবে।
৮. তাকে খারাপ ও অকল্যাণকর বিষয় থেকে ফিরিয়ে রাখবে
এবং এগুলো আসার সকল পথ বন্ধ করে দেবে।
তাকে খারাপ মানুষের সাথে মিশতে দেবে না,
খারাপ জায়গায় যেতে দেবে না।
একজন নেককার স্ত্রী, তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
তবে একজন স্ত্রী ততক্ষণ পর্যন্ত নেককার হতে পারবে না,
যতক্ষণ পর্যন্ত ৪টি কাজ সঠিকভাবে করতে না পারবে—
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
রমজান মাসের রোজা
নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত
(অর্থাৎ আল্লাহ্র বিধান অনুযায়ী পরিপূর্ণভাবে পর্দা করা)
স্বীয় স্বামীর আনুগত্য ✨💖
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
“সম্পূর্ণ পৃথিবী সম্পদ।
আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম সম্পদ হচ্ছে সৎ চরিত্রবান নারী।” 🌸
[বুখারী, মুসলিম, মিশকাত : ৩০৮৩]
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ
“যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে,
রমজান মাসের রোজা রাখে,
নিজের লজ্জাস্থান হেফাজত করে
এবং স্বীয় স্বামীর আনুগত্য করে—
সে নিজের ইচ্ছানুযায়ী জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে।” 🌸
[আহমাদ, ১৫৯৩]