It’s SOHAG 005

Call Website Contact the business

It’s SOHAG 005 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from It’s SOHAG 005, Digital creator, Tangail, Tangail.

আর যাই হোক, দায়িত্বের বেলায় একজন পুরুষ নিজের কথা খুব কমই ভাবে। সে নিজের ইচ্ছে, শখ, ক্লান্তি সবকিছু চুপচাপ পাশে সরিয়ে রাখ...
20/06/2026

আর যাই হোক, দায়িত্বের বেলায় একজন পুরুষ নিজের কথা খুব কমই ভাবে। সে নিজের ইচ্ছে, শখ, ক্লান্তি সবকিছু চুপচাপ পাশে সরিয়ে রাখে, শুধু প্রিয় মানুষগুলোর মুখে হাসি দেখার জন্য।

অনেক সময় তার নিজের কষ্টের খবর কেউ জানে না, কারণ সে অভ্যাস করে ফেলেছে হাসিমুখে সবকিছু সহ্য করতে।

পুরুষ মানুষটা হয়তো সবসময় শক্ত নয়, তবুও দায়িত্বের কাছে এসে সে নিজের ভাঙাচোরা অনুভূতিগুলো লুকিয়ে রাখে।

কারণ সে জানে, তার পেছনে কিছু মানুষের স্বপ্ন দাঁড়িয়ে আছে।

জানো মা, জানো বাবা,এই তোর প্রবাসে আসার পর থেকে তোমাদের কষ্ট হবে বলেই অনেক কথাই বলা হয়নি কত রাত যে একা একা কেঁদেছি, কতদিন...
20/06/2026

জানো মা, জানো বাবা,

এই তোর প্রবাসে আসার পর থেকে তোমাদের কষ্ট হবে বলেই অনেক কথাই বলা হয়নি কত রাত যে একা একা কেঁদেছি, কতদিন শরীর খারাপ নিয়েও কাজ করতে গেছি, কত অপমান, কত ক্লান্তি, কত না-পাওয়া নীরবে সহ্য করেছি তার কিছুই তোমাদের বুঝতে দিইনি।

কারণ আমি জানি, আমার সামান্য কষ্টের কথাও শুনলে তোমাদের বুকটা ভেঙে যাবে।

তাই প্রতিবার ফোনে যখন তোমরা জিজ্ঞেস করো, কেমন আছিস বাবা?

তখন হাজার কষ্ট লুকিয়ে হাসিমুখে বলি, ভালো আছি কিন্তু সত্যি বলতে, প্রবাসে কেউ পুরোপুরি ভালো থাকে না মা। এখানে মানুষ বাঁচে দায়িত্বের জন্য, নিজের ইচ্ছেগুলোকে চুপ করিয়ে রেখে পরিবারের খ হাসি ফোটানোর জন্য।

দিন শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে রুমে ফিরে

যখন তোমাদের কথা মনে পড়ে, তখন খুব ইচ্ছে করে সব ছেড়ে আবার ছোটবেলার মতো তোমাদের কাছে ফিরে যাই।

জানো বাবা, তোমার সেই নীরব ভালোবাসাটা এখন খুব বুঝি। আর মা, তোমার হাতের রান্না, তোমার বকা, তোমার আদর সবকিছু আজ হাজার মাইল দূরে বসে খুব বেশি মিস করি। প্রবাস মানুষকে শুধু টাকা রোজগার করতেই শেখায় না, শেখায় কষ্ট লুকিয়ে হাসতে, শেখায় নিজের চোখের পানি নিজেকেই মুছে নিতে।

সঙ্গীর সাথে চরম অন্যায় করা কিংবা অবহেলা করা মানুষগুলোও না, একটা সময় ঠিকই অনুশোচনায় ভোগে–তাদের ভুগতে হয়! আজ যে মানুষটা সঙ...
31/05/2026

সঙ্গীর সাথে চরম অন্যায় করা কিংবা অবহেলা করা মানুষগুলোও না, একটা সময় ঠিকই অনুশোচনায় ভোগে–তাদের ভুগতে হয়!

আজ যে মানুষটা সঙ্গীর প্রতি নিতান্তই উদাসীন, যে মানুষটা সঙ্গীর প্রাপ্য মূল্য কিংবা অধিকার দেয় না, সেই মানুষটাই একটা সময়ে গিয়ে নিজের ভুল বুঝতে পারে। আর যখন সে তার নিজের ভুল বুঝতে পারে, ততদিনে হয়তো সঙ্গীর মনে তার প্রতি চরম ঘৃণার সৃষ্টি হয়!

দাম্পত্য জীবনে বেশিরভাগ মানুষই সঙ্গীর সাথে অভিনয় করে যায়। এ সম্পর্কে ভালোবাসার চাইতে দায়িত্বকে বড় করে দেখা হয়। এই একটামাত্র সম্পর্কেই মানুষ সবচেয়ে বেশি ভনিতা করে। দায়িত্ব আর কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কখন সঙ্গীর মাঝে বিশাল ফারাক তৈরি হয়, বুঝতেই পারে না।

সঙ্গীকে তার প্রাপ্য অধিকার আর মূল্য না দেয়া মানুষগুলোই নিজের ভুল বুঝতে পারে যখন সেই বয়সটা কিংবা মানুষটা থাকে না। যে বয়সে সঙ্গীকে সময় দেয়া প্রয়োজন, সঙ্গীর পাশে থাকা প্রয়োজন, সেই বয়সে মানুষ দায়িত্বের দোহাই দিয়ে সঙ্গীকে ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে।

আর এভাবে ধীরে ধীরে দাম্পত্য জীবন হয়ে ওঠে তিক্ততার! একবার সঙ্গীর মন থেকে উঠে গেলে, স্বামী–স্ত্রী দুজনের বিছানা এক থাকলেও মনটা ঠিক দু'জনের দু জায়গায় পড়ে থাকে। আর তারপর দায়িত্ব আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার খাতিরে কেবল অংশগ্রহণ করে যায় ঠিকই, তবে মন থেকে কেউ কারো প্রতি শ্রদ্ধাশীল আর কেউ কাউকে ভালোবাসতে পারে না! আর তখন এই ব্যাপারটাই শেষ বয়সে হলেও একটা মানুষকে চরম অনুশোচনায় ভোগায়!

প্রথম প্রথম প্রচুর সময় দিবে।শুয়ে থাকতে, বসে থাকতে, ঘুমকে হারাম করে দিনরাত সময় দিবে।কেউ কাউকে সময় দেয়ার জন্য বলে দিতে হবে...
06/05/2026

প্রথম প্রথম প্রচুর সময় দিবে।

শুয়ে থাকতে, বসে থাকতে, ঘুমকে হারাম করে দিনরাত সময় দিবে।

কেউ কাউকে সময় দেয়ার জন্য বলে দিতে হবে না।

এভাবে পরস্পরের মধ্যে অনেক কথা হবে, হাজার কথা হবে।

তারপর আস্তে আস্তে কথা ফুরিয়ে যাবে, ব্যস্ততাও বেড়ে যাবে! লম্বা লম্বা রচনা টাইপের মেসেজ থেকে খুব শর্টকাট; হ্যাঁ, হুম, না'তেই সীমাবদ্ধ থাকবে দু'জনের কনভারসেশন।

প্রতি মিনিটে মিনিটে, ঘন্টায় ঘন্টায় কথা বলা মানুষটার সাথেই সপ্তাহে একবার কিংবা মাসে একবার খোঁজ-খবর নেয়া হবে।

রাত জেগে কথা বলার অভ্যেস একপক্ষকে দারুণ পীড়া দিবে! রাতে ঠিকঠাক ঘুমাতে পারবে না, নির্ঘুম জেগে থাকবে। আর অপরপক্ষ নাক ডেকে ঘুমাবে।

তারপর অনেকদিন এভাবেই কেটে যাবে। একজনের ব্যস্ততা আর অপরজনের অপেক্ষা-অভিযোগ, অভিমান সব মিলিয়ে সম্পর্ক হয়ে দাঁড়াবে তিক্ততার!

একপক্ষ মুক্তি চাইবে, অপরপক্ষ আগলে রাখতে ব্যকুল হয়ে যাবে। তারপর? তারপর ব্যস্ততায় আস্তে আস্তে হারিয়ে যাবে খুব সুন্দর একটি সম্পর্ক! যে যার পথে ফের আলাদা হাঁটা শুরু করবে।

অনেকদিন পর আর কেউ কাউকে চিনবে না, মনেও রাখবে না। পৃথিবীর সবকিছুই ক্ষণস্থায়ী, তবে এ যুগের সম্পর্কগুলো আরও বেশি ক্ষণস্থায়ী!

সম্পর্ক মনের মতো না হলেই মানুষ মুক্তি চায়, হাফ ছেড়ে বাঁচতে চায়। সম্পর্ক থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়ার উপায় " ব্যস্ততা "। ব্যস্ততায় কোনো দায় নেই, কোনো জবাবদিহিতা নেই, কোনো দোষ নেই। সম্পর্কে একপক্ষ গভীর হলেই, অপরপক্ষের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়া পৃথিবীর এক অপরিহার্য-অদ্ভুত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে!

তোমার ভালোবাসা পাওয়া, না পাওয়া নিয়ে আর আর কোনো আক্ষেপ নেই। তোমার অযাচিত সময় ভিক্ষা চাইতে আর ভালো লাগে না। মন চাইলে ভালোব...
06/05/2026

তোমার ভালোবাসা পাওয়া, না পাওয়া নিয়ে আর আর কোনো আক্ষেপ নেই। তোমার অযাচিত সময় ভিক্ষা চাইতে আর ভালো লাগে না। মন চাইলে ভালোবাসো, মন না চাইলে বেসো না-দুঃখ নেই। আমায় ভালোবাসার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই তোমার।

স্রেফ মুখে " ভালোবাসি" বললেই হৃদয় কভু পুলকিত হতে পারে না। ভালোবাসা প্রমাণ চায়, আস্থা চায়। ভালোবাসা বোঝা যায় আচরণে, গুরুত্বে এবং দুঃখের দিনে। তুমি ভালোবাসলেও সই, না বাসলেও সই। কোনো তফাত নেই।

মেনে নিয়েছি সব।

পৃথিবীতে ভালোবাসা, সময় কভু ভিক্ষা চেয়ে পাওয়া যায় না। যার মনে ভালোবাসা জন্মায়নি কখনো, সে কভু ভালোবাসে না। ভালোবাসার ভান করে ভালোবাসা যায় না। উপলব্ধি না হলে ভালোবাসা যায় না। অনুভবে, অস্তিত্বে মিশে না থাকলে ভালোবাসা যায় না।

মানুষ ভালোবাসে বলেই জীবনের সবচাইতে কঠিন মূহুর্তে ভালোবাসার মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে চায়। মানুষটাকে পাশে চায়, মানুষটার সঙ্গ চায়, মানুষটাকে এক নজর দেখার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে, মানুষটা ছাড়া এক মূহুর্ত থাকতে পারে না।

তোমার ভালোবাসা পাওয়ার আর কোনো আকাঙ্খা নেই। কোনো সম্ভাবনা নেই, কোনো নিশ্চয়তা নেই। তুমি বরং তোমাকেই ভালোবাসো, নয়তো অন্য কাউকে, তাতে কোনো দুঃখ নেই।

ভালোবাসা, সময় চেয়ে নেয়ার জিনিস নয়।

যার প্রতি ভালোবাসা জন্মায়, তাকে ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না। তুমি দিব্যি থাকো, তাতে কোনো আক্ষেপ নেই। তোমার ভালোবাসা পাওয়ার আর কোনো ইচ্ছেই নেই আমার। তোমার ভালোবাসা পাওয়া, না পাওয়া দু'টোই সমান এখন। তোমার এমন অনিশ্চিত ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে না পাওয়াই জীবনের সবচাইতে বড়ো নিশ্চয়তা!

আবার জন্ম নিলে পাখি হতে চাই।এই সীমাবদ্ধ জীবনের বাইরে, এক টুকরো নিঃশর্ত স্বাধীনতার স্পর্শ পেতে চাই। মুক্ত আকাশকে নিজের ঠি...
01/05/2026

আবার জন্ম নিলে পাখি হতে চাই।
এই সীমাবদ্ধ জীবনের বাইরে, এক টুকরো নিঃশর্ত স্বাধীনতার স্পর্শ পেতে চাই। মুক্ত আকাশকে নিজের ঠিকানা বানিয়ে, ডানার ভরসায় ঘুরে বেড়াতে চাই সমগ্র সৃষ্টি জুড়ে।

কোনো বাঁধন থাকবে না, কোনো অজানা ভয় না, না থাকবে কারো অদৃশ্য শাসন। যেখানে মন চাইবে, সেখানেই থামবো; যেখানে ভালো লাগবে, সেখানেই ডানা মেলবো।

নদীর উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া, পাহাড় ছুঁয়ে ফেরা, সূর্যাস্তের রঙ গায়ে মেখে আবার নতুন ভোরের অপেক্ষা এই সরল আনন্দগুলোই হবে জীবনের আসল মানে।

মানুষ হয়ে বাঁচতে গিয়ে আমরা কত কিছু হারিয়ে ফেলি; নিজের ইচ্ছে, নিজের সময়, নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার।

তাই তো মনে হয়, পাখি হয়ে জন্ম নিলে হয়তো কম কিছু পেতাম, কিন্তু যা পেতাম, তা হতো একেবারে নিজের অখণ্ড, নিঃশ্বাস ভরা, মুক্ত।

প্রাণ খুলে বাঁচতে চাই,
একবার হলেও কোনো হিসাব ছাড়া, কোনো ভয় ছাড়া, শুধু নিজের মতো করে।

বড্ড অভাবে পইরা আমি তোমার দারে আইছি,না— টাকা-পয়সার অভাবে না, ভালোবাসার অভাবে!তুমি তো এদিক-সেদিক খুচরো পয়সার মতো ভালোবাসা...
01/05/2026

বড্ড অভাবে পইরা আমি তোমার দারে আইছি,
না— টাকা-পয়সার অভাবে না, ভালোবাসার অভাবে!
তুমি তো এদিক-সেদিক খুচরো পয়সার মতো ভালোবাসা বিলাও,
আমারে না হয় চার আনা ভালোবাসা দার দাও!
বিনিময়ে তোমারে দিয়া দিমু, আমার একটা গোটা জীবন—
যেই জীবনে তুমি ছাড়া আর কেহ নাই,
ধরে নাই কারো হাত, আর বলে নাই চোখে চোখ রাইখা কথা!

বড্ড অভাবে পইরা আমি তোমার দারে আইছি,
না— যায়গা-জমির অভাবে না, একটু খানি যত্নের অভাবে।
তুমি তো এদিক-সেদিক যত্ন বিলাইয়া বেরাও,
তোমার পুরোনো হয়ে যাওয়া জামাকাপড় ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার মতো!
আমারে ও একচিমটি যত্ন দাও,
বিনিময়ে তোমার এক জীবনের কষ্টগুলো আমার উপরে চাপাও!

বড্ড অভাবে পইরা আমি তোমার দারে আইছি,
না— তোমার সোনা আর অলঙ্কারের অভাবে না, মায়ার অভাবে!
তুমি তো পোষা প্রাণী— কুকুর, বিড়াল হইতে রাস্তার ভিক্ষুকদেরও
মায়ার নজরে তাকাও,
সেই তাকানোটা না হয় এইবার আমার দিকে তাকাও!
বিনিময়ে আমারে আজীবনের তরে দুঃখের নদীতে বাসাইয়া দাও,
তবুও ভালোবাসা দাও!

বড্ড অভাবে পইরা আমি তোমার দারে আইছি,
এইবার খালি হাতে না তাড়াও,
আমায় এইবার খালি হাতে না ফিরাও!

আমি জানি, তুমি আমার দিকে ভিড়বে না। স্রোতের বিপরীতে সহজে কেউ অগ্রসর হয় না—হতে পারে না। তুমি কি আর সহজে স্রোতের বিপরীতে দা...
01/05/2026

আমি জানি, তুমি আমার দিকে ভিড়বে না।
স্রোতের বিপরীতে সহজে কেউ অগ্রসর হয় না—হতে পারে না। তুমি কি আর সহজে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আমার কাছে ভিড়বে? তুমি তো সময় আর স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে দাও। মন চাইলে কথা বলো, মন না চাইলে বলো না। মন চাইলে ভালোবাসো, মন না চাইলেই বাসো না।

আমি জানি, তুমিও একদিন ফিরে যাবে নিজের ঠিকানায়, নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া এক নির্ভুল নিঃশ্বাসে, নিজের গোছানো কোনো রঙিন ফুলশয্যায়।

যেমন দিনশেষে অতিথি পাখিরা ফিরে যায় আকাশ ছুঁয়ে, খেক শেয়ালের ঝাঁক মিলিয়ে যায় তাদের অচেনা অন্ধকারে, ঠিক তেমনই নিঃশব্দে তুমিও সরে যাবে আমার জীবন থেকে।

যেমন করে সরে থাকো দিনের পর দিন। চোখের আড়াল হলেই তুমি মনের আড়াল হও। তেমন করে একদিন ফিরে যাবে নীড়ে, চেনা কোনো ঠিকানায়।

জানি তুমি আমার কাছে ভিড়বে না।
মন থেকে ভালোবেসে পাশে থাকবে না। তোমারও ঠিকানা আছে, ভালোবাসার জায়গা আছে। সেই ভালোবাসা অবজ্ঞা করে তুমি কি আর ভিড়বে সেখানে, যেখানে তোমার কোনো অনুভূতিই কাজ করে না?

যে রাতে মানুষটার মন ভেঙেছে, পরদিন সকালে সে তার কর্মস্থলে যথাযথ সময়েই পৌঁছেছে। বাড়ি ফিরে চূর্ণবিচূর্ণ হৃদয়ের দিকে তাকিয়ে ...
26/04/2026

যে রাতে মানুষটার মন ভেঙেছে, পরদিন সকালে সে তার কর্মস্থলে যথাযথ সময়েই পৌঁছেছে। বাড়ি ফিরে চূর্ণবিচূর্ণ হৃদয়ের দিকে তাকিয়ে সে চোখের পানি ফেলেছে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর মতো।

তাকে থামাতে কারও এগিয়ে আসতে হয়নি। সে মুখে পানি দিয়ে আর চুলে চিরুনি চালিয়ে দরজা খুলেছে হাসিমুখে। তারপর সে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বের হয়েছে খোলা আকাশ দেখতে।

একই নিয়মে বদলে গেছে কয়েকটি ক্যালেন্ডার। সে এখনো কাঁদে। কিন্তু যখন সে দরজা খুলে বের হয়, সব বেদনার ছাপ হৃদয়ের গোপন কক্ষে লুকিয়ে রাখে। তাকে দেখে কেউ বুঝে না সে ভাঙা মানুষ।

কারও বোঝার ক্ষমতা নেই কবে তার মন ভেঙে ছিলো, যন্ত্রণার স্বাদ পেয়ে কবেই সে সকল বিষাদ গিলে ফেলেছে। সে জানে, পুরুষের মন ভাঙলে কোথাও প্রতিযোগিতার আয়োজন বসে না জোড়া লাগানোর। সে জানে, পুরুষকে একাই লড়তে হয়। নিজের সঙ্গী হতে হয় নিজেকে।

দায়িত্ব যখন কাঁধে থাকে; হৃদয় ভাঙার কথা বলতে যখন লজ্জায় মাথা নুয়ে আসে, তখন বেঁচে থাকতে হয় আরবের সেই বয়স্ক বোবা উটের মতো। ওজন বইতে বইতে যখন চোখ বেয়ে পানি পড়ে; তখনও সে চুপ, হাড় ভাঙা যন্ত্রণার কথা বলতে পারে না। কেউ কেউ অসহায়ত্ব দেখে খাবার এগিয়ে দিলেও, কখনো কেউই একটু ওজন নিজের কাঁধে নেয় না।

সম্পদ, যশ বা খাতি... বাহ্যিক সাফল্যের প্রতি আমার কোনোদিনই তেমন টান ছিল না। সময়ের সাথে বুঝেছি, মানুষ যত উঁচুতেই উঠুক না ক...
26/04/2026

সম্পদ, যশ বা খাতি... বাহ্যিক সাফল্যের প্রতি আমার কোনোদিনই তেমন টান ছিল না। সময়ের সাথে বুঝেছি, মানুষ যত উঁচুতেই উঠুক না কেন, ভেতরের শূন্যতা যদি থেকে যায়, তবে সেই জীবন নিঃশব্দ ক্লান্তিতে ভরে ওঠে।

তাই আমার চাওয়াগুলো অন্যরকম আমি বিলাসিতার মোহে নয়, খুঁজি একটুখানি নির্ভরতার আশ্রয়।

তোমার উপস্থিতি আমার কাছে ঠিক সেই আশ্রয়। বাহ্যিক জৌলুস বা সামাজিক মর্যাদার চেয়ে, তোমার ভালোবাসার গভীরতাই আমার কাছে বেশি মূল্যবান। কারণ সম্পদ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু অনুভূতির সত্যতা মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।

তুমি পাশে থাকলে জীবনকে আলাদা করে সাজানোর প্রয়োজন হয় না, তোমার অস্তিত্বই এক ধরনের পূর্ণতা এনে দেয়।

আমি কোনো আড়ম্বরপূর্ণ জীবন চাই না, চাই শুধু তোমার অনুভূতির ভেতর একটি স্থির জায়গা; যেখানে নির্ভয়ে নিজেকে সমর্পণ করতে পারি।

তোমার স্নেহ, তোমার নীরব উপস্থিতি এসবই আমার কাছে এমন এক শক্তি, যা সব অভাবকে তুচ্ছ করে দেয়।

জীবন যতই কঠিন হোক, যদি তোমার ভালোবাসা পাশে থাকে, তবে আর কিছুই প্রয়োজন বলে মনে হয় না।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসাই একমাত্র আশ্রয়, যেখানে সব অপূর্ণতা একসময় তৃপ্তিতে বদলে যায়।

Address

Tangail
Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when It’s SOHAG 005 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to It’s SOHAG 005:

Shortcuts

Share