Siraj Mondal

Siraj Mondal আপনার না বলা কথাগুলো আমার কন্ঠে ফুটে উঠুক।

আমরা আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময়টাই পার করে দিই অন্য মানুষকে খুশি করতে, অন্যের প্রয়োজনে নিজেকে বিলিয়ে দিতে। কিন্তু দিনশেষ...
08/06/2026

আমরা আমাদের জীবনের বেশিরভাগ সময়টাই পার করে দিই অন্য মানুষকে খুশি করতে, অন্যের প্রয়োজনে নিজেকে বিলিয়ে দিতে। কিন্তু দিনশেষে যখন একা একা হিসেব মেলাতে বসবেন, তখন দেখবেন—সবাই যার যার স্বার্থ আর প্রয়োজন নিয়ে ব্যস্ত। আপনার ভালো থাকায় যেমন কারো কিছু আসে যায় না, তেমনি আপনার খারাপ সময়েও কেউ পাশে এসে হাতটা বাড়িয়ে দেবে না। 🌍💔

​তাই অন্যের পেছনে অযথা সময় নষ্ট না করে, নিজেকে সময় দিন। নিজের ক্যারিয়ার, নিজের স্বপ্ন আর নিজের কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। আপনি যখন সফল হবেন, তখন এই দুনিয়া এমনিতেই আপনার পেছনে ছুটবে। আর যদি কোনো কারণে থমকে যান, তবে এই মানুষগুলোই সবার আগে আপনাকে ভুলে যাবে।

​মনে রাখবেন:

​আপনার চোখের জল মোছার দায়িত্ব শুধু আপনারই।

​আপনার ভেঙে পড়া স্বপ্নগুলোকে জোড়া লাগানোর দায়িত্বও আপনার।

​কেউ আপনার একাকীত্ব ভাগ করে নেবে না, লড়াইটা আপনাকেই লড়তে হবে।

​এই কঠিন পৃথিবীতে নিজেকে কখনো সস্তা করবেন না। নিজের যোগ্যতাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যান, যাতে কেউ আপনাকে অবহেলা করার সাহস না পায়। নিজের প্রতি যত্নশীল হোন, স্রষ্টার ওপর ভরসা রাখুন আর নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকুন।

​দিনশেষে আপনিই আপনার সবচেয়ে বড় শক্তি, সবচেয়ে বড় আপনজন। 👑🔥

আমাদের জীবনে চলার পথে কত মানুষের সাথেই তো দেখা হয়। কেউ বন্ধু হয়, কেউ প্রতিবেশী, আবার কেউ রক্তের সম্পর্কের স্বজন। যখন আমা...
07/06/2026

আমাদের জীবনে চলার পথে কত মানুষের সাথেই তো দেখা হয়। কেউ বন্ধু হয়, কেউ প্রতিবেশী, আবার কেউ রক্তের সম্পর্কের স্বজন। যখন আমাদের জীবনটা আনন্দে কেটে যায়, তখন চারপাশে মানুষের কোনো অভাব থাকে না। হাসিমুখে কথা বলার, গল্প করার মানুষের মেলা বসে যায়।

​কিন্তু জীবনের গল্পটা তো সবসময় একরকম থাকে না। কখনো কখনো মেঘ নেমে আসে, ঝড় ওঠে, চারপাশটা অন্ধকার হয়ে যায়। আর ঠিক তখনই চেনা চেনা মুখগুলো আস্তে আস্তে অচেনা হতে শুরু করে। অনেকেই তখন ব্যস্ততার অজুহাতে দূরে সরে যায়।

​"আসলে যারা সুসময়ের অতিথি, তারা শুধু আপনার ভালো সময়টাকেই ভালোবাসে, আপনাকে নয়।"

​কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন, সেই ঘোর অমাবস্যার মতো দুঃসময়েও দু-একজন মানুষ ঠিকই আপনার পাশে এসে দাঁড়ায়। তারা হয়তো খুব বড় কোনো সাহায্য করতে পারে না, কিন্তু পরম মমতায় হাতটা চেপে ধরে বলে— "ভয় পাস না, আমি আছি তো!"

​সে মানুষটি হতে পারে আপনার কোনো নিঃস্বার্থ বন্ধু, কোনো কাছের প্রতিবেশী, কিংবা আছিয়ার মতো কোনো পরম স্বজন। তারাই জীবনের আসল শক্তি। তারাই আমাদের ভেঙে পড়া মনটাকে আবার জোড়া লাগিয়ে বেঁচে থাকার সাহস জোগায়।

​টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ বা সুসময়ের বাহবা কোনোদিন জীবনের আসল চালিকাশক্তি হতে পারে না। জীবনের আসল সম্পদ হলো সেই মানুষগুলো, যারা আমাদের সবচেয়ে খারাপ সময়েও হাতটা ছেড়ে দেয় না।

​বাকি সবাই তো শুধু সুসময়ের অতিথি— বসন্তের কোকিলের মতো, সময় ফুরালেই ডানা মেলে উড়ে যায়।

​তাই জীবনের এই আসল মানুষগুলোকে কখনো হারিও না। যারা দুঃসময়ে হাত বাড়িয়ে দেয়, তাদের আজীবন আগলে রেখো।

অসুস্থ হয়ে যখন বিছানায় ছটফট করবেন, তীব্র যন্ত্রণায় যখন রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে, ঠিক তখনই চেনা পৃথিবীর আসল রূপটা চোখের স...
07/06/2026

অসুস্থ হয়ে যখন বিছানায় ছটফট করবেন, তীব্র যন্ত্রণায় যখন রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবে, ঠিক তখনই চেনা পৃথিবীর আসল রূপটা চোখের সামনে ভেসে উঠবে।

​আজ যাদের আপনি ভাবছেন খুব কাছের মানুষ, যাদের জন্য নিজের সময়, শ্রম আর আবেগ উজাড় করে দিচ্ছেন—তারা হয়তো প্রথম দিন একটু আধটু খোঁজ নেবে। দ্বিতীয় দিন বলবে, "আহা! খুব কষ্ট হচ্ছে বুঝি? সাবধানে থেকো।" কিন্তু তৃতীয় দিন থেকেই শুরু হবে আসল নাটক। তথাকথিত সেই 'আপন মানুষ' বা শুভাকাঙ্ক্ষীরাও তখন নিজের 'ব্যস্ততার' অজুহাতে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাবে। আপনার মেসেজের রিপ্লাই দেওয়া কিংবা একটা ফোন করার সময়টুকুও তাদের আর হবে না।

​এটাই এই স্বার্থপর পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাস্তব। এখানে মানুষ আপনার খোঁজ ততক্ষণই রাখবে, যতক্ষণ আপনার থেকে তাদের কোনো স্বার্থ উদ্ধার হবে। আপনি যখন নিজে ভেঙে পড়বেন, তখন অন্যের কাছে আপনি কেবলই একটা 'বোঝা'।

​💖 একমাত্র ব্যতিক্রম: মা-বাবা

​এই স্বার্থের পৃথিবীতে কোনো রকম শর্ত ছাড়া, কোনো রূপ স্বার্থ ছাড়া যদি কেউ আপনাকে ভালোবেসে যায়—সেটা হলো আপনার মা-বাবা।

​মা: যিনি নিজের ঘুম হারাম করে আপনার কপালে জলপট্টি দেবেন।

​বাবা: যিনি নিজের পকেটের শেষ সম্বলটুকু উজাড় করে দেবেন আপনার মুখে একটু হাসি দেখার জন্য।

​আপনার হাজারো খামখেয়ালি, অবহেলা আর দূর ছাই করার পরেও, আপনি যখন বিপদে পড়বেন—তখন দুনিয়ার সব মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিলেও এই দুজন মানুষ কখনো আপনাকে ছেড়ে যাবে না। নিঃস্বার্থ ভালোবাসার আর কোনো দ্বিতীয় রূপ এই পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেননি।

​তাই সময় থাকতে এই পরম আশ্রয়কে আগলে রাখুন। তথাকথিত বাইরের মেকি সম্পর্কের পেছনে ছুটে ভেতরের আসল মানুষগুলোকে অবহেলা করবেন না। দিনশেষে মা-বাবা'ই পাশে থাকে সারাজীবন..!

আপনি যার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা বিলিয়ে দেবেন, আপনার কঠিন সময়ে সেই মানুষটাই সবার আগে আপনার বিরুদ্ধে আঙুল তুলবে।"​সেটা পরিব...
06/06/2026

আপনি যার জন্য নিজের সর্বোচ্চটা বিলিয়ে দেবেন, আপনার কঠিন সময়ে সেই মানুষটাই সবার আগে আপনার বিরুদ্ধে আঙুল তুলবে।"

​সেটা পরিবারেই হোক, আত্মীয়তার মাঝে হোক, কিংবা খুব কাছের বন্ধু মহলে।

​আমরা যখন কারো বিপদে নিজের সাধ্যের বাইরে গিয়ে পাশে দাঁড়াই, তখন বুকভরা আশা থাকে যে মানুষটা অন্তত আমাদের এই অবদানের কদর করবে। কিন্তু বাস্তব বড় কঠিন। অনেক সময় দেখা যায়, যাদের আমরা নিজের খেয়ে বুনো মোষ তাড়ানোর মতো উপকার করেছি, আমাদের সুসময়ে তারা আমাদের হাততালি দিয়েছে; অথচ আমাদের একটুখানি খারাপ সময় আসতেই তারাই প্রথম পিঠ পিছে ছুরিটা মারে।

​এর পেছনে মূল কারণগুলো কী জানেন? 🤔

​অকৃতজ্ঞতা: কিছু মানুষের স্বভাবই এমন, কাজ ফুরিয়ে গেলে তারা পেছনের সব ত্যাগ ভুলে যায়।

​হতাশা আর অহংকার: আপনার খারাপ সময়ে তারা নিজেদের একটু 'ওপরে' দেখাতে পছন্দ করে। যে হাত একসময় তাদের টেনে তুলেছিল, সেই হাতটাকেই তারা টেনে নিচে নামাতে চায়।

​সহজ টার্গেট: তারা আপনার সব দুর্বলতা জানে, কারণ আপনি তাদের বিশ্বাস করে পাশে জায়গা দিয়েছিলেন। তাই আঘাতটা তারাই সবচেয়ে নিখুঁতভাবে করতে পারে।

​"কাউকে ততটুকুই আপন ভাবুন, যতটুকু ভাবলে সে মাথায় চড়ে বসবে না। আর উপকার করুন শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, মানুষের কাছ থেকে প্রতিদানের আশা ছেড়ে দিন। তাহলে অন্তত বিশ্বাসভঙ্গের কষ্টটা বুক ছুঁতে পারবে না।"

​দিনশেষে একটা কথাই সত্যি—দুঃসময় আসলে চেনা মানুষের আসল মুখোশগুলো খুলে যায়। কে আপনার নিজের আর কে শুধুই অভিনয়ের, তা এই কঠিন সময়ই পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়ে যায়।

​তাই মন খারাপ না করে, এই ধরনের মানুষদের জীবন থেকে চিরতরে মাইনাস করে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিজের ভালো থাকাটা নিজের কাছেই রাখুন।

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষের অভাব নেই, যাদের নিজেদের চরিত্র, অতীত কিংবা বর্তমান ভুলে ভরা। অথচ তারা নিজেদের সেই বড় বড় ...
06/06/2026

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষের অভাব নেই, যাদের নিজেদের চরিত্র, অতীত কিংবা বর্তমান ভুলে ভরা। অথচ তারা নিজেদের সেই বড় বড় খামতিগুলো আড়াল করতে অন্যের জীবনের ছোটখাটো ভুলত্রুটি বা দাগ খুঁজতে ব্যস্ত থাকে। এটা এক ধরণের চরম মানসিক অসুস্থতা আর নির্লজ্জতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

​আশ্চর্যের বিষয় হলো, এরা যখন অন্যের সমালোচনা করে, তখন ভুলে যায় যে আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের দাগগুলোই সবচেয়ে আগে ভেসে ওঠে। অন্যের বিচার করার আগে নিজের দিকে তাকানোটা বড্ড প্রয়োজন।

​পরনিন্দা আর পরচর্চা করে সাময়িকভাবে কাউকে ছোট করা হয়তো যায়, কিন্তু নিজের ভেতরের কুৎসিত রূপটাকে কখনো লুকিয়ে রাখা যায় না। অন্যের পেছনে সময় নষ্ট না করে, নিজের দাগগুলো মোছার চেষ্টা করুন—সমাজটা অনেক সুন্দর হবে।

টাকা-পয়সা, রূপ-যৌবন আজ আছে কাল নেই। কিন্তু আপনার ব্যবহারটা মানুষের মনে সারাজীবন থেকে যাবে।​আজকাল মাঝে মাঝেই ভাবি, একটা ম...
05/06/2026

টাকা-পয়সা, রূপ-যৌবন আজ আছে কাল নেই। কিন্তু আপনার ব্যবহারটা মানুষের মনে সারাজীবন থেকে যাবে।

​আজকাল মাঝে মাঝেই ভাবি, একটা মানুষের প্রতি অন্য একটা মানুষের মন কেন বিষিয়ে ওঠে? কেন একসময়ের আকাশচুম্বী সম্মানবোধ হঠাৎ করেই ধুলোয় মিশে যায়? একটু গভীরে তাকালেই বোঝা যায়—এর পেছনে কোনো আকাশ-পাতাল কারণ থাকে না, থাকে কেবল মানুষের আচরণ।

​সেটা স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র বন্ধন হোক, প্রাণের বন্ধু মহল হোক, সমাজ কিংবা নিজের পরিবার—যেকোনো সম্পর্কের সুতোটা ছিঁড়ে যাওয়ার জন্য মানুষের খারাপ ব্যবহার আর অহংকারই যথেষ্ট।

​📌 স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে:

​যে মানুষটাকে ভালোবেসে সারাজীবনের সঙ্গী করা হয়, সেখানেও যখন কথায় কথায় খোঁটা দেওয়া, অবহেলা করা কিংবা অন্যের সামনে ছোট করার মানসিকতা চলে আসে, তখন ভালোবাসা জানলা দিয়ে পালায়। দাম্পত্যে ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, কিন্তু শুধরে নেওয়ার নামে যখন প্রতিনিয়ত মানসিক নির্যাতন করা হয়, তখন আর যা-ই হোক, মনের ভেতর সম্মানটা বেঁচে থাকে না।

​📌 বন্ধু মহলে:

​বন্ধুর বিপদে পাশে থাকাটাই তো নিয়ম। কিন্তু সেই বন্ধুত্বের আড়ালে যখন হিংসা, পরনিন্দা-পরচর্চা আর প্রয়োজনে ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলার নোংরা খেলা শুরু হয়, তখন সবচেয়ে কাছের বন্ধুটাও এক লহমায় অপরিচিত হয়ে যায়। মুখের ওপর এক, আর পিঠ পিছে আরেক রূপ—এই দ্বিচারিতা কোনো বন্ধন টিকিয়ে রাখতে পারে না।

​📌 পরিবার ও সমাজে:

​রক্তের সম্পর্ক কিংবা সামাজিক বন্ধনগুলো টিকে থাকে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর। কিন্তু সমাজ বা পরিবারে যখন মানুষের যোগ্যতা মাপা হয় টাকা আর ক্ষমতা দিয়ে, যখন বয়সে বড় হলেই ছোটদের অসম্মান করাটাকে অধিকার মনে করা হয়, কিংবা ছোটরা বড়দের মর্যাদা দিতে ভুলে যায়—তখন সম্পর্কের শুধু খোলসটাই বাকি থাকে, ভেতরের আত্মাটা মরে যায়।

​মূল কথা হলো:

মানুষ কখনো মানুষের রূপ বা টাকা দেখে দূরে সরে যায় না। মানুষ দূরে সরে যায় অন্য মানুষের রূঢ় আচরণ, মিথ্যাচার, অতিরিক্ত অহংকার আর কৃতজ্ঞতাহীনতার কারণে।

​টাকা-পয়সা, রূপ-যৌবন আজ আছে কাল নেই। কিন্তু আপনার ব্যবহারটা মানুষের মনে সারাজীবন থেকে যাবে। কাউকে সম্মান দিলে নিজের সম্মান কমে না, বরং বাড়ে। আসুন, অন্তত নিজের আচরণের কারণে যেন কারও মন থেকে আমাদের স্থান চ্যুত না হয়, সেই চেষ্টাটুকু করি।

​আপনার সুব্যবহারই আপনার বংশের এবং শিক্ষার পরিচয়। 🌸

আমরা আসলেই এক অদ্ভুত আর অসুস্থ পৃথিবীতে বাস করছি। যেখানে প্রতিদিন সকালে মানুষ ঘুম থেকে ওঠে সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নয়, বরং...
05/06/2026

আমরা আসলেই এক অদ্ভুত আর অসুস্থ পৃথিবীতে বাস করছি। যেখানে প্রতিদিন সকালে মানুষ ঘুম থেকে ওঠে সুস্থভাবে বাঁচার জন্য নয়, বরং টিকে থাকার এক নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতায় নামার জন্য।

​আজকের দিনে চারপাশের মানুষগুলোকে দেখলে মাঝে মাঝে ভয় হয়। কে কার ক্ষতি করবে, কাকে কীভাবে টেনে নিচে নামাবে, আর কাকে কোন ফাঁদে ফেলে নিজে ফায়দা লুটবে—সবাই যেন এই প্রতিযোগিতায় অন্ধের মতো দৌড়াচ্ছে।

​বিশ্বাসের অভাব: আজ কাউকে বিশ্বাস করাটাই যেন সবচেয়ে বড় অপরাধ। আপনি যার ভালো চাইবেন, দিনশেষে হয়তো তারই কোনো ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হবে।

​মূল্যবোধের অবক্ষয়: মানুষ এখন অন্যের ক্ষতি করে নিজের সফলতার প্রাসাদ গড়তে চায়। কিন্তু তারা ভুলে যায়, অন্যায় করে পাওয়া সফলতা কখনো স্থায়ী শান্তি দিতে পারে না।

​সহানুভূতির অভাব: পাশের মানুষটার বিপদে হাত বাড়ানোর লোক কম, কিন্তু সেই বিপদটা নিয়ে তামাশা করার বা সেটাকে পুঁজি করে ফাঁসাEdge (ফাঁসানোর) মানুষের অভাব নেই।

​সফল হওয়া মানেই অন্যকে ধ্বংস করা নয়। অন্যের ক্ষতি করে, কাউকে ফাঁসিয়ে সাময়িক আনন্দ পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু বিবেকের কাছে কখনো জয়ী হওয়া যায় না। দিনশেষে কর্মের ফল সবাইকে ভোগ করতেই হবে।

​এই প্রতিযোগিতার ভিড়ে আমরা যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকে হারিয়ে না ফেলি। পৃথিবীটা এমনিতেই অনেক ছোট, এখানে হিংসা আর দ্বেষ ছড়িয়ে লাভ কী? আসুন, অন্তত আমরা নিজেরা একটু সৎ থাকি, অন্যের ক্ষতি করা থেকে নিজেকে দূরে রাখি।

আমরা অনেকেই জীবনের কোনো এক মুহূর্তে এসে কারো না কারো সাহায্যের অপেক্ষা করি। ভাবি— কেউ একজন এসে আমাদের হাতটা ধরবে, একটা ত...
04/06/2026

আমরা অনেকেই জীবনের কোনো এক মুহূর্তে এসে কারো না কারো সাহায্যের অপেক্ষা করি। ভাবি— কেউ একজন এসে আমাদের হাতটা ধরবে, একটা তৈরি রাস্তা দেখিয়ে দেবে, আর আমরা অনায়াসে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে যাব।

​কিন্তু নির্মম সত্য হলো: "জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কেউ আপনাকে রাস্তা তৈরি করে দেবে না। আপনার রাস্তা আপনাকেই তৈরি করে নিতে হবে।"

​হ্যাঁ, চলার পথে হয়তো পরামর্শ দেওয়ার মতো কিছু মানুষ পাবেন, কিন্তু মরুভূমির তপ্ত বালিতে পা ফেলার কষ্টটা আপনাকেই সহ্য করতে হবে। মানুষ আপনাকে সান্ত্বনা দিতে পারে, কিন্তু আপনার হয়ে লড়াইটা কেউ লড়ে দেবে না।

​💡 কেন নিজের রাস্তা নিজে তৈরি করা জরুরি?

​নির্ভরশীলতা দুর্বলতা তৈরি করে: আপনি যখন অন্যের তৈরি রাস্তায় হাঁটবেন, তখন সেই রাস্তার নিয়ন্ত্রণও অন্য কারো হাতে থাকবে। তারা যখন খুশি আপনার দিক পরিবর্তন করে দিতে পারে।

​অভিজ্ঞতাই আসল শিক্ষক: নিজের রাস্তা নিজে তৈরি করার সময় যে বাধা, হোঁচট আর ব্যর্থতা আসবে—সেগুলোই আপনাকে ভেতর থেকে শক্ত করবে।

​অনন্যতা তৈরি হয়: অন্যের দেখানো পথে হাঁটলে আপনি বড়জোর তাদের অনুসারী হতে পারবেন, কিন্তু নিজের পথ নিজে তৈরি করলে আপনি একজন "লিডার" বা পথপ্রদর্শক হয়ে উঠবেন।

​"আকাশে ওড়ার স্বপ্ন যদি আপনার হয়ে থাকে, তবে ডানা ঝাপটানোর কষ্টটাও আপনাকেই করতে হবে। অন্য কেউ এসে আপনার ডানা মেলে দেবে না।"

​🛠️ আজ থেকেই শুরু হোক নিজের পথ চলা:

​অন্যের করুণা বা সুযোগের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের দক্ষতা বাড়ান। প্রতিদিন অন্তত ১% হলেও নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যান। প্রথম প্রথম হয়তো একা লাগবে, চারপাশের মানুষজন হাসাহাসি করবে, কিংবা মনে হবে আপনি ভুল পথে আছেন। কিন্তু মনে রাখবেন—ইতিহাস তারাই তৈরি করে, যারা স্রোতের বিপরীতে গিয়ে নিজের পথ নিজে চিনে নেয়।

​নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। কষ্ট হবে, সময় লাগবে, কিন্তু দিনশেষে যখন আপনি আপনার গন্তব্যে পৌঁছাবেন, তখন বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন—"এই সাম্রাজ্য আমার নিজের তৈরি!" 💪🔥

অভাব হয়তো মানুষের সামর্থ্য কেড়ে নেয়, কিন্তু অপমান মানুষের আত্মসম্মানকে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়অনেকে বলে, "দিন সবার সমান যায় না।"...
04/06/2026

অভাব হয়তো মানুষের সামর্থ্য কেড়ে নেয়, কিন্তু অপমান মানুষের আত্মসম্মানকে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়

অনেকে বলে, "দিন সবার সমান যায় না।" কথাটা সত্যি। জীবনের চাকা ঘোরে। আজ যে মানুষটা অভাবের অন্ধকারে ডুবে আছে, কাল হয়তো সে-ই সফলতার আলোয় ঝলমল করবে। কঠোর পরিশ্রমে ভাগ্যবস্থাকে বদলে ফেলা যায়, শূন্য পকেট আবার টাকায় ভরিয়ে ফেলা যায়। হ্যাঁ, অভাবের সেই দীর্ঘ, অন্ধকার রাতগুলো একদিন ঠিকই শেষ হয়।

​কিন্তু... জীবনের একটা হিসাব কিছুতেই মেলানো যায় না। সেটা হলো "অপমান"।

​অভাবের দিনে মানুষ যতটা না ক্ষুধার তাড়নায় মরে, তার চেয়ে বেশি মরে চারপাশের চেনা-অচেনা মানুষের অবহেলা আর অপমানে। যখন পকেট খালি থাকে, তখন খুব কাছের মানুষগুলোরও সুর বদলে যায়। বিনা অপরাধে কথা শুনিয়ে দেওয়া, সামান্য কারণে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা, কিংবা ভিড়ের মাঝে একঘরে করে রাখা—এই আঘাতগুলো বাইরে থেকে দেখা যায় না, কিন্তু ভেতরে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে যায়।

​অভাব হয়তো মানুষের সামর্থ্য কেড়ে নেয়, কিন্তু অপমান মানুষের আত্মসম্মানকে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়।

​আশ্চর্যের বিষয় হলো, সুদিন আসার পর মানুষ অভাবের দিনগুলোর কথা ভুলে যেতে পারে। ডাল-ভাতের দিন পেরিয়ে বিরিয়ানির টেবিলে বসলে সেই ক্ষুধার কষ্টটা আর মনে থাকে না। কিন্তু অভাবের সুযোগ নিয়ে যে মানুষটা বিষাক্ত কথা বলেছিল, যে হাতটা সাহায্যের বদলে অবজ্ঞায় ফিরিয়ে দিয়েছিল, সেই মুখ আর সেই শব্দগুলো কোনোদিন ভোলা যায় না।

​টাকা-পয়সা, গাড়ি-বাড়ি হয়তো একসময় সব হয়। মানুষটা সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। কিন্তু একান্তে বসলে আজও সেই পুরনো একটা কথা তীরের মতো বুকে এসে বিঁধবে। মনে হবে, এই তো সেদিনের কথা!

​আসলে, অভাবের রাত শেষ হয় একদিন, কিন্তু অপমানের স্মৃতি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের সঙ্গ ছাড়ে না। শরীর থেকে ক্ষতের দাগ মুছে গেলেও, আত্মার ক্ষতটা আমৃত্যু থেকে যায়।

মুখের উপর উচিত কথা বললেই আপনি ‘খারাপ’ এবং ‘বেয়াদব’...! 👍🙂​পরিবার বলুন, সমাজ বলুন, কিংবা খুব কাছের কোনো বন্ধু মহল—সব জায়গ...
03/06/2026

মুখের উপর উচিত কথা বললেই আপনি ‘খারাপ’ এবং ‘বেয়াদব’...! 👍🙂

​পরিবার বলুন, সমাজ বলুন, কিংবা খুব কাছের কোনো বন্ধু মহল—সব জায়গার একটা অলিখিত নিয়ম আছে। নিয়মটা হলো: আপনাকে প্রতিনিয়ত অন্যায় সহ্য করতে হবে, সবার সব অন্যায় আবদার হাসিমুখে মেনে নিতে হবে, নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে "হ্যাঁ" তে "হ্যাঁ" মেলাতে হবে। তবেই আপনি সবার চোখে ‘লক্ষ্মী’, ‘খুব ভালো মানুষ’ আর ‘নরম স্বভাবের’।

​কিন্তু যেই মুহূর্তে আপনি নিজের আত্মসম্মান ধরে রাখার জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াবেন, অন্যায় কোনো কথার পিঠে মুখের উপর একটা উপযুক্ত এবং যৌক্তিক জবাব দিয়ে দেবেন... ব্যস! মুহূর্তের মধ্যে আপনার এতদিনের জমানো সব ‘ভালো মানুষি’ কর্পূরের মতো উড়ে যাবে। আপনি এক সেকেন্ডে হয়ে যাবেন ‘অহংকারী’, ‘খারাপ’, আর ‘বেয়াদব’।

​আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন?

আমাদের সমাজে মানুষ অন্যায় কথা বলাটা বা অন্যায় আচরণ করাটাকে যতটা না অপরাধ মনে করে, তার চেয়ে হাজার গুণ বড় অপরাধ মনে করে সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বা মুখের উপর সত্যিটা বলে দিলে! তারা আপনার আঘাতটা দেখবে না, দেখবে আপনি কেন পাল্টা আওয়াজ তুললেন।

​আসলে কিছু মানুষের অভ্যাস হয়ে যায় আপনাকে তাদের মনের মতো করে চালানো। যখনই তারা দেখে যে আপনার একটা নিজস্ব মতামত আছে, আপনার একটা মেরুদণ্ড আছে এবং আপনি তাদের অন্যায়গুলোকে মুখ বুজে সহ্য করছেন না, তখনই তাদের ইগোতে লাগে। তখন নিজের দোষ ঢাকতে তারা আপনাকে ‘বেয়াদব’ বা ‘খারাপ মানুষ’ হিসেবে ব্র্যান্ডিং করা শুরু করে।

​অন্যায় আবদারে ‘না’ বলাটা যদি বেয়াদবি হয়, তবে আমি বেয়াদবই ভালো।

​কারো মুখের ওপর সত্য এবং উচিত কথা বলাটা যদি খারাপ মানুষ হওয়ার লক্ষণ হয়, তবে আমি খারাপ মানুষ হতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

​নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে সবার চোখে ‘ভালো মানুষ’ সেজে থাকার কোনো ইচ্ছে আমার অন্তত নেই।

​দিনশেষে একটা কথা পরিষ্কার—সবার মন জুগিয়ে চলা কোনো মানুষের পক্ষেই সম্ভব না। আর যারা সত্যিটা নিতে পারে না, তাদের কাছে ‘ভালো’ হওয়ার কোনো দরকারও নেই। মেরুদণ্ডহীন ভালো মানুষ হওয়ার চেয়ে, আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচা স্পষ্টভাষী ‘খারাপ’ মানুষ হওয়া অনেক শ্রেয়!

Address

Tangail
1902

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siraj Mondal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share