01/07/2026
২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2022)-এর ফাইনাল ম্যাচ শেষে লিওনেল মেসি এবং কিলিয়ান এমবাপ্পে উভয়েরই গোল সংখ্যা সমান ছিল না—এমবাপ্পে মোট ৮টি গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন, আর মেসি করেছিলেন ৭টি গোল।
তবে আপনার প্রশ্নের প্রেক্ষিতে—যদি কোনো টুর্নামেন্টে দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তখন গোল্ডেন বুট বিজয়ী নির্ধারণের জন্য ফিফা (FIFA) নির্দিষ্ট কিছু টাইব্রেকার (Tie-breaker) নিয়ম অনুসরণ করে। নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. অ্যাসিস্ট সংখ্যা (Most Assists)
যদি দুই বা তার বেশি খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করেন, তবে দেখা হয় কার অ্যাসিস্ট (গোল করতে সহায়তা) বেশি। যিনি সতীর্থদের দিয়ে বেশি গোল করিয়েছেন, তিনিই তালিকায় এগিয়ে থাকবেন এবং গোল্ডেন বুট পাবেন।
২. কম সময় খেলা (Fewer Minutes Played)
যদি গোল এবং অ্যাসিস্ট—উভয় সংখ্যাই সমান হয়ে যায়, তখন দেখা হয় কোন খেলোয়াড় মাঠে সবচেয়ে কম সময় (Minutes) খেলেছেন। অর্থাৎ, কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়কে বেশি কার্যকারী বিবেচনা করে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ:
২০১০ সালের বিশ্বকাপে থমাস মুলার, ডেভিড ভিয়া, ওয়েসলি স্নাইডার এবং ডিয়েগো ফোরলান—সবাই সমান ৫টি করে গোল করেছিলেন। কিন্তু থমাস মুলারের ৩টি অ্যাসিস্ট থাকায় তিনি গোল্ডেন বুট জয় করেন, যেখানে বাকিদের অ্যাসিস্ট ছিল মাত্র ১টি করে।
এই নিয়মগুলোর কারণেই মূলত সমান গোল থাকা সত্ত্বেও অ্যাসিস্ট বা কম সময়ের ব্যবধানে একজন অন্যজনের চেয়ে এগিয়ে যান।