Fiha Rani

Fiha Rani নতুন নতুন গল্প পেতে পেইজটি কে ফলো করুন।

26/07/2026
**বাড়ির বড় মেয়ে**আমি বাড়ির বড় মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই সবাই বলত, "তুই বড়, তোকে সব বুঝতে হবে।" তাই নিজের ইচ্ছা, নিজের অ...
15/07/2026

**বাড়ির বড় মেয়ে**

আমি বাড়ির বড় মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই সবাই বলত, "তুই বড়, তোকে সব বুঝতে হবে।" তাই নিজের ইচ্ছা, নিজের অভিমান, নিজের কষ্ট—সব চুপচাপ বুকের ভেতর লুকিয়ে রাখতে শিখেছিলাম।

বাবার বাড়িতে ছোট ভাইবোনদের জন্য সবকিছু আগে হতো, আর আমি শুধু দায়িত্ব পালন করতাম। কেউ জিজ্ঞেস করত না, "তুই কেমন আছিস?" মনে হতো, বড় মেয়ে হওয়াটাই যেন আমার একমাত্র পরিচয়।

ভাবছিলাম, বিয়ের পর হয়তো নতুন একটা আপন ঘর পাব। কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে গিয়েও সেই একই গল্প। সবার কাজ করি, সবার কথা শুনি, তবুও আমার কষ্টের খবর কেউ জানতে চায় না। হাসিমুখে সব সামলাই, কারণ কান্নার শব্দ কেউ শুনতে চায় না।

কখনো কখনো মনে হয়, বড় মেয়েদের চোখের জল যেন কেউ দেখতে পায় না। সবাই শুধু তাদের শক্ত দিকটাই দেখে। অথচ তারাও মানুষ, তারাও একটু ভালোবাসা, একটু যত্ন আর দুটো স্নেহের কথা শুনতে চায়।

আজও আমি হাসি। কারণ জানি, আমার হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টের গল্পটা হয়তো একদিন কেউ বুঝবে। আর সেদিন হয়তো মনে হবে—বড় মেয়েরও একটা মন আছে, যে মনটাও ভালোবাসা আর সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে।

20/04/2026

হে আল্লাহ তুমি আমার সোনাটাকে কোরআনের পাখি বানিয়ে দাও

জীবনে যদি এরকম একটা জল্লাদ শাশুড়ি আসে তাহলে তার জীবন তেজপাতা
19/04/2026

জীবনে যদি এরকম একটা জল্লাদ শাশুড়ি আসে তাহলে তার জীবন তেজপাতা

আমার ছোট্ট রাজকন্যা দেখতে দেখতে অনেক বড় হয়ে গেল
19/04/2026

আমার ছোট্ট রাজকন্যা দেখতে দেখতে অনেক বড় হয়ে গেল

09/02/2026
04/02/2026

# # # **চুপচাপ ভালোবাসা নোটিফিকেশন**

# # # **পর্ব – ১১ : নীরব সংসারের প্রথম ঝড়**

বিয়ের কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। নতুন সংসারের সকালগুলো এখন আর শুধু লাজুক হাসিতে ভরা নয়, তাতে ঢুকে পড়েছে হিসাব-নিকাশ, অভাবের হিসেব আর না-বলা কথার ভার।

শ্বশুরবাড়ির ছোট্ট ঘরটায় নায়িকা প্রথম দিন থেকেই সবকিছু গুছিয়ে নিতে চেষ্টা করছিল। ভোরে উঠে রান্না, শাশুড়ির ওষুধ মনে করে দেওয়া, শ্বশুরের চা—সবই সে মন দিয়ে করত। কিন্তু সমস্যা ছিল একটাই—
**তার স্বামী এখনো বেকার।**

শ্বশুরবাড়ির মানুষ মুখে কিছু না বললেও চোখের ভাষা বদলে যেতে শুরু করেছিল।

একদিন সকালে শাশুড়ি রান্নাঘরে ঢুকে হালকা গলায় বললেন,
— *“মা, চালটা একটু হিসেব করে দিস। মাস তো এখনো অনেক বাকি।”*

নায়িকা চুপ করে মাথা নাড়ল। কথাটা ছোট, কিন্তু বুকের ভেতর কোথাও যেন কাঁটা বিঁধে গেল।

স্বামী তখন পাশের ঘরে বসে মোবাইলে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখছিল। চোখে ক্লান্তি, মুখে হতাশা। নায়িকা কিছু বলল না—সে জানত, কথাই এখন সবচেয়ে ভারী বোঝা।

দুপুরে শ্বশুর হঠাৎ বলে ফেললেন,
— *“এই ছেলেটার কবে একটা কাজ হবে? সংসার কি শুধু মেয়ের কাঁধে চলবে?”*

ঘরটা হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

নায়িকার হাত কাঁপছিল, কিন্তু সে কিছু বলল না। শুধু রান্নাঘরের দরজার আড়াল থেকে স্বামীর দিকে তাকাল। স্বামীর চোখ নামানো—কথা নেই, প্রতিবাদ নেই।

রাতে নিজের ঘরে ফিরে নায়িকা আর থাকতে পারল না। ফিসফিস করে বলল,
— “তুমি কিছু বলো না কেন? ওরা ভাবে আমি সব মেনে নেব।”

স্বামী দীর্ঘশ্বাস ফেলল,
— “আমি জানি… বেকার থাকা শুধু আমার লজ্জা না, তোমার কষ্টও। কিন্তু বিশ্বাস করো, আমি চেষ্টা করছি।”

নায়িকা চুপ করে বসে রইল। ভালোবাসা এখনো আছে, কিন্তু বাস্তবতা সেই ভালোবাসাকে প্রতিদিন প্রশ্ন করছে।

পরের দিন পাড়ার এক আত্মীয় এসে শাশুড়িকে বলল,
— *“আজকালকার মেয়েরা তো চাকরি করে, বেকার জামাই নিয়ে এত চিন্তা কিসের?”*

এই কথায় আগুনটা যেন আরও ছড়িয়ে পড়ল।

নায়িকা সেদিন প্রথম বুঝল—
এই সংসারে লড়াইটা শুধু অভাবের সঙ্গে নয়,
**সমাজের চোখ আর কথার সঙ্গেও।**

তবু সে সিদ্ধান্ত নিল—
চুপচাপ ভালোবাসার মতোই,
এই ঝামেলাগুলোও সে চুপচাপ সহ্য করবে না,
বরং ধীরে ধীরে শক্ত হবে।

কারণ সে জানে—
এই নীরবতার ভেতরেই একদিন বদলের শব্দ উঠবেই।

27/01/2026

# # # চুপচাপ ভালোবাসার নোটিফিকেশন

# # # পর্ব ১০

**প্রথম শ্বশুরবাড়ির উঠোন আর নীরব বাসর**

বিয়ের পরের সকালটা ছিল অদ্ভুত রকম শান্ত।
নায়িকার কানে তখনও ভাসছিল আগের রাতের দোয়া, তাকবির আর মায়ের চোখের জল। আজ সে আর বাবার বাড়ির মেয়ে নয়—আজ সে কারও বউ, কারও ঘরের মানুষ।

গাড়ি থামতেই শ্বশুরবাড়ির উঠোনে নেমে এলো সে।
মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই বুকের ভেতর কেমন করে উঠল। অচেনা উঠোন, অচেনা মানুষ—তবু কোথাও ভয় নেই, শুধু একটু দ্বিধা।

শাশুড়ি এগিয়ে এসে মাথায় হাত রাখলেন।
— “আয় মা, আল্লাহ ভরসা।”

এই এক বাক্যেই নায়িকার চোখ ভিজে উঠল।
মনে হলো, এই বাড়িটাও তাকে আপন করে নেবে।

বউভাতের আনুষ্ঠানিকতা খুব সাদামাটা।
কোনো জাঁকজমক নেই, নেই লোক দেখানো হাসি। কিন্তু আছে আন্তরিকতা। নায়িকা খেয়াল করল—এই বাড়ির অভাব আছে, কিন্তু অহংকার নেই।

আর নায়ক?
সে চুপচাপ। আগের মতোই।

বেকার শব্দটা যেন তার কপালে অদৃশ্য সিল মারা।
তবু চোখে লজ্জা নেই, আছে দায়িত্ববোধ। বারবার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে যেন মনে মনে বলছে—
*“আমি পারব… একদিন অবশ্যই পারব।”*

# # # # বাসর ঘর

রাত নামল।
বাসর ঘর সাজানো নয় ফুলে-আলোয়। একটা সাধারণ খাট, পাশে একটা হারিকেন, আর জানালা দিয়ে ঢুকে পড়া জোনাকির আলো।

নায়িকা চুপচাপ বসে ছিল খাটের এক কোণে।
মাথায় ঘোমটা, হাতে শাড়ির আঁচল। বুকের ভেতর হাজারটা প্রশ্ন—
*এই মানুষটাকে কি সে ঠিক বুঝতে পারবে? অভাবের সংসারে কি সে মানিয়ে নিতে পারবে?*

নায়ক এসে ধীরে খাটের পাশে বসল।
কিছুক্ষণ নীরবতা।

তারপর সে বলল—
— “আমি এখন কিছু দিতে পারি না… না টাকা, না নিশ্চয়তা। শুধু একটা কথা দিতে পারি—কখনো তোমার সম্মান কমতে দেব না।”

এই কথাটুকুই যেন বাসর ঘরের সবচেয়ে দামি উপহার।

নায়িকা মাথা তুলে তাকাল।
চোখে কোনো অভিযোগ নেই, আছে শুধু বিশ্বাস।

— “আমি বিলাসিতা চাই না,” সে আস্তে বলল,
— “আমি চাই, আপনি সৎ থাকুন… আর আমার পাশে থাকুন।”

হারিকেনের আলোয় দুজনের ছায়া দেয়ালে মিশে গেল।
কোনো ছোঁয়া নেই, কোনো তাড়াহুড়ো নেই—শুধু দুটো হৃদয়ের নীরব চুক্তি।

সেই বাসর ঘর কাটল কথা আর স্বপ্নে।
একজন বলল—কাজ খুঁজবে।
আরেকজন বলল—অভাব এলেও হাসিমুখে সামলাবে।

বাইরে রাত গভীর হচ্ছিল।
ভিতরে জন্ম নিচ্ছিল এক নতুন সংসার—
চুপচাপ, কিন্তু ভীষণ শক্ত ভালোবাসা।

Address

Tangail
Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fiha Rani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share