Taniya's vlogs

Taniya's vlogs Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Taniya's vlogs, Video Creator, Tangail.

অভিনেতা জাহের আলভি গ্রে'ফতার হয়েছে । ছেলেটা পরিবারও হারালো, আর যাদেরকে হারালো সারা জীবনের জন্য তারা তাকে হারিয়েও গেল । ক...
19/06/2026

অভিনেতা জাহের আলভি গ্রে'ফতার হয়েছে । ছেলেটা পরিবারও হারালো, আর যাদেরকে হারালো সারা জীবনের জন্য তারা তাকে হারিয়েও গেল । কেন যেন ছেলেটার জন্য বুকের ভিতর চিনচিন ব্যথা লাগে, মায়া হয় । কারও জীবনে যেন এমন পরিস্থিতি না, এই দোয়া করি । প্রতিটা স্বামী যেন তার স্ত্রীর আলতো স্পর্শে সারাদিনের ক্লান্তি দূর করতে পারে কোন প্রকার সন্দেহ ছাড়াই, প্রতিটা সন্তান যেন বাবা মায়ের আদর স্নেহ ভালোবাসা ছাড়া বেড়ে না উঠে 💔🤲
(রাসেল)

কুমিল্লায় ৯৬ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মা। যে মা নিজের সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিতে জীবনের সব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন ...
19/06/2026

কুমিল্লায় ৯৬ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মা। যে মা নিজের সন্তানের মুখে একমুঠো খাবার তুলে দিতে জীবনের সব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়েছেন, আজ সেই মাকেই নাকি পিটিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে পুত্রবধূ। ছেলে প্রবাসে, আর অসহায় এই বৃদ্ধা মা আজ রাস্তায়। ক্ষুধায় কাতর শরীর, কাঁপতে থাকা দুটি হাত, আর দুই চোখ বেয়ে ঝরে পড়ছে অবিরাম অশ্রু। হয়তো তিনি ভাবছেন—"এই কি ছিল আমার জীবনের শেষ বয়সের প্রাপ্য? যাদের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিলাম, আজ তারাই আমাকে বোঝা মনে করল!

মায়ের ভালোবাসার কোনো হিসাব হয় না। সন্তান অসুস্থ হলে মা রাত জেগে পাহারা দেয়, নিজের ক্ষুধা ভুলে সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেয়, নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে সন্তানকে মানুষ করে। অথচ সেই মাকেই যদি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে অপমান, নির্যাতন আর একাকীত্বের বোঝা বইতে হয়, তাহলে এর চেয়ে নির্মম দৃশ্য আর কী হতে পারে?

আজ এই বৃদ্ধা মায়ের কান্না শুধু একজন মায়ের কান্না নয়, এটি আমাদের মানবতা, বিবেক এবং সমাজের প্রতি এক কঠিন প্রশ্ন। আমরা কোথায় যাচ্ছি? যে মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত, সেই মায়ের শেষ আশ্রয় কি তবে রাস্তার ধুলোবালি?

আহারে নিয়তি! জীবনের শেষ অধ্যায়ে একজন মায়ের সবচেয়ে বড় চাওয়া থাকে একটু ভালোবাসা, একটু সম্মান আর মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ ঠাঁই। কিন্তু সেই মায়ের ভাগ্যে যদি জোটে অপমান আর অশ্রু, তাহলে সত্যিই হৃদয় ভেঙে যায়।

রাশিয়ায় কাজের আশায় আমরা ৩০ জন গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছানোর পর আমাদের মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয় এবং বলা হয়েছিল কনস্ট্রাক...
19/06/2026

রাশিয়ায় কাজের আশায় আমরা ৩০ জন গিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছানোর পর আমাদের মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয় এবং বলা হয়েছিল কনস্ট্রাকশন কাজে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু পরে আমাদের যু*দ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের ১৬ জনকে এক ক্যাম্পে এবং ১৪ জনকে অন্য ক্যাম্পে রাখা হয়। কয়েকদিনের প্রশিক্ষণের পর ৫-৬ জন করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়।

ফ্রন্টলাইনে ড্রোন হা**মলা, গ্রে*নে*ড ও মাইনের ভ*য়া*ব*হ ঝুঁ/কির মধ্যে থাকতে হয়েছে। আমাদেরকে ড্রোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হতো। এভাবে আমাদের ১৬ জনের মধ্যে ১২ জন মা/রা গেছে বর্তমানে আমরা মাত্র ৪ জন জীবিত আছি এবং সবাই আহত। দুইজন হাসপাতালে আছে, আর দুইজন ক্যাম্পে আছি।

আ'হত হওয়ার পরও আমাদের আবার
যু/দ্ধক্ষেত্রে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। না যাওয়ায় আমাদের মারধর করা হয়েছে, কয়েকদিন খাবার ও পানি পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমরা ভাষাও বুঝি না, কারও সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারি না।

দেশবাসী ও সরকারের কাছে আমাদের আকুল আবেদন আমাদেরকে বাঁচান। আমাদের সবার পরিবার আছে, ছোট ছোট সন্তান আছে। আমরা যু/দ্ধ করতে আসিনি শুধু জীবিকার সন্ধানে এসেছিলাম।

কিন্তু আমাদেরকে প্রতারণা করে এখানে এনে ফেলে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় আবার ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হতে পারে। আমরা চাই নিজেদের পরিবার ও দেশের মানুষের কাছে ফিরে যেতে।

আমাদের জীবন রক্ষায় সবাই এগিয়ে আসুন। আল্লাহর পর আপনাদের দিকেই আমরা তাকিয়ে আছি। আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান দয়া করে। জামালপুর সদর উপজেলার গোদাশিমলা এলাকার যুবক আরমান আলীর বাঁচার আর্তনাদ।

অভিনেতা জাহের আলভী কা--রা--গা--রে।।  জাহের আলভী দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পন করেছিলো ইকরার আ**--**ত্ম**--হ প্রো// রোচনার ...
18/06/2026

অভিনেতা জাহের আলভী কা--রা--গা--রে।। জাহের আলভী দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পন করেছিলো ইকরার আ**--**ত্ম**--হ প্রো// রোচনার মা--ম--লায়।। আ-- ত্ম-- সমর্পন করার পর জা--মিন চায় আদালতে।। কিন্তু আদালত জা--মি--ন আবেদন নাকোচ করে আলভীকে কা--রা--গা--রে পাঠিয়েছে।।

কয়দিন বিদেশের মাটিতে লুকিয়ে থাকা যায়!! অ--প--রাধী কোন না কোন সময় ধরা পড়বেই।। দুনিয়ার আইনে হোক বা আল্লাহ আইনে,ধরা তাকে পড়তেই হবে।। শা-- স্তি পেতেই হবে।। ওর সাথে ওর প্রেমের রানী তিথিরে ও পাঠাইলে ভালো হতো দুইজন জে-- লে বইয়া সংসার করতো।।
মন থেকে চাই এই লু--চুর বিচার হোক কিন্তু ছোট্ট বাচ্চাটার জন্য খারাপ লাগে।। এইটুকু বয়সে বাচ্চা টা কতো কিছু দেখে ফেললো, মায়ের মৃ**--**ত্যু দেখলো, বাবার এই অবস্থা দেখছে।। না জানি বাচ্চাটার মনের কি অবস্থা।। 😔

কুমিল্লায় বড় বোনকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়েছিলেন ছোট ভাই। বোনের জানাজা শেষে বুকভরা শোক নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনা কে...
18/06/2026

কুমিল্লায় বড় বোনকে শেষ বিদায় জানাতে গিয়েছিলেন ছোট ভাই। বোনের জানাজা শেষে বুকভরা শোক নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল সেই ভাইয়ের জীবনও। যে ভাই কিছুক্ষণ আগেও বোনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে চোখের জল ফেলছিল, কিছু সময়ের ব্যবধানে তাকেও চলে যেতে হলো না ফেরার দেশে।

একটি পরিবারের জন্য এর চেয়ে বড় শোক আর কী হতে পারে? একই দিনে দুই প্রিয় মানুষকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। হয়তো মা-বাবার বুকফাটা কান্না, ভাই-বোনদের নিঃশব্দ আর্তনাদ আর সন্তানদের অসহায় চাহনি আজ আকাশকেও ভারী করে তুলেছে। সত্যিই, মৃত্যু কখন, কোথায়, কাকে ডাকবে—তা কেউ জানে না।

আসুন, আমরা সবাই মরহুমা বড় বোন ও তার ছোট ভাইয়ের জন্য দোয়া করি। মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁদের ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করেন।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ঘড়ির কাটায় তখন দুপুর ১টা। জানালা থেকে দেখা যায়, গরম কড়াই চেপে ধরা হচ্ছে এক কিশোরীর মুখ ও শরীরে। যন্ত্রণায় মুখ ঘুরিয়...
18/06/2026

ঘড়ির কাটায় তখন দুপুর ১টা। জানালা থেকে দেখা যায়, গরম কড়াই চেপে ধরা হচ্ছে এক কিশোরীর মুখ ও শরীরে। যন্ত্রণায় মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে সে। উঠ-বস করানো হচ্ছে কান ধরেও

বাধা উপেক্ষা করে বাসাটিতে প্রবেশ করতে সাক্ষী হতে হয় ভীষণ অমানবিক ঘটনার। হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়ায় গৃহকর্মীর উপর এভাবেই নি'র্যা'তন চালিয়েছেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক পপি মিত্র।

খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি বহুতল বাসায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী প্রায়ই মেয়েটির উপর নি*র্যা*তন চালাতেন। আজ ও চালিয়েছেন পাশবিক নি*র্যা*তন।

এ সময় ভুক্তভোগী কিশোরী মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও নি*র্যা*তনের চিহ্ন দেখা যায়। এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি, বরং ক্যামেরা বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরীটিকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া হয়নি।

পুলিশকে প্রশ্ন করা হয় এদেরকে আপনারা ধরছেন না কেন? পুলিশ উত্তরে বলেন আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব ইনশাআল্লাহ। আগে দেখি ভিকটিমের কি অবস্থা। সে তো অসুস্থ, আগে চিকিৎসার ব্যবস্থাটা আমরা আগে করি।

এটা তো আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন যে তাকে মা*র*ধর করা হয়েছে। আপনারা নিজেরাও দেখছেন। আমরা ডাক্তার দেখার পরে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

পুলিশ বিধায় কি অভিযুক্তকে নিচ্ছেন না?
অবশ্যই নেওয়া হবে। সে তো আপনাদের সাথে ঘোরাঘুরি করছে। কেন তাকে গ্রেপ্তার করছেন না? ভুক্তভোগীকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন এখন? তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি চিকিৎসার জন্য

জানা গেছে, ভুক্তভোগী মেয়েটি এতিম। ছোটবেলা থেকেই ওই পরিবারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়।

এই ছেলেটা আজ সন্ধ্যায় মা/রা গেছে। কিছুদিন যাবৎ ক্যা*ন্সারে আ**ক্রান্ত ছিল। তার হসপিটালের বিভিন্ন ভিডিও আমার সামনে আসতো।...
17/06/2026

এই ছেলেটা আজ সন্ধ্যায় মা/রা গেছে। কিছুদিন যাবৎ ক্যা*ন্সারে আ**ক্রান্ত ছিল। তার হসপিটালের বিভিন্ন ভিডিও আমার সামনে আসতো।আমি তার ভিডিও গুলো দেখতাম এবং তার আগের চেহারা ও ক-র্মকাণ্ডগুলো দেখতাম।

আহ কত উচ্ছল কর্মময় একটা জীবন,কত মেধাবী স্মার্ট একটা ছেলে ক্যা*ন্সারের কাছে হেরে গিয়ে পরকালের বাসিন্দা।

আমরা জীবনে কত কিছু চাই,অথচ একবারও ভাবি না আ-ল্লাহ আমাদেরকে না চাইতেও কত সুস্থ রেখেছেন।
হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে আপনার অনুগামী করুন।

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ,,, ছয় টু' কু*রো করা সেই ছোট্ট আলিনা ইসলাম আয়াতের কথা মনে আছে?? ২০২২ সালে  আয়াত  আরবি পড়তে ...
17/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ,,,
ছয় টু' কু*রো করা সেই ছোট্ট আলিনা ইসলাম আয়াতের কথা মনে আছে??

২০২২ সালে আয়াত আরবি পড়তে বের হয়েছিলো। এরপর এক প্রতিবেশী মুক্তিপণের লোভে তাকে অপহরন করেছিলো। লুকিয়ে রাখার জায়গা পায়নি বলে শ্বা*//রো*
করে মে** ফেললো।

তারপর... তারপর এই নিষ্পাপ শি/ শুকে কে* টু' ক':রো টু'' ক'' রো করে নদীতে ভাসিয়ে দিলো!🙂

দিনের পর দিন নদী থেকে উদ্ধার হয়েছিলো কখনো ছোট্ট একটা হাত, কখনো একটা পা, কখনো মাথা। একটা পুরো পরিবারকে শেষ করে দিয়েছিলো আবির আলী নামের ওই ন/ রপি/ শা/ চ।

৪ বছর পর অবশেষে ২০২৬ সালে এসে আদালত আজ সেই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করলেন। অবুঝ শিশু আয়াতের খুনি আবির আলীকে মৃ**দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবং ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত।

আপনাদের কি মনে হয়?? যে রায় দিতেই যদি ৪ বছর লাগে সেই রায় কার্যকর হতে কয় বছর লাগবে??? হুমম??🙂

কদম ফুল দেয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের অবুঝ শিশু ফারিয়াকে ডেকে নিয়ে যায় চার তরুণ। এরপর যা ঘটে, তা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দেওয়...
17/06/2026

কদম ফুল দেয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের অবুঝ শিশু ফারিয়াকে ডেকে নিয়ে যায় চার তরুণ। এরপর যা ঘটে, তা সভ্য সমাজকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় কংস নদের পাড়ে এক নিষ্পাপ শিশু ফারিয়াকে দলবদ্ধ ধ/র্ষ/ণ শেষে জীবিত অবস্থায় নদীতে ফেলে দেয় চার নরপিশাচ। গত রোববার বিকেলে স্থানীয় বাজার থেকে চিপস কিনে বাড়ি ফিরছিল পাঁচ বছরের শিশু ফারিয়া।

ঠিক তখনই তার পথ আগলে দাঁড়ায় এলাকার চার বখাটে তরুণ।মাগরিবের আজানের ঠিক আগ মুহূর্তে কদম ফুল দেওয়ার নাম করে শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কংস নদের পাড়ের এক নির্জন জঙ্গলে। সেখানে শিশুটির ওপর চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়লে, প্রমাণ লোপাটের জন্য তাকে জীবিত অবস্থাতেই কংস নদের স্রোতে ছুড়ে ফেলে দেয় তারা।
নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর নদী থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটির নিথর দেহ।

রোববার রাতেই যখন তাকে দাফনের জন্য শেষ গোসল করাতে নেওয়া হয়, তখনই প্রকাশ পায় আসল নি/সংস/তা।শরীরের স্প*র্শ*কাতর স্থানে ক্ষত দেখে দাফন বন্ধ করে পুলিশে খবর দেয় পরিবার। তৎপরতার সাথে মাঠে নামে পুলিশ।সহকারী পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই মারুফ, আরিফ ও রাকিব নামে তিন জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তাদের মধ্যে একজন অপরাধ স্বীকার করলেও বাকিরা এখনো মুখ খোলেনি। ঘটনার সাথে জড়িত চতুর্থ জন এখনো পলাতক।

ঘটনাটি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার।

এই ভাইটি ক্যা/ন্সা/র আক্রান্ত আসাদ আকন্দ,,, এক সময় দুই হাত-পা দিয়ে চালিয়েছে গার্মেন্টসের বড় বড় মেশিন,,, অথচ এখন সন্...
17/06/2026

এই ভাইটি ক্যা/ন্সা/র আক্রান্ত আসাদ আকন্দ,,, এক সময় দুই হাত-পা দিয়ে চালিয়েছে গার্মেন্টসের বড় বড় মেশিন,,, অথচ এখন সন্তানের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেও অনেক ক'ষ্ট লাগে সেই হাত দিয়ে, আসাদ আকন্দ দুই বছর থেকে ক্যান্সার রোগে হারিয়েছে টাকা-পয়সা জমিজমা ও ভিটে বাড়ি।

এখন টাকার অভাবে চি'কি'ৎসা করতে পারছে না এক রুমের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে রয়েছে স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে, এক সময় এলাকার আত্মীয়-স্বজন ভাই বোন পাড়া-প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন সকলেই অনেক সাহায্য করেছে, কিন্তু মানুষ আর কত সাহায্য করবে,

আশা থাকুন তার বাসা গাজীপুরের বটবাজার এলাকার বেপারী পাড়ায়, দেশের মানবিক মানুষগুলো যদি এগিয়ে আসে তাহলে হয়তো আশাতে আকন্দ বেঁচে যাবে, সুস্থ হয়ে থাকতে পারবে স্ত্রী সন্তানের সাথে,

সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সবাই পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করুন যেন একটি সন্তানের বাবা চিরতরে হা'রিয়ে না যায়।

Address

Tangail
1900, 1901, 1902

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taniya's vlogs posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category