Lion Md. Saiful Islam Roni

Lion Md. Saiful Islam Roni সম্পাদক, পাঠক সংবাদ
Publisher, bdpnews24.com
সিঃ সহকারী সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভূমির খবর

দাওয়াহ সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক প্রোগ্রামের কিছু স্থিরচিত্র। ইসলামের সুমহান আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তা ...
15/08/2026

দাওয়াহ সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক প্রোগ্রামের কিছু স্থিরচিত্র। ইসলামের সুমহান আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।।

আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ১১ তম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। নিরাপদ সড়ক...
06/08/2026

আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ১১ তম সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
নিরাপদ সড়ক কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের স্বার্থ নয়-এটি প্রতিটি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার দাবি। আসুন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই ন্যায্য আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করি।

বাংলাদেশ প্রতিদিনে সাংবাদিকদের গণছাঁটাইয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এনজেইউসিজাতীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ (এনজেইউসি) বাংলাদেশ...
04/08/2026

বাংলাদেশ প্রতিদিনে সাংবাদিকদের গণছাঁটাইয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এনজেইউসি

জাতীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ (এনজেইউসি) বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় সাংবাদিকদের গণছাঁটাইয়ের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং এ ধরনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সাংবাদিকরা একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি। তাদের শ্রম, মেধা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে একটি সংবাদমাধ্যম জনগণের আস্থা অর্জন করে। কোনো স্বচ্ছ, ন্যায্য ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে একযোগে বিপুলসংখ্যক সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা অত্যন্ত দুঃখজনক, অমানবিক এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে আমরা মনে করি।

এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যমে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এনজেইউসি অবিলম্বে চাকুরিচ্যুত সাংবাদিকদের বিষয়ে পুনর্বিবেচনা, শ্রম আইন ও সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে। একই সঙ্গে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানাই।

জাতীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ (এনজেইউসি) সবসময় সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার, পেশাগত মর্যাদা এবং চাকরির নিরাপত্তা রক্ষায় সোচ্চার ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ
জাতীয় সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ (এনজেইউসি)

গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন শিক্ষার্থী হারাচ্ছে?বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা দেশের শিক্ষার ভিত্তি। অথচ ...
01/08/2026

গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন শিক্ষার্থী হারাচ্ছে?
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা দেশের শিক্ষার ভিত্তি। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামীণ এলাকার অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে অনেক বিদ্যালয় অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। তাই এখনই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি।

গ্রামের অনেক এলাকায় একটি বা দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও আশপাশের বাজার, সড়ক কিংবা জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কিন্ডারগার্টেন। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, আর সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে কমছে। এমন অনেক সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে পুরো স্কুলে ২০ জন শিক্ষার্থীও নেই।

অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা মনে করেন কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের প্রতি বেশি তদারকি করেন, নিয়মিত বাড়ির কাজ দেখেন, পড়াশোনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং মৌলিক বিষয়গুলোতে বেশি গুরুত্ব দেন। এ কারণেই অনেক অভিভাবক সরকারি বিদ্যালয়ের পরিবর্তে সন্তানদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে আগ্রহী হচ্ছেন।
অন্যদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে অনেক অভিভাবকের অভিযোগ রয়েছে। যদিও সরকারি শিক্ষকরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে সম্মানজনক বেতন-ভাতা পান এবং অনেক শিক্ষক অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, তবুও কিছু বিদ্যালয়ে প্রত্যাশিত মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না-এমন অভিযোগও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও বেশি যত্ন, নিয়মিত তদারকি, শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান এবং আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির প্রয়োগ এখন সময়ের দাবি।

তবে এ কথাও স্বীকার করতে হবে, সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এক নয়। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অত্যন্ত ভালো মানের পাঠদান হয় এবং সেখানকার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ভালো ফলাফল অর্জন করছে। অনেক শিক্ষক নিষ্ঠা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। মূল উদ্বেগের বিষয়টি গ্রামীণ এলাকার অনেক বিদ্যালয়, যেখানে শিক্ষার্থী সংকট ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে।
আমাদের শৈশবের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা মনে পড়ে। তখন শিক্ষকরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে পড়াতেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি ব্যক্তিগত যত্ন নিতেন এবং শৃঙ্খলার বিষয়েও সচেতন ছিলেন। সময় বদলেছে, শিক্ষাদানের পদ্ধতিও বদলেছে। তাই বর্তমান সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক, আনন্দময় ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সরকারের উচিত গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া, শিক্ষার মান উন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। পাশাপাশি কেন শিক্ষার্থীরা সরকারি বিদ্যালয় ছেড়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকছে, সে বিষয়ে গবেষণা করে প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়াও জরুরি।
একটি শক্তিশালী জাতি গড়ার ভিত্তি হলো একটি শক্তিশালী প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা। তাই গ্রামীণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আবারও অভিভাবকদের আস্থার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার বিকল্প নেই।

আমার এই পর্যবেক্ষণ কেবল একজন লেখক বা সাংবাদিক হিসেবে নয়, বরং একজন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার সাক্ষী হিসেবেও। আমি যে গ্রামে বেড়ে উঠেছি, সেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান বাস্তব চিত্র খুব কাছ থেকে দেখেছি। দীর্ঘদিন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এমনকি আমাদের পরিবারের নিজস্ব জমিতে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগও হয়েছে।
সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর আহ্বান জানিয়েছি। তখন অনেক অভিভাবক অকপটে বলেছেন, “আপনাদের স্কুল যদি বাজারের কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর মতো পড়াশোনার মান, নিয়মিত তদারকি ও শিক্ষার্থীদের প্রতি যত্ন নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে আমরা আবার আমাদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়েই ভর্তি করাব।”

অভিভাবকদের এই কথাগুলো আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়েছে, অধিকাংশ অভিভাবক সরকারি বিদ্যালয়কে এড়িয়ে যেতে চান না; তারা মূলত মানসম্মত শিক্ষা, নিয়মিত পাঠদান এবং সন্তানের প্রতি আন্তরিক যত্ন প্রত্যাশা করেন। তাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

লায়ন মোঃ সাইফুল ইসলাম রণি
সাংবাদিক, লেখক ও সংগঠক

31/07/2026

আমার লেখা কবিতা "মায়ের ভাষা" আবৃত্তি করেছেন প্রিয় অনুশ্রী সরকার দিদি।
আমার সৃষ্টিকে তাঁর সুন্দর কণ্ঠে তুলে ধরার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ। একজন লেখকের জন্য নিজের লেখাকে এমন আন্তরিকতায় উপস্থাপিত হতে দেখা সত্যিই আনন্দের ও গর্বের।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lion Md. Saiful Islam Roni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lion Md. Saiful Islam Roni:

Shortcuts

Share