28/07/2026
ই*সলামে পুরুষদের "বিয়ে" একটাই...
জী একটাই !!!!
এখন আপনি আমাকে যা খুশি বলতে পারেন।
কুরআনে পুরুষের একটি বিয়ের কথাই বলা হয়েছে।
এ কথায় অনেকেই হয়তো চমকে যাবেন। সেটাই স্বাভাবিক। অনেকেই ভাবেন চারটি পর্যন্ত বিয়ে করা জায়েজ। কেউ বলে নফল, কেউ বলে সুন্নত, কেউ আবার এক ধাপ বাড়াইয়া বলে ফরজ।
অনেক অমুসলিমেরও ধারণা আল্লাহর নির্দেশেই মুসলিম পুরুষ চারটি বিয়ে করেন।
একথা ঠিক, কুরআনে চারটি পর্যন্ত বিয়ের "অনুমতি" দেওয়া হয়েছে। তবে সে বিয়ে চঞ্চলা চপলা যুবতী নারী র রূপ যৌবনে মুগ্ধ হয়ে বিয়ে নয়, সেটা ইনসাফ ও আ*ল্লাহর satisfaction জন্য বিয়ে।
বিভিন্ন তফসিরের ব্যাখ্যাতে এসেছেন বা (যুদ্ধের পরে ) অবস্থান অনুযায়ী....
এই perspective দিকে থেকে তিনটি বিশেষ শ্রেণীর নারীকে বিয়ে করার জন্য উৎসাহ করেছেন।
১. সমাজের অসহায় যুবতী।
২. অসহায় বা বিধবা।
৩. স্বামী পরিত্যক্তা মহিলা যাকে ডিভোর্সি নারী বলেন।
অর্থাৎ এই অনুমতি বঞ্চিত অসহায় নারী জাতিকে রক্ষার জন্য, মোটেই সম্ভোগের জন্য নয়।
তবে এ ক্ষেত্রেও কঠিন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তা হল, সকল স্ত্রীর প্রতি সমান ব্যাবহার।
আবার কুরআনে বলছেনঃ
" - কিন্তু যদি আশঙ্কা করো যে, সকলের প্রতি সমান ব্যবহার করতে পারবে না, তবে একটি মাত্র বিয়ে করো।" ( সূরা নিসা, ৪:৩)।
তারপরও আবার আরও কিছু শর্ত ও নির্দেশনা আছে।
সব স্ত্রীকে সমানভাবে:
• সময়
• খরচ
• অধিকার দিতে হবে
যদি ন্যায়বিচার সম্ভব না হয় তাহলে স্পষ্ট নির্দেশ:
একটি বিয়েই করতে হবে,
এবং একটি বিয়েই উত্তম।
এই অনুমতি কেই হাতিয়ার করে কিছু সম্ভোগ বিলাসী পুরুষ একাধিক বিবাহে উৎসাহী হন। আল্লাহর দেওয়া কঠিন শর্তটা উপেক্ষিতই থেকে যায়।
একাধিক স্ত্রীকে সমান চোখে দেখা, বা সমান মর্যাদা দেওয়া রক্ত মাংসের কোনো পুরুষের পক্ষেই সম্ভব নয়। মহান আল্লাহ সেটা ভালই জানেন। তাই তিনি সূরা নিসা'য় ১২৯ আয়াতে বলেই দিয়েছেন;
"যতো ইচ্ছাই করো না কেন, তোমরা স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার করতে পারবে না।" (৪:১২৯)।
তাহলে কুরআনের শেষ কথা দাঁড়ালো, একের বেশি বিয়ে করো না। কুরআনের এই আয়াতটা সমাজে অপ্রচলিত, উপেক্ষিত।
আলেম সমাজও (সবাই না) ১২৯ নম্বর আয়াতটির উল্লেখ সেভাবে করেন না, এবং সেটা নিজেদের স্বার্থেই। কারণ নিজেরাই তো সমস্ত শর্ত জলাঞ্জলি দিয়ে তিন চারটি বিয়ে করে বসে আছেন!
কেউ থাকেন গাছ তলায়, কেউ থাকেন হাট খোলায়, তবুও নাকি সব স্ত্রী আছেন সমান মর্যাদায়!
পরিশেষে এইসব বিয়ে ভোগের জন্য না সেটি অবশ্যই আ*ল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং ইনসাফের জন্য।