Nur A Madina

Nur A Madina কম খরচে প্রাকৃতিক কৃষি বইটি ,
ইংরেজি ও আউটসোর্সিং ভিডিও লেকচার, কৃষি, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক টিপস

🗣️একদিন হজ্জাজ ইবনে ইউসুফ শিকারে বের হলেন। পথে তিনি দেখলেন—একটি অল্পবয়সী ছেলে, আনুমানিক দশ বছর বয়স, তার পাশে নয়টি কুকু...
09/02/2026

🗣️একদিন হজ্জাজ ইবনে ইউসুফ শিকারে বের হলেন। পথে তিনি দেখলেন—একটি অল্পবয়সী ছেলে, আনুমানিক দশ বছর বয়স, তার পাশে নয়টি কুকুর ও কিছু ভেড়া রয়েছে।
হজ্জাজ তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ
— হে বালক! এখানে তুমি কী করছ?
ছেলেটি মাথা তুলে তার দিকে তাকিয়ে বললঃ
— হে খবর বহনকারী! তুমি আমাকে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখেছ, অহংকারের সুরে কথা বলেছ। তোমার কথা জবরদস্তের কথা, আর তোমার বুদ্ধি খচ্চরের বুদ্ধি!
হজ্জাজ বললেনঃ
— তুমি কি জানো আমি কে?
ছেলেটি বললৌ
— তোমার মুখের কালিমা দেখেই চিনেছি, কারণ তুমি সালাম দেওয়ার আগে কথা বলেছ।
হজ্জাজ বললেনঃ
— ধ্বংস হোক তোমার! আমি হজ্জাজ ইবনে ইউসুফ।
ছেলেটি বললঃ
— আল্লাহ যেন তোমার ঘর ও বাসস্থানকে কাছে না আনেন। তোমার কথা অনেক, কিন্তু সম্মান কম।
এই কথা শেষ হতেই চারদিক থেকে সৈন্যরা তাকে ঘিরে ফেলল। হজ্জাজ আদেশ দিলেন—ছেলেটিকে প্রাসাদে নিয়ে যাও। তিনি নিজে দরবারে বসলেন; চারপাশে লোকজন নীরব ও ভীত, আর তিনি যেন তাদের মাঝে এক সিংহ।
ছেলেটিকে হাজির করা হলে সে মাথা তুলে প্রাসাদের উঁচু ভবন, নকশা ও মোজাইক দেখে বললঃ
“তোমরা কি প্রতিটি উঁচু স্থানে স্মারক নির্মাণ করছ খেলাচ্ছলে?
আর কি তোমরা স্থায়ী প্রাসাদ বানাচ্ছ যেন চিরকাল থাকবে?
আর যখন আঘাত কর, তখন জুলুম করেই আঘাত কর।”
হজ্জাজ উঠে বসলেন এবং বললেনঃ
— তুমি কি কুরআন মুখস্থ করেছ?
ছেলেটি বললঃ
— কুরআন কি আমার কাছ থেকে পালিয়ে যাচ্ছে যে আমি তাকে ধরব?
হজ্জাজ জিজ্ঞেস করলেনঃ
— তুমি কি পুরো কুরআন একত্র করেছ?
ছেলেটি বললঃ
— কুরআন কি ছড়িয়ে আছে যে আমি তাকে একত্র করব?
হজ্জাজ বললেনঃ
— তুমি কি আমার প্রশ্ন বোঝোনি?
ছেলেটি বললঃ
— আপনার বলা উচিত ছিল: তুমি কি কুরআন পড়েছ এবং তার অর্থ বুঝেছ?
হজ্জাজ বললেনঃ
— বলো তো—
কে বাতাস থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
কে বাতাস দ্বারা রক্ষা পেয়েছে?
আর কে বাতাসে ধ্বংস হয়েছে?
ছেলেটি বললঃ
— বাতাস থেকে সৃষ্টি হয়েছেন আমাদের নবী ঈসা (আ.),
বাতাস দ্বারা রক্ষা পেয়েছেন সুলায়মান (আ.),
আর বাতাসে ধ্বংস হয়েছে হূদের জাতি।
হজ্জাজ আবার জিজ্ঞেস করলেন:
— কে কাঠ থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
কে কাঠ দ্বারা রক্ষা পেয়েছে?
আর কে কাঠের কারণে ধ্বংস হয়েছে?
ছেলেটি বললঃ
— কাঠ থেকে সৃষ্টি হয়েছে সাপ—মূসা (আ.)-এর লাঠি থেকে,
কাঠ দ্বারা রক্ষা পেয়েছেন নূহ (আ.),
আর কাঠের কারণে শহীদ হয়েছেন যাকারিয়া (আ.)।
হজ্জাজ বললেনঃ
— কে পানি থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
কে পানিতে রক্ষা পেয়েছে?
আর কে পানিতে ধ্বংস হয়েছে?
ছেলেটি বললঃ
— পানি থেকে সৃষ্টি হয়েছেন আমাদের পিতা আদম (আ.),
পানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন মূসা (আ.),
আর পানিতে ধ্বংস হয়েছে ফেরাউন।
হজ্জাজ বললেনঃ
— কে আগুন থেকে সৃষ্টি হয়েছে?
আর কে আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে?
ছেলেটি বললঃ
— আগুন থেকে সৃষ্টি হয়েছে ইবলিস,
আর আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছেন ইবরাহিম (আ.)।
হজ্জাজ বললেনঃ
— বলো তো—বুদ্ধি, ঈমান, লজ্জা, দানশীলতা, সাহস, উদারতা ও কামনা—এসব কেমন করে ভাগ করা হয়েছে?
ছেলেটি বললঃ
— আল্লাহ বুদ্ধিকে দশ ভাগ করেছেন—নয় ভাগ পুরুষে, এক ভাগ নারীতে।
ঈমান দশ ভাগ—নয় ভাগ ইয়েমেনে, এক ভাগ বাকি দুনিয়ায়।
লজ্জা দশ ভাগ—নয় ভাগ নারীতে, এক ভাগ পুরুষে।
দানশীলতা দশ ভাগ—নয় ভাগ পুরুষে, এক ভাগ নারীতে।
সাহস ও উদারতা দশ ভাগ—নয় ভাগ আরবদের মধ্যে, এক ভাগ বাকি বিশ্বে।
কামনা দশ ভাগ—নয় ভাগ নারীতে, এক ভাগ পুরুষে।
হজ্জাজ জিজ্ঞেস করলেন:
— তোমার কাছে সবচেয়ে নিকটতম জিনিস কী?
ছেলেটি বললঃ
— আখিরাত।
হজ্জাজ বললেনঃ
— সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ যাকে চান তাকে প্রজ্ঞা দান করেন। এমন জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান বালক আমি কখনো দেখিনি।
এরপর হজ্জাজ বললেনঃ
— নারীদের সম্পর্কে বলো।
ছেলেটি বললঃ
— আপনি আমাকে নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছেন, অথচ আমি এখনো ছোট; তাদের স্বভাব ও চাহিদা সম্পর্কে জানি না। তবে প্রচলিত কথাগুলো বলি—
দশ বছরের মেয়ে—হুরের মতো,
বিশ বছরের—দৃষ্টির আনন্দ,
ত্রিশ বছরের—জান্নাত,
চল্লিশ বছরের—নরম ও ভারী,
পঞ্চাশ বছরের—সন্তান ও পরিবার,
ষাট বছরের—প্রশ্নকারীর জন্য কোনো উপকার নেই।
হজ্জাজ বললেনঃ
— বাহ, খুব সুন্দর! তুমি আমাদের জ্ঞানের সাগরে ডুবিয়ে দিলে। এখন তোমাকে সম্মান দেওয়া আমাদের কর্তব্য।
তিনি তাকে এক হাজার দিনার, সুন্দর পোশাক, এক দাসী, একটি তলোয়ার ও একটি ঘোড়া দিতে আদেশ দিলেন।
হজ্জাজ মনে মনে ভাবলেনঃ
“যদি সে ঘোড়া নেয়, বেঁচে যাবে; অন্য কিছু নিলে তাকে হত্যা করব।”
তারপর বললেনঃ
— যা ইচ্ছা নাও।
ছেলেটি বললৌ
— যদি আমাকে বেছে নিতে দেন, আমি ঘোড়াই নেব।
আর যদি আপনি সত্যিই শরিফ মানুষ হন, তবে সবই দিন।
হজ্জাজ বললেনঃ
— সব নিয়ে যাও, আল্লাহ যেন এতে বরকত না দেন!
ছেলেটি বললঃ
— আমি গ্রহণ করলাম। আল্লাহ যেন আপনাকে এর বদলে অন্য কিছু না দেন, আর যেন আমার সঙ্গে আর কখনো আপনার সাক্ষাৎ না হয়।
এইভাবে ছেলেটি হজ্জাজের দরবার থেকে বেরিয়ে গেল—নিরাপদ, বিজয়ী ও সম্পদসহ; তার বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের কল্যাণে।💙💙💙

যদি আপনাকে বলি, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফার্মেসিটা এবং হাসপাতালটা আসলে ফার্মগেটে বা শাহবাগে বা পৃথিবীর কোথাও নেই, আছে আপনার দু...
19/01/2026

যদি আপনাকে বলি, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফার্মেসিটা এবং হাসপাতালটা আসলে ফার্মগেটে বা শাহবাগে বা পৃথিবীর কোথাও নেই, আছে আপনার দুই কানের মাঝখানে - মানে আপনার মগজে! বিশ্বাস হচ্ছে না তো?

দাঁড়ান, আজ আপনাকে এমন কিছু সত্য ঘটনা শোনাব, যা শোনার পর আপনি নিজের শরীর আর মন নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হবেন। এই ফেনোমেননটার নাম - "প্লাসিবো ইফেক্ট"।

১৯৫০ সালের আমেরিকা।

মিস্টার রাইট নামে এক ভদ্রলোক ছিলেন।

তার অবস্থা খুব খারাপ, লিম্ফ নোড ক্যান্সারের লাস্ট স্টেজে। তার গলার কাছে আর বগলে টিউমারগুলো কমলালেবুর মতো বড় হয়ে গিয়েছিল। ডাক্তাররা আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

মিস্টার রাইট তখন শুনলেন 'ক্রেবিওজেন' (Krebiozen) নামে একটা নতুন জাদুকরী ওষুধ নাকি আবিষ্কার হয়েছে। তিনি ডাক্তারদের কাছে ভিক্ষা চাইলেন, যেন অন্তত একবার তাকে ওই ওষুধটা দেওয়া হয়।

ডাক্তার ভাবলেন, রোগী তো মারা যাবেই, দিয়েই দেখি।

শুক্রবার তাকে ইনজেকশন দেওয়া হলো। ডাক্তার ভেবেছিলেন সোমবার এসে দেখবেন মিস্টার রাইট মারা গেছেন। কিন্তু সোমবার সকালে হাসপাতালে এসে ডাক্তার দেখলেন এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য!

যে লোকটা অক্সিজেন মাস্ক ছাড়া শ্বাস নিতে পারছিল না, সে বিছানায় উঠে বসে দিব্যি গল্প করছে! তার শরীরের ওই বিশাল টিউমারগুলো "গরম তাওয়ায় বরফের মতো" গলে অর্ধেক হয়ে গেছে! মাত্র তিন দিনে! মিস্টার রাইট সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেলেন।

কিন্তু বস, গল্পের আসল টুইস্ট এখনো বাকি।

কিছুদিন পর খবরের কাগজে একটা রিপোর্ট এল যে, 'ক্রেবিওজেন' আসলে ক্যান্সারের জন্য খুব একটা কার্যকরী না। এই খবর পড়া মাত্র মিস্টার রাইট আবার অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

তার টিউমারগুলো আবার বড় হতে শুরু করল। ডাক্তার ফিলিপ ওয়েস্ট তখন একটা ফন্দি আঁটলেন। তিনি মিস্টার রাইটকে বললেন, "খবরের কাগজের ওই রিপোর্ট ভুল। আসলে আগের ওষুধের লটটা নষ্ট ছিল। কালকে আমাদের কাছে 'ডাবল পাওয়ারের' সুপার-রিফাইনড ক্রেবিওজেন আসছে। এটা দিলে আপনি একদম ফিট হয়ে যাবেন।"

পরদিন ডাক্তার তাকে ইনজেকশন দিলেন। কিন্তু ইনজেকশনে কোনো ওষুধ ছিল না, ছিল শুধু ডিস্টিল্ড ওয়াটার বা পানি!

রেজাল্ট?

মিস্টার রাইটের টিউমারগুলো আবার গায়েব হয়ে গেল! তিনি আবার সুস্থ! কোনো ওষুধ ছাড়া, শুধু 'বিশ্বাস' দিয়ে তিনি ক্যান্সারকে হারিয়ে দিলেন।

কিন্তু গল্পের শেষটা খুব ট্র্যাজিক। কয়েক মাস পর আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অফিশিয়ালি ঘোষণা দিল যে, ক্রেবিওজেন ক্যান্সারের জন্য পুরোপুরি ভুয়া একটা ওষুধ।

মিস্টার রাইট এই খবরটা বিশ্বাস করলেন। তার মনে হলো, আর কোনো আশা নেই। এই খবর পড়ার দুই দিনের মধ্যে তিনি মারা গেলেন। ওষুধ তাকে বাঁচায়নি, মেরেও ফেলেনি - বাঁচিয়েছিল তার বিশ্বাস, আর মেরেছে তার অবিশ্বাস।

এখন আপনি ভাবতে পারেন, "ভাই, এটা তো আজব একটা কেস।"

তাহলে শুনুন ২০০২ সালের আরেকটা হাড় হিম করা এক্সপেরিমেন্টের কথা।

ডাক্তার ব্রুস মোসলি হাঁটুর ব্যথায় ভোগা রোগীদের নিয়ে একটা পরীক্ষা করলেন।

একদল রোগীর সত্যি সত্যি অপারেশন করলেন। আর আরেকদল রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অজ্ঞান করলেন, হাঁটুতে ছোট করে কাটলেন যাতে দাগ হয়, কিন্তু ভেতরে কোনো অপারেশনই করলেন না! একে বলে "শ্যাম সার্জারি" বা ভুয়া অপারেশন।

দুই বছর পর দেখা গেল, যাদের সত্যিকারের অপারেশন হয়েছে আর যাদের ভুয়া অপারেশন হয়েছে - দুই দলই সমান সুস্থ! ভুয়া অপারেশন হওয়া রোগীরা বলল, "ডাক্তার সাব, আপনি তো জাদুকর! আমার ব্যথা একদম গায়েব!"

ভাবুন তো, শুধু "অপারেশন হয়েছে" - এইটুকু বিশ্বাস তাদের বছরের পর বছর ধরে থাকা ব্যথা ভালো করে দিয়েছে!

যুদ্ধক্ষেত্রের গল্পটা তো আরও সিনেমাটিক।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে।

ইতালির ব্যাটল ফিল্ডে প্রচুর আহত সৈনিক। ডাক্তার হেনরি বিচারের কাছে ব্যথানাশক মরফিন শেষ। ওদিকে এক সৈনিক ব্যথায় চিৎকার করছে। উপায় না দেখে এক নার্স তাকে সিরিঞ্জে সাধারণ লবণ-পানি বা স্যালাইন ভরে ইনজেকশন দিলেন এবং বললেন, "এটা শক্তিশালী মরফিন, ব্যথা কমে যাবে।"

আশ্চর্যজনকভাবে, সৈনিকের ব্যথা কমে গেল! সে শান্ত হয়ে গেল, এমনকি তাকে অপারেশন করার সময়ও সে শক খেল না। ব্রেইন যখন বিশ্বাস করেছে ওটা মরফিন, শরীর নিজে নিজেই ব্যথানাশক কেমিক্যাল রিলিজ করেছে।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো মডার্ন যুগের "অনেস্ট প্লাসিবো"।

এতদিন ভাবা হতো রোগীকে মিথ্যা বলে ওষুধ দিতে হয়। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, রোগীকে যদি আপনি বলে দেন- "দেখুন ভাই, এই ক্যাপসুলে শুধু চিনির গুঁড়া আছে, কোনো ওষুধ নেই। কিন্তু এটা খেলে অনেকে সুস্থ হয়" - তবুও কাজ হয়!

লিন্ডা নামের এক মহিলা আইবিএস (পেটের সমস্যা)-এর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিলেন। তিনি জানতেন তাকে ভুয়া ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, তবুও তিনি সেটা খেয়ে সুস্থ হয়ে গেলেন। তিনি বললেন, "আমি জানি এটা সুগার পিল, কিন্তু এটা খাওয়ার পর আমি আবার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে পারছি!"

এমনকি ওষুধের রঙের ওপরেও আপনার ব্রেইন গেম খেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, নীল রঙের পিল খেলে মানুষের ঘুম ভালো আসে (কারণ নীল রঙ শান্তির প্রতীক), আর লাল বা কমলা রঙের পিল খেলে এনার্জি বাড়ে!

পুরোটাই সাইকোলজিক্যাল।

গল্পগুলো থেকে আপনার লেসন কী?

আপনি যখন একটু অসুস্থ হলেই অস্থির হয়ে যান, বা লাইফের ছোটখাটো প্রবলেম নিয়ে ডিপ্রেশনে ভোগেন - তখন মনে রাখবেন, আপনার মাইন্ডসেট বা চিন্তাশক্তি কতটা পাওয়ারফুল।

মিস্টার রাইট পানি দিয়ে ক্যান্সার দমিয়ে রেখেছিলেন শুধু বিশ্বাসের জোরে।

আপনার শরীর একটা বায়োলজিক্যাল মেশিন হতে পারে, কিন্তু এটার ড্রাইভার হলো আপনার মন।

আপনি যদি বিশ্বাস করেন "আমি পারব", বা "আমি সুস্থ হবো" - আপনার শরীর সেই কমান্ড ফলো করতে বাধ্য।

ওষুধ অবশ্যই দরকার, বিজ্ঞান অবশ্যই সত্য।

কিন্তু বিজ্ঞানের ওপরেও যে একটা অদ্ভুত জগত আছে, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই।

তাই ফোনটা রেখে এবার নিজেকে একটু পজিটিভ কমান্ড দিন।

আপনার ভেতরের ফার্মেসিটা অন করুন।

বিশ্বাস করুন বস, আপনি যা ভাবেন, আপনি আসলে তা-ই! ❤️

যুবকরা চাইলেই একটা এলাকার রুপ পালটে দিতে পারে৷
15/01/2026

যুবকরা চাইলেই একটা এলাকার রুপ পালটে দিতে পারে৷

লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছা...
11/01/2026

লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছাড়া। জাস্ট ব্রেইনের একটা ছোট্ট সুইচ অন করে।

কীভাবে?

ঘটনাটা ১৯৭৯ সালের।

হার্ভার্ডের এক তুখোড় সাইকোলজিস্ট, ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার একটা পাগলামি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি চেয়েছিলেন টাইম ট্রাভেল করতে, কিন্তু কোনো মেশিন ছাড়া।

তিনি বেছে নিলেন ৮০ বছরের কাছাকাছি বয়সের আটজন বৃদ্ধ মানুষকে। এদের অবস্থা এমন ছিল যে, কেউ লাঠি ছাড়া হাঁটতে পারতেন না, কারো হাত কাঁপত, কারো চোখে ছানি, আবার কেউ বা নিজের নামটাও ঠিকমতো মনে রাখতে পারতেন না।

তাদের ছেলেমেয়েরা ভেবেছিল, বাবাকে বুঝি কোনো নার্সিং হোমে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তারা জানত না, তাদের বাবাদের পাঠানো হচ্ছে ১৯৫৯ সালে!

না, কোনো জাদুর দুনিয়া না। ডক্টর ল্যাঙ্গার বোস্টনের এক পুরনো মনাস্ট্রি বা আশ্রমকে পুরোপুরি সাজিয়েছিলেন ১৯৫৯ সালের স্টাইলে। সেখানে ১৯৭৯ সালের কোনো নামগন্ধও ছিল না। টিভি ছিল সাদাকালো, সেখানে চলতো ১৯৫৯ সালের নিউজ, এড সুলিভানের শো। রেডিওতে বাজত সেই সময়ের গান। ম্যাগাজিন, পত্রিকা—সব ২০ বছর আগের।

গল্পের প্রথম টুইস্টটা এখানেই।

ওই আটজন বৃদ্ধ যখন সেখানে পৌঁছালেন, তারা ভেবেছিলেন কেউ এসে তাদের ব্যাগপত্র টেনে রুমে দিয়ে আসবে, যেমনটা তাদের বাসায় হয়।

কিন্তু ডক্টর ল্যাঙ্গার কঠোরভাবে বলে দিলেন, "এখানে কেউ আপনাদের সাহায্য করবে না। নিজেদের ব্যাগ নিজেদেরই নিতে হবে।"

তারা রেগে গেলেন, গজগজ করলেন। কিন্তু উপায় না দেখে, ধুঁকতে ধুঁকতে নিজেদের ভারী সুটকেস নিয়ে দোতলায় উঠলেন। আর ঠিক তখনই তাদের ব্রেইনে প্রথম সিগন্যালটা গেল—"আমি অক্ষম নই, আমি পারি।"

শর্ত ছিল একটাই—এই এক সপ্তাহ তাদের অভিনয় করতে হবে যে এখন সালটা ১৯৫৯।

তারা "অতীত কাল" বা পাস্ট টেন্সে কথা বলতে পারবেন না। বলতে হবে প্রেজেন্ট টেন্সে। যেমন- "প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার এখন কী করছেন?" বা "ক্যাস্ত্রো হাভানায় কী করছে?"

তাদের আলোচনা করতে হবে ওই সময়ের রাজনীতি, খেলা আর সিনেমা নিয়ে, যেন তারা এখন ওখানেই আছেন। তাদের বয়স তখন যা ছিল- অর্থাৎ ৫৫ বা ৬০- তাদের ঠিক সেই এনার্জি নিয়ে কথা বলতে হবে।

প্রথম দুই দিন তারা খুব স্ট্রাগল করলেন। কিন্তু তৃতীয় দিন থেকে এক অদ্ভুত ম্যাজিক শুরু হলো। যে লোকটা বাতের ব্যথায় সোজা হয়ে বসতে পারতেন না, তিনি ডাইনিং টেবিলে সোজা হয়ে বসে তর্ক করছেন পলিটিক্স নিয়ে।

যিনি কানে কম শুনতেন, তিনি রেডিওর ভলিউম কমিয়ে গান শুনছেন। পরিবেশটা তাদের বাধ্য করছিল বিশ্বাস করতে যে তারা বুড়ো নন, তারা এখনো মিডল-এজড শক্তিশালী পুরুষ।

সবচেয়ে বড় শকটা এল সপ্তাহের শেষ দিনে। ডক্টর ল্যাঙ্গার আশ্রমের সামনের মাঠে একটা দৃশ্য দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

যে বৃদ্ধরা এক সপ্তাহ আগে বাস থেকে নামার সময় অন্যের সাহায্য খুঁজছিলেন, তারা এখন মাঠে 'টাচ ফুটবল' খেলছেন! হ্যাঁ, ফুটবল! তাদের দৌড়াদৌড়ি দেখে মনে হচ্ছিল তাদের বয়স সত্যি সত্যি ২০ বছর কমে গেছে।

এক্সপেরিমেন্ট শেষে যখন তাদের ফিজিক্যাল টেস্ট করা হলো, ডাক্তাররা রিপোর্ট দেখে থ হয়ে গেলেন। তাদের হাতের গ্রিপের জোর বেড়ে গেছে, জয়েন্টের নমনীয়তা বেড়েছে, এমনকি দৃষ্টিশক্তি আর শ্রবণশক্তিও ইম্প্রুভ করেছে! চশমা ছাড়াই তারা ছোট লেখা পড়তে পারছিলেন। আইকিউ টেস্টে তাদের স্কোর বেড়ে গিয়েছিল।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং টুইস্টটা হলো, তাদের আগের আর পরের ছবি যখন অপরিচিত লোকদের দেখানো হলো (যারা এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে জানত না), তারা ছবি দেখে বলল, "পরের ছবিগুলোতে তো এদের অনেক ইয়াং লাগছে!" মানে শুধু ফিলিংস না, তাদের চেহারার বলিরেখাও কমে গিয়েছিল। বায়োলজিক্যালি তাদের বয়স রিভার্স করেছিল!

ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার প্রমাণ করলেন, আমরা যখনই নিজেদের বলি—"আমার বয়স হয়ে গেছে, আমাকে দিয়ে আর হবে না"—তখন আমাদের শরীরও সেটা মেনে নেয় এবং শাটডাউন হতে শুরু করে।

আমাদের সমাজ আমাদের শেখায় যে বুড়ো হওয়া মানেই অসুস্থ হওয়া, আর আমরা সেই স্ক্রিপ্টটাই ফলো করি। কিন্তু যখনই ওই বৃদ্ধদের পরিবেশ বদলে দেওয়া হলো এবং তাদের বিশ্বাস করানো হলো যে তারা এখনো ইয়াং, তাদের শরীরও সেই অনুযায়ী রেসপন্স করল। একে বলে "Mind-Body Connection" বা প্লাসিবো ইফেক্টের বাপ!

সো ব্রাদার, আপনি এখনই হয়তো মাঝেমধ্যে বলেন, "ভাল্লাগে না, টায়ার্ড লাগে, আমাকে দিয়ে হবে না।" চিন্তা করুন, ৮০ বছরের বৃদ্ধরা যদি শুধু মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে লাঠি ফেলে ফুটবল খেলতে পারেন, তবে আপনি কী না করতে পারেন!

আপনার সীমাবদ্ধতা আপনার শরীরে না, ওটা আপনার মাথায়।

আপনি যখনই ভাবেন আপনি দুর্বল, আপনি দুর্বল। আর যখন ভাবেন আপনি সুপারহিরো, আপনার ব্রেইন শরীরকে সেই সিগন্যালই পাঠায়। ফোনটা রেখে এবার নিজেকে আয়নায় দেখুন আর বলুন, "আমিই বস, আমার এনার্জির কোনো লিমিট নেই।"

বিশ্বাস করুন, আপনার শরীর সেই কথা শুনতে বাধ্য।

শুরু করে দিন, পৃথিবী আপনার অপেক্ষায়! ❤️

Address


Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801557088835

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nur A Madina posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nur A Madina:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share