29/06/2024
আজ ২২ জিলহজ্জ আমার প্রাণের আঁকা আমার কলিজার টুকরা ছরকারে আলা হযরতের ছোট সাহেবজাদা হুজুর সরকার মুফতি আজম হিন্দ মোস্তফা রেজা খান রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর বিলাদাত শরিফ। যিনি আমার মহান মর্শিদ শেরে গাজী আল্লামা আকবর আলী রেজভী রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুর মূর্শিদ ছিলেন।
#হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ অনেক বড় অলি ছিলেন এবং অনেক বড় তাকওয়ার ইমাম ছিলেন।তিনির তাকওয়ার প্রচার প্রসার সারা বিশ্বে। তিনির লক্বব মূফতীয়ে আজম হিন্দ এবং তিনি মূফতী আজম আলমে ইসলাম অর্থাৎ দুনিয়ার বড় মূফতী ছিলেন।তিনির সবচেয়ে বড় মাক্বাম ছিল তিনি শরীয়তের উপর ছিলেন সর্বদা ইস্তেকামাত। দুনিয়া এদিক সেদিক হয়ে যেত কিন্তু হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ শরীয়ত খেলাফ করতেন না। তিনির গোটা জিবনে মূফতীয়ে আজম হিন্দ কে কেহ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা পর্যন্ত কাযা করতে দেখে নি। এমন একজন মুত্তাক্বী ছিলেন।
#হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর যখন ছয় মাস বয়স, তখন তিনির মূর্শিদ কেবলা হজরত আবুল হাসান আহমাদ নূরী হুজুর কেবলা তিনি কে দেখতে আসলেন, এসে তিনিকে কোলে নিলেন, কোলে নিয়ে হজরত আবুল হাসান আহমাদ নূরী হুজুর কেবলার জিহ্বা মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর মুখে দিলেন এবং কপালে চুমু খেয়ে বললেন, ❝ হে আহমাদ রেজা তোমার ঘরে একজন অলি জন্মগ্রহণ করেছে, তার দ্বারা দ্বীনের অনেক খেদমত হবে, আমি আমার বেলায়াত এবং খেলাফাত তাকে দান করলাম।❞ সুবহানাল্লাহ
#মূফতীয়ে আজম হিন্দ যখন ছোট ছিলেন তখন সরকারে আলা হজরত বলেন, ❝ এ মেরে বাচ্চা অলি হে ❞ সরকারে আলা হজরত এমন একজন আশেকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার প্রত্যেকটা কথা আল্লাহ এবং রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে কবুল,এই দোআও আল্লাহ কবুল করেছেন।
#হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর যখন ৯৩ বছর বয়স তখনও তিনি রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইশ্বকে এত ডুবেছিলেন যে, ৯৩ বছর বয়সেও তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ দাড়িয়ে আদায় করতেন। সম্পূর্ণ নামাজ আদায় করতেন, সুন্নাতসহ নফলও বাদ দিতেন না।।
#বিশেষ করে হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর জানাযায় প্রায় ২৫ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিলো, যা গোটা বিশ্বে বিরল। সুবহানাল্লাহ।
আর এই ২৫ লক্ষ মানুষ কোন না কোনভাবে মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর বরকতে হেদায়াত পেয়েছিলো।
#কারামত
এক মহিলা সরকারে আলা হজরতের দরবারে এসে বলতে লাগলেন হুজুর আমার ছেলে গুরুতর অসুস্থ, তার কেন্সার হয়েছে,তখন সরকারে আলা হজরত বললেন, যাও মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর দাড়ি চুবিয়ে পানি নিয়ে তোমার ছেলেকে খাইয়ে দাও ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবে।। সুবহানাল্লাহ।
#হুজুর তাজুশশরিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ যখন ইনতেকাল করলেন তারপর আমি এবং আমার সাথে একজনকে নিয়ে হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ কে গোসল দিচ্ছিলাম। গোসল দেয়ার সময় এমন এক অবস্থা হলো যে, হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর সতর খুলে যাবে তখন মূফতীয়ে আজম হিন্দ সাথে সাথে নিজের হাত দ্বারা সতর ঢেকে ফেললেন। যখন গোসল শেষ হলো তখন হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ আবারও নিজের হাত পূর্বের স্থানে নিয়ে গেলন,সুবহানাল্লাহ।
#মূফতীয়ে আজম হিন্দ এর সারাজিবন'ই কাটিয়েছেন দ্বীনের খেদমত করে। তিনি দিনের বেলায় মানুষের সেবা করার জন্য তাবিজ লিখতেন এবং রাতের বেলায় বিভিন্ন মাসআলার সমাধানের লক্ষে ফাতওয়া লিখতেন। তিনির বিশিষ্ট ফাতওয়ার কিতাব ❝ ফাতওয়ায়ে মূফতীয়ে আজম হিন্দ ❞। কোন একজন জিগ্যেস করলো হুজুর আপনি সারাদিন সারারাত এত কষ্ট করেন কিন্তু আরাম করেন না কেন? তখন হুহুরে মূফতীয়ে আজম হিন্দ বললেন,আমি যখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিব তখন আরাম করবো।
#আশেকানে মুফতি আজম হিন্দ দের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা আপনাদের জায়গা থেকে হুজুর মুফতি আজম হিন্দ এর নামে ফাতেহা ও তাবারুকের ব্যবস্থা করুন আল্লাহ আমাকে এবং আপনাদেরকে সবাইকে হুজুর মুফতি আজম হিন্দ এর ফয়েজ বরকত দান করুক। আমিন।
নেগাহে কারাম কারো হুজুর মূফতীয়ে আজম হিন্দ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু।
লিখা : Mohammad Masoud Hossain & Muhammad Kamor Uddin
ভালো লাগলে শেয়ার করুন।