29/05/2021
➡️ অবশেষে ৮ম হিজরীতে "আবু সুফিয়ানের" ইসলাম গ্রহন।
➡️ বড় কোন যুদ্ধ বিগ্রহ ছাড়াই মক্কা বিজয়।
➡️ যে লোকটাকে মক্কার মুশরিকরা ১৩ টা বছর কষ্ট দিয়েছে, নির্যাতন করেছে, অপবাদ দিয়েছে, পাগল বলেছে, জাদুকর বলেছে, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে, তিরস্কার করেছে, রাস্তা-ঘাটে অপমান করেছে, বিভিন্ন ভাবে হত্যার চেষ্টা করেছে, তার সাহাবাদের কতইনা কষ্ট দিয়েছে, অবশেষে প্রিয় মাতৃভূমি মক্কা ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে, এমনকি মক্কা থেকে চলে যাওয়ার পরও মদীনাতে আক্রমণ করেছে মুসলমানদের ধ্বংস করার জন্য, মুসলমানদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে, বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করেছে,
মক্কার কাফেররা এতকিছু করার পরও মক্কা বিজয়ের সময় কোন প্রকার প্রতিশোধ ছাড়াই রাসূল সা. সকলকে ক্ষমা করে দেন। কত মহান ব্যক্তি ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী সা.।
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ ((সে বললো ( অর্থাৎ নবী সা.) আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের ক্ষমা করুন, আর তিনি সবচেয়ে বেশি দয়ালু, সূরা ইউসূফ- ৯২))
➡️ হুনাইন যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা কাফেরদের চেয়ে বেশি ছিল।
➡️ বিভিন্ন যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা কম থাকা সত্বেও বিজয় অর্জন করেছিল, অথচ হুনাইন যুদ্ধে মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা কাফেরদের চেয়ে বেশি থাকা সত্বেও প্রাথমিক পর্যায়ে এদিক ওদিক ছুটাছুটি করে চলে গেছিলো, তারপর পুনরায় একত্রিত হয়ে বিজয় অর্জন করেছিল।
➡️ মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা বেশি হওয়ার কারনে তারা গর্ব করেছিলো যা আল্লাহ তা'আলা পছন্দ করে নাই, এখান থেকেও আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
➡️ আনসারদের মধ্যে গুঞ্জন সৃষ্টি অতপর সমাধান
➡️ কোন প্রকার সংঘাত ছাড়াই তাবুক যুদ্ধের সমাপ্তি।
➡️ বিভিন্ন গোত্র ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ।
➡️ নবী সা. এর বিদায় হজ্জের ভাষণ,
➡️ নবী সা. দুনিয়াতে বেশিদিন থাকবেন না তার প্রতি ইঙ্গিত প্রদান।
➡️ নবী সা. এর মৃত্যু তারিখ নিয়ে কোন মতানৈক্য নেই, কিন্তু জন্ম তারিখ নিয়ে কিছু মতানৈক্য রয়েছে।
👉 আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে প্রিয় নবীর জীবনী পড়ে তার উপর আমল করার তাওফিক দিক।