TraveNoa7

TraveNoa7 We Provide High-Quality Travel Accessories.

যারা ট্রাভেনোয়ার জার্সি নিয়েছেন তারা রিভিউ দিয়ে যান🍃আমাদের এই লটের আর কিছু প্রোডাক্ট আছে, নতুন করে আজ থেকে আবার অর্ডার ন...
27/06/2025

যারা ট্রাভেনোয়ার জার্সি নিয়েছেন তারা রিভিউ দিয়ে যান🍃

আমাদের এই লটের আর কিছু প্রোডাক্ট আছে, নতুন করে আজ থেকে আবার অর্ডার নিচ্ছি…. ফেব্রিকস, ডিজাইন, কালার কম্বিনেশনে অনন‍্য এক উধাহরন হয়ে থাকবে ট্রাভেনোয়ার জার্সিটি, নজর কারা পাহাড়ের নাম সহ তার সঠিক উচ্চতা জেনে নিতে পারবেন এই জার্সি থেকে, আপনি পাহাড়ে না থাকলেও এই জার্সি আপনাকে পাহাড়ের অনুভূতি দিবে। যদি কাপড় পড়ে মজাই না পাই তাহলে কিনবো কেন?

আমাদের জার্সির ফিচার্স…
#প্রিমিয়াম জ‍্যাকার্ড ফেব্রিকস
#সহজে ময়লা ধরে না
#কালার ১০০% গ‍্যারান্টি
#ইউনিক ডিজাইন
#কাপড়টা পরিধান করলে মনে হবে কিছুই পরিধান করেননি, বেশ ঠান্ডা অনুভূতি দেয়।
#এই জার্সিটি আপনি যেকোন জায়গায় পড়ে যেতে পারবেন, সেভাবেই ডিজাইন করা হয়েছে… আপনি রেন্ডম ব‍্যবহার করুন কালার কিছু হলে আমরা আছি।
আমাদের কাছে ফুল হাতা কলার/ফুল হাতা গোল গলা আছে।
জার্সিটি পেতে ইনবক্স করুন অথবা হোয়াটস এ‍্যাপ করুন এই নাম্বারে- 01871451247
আমি গ‍্যারান্টি দিচ্ছি যেকোন আবহাওয়ায় যেকোন ক‍্যামেরায় এডিট ছাড়া এই জার্সিটা যদি ফুটে না উঠে তবে জার্সি ফেরত দিবেন। বেশ সুন্দর ফুটে জার্সিটি।

এখন শুধু গায়ে দেওয়ার অপেক্ষা, 😍অর্ডার করতে- 01871451247 wtsapp এ নক দিন 🍃
21/05/2025

এখন শুধু গায়ে দেওয়ার অপেক্ষা, 😍
অর্ডার করতে- 01871451247 wtsapp এ নক দিন 🍃

এখন শুধু গায়ে দেওয়ার অপেক্ষা, 😍অর্ডার করতে- 01871451247 wtsapp এ নক দিন 🍃Md RakibTraveNoA(ট্রাভেনোয়া)
21/05/2025

এখন শুধু গায়ে দেওয়ার অপেক্ষা, 😍
অর্ডার করতে- 01871451247 wtsapp এ নক দিন 🍃
Md Rakib
TraveNoA(ট্রাভেনোয়া)

19/05/2025

ট্রাভেনোয়ার এই জার্সিটি পড়ে ক‍্যাজুয়ালি, ট্রাভেলিং সহ সবখানে পড়ে যেতে পারবেন। এই ডিজাইনটা এমন ভাবে করা হয়েছে। আমাদের জার্সিটি প্রোফেশনাল ডিজাইনার ধারা ডিজাইন করা। যেটি আপনি বাংলাদেশের সকল আবহাওয়ার সাথে পড়তে পারবেন। এবং ছবিতে সুন্দর ফুটে উঠবে।

বেশ মোলায়েম এবং আরামদায়ক ১৭০ জিএস এম এর বেস্ট জ‍্যাকার্ড ফেব্রিকস এর প্রিমিয়াম ট্রাভেনোয়া ট্রাভেল জার্সিটি অর্ডার করতে আপনার

নামঃ
ফোন নাম্বারঃ
ঠিকানাঃ
সাইজঃ

লিখে হোয়াটসএ‍্যাপ করুন বা ফেসবুকে ম‍্যাসেজ দিন। ৭-১৪ দিনের ভেতর ডেলিভারি পাবেন।
সেন্ড মানিঃবিকাশ/রকেটঃ 01871451247
সেন্ড মানি করে ট্রান্জেকশন আইডির স্ক্রিনশট নিয়ে ইনবক্সে দিন।ঢাকার ভেতরে ৬০ টাকা ও ঢাকার বাহিরে ১২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ।

03/04/2025

“Travenoa – Explore More, Experience Beyond!”

 #ধোয়া #বিশেষ পর্বলেখকঃ মো রাকিব©️copyright Prohibited 🚫 [সবার মতামত জানাবেন]আমার আর বুঝতে দেরি হলো না যে এরা যায়নি এরা ...
13/11/2023

#ধোয়া
#বিশেষ পর্ব
লেখকঃ মো রাকিব
©️copyright Prohibited 🚫
[সবার মতামত জানাবেন]

আমার আর বুঝতে দেরি হলো না যে এরা যায়নি এরা ঘরেই ছিল। আমি নামাজ শেষে মোনাজাত না ধরেই উঠেই আমার ঘরে চলে যাই। বাবুর বাবা কে ডাক দিয়ে উঠাই বলি তাকে, যে দাদির সাথে থাকে জিন ঘরেই আছে, আমার সাথে নামাজ পড়েছে।

তিনি জবাব দিলেন তুমি এসবে পাত্তা দিচ্ছো বেশি তাই তোমার সাথে এমন হচ্ছে ঘুমাও। ঠিক সেই মুহূর্তে রান্নাঘরে কিছু একটা পড়ার শব্দ আমি আবারো বলি এই শব্দ পাইছো? রান্না ঘর থেকে আসছে। সে কিছুই বলল না। আমি আর ওইদিকে না গিয়ে শুয়ে পড়ি।

রাতে বাবুর বিছানা পরিবর্তন করতে হয়। ময়লা বিছানা পরিষ্কার করে নতুন বিছানা বিছিয়ে দিচ্ছিলাম। আমাদের বিছানাটা ঠিক জানালা বরাবর, ঠিক পূর্ব-পশ্চিমমুখী।

আমরা পশ্চিমে মাথা দিলে পূর্ব বরাবর একটা জানালা আছে। বাবুর বিছানা পরিবর্তনের একটা মুহুর্তে মনে হলো পূর্বমুখী জানালাটা নড়ে উঠলো। আমি কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলাম। এবার নড়ছে না। একটু পর আবারো মনে হলো জানালাটা একটু একটু করে খুলছে এবং আমি বাহিরটা দেখতে পাচ্ছি। এবার আমি আর নিতে পারিনি আমি বাবুর বাবা কে ধাক্কা দিয়ে উঠাই তাকে দিয়ে জানালা শক্ত করে বন্ধ করাই। তিনি বলে তোমার যে কি হইছে।
এসবের জন্য সারাটা রাত আমি নির্ঘুম। একটুও ঘুমাতে পারিনি। মাঝরাতে ফযরের আযান দিলে আমি উঠে পড়ি। নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আমি ওযু করতে যাবো ঠিক তখন আমার নামাজের স্থানটায় নজর গেল।
সে স্থানে দুইটা জায়নামাজ খুব সুন্দর করে বিছানো। আমার ভীষণ ভয় করছিল কিন্তু তাও আমি মনোবল শক্ত করে ওযু করে এসে নামাজে দাড়াই। আমি স্পস্ট বুঝতে পারছিলাম আমার পেছনে নামাজ পড়ছে। ভয়ে হাটু কাপছিল, একটু ভালোও লাগছিল দাদি নেই তবে দাদির রেখে যাওয়া অন্তত জিন পরিবারতো আছে আমার সাথে।
এসব ভেবে মুচকি হাসছিলাম, কি অদ্ভুদ আল্লাহর দুনিয়া।

পরদিন সকাল বেলা আমি আমার স্বামী কে বলি দেখো যদি সম্ভব হয় একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবা। আমার একা একা থাকতে ভয় করে। তারপর তাকে বিদায় দিয়ে আমি দুপুরের রান্নার প্রস্তুতি নিতে থাকি, এদিকে বাবুর পুরা ঘরে ছুটোছুটি,দুষ্টমি, ওকে ধরে রাখা দায়। কতক্ষন আর কোলে রাখা যায়।
আমি ওকে পাশে রেখে কিছু খেলনা দিয়ে বাকি রান্নার কাজ দ্রুত শেষ করাক চেষ্টা করি সব সময়। তারপর বাবুর বাবা আসার অপেক্ষা করি।
এদিকে অনেকদিন হলো দাদির ঘরটা পরিষ্কার করা দরকার। রান্নার কাজ সেরে দাদির ঘরে ঝাড়ুটা নিয়ে শুধু এক কদম রেখেছি। আর হঠাৎ নাকে এতটা সুগন্ধি আসছিল যেন মাত্রই কেউ সুগন্ধি মেরেছে।

এমন সুগন্ধী আমার স্বামীর নেই। আমরা কেউ এমন সুগন্ধী ব্যবহার করি না। আমি বেশ অবাক হলাম, তারপর আমি ঘরটা সুন্দর করে পরিষ্কার করে বিছানার সব কিছু পরিবর্তন করে ঘরের দরজা লাগিয়ে দিয়ে আসি। বাবু কে গোসল করানোর জন্য যখন আমি পানি নিতে কল পাড়ে যাবো আমি তখন কি মনে করে ঘরে আবার ঢুকলাম, মুহূর্তেই অদ্ভুদ একটা ছায়া আমার শরীর ঘেসে গেল, এতটা দ্রুত গেল যে আমি দু পা পিছপা হতে বাধ্য হলাম। কি ছিল এটা??? আমি দৌড়ে বাবু কে কোলে নিয়ে বারান্দায় চলে আসলাম।
কি দেখলাম বাতাসের গতিতে আমার পাশ কাটিয়ে গেল…. এবার মনে কিছুটা ভয় বেড়ে গেল। আমি সচোরাচর এসবে একদমই অভ্যস্থ না। পরে ওর বাবা আসলে তার হাতে বাবু কে রেখে আমি বাকি কাজ সেরে নেই।
তারপর সবাই কে খাইয়ে দিয়ে আমি খেতে বসি, তারা খেয়ে উঠে যায়, বাবুর ভাতের থালাটায় অল্প কিছু ভাত ছিল, ও আমাদের দেখে দেখে একটা দুইটা করে ভাত খায়। আমি নিজ চোখে দেখেছি বাবুর ভাতের থালাটাতে বেশ কিছু ভাত ছিল, চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে দেখি বাবুর ভাতের থালাও গায়েব ভাতও গায়েব। কিচ্ছু বলিনি, আমি চাচ্ছিলাম না আমি বুঝতে দেই যে আমি ভয় পাচ্ছি। মনে হয় যেন একসাথেই বসবাস করছি কিন্তু ব্যাতিক্রম শুধু তারা আমাকে দেখতে পায় কিন্তু আমি পাইনা।

এ তো গেলো দিনের কথা, সন্ধার কিছু সময় পড়েই বাবু ঘুমিয়ে পড়ে। আমি টুকটাক কাজ সেরে নামাজ পড়ি বা একটু কোরআন তেলাওয়াত করি, দাদির রেখে যাওয়ার কিছু ওজিফা আছে সেগুলো পড়ি। আমি বসে বসে পড়ছিলাম। অনেকক্ষন যাবৎ আমার স্বামী ঘরের কিছু একটা ঠিক করার ঠকঠক শব্দ শুনছিলাম। হঠাৎ সেই শব্দটা বন্ধ হয়ে গেল। অনেকক্ষন যাবৎ শব্দ হচ্ছিল না।

ভাবলাম ঘুমিয়েছে হয়তো, আমি জায়নামাজ ছেড়ে বাবু কে এক নজর দেখতে রুমে ঢুকার পর আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাবে অবস্থা, ঠিক আমার বাবুর মাথার পাশে খুবই কাছে এসে দাড়িয়ে আছে সাদা কাপড় পড়া কেউ একজন, আজ আমি দেখেছি, এতটা উচ্চতাও হয় মানুষের? কি করে সম্ভব ? ঠিক আমার বাবুর দিকেই চেয়েছিল।

আমি দেখার মুহুর্তেই ধৌয়ায় মিলিয়ে যায়। আমি বাবুকে কোলে নেই। আমার ভয়ে চোখ থেকে পানি পরা শুরু করে। আমি এসবের দিক দিয়ে খুবই দুর্বল। আমি মানতেই পারছিলাম না যে আমি দেখেছি এদের। সাড়া শরীর সাদা কাপড়ে আবৃত, হজ্জ্ব করতে হাজিরা যেমন কাপর পরিধান করে কিছুটা তেমন। আর ঘরটা সুগন্ধিতে ভরে ছিল। জামাই কে তখনো উঠাই আমি তাকে বলি তুমি তো কিছু দেখোনা কিন্তু এই সুগন্ধিটাও পাচ্ছো না? সে বলে হুম কিছুটা তো পাচ্ছি এটা কিসের? যাক মনে একটু তো শান্তি লাগলো।

পরদিনই আমি অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে আমার স্বামীকে দিয়ে একজন হুজুর এনে ঘরে মিলাদের ব্যবস্থা করতে বলি। হুজুর আসেন মিলাদ পড়ান এরপর আমার ও আমার পরিবারের সাথে এ কয়দিনে কি কি হলো তা তুলে ধরি। দাদির কথাও বলি। হুজুর বলে জিনেদের একটা জাত আছে এরা মানুষের সাথেই বসবাস করে। আপনার দাদি একজন ফরহেজগার ও আল্লাহর প্রিয় ছিলেন এবং তার প্রতি জিনেরা আকৃষ্ট হয়েছে বিদায় তাকে দেখা দেয় আর তার সাথে যোগাযোগ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এটা খারাপের কিছু না।

তবে হ্যা একটু সমস্যা তো আছে সেটা হলো এমন জিন জাতি অপবিত্র স্থান একদম পছন্দ করে না। তাই প্রতিনিয়ত ঘর পবিত্র রাখতে হবে, প্রতিদিন এই ঘরে কোরআন তেলাওয়াত হলে বেশ ভাল হয়। মহিলাদের বিশেষ সময়ে তখন তাদের স্বামী তাদের হয়ে এই দায়িত্ব পালন করতে পারেন। এতে ঘরে বরকত বারে, ফেরেস্তাদের যাতায়াত থাকে। ও আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকে বান্দার প্রতি।

ভুলেও ঘর অপবিত্র রাখা যাবে না আর বিশেষ কারন বসত নামাজ খুবানো যাবে না। হুজুর বলেন যেহেতু ওরা আপনাদের ক্ষতি করছে না সেহেতু আপনারা ওদের কোন ক্ষতি করতে যাবেন কেন?
তারপর তিনি বিদায় নিলেন। আমার স্বামী বলে উনি যা বলে গেল তা সবই ঠিক আছে তবে চিন্তা তো বাবু কে নিয়ে। আমি চুপ করে থাকলাম।

আপাতত এর কোন সমাধানই পেলাম না। এভাবেই দুই-তিন দিন চলে গেল।
বাবুর ভাত খাওয়ার যে থালাটা সেটা একদম ধুয়ে পরিষ্কার করে রান্না ঘরে রেখে দিয়ে গেছে। ভাতগুলো মনে হয় ওরা খেয়ে নিয়েছে….
ঠিক তিন-চারদিন পর এমনি এক রাতে আমি নামাজ পড়ছিলাম। পড়তে পড়তে কিছুটা সময় বিশ্রাম নিতে আমি জায়নামাজে শুয়ে পড়ি, তার কিছুক্ষন পর আমার কেমন জানি মনে হলো ঘরে কেউ হাটছে, আমি ঘাড় একবার ঘুরিয়ে পেছনে তাকাই, দেখলাম কেউ নাই। উনি উঠলো কিনা?
পরে আবার চোখটা বন্ধ করে আল্লাহ আল্লাহ জিকির করছিলাম। আবারো মনে হলো এবার যেন সামনে দিয়ে হেটে গেল, আর সেই চিরচেনা সুগন্ধিটা, আমি এবার হালকা চোখ খুলি…. আমি যা দেখলাম তা আমার জায়গায় অন্য কোন মেয়ে হলে স্থির থাকতে পারতো না।

একের অধিক মানুষের আকৃতির মত দেখতে, এরা আমার পাশ কেটে হেটে যাচ্ছে দাদির ঘরে, সংখ্যায় এরা অনেক ছিল। আমি উঠার মত শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম, গলা দিয়ে কোন শব্দ আসছিল না শুধু চোখ দিয়ে দেখে যাচ্ছিলাম কি সুন্দর করে হেটে হেটে দাদির ঘরে প্রবেশ করছে, মুসুল্লিরা যেমন নামাজ পড়তে মসজিদে প্রবেশ করে ঠিক তেমনি। একটু পর আমি আমার হাত পা নাড়াতে পারি। ঠিক তখন আমি আর দেরি না করে আমার স্বামীকে ধীরে ধীরে ঘুম থেকে জেগে তুলি তারপর ইশারায় বলি দেখে যাও।

তার কাচা ঘুমের জন্য সে আর উঠতে পারেনি। আবার যদিও ভয় লাগছিল তবুও ইচ্ছে করছিল গিয়ে দেখি কি করে। আমি দাদির ঘরের দরজার একটু কোনে দাড়িয়ে উকি দেই। ঘরের ভেতর মনে হয় ১৫-২০ জনের দল মেঝেতে বসে আছে নামাজের আসনে। আমার আর সেখানে দাড়িয়ে এসব দেখার মত সাহস হচ্ছিল না। আমি দ্রুত আমার ঘরে চলে আসি।
সারাটারাত আমি ভাবতে থাকি কি দেখলাম আমি….
দাদি ওদের সাথেই কথা বলতো, ওদেরই সময় দিত, ওদের জন্যই রাত বিরাতে আমাকে ছেড়ে চলে যেত।

এসব ভাবতে ভাবতে চোখ লেগে আসে, তার পরদিনই আমি আমার বাবার বাড়ি যাই বাবার সাথে এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য। বাবা সব শুনে তারপর তিনি বলে একজন কবিরাজের সরনাপন্য হবেন। বাবা সেদিন সময় দিতে না পারলেও ২-১ দিন পর আমার শশুরবাড়ি এসে আমাকে নিয়ে যায় সেই কবিরাজের নিকট, আমি বাবা কে বলেছি বাবা এখন পর্যন্ত আমাদের কোন ক্ষতি করেনি কিন্তু এরা আমার বাচ্চার দিকে তাকিয়ে থাকে পুরা ঘর ঘুরে বেড়ায় এগুলো দিন দিন আমার ভয় বাড়িয়ে তুলছে।

এরপর বাবা আমাকে ওই কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে আমি তার কাছে সবকিছু খুলে বলি। কবিরাজও একই কথা যেহেতু কোন ক্ষতি করছে না সেহেতু ওদের তাড়ানোর চিন্তাটা অনুচিৎ, তিনি মত দিয়েছেন অনুচিৎ কিন্তু সাথে তিনি তাদের ঘরে প্রবেশ বন্ধ করতে তাবিজও দিয়েছেন তবে বার বার বলেছেন কঠোর সাবধানতার সাথে নিয়ম মেনে এগুলো ঘরে ঝুলিয়ে দিতে।
আমার মনে হয় ওই তাবিজ গুলো নেওয়াটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। যেদিন তাবিজগুলো লাগাবো সেদিন বলা হয়েছে ঘরের পুরুষ ধারা তাবিজগুলো লাগাতে হবে। এরপর বাবা আমাকে আমার শশুরবাড়ি রেখে বিদায় নেয়। দুপুরে বাবুর বাবা আসলে তার হাতে তাবিজগুলো তুলে দেই আর ঘরের চার কোনে ঝুলিয়ে দিতে বলি সে আমার কথামত ঘরের চারকোনে ঝুলিয়ে দেয়।

যেই ঝুলিয়ে দিল, আমার মনে হয় আমার ঘরে কেমন একটা আজাব শুরু হলো, একদিন রাতে বাবুর বাবা ঘরে এসে বলতেছে সে যখন ঘরের দিকে ফিরছিল তখন পথেই কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে তার দেখা হয় এদেরকে আগে কখনো দেখেনি এই গ্রামে। খুবই অদ্ভুদ নজরে তার দিকে চেয়েছিল অনেকক্ষন। সে দ্রুত হেটে চলে আসছে। আমার মনে ভয় ঠুকে যায়, কারন তাবিজ গুলো লাগানোর পরে আমারো কেমন যেন বিচলিত লাগছিল। শরীর ভার হয়ে যাচ্ছিল।

যাই হোক, তার পরদিন রাতের খাবার শেষ করে নামাজ পড়ে শুয়ে পড়ি।
শরীরটা খারাপ লাগছে, ঘুমে চোখ টা বন্ধ করলাম কি আমি দেখি মেয়ে মানুষের সদৃশ একটা প্রানী যার দুই হাত দুই পা ব্যবহার করে উল্টো হয়ে হাটে এটা আমার দিকে তেড়ে আসছে আমাকে মারতে। একটা মুহু্র্তে মনে হলো এটা অনেক ক্ষিপ্ত আর আমার গলা চেপে ধরেছে । হঠাৎ নিশ্বাস নিতে পারছি না। আমি সেই মুহূর্তেও অনেক চেষ্টা করি বড় খত্মে দোয়া পড়ার তার কিছুক্ষন পর এটা আমার শরীর ছেড়ে দেয় আমি চোখ খুলি। বুঝতে পারছিলাম আমাদের ধারা মনে হয় বিশাল বড় ভুল হয়েছে।
ঠিক তারই পরদিন আমার স্বামীকে রাতে তার বিছানায় বেধরম চর থাপ্পড় মারে । তার শরীরে পাচঁ আঙ্গুলের দাগ বসে যায়। সে পাগলের মত আচরন করতে থাকে, কেউ যেন আমাদের কিছু বলতে চাইছে। আমার ধারা অনেক বড় ভুল হয়েছে, কি করলাম আমি, আমার ধারা এত বড় ভুল আর এসবের জন্য আবার পরিবার আজ আক্রান্ত।

এরপর আমরা সেই কবিরাজ দিয়ে তাবিজ গুলো খুলে নেই তারপর সেগুলো কে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ধংস করি। কবিরাজ বলে তাবিজ দেওয়াতে ওরা ক্ষিপ্ত হয়েছে। আমি নিষেধ করেছিলাম।

যাই হোক অনেক কষ্টে একটা সময় গিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্থির হয়, এতবড় ঝামেলা হবে তা বুঝিনি, শুধু বাবুর কথা চিন্তা করে এমনটা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমরা তো কোন মতে মানিয়ে নিয়েছিলাম।
অবশেষে একটা কথা মনে করে আমার আর বেশি খারাপ লাগলো, যে দাদি মারা যাওয়ার আগে বলে গিয়েছিল যদি কখনো ওদের বিষয়গুলো তোমাকে বিচলিত করে তবে তুমি নামাজে ওদের সাথে কথা বইলো ওরা তোমার ডাকে সাড়া দিবে তোমার কথা শুনবে। হায় হায় আমি এত বড় ভুল কিভাবে করলাম? আমার ধারা এতবড় ভুল কিভাবে হলো?…..
এরপর আমি টানা ১ মাস নামাজে কান্নারত অবস্থায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং আমার পরিবারের যেন কোন ক্ষতি না হয় সে প্রার্থনা করি ও আমার জন্য যে জিনেদের কিছুটা কষ্ট হয়েছিল তার জন্যও আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাই।

সবশেষ আলহামদুলিল্লাহ এখন মোটামুটি সব ঠিক আছে। এখনো মাঝে মাঝে ওরা যে আছে তার জানান দেয়। আমি নিশ্চিন্তে থাকি, কোন ভয় কাজ করে না। এখনো নামাজে দাড়ালে পাশেই অতিরিক্ত জায়নামাজ দুইটা মেঝেতে বিছিয়ে রাখি…..

ধন্যবাদ…….

 #ধোয়া  #শেষ পর্বলেখকঃ মো রাকিব©️Copyright Prohibited 🚫 দাদির এই কথা শুনে আমি হতভম্ব, কি কও দাদি? আমার লাগবে না তোমার ওস...
12/11/2023

#ধোয়া
#শেষ পর্ব
লেখকঃ মো রাকিব
©️Copyright Prohibited 🚫

দাদির এই কথা শুনে আমি হতভম্ব, কি কও দাদি? আমার লাগবে না তোমার ওসব জিন, জিনের বাদশা তুমি তোমার সাথে নিয়া যাইও আমার বাবু ঘরে ও ভয় পাবে। দাদি একটু হেসে গম্ভীর গলায় বললো যদি পারতাম তবে আমার সাথেই নিয়ে যেতাম। তখন দাদির এই কথার অর্থ বুঝিনি।
আবার শুরু হলো আমার শশুরবাড়িতে আমার সাথে ঘটা সব অদ্ভুদ কার্যকলাম। দাদি ভীষণ অসুস্থ ওনার বাতের ব্যাথা ছিল। আমি রাতে বাবু কে ঘুম পাড়িয়ে বাবুর বাবার ঘরে ফেরার অপেক্ষা করছিলাম আর দাদির পা টিপছিলাম, পা টিপার একটা মুহূর্তে আমার নজর দাদির পানি খাওয়ার গ্লাসের দিকে গেল, গ্লাসটা নড়লো না?

এদিকে দাদি চোখ বন্ধ করে গুনগুন করে তেলাওয়াত করছিলেন, আমি দাদি কে বললাম দাদি পানির গ্লাসটা নড়ছে। দাদি কিছুই বলল না। তারই কিছুক্ষন পর কি দেখলাম, দাদির সাদা শাড়ির একটা আচঁল শূন্যে একটু একটু করে উঠছিল, আমি এক লাফে দাদিগো বলে ওনার মাথার সামনে গিয়ে বসে যাই। দাদি দাদি দেখো তোমার শাড়ি শূন্যে ভাসতেছে। দাদি শুধু মাথাটা ঘুরিয়ে একটু তাকালো আর বলল এই আচঁল ছাড়, আর মুহূর্তেই শাড়িটার আচঁল শূন্যে থেকে নিচে পড়ে গেল।

আমিতো ভয়ে চিলা-চিল্লি শুরু করে দিয়েছি। দাদি বলে এক বাচ্চার মা হইছস এহনো এত লাফাস ক্যান? আমি বললাম যাও দাদি এসব কি ? তুমি তো জানো আমি এগুলা কতটা ভয় পাই। দাদি আমার দিকে তাকিয়ে বলে আমি বাড়িতে গেলে আমার সাথে চলে যাবে চিন্তা করিস না। আমি ঠিক আছি তুই আমাকে বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা কর। কিন্তু আমার দাদি কখনোও থাকে না আমার কাছে। আর এখন তিনি বেশ অসুস্থ তাই আমি একটু ভয় পেলেও সেটাকে নিজের মত করে বুঝ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে একটা ভাল ব্যাপার হচ্ছে দাদির পর আমিই একমাত্র যে ওদের কার্যকলাপ অনুভব করতে পারতাম।

আমি প্রতিদিন রাতে দাদিকে বিছানা ছেড়ে নিচে জায়নামাজ বিছিয়ে বসিয়ে দিতাম তিনি নামাজ পড়তো রাত জেগে।
এক রাতের কথা, তখন আমি দাদিকে নামাজে বসিয়ে বাবুকে ঘুম পাড়াতে যাই, বাবু ঘুমিয়ে পড়লে ওর শরীরের উপর কাথা দেওয়ার জন্য কোন কাথা খুজে না পেয়ে আমি ঘরের অন্য একটা কক্ষে যাওয়ার জন্য যখন রুম থেকে বের হবো ঠিক দরজার ছোট্ট স্থান দিয়ে স্পষ্ট দেখতে পাই দাদি যে স্থানটায় নামাজ পড়ছে তার ঠিক পেছনের সাড়িতে দাদিকে অনুসরন করছে কতগুলো ছায়া, দাদির সাথে নামাজ পড়ছে, এ দেখে আমি এক লাফে বিছানায়।

আমার স্বামীকে উঠিয়ে বলি দেখো দাদির সাথে সাথে কে যেন নামাজ পড়তেছে। সে কোন গুরত্বই দিল না। একটু পর দাদি আমাকে মনি মনি করে পরপর দুইবার ডাক দেয়। আমি জি দাদি বলে একটু মনে ভয় নিয়ে তার সামনে যাই। এরপর দাদি বলে ওই রুমের আলোটা নিভিয়ে দে, আমি বললাম কেন দাদি? তখন তিনি বলে ওদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমি আর কথা বাড়ালাম না, গিয়ে আলোটা বন্ধ করে দিলেই দাদি বলে যা গিয়ে ঘুমিয়ে পড়।

জীবনে প্রথমবার নিজ চোখে এমন কিছু দেখেছি ভেবে পাচ্ছিলাম কি ভাষায় প্রকাশ করবো, আমার এসব ব্যাপার গুলো কারো সাথে যে ভাগ করবো সে অবস্থাও নেই যে যার মত করে ব্যস্ত, শাশুড়িতো নেই শশুর, জামাই থাকে নিজেদের কাজে ব্যস্থ, বাবু কে নিয়েই আমার বেশিরভাগ একা থাকা।
এভাবে সময় চলে গেল ১০-১২ দিন , একদিন দাদি আমাকে ডেকে বলে মনি শোন, আমি তার সামনে গেলে আমার হাত ধরে বলে, তোর মা মারা যাওয়ার পর থেকে তোকে একটা মুহূর্তের জন্যও আমি একা রাখিনি, তোর কষ্ট আমি বুঝি, আমি যদি না থাকি, আর এরা যদি তোকে বেশি জ্বালাতন করে তবে তুই নামাজে ওদের কে ডাকিস কথা বলিস, ওরা সব শুনতে পায়। আমি বলি ততক্ষনে আমি যে কতবার অজ্ঞান হবো ঠিক নাই।

ঠিক তারই কয়েকটা দিন পর দাদিও আমাকে ছেড়ে চলে যায়, কি আজব দুনিয়া, যার প্রয়োজন নেই তাকে অঠেল দিয়ে যায় আর যে একটু আদর, স্নেহ পাওয়ার জন্য কাতর হয়ে যায় তার শেষ সম্বলটুকুও কেড়ে নেয়। দাদির শেষ কথা আমার মনে গেথে যায়, আমি নামাজ পড়তাম, রাত জেগে অনেক অনেক নামাজ পড়তাম, কান্নার জন্য সুরাও পড়তে কষ্ট হতো বাবুর বাবা মাঝে মাঝে আমার পাশে পানির মগ আর একটা গ্লাস রেখে যেত, অনেক কান্না করতাম নামাজে, তাহাজ্জুতের নামাজ পড়া হতো বেশি।

আমার আর স্নেহ করার মত কেউই রইলো না। বাবাতো তার ২য় পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকে….. মানিয়ে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল…. দেখতে দেখতে দাদি যাওয়ার ১ সপ্তাহ…..

হঠাৎ মনে পড়লো, আচ্ছা ওরা কই? দাদি মারা যাওয়ার পর থেকে ওদের কোন কার্যকলাপ চোখে পড়ছে না। ওরা যে যে স্থানে বেশির ভাগ সময় থাকতো সে সে স্থানে আমি সালাম দিতাম, খুজতাম, অনেক ভয় লাগতো, শরীর কাপতো, শরীরের লোম দাড়িয়ে যেত, তাও আল্লাহর নাম নিয়ে সাহস করে খুজতাম। কিন্তু কোথাও তাদের থাকার আভাস পেলাম না এখনো।
আজ কেন জানি ওদের জন্যও খারাপ লাগছে, কিন্তু ওদের জন্য কেন খারাপ লাগছে? জামাই বলতেছে তুমি যেভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েছো, বাবুর খেয়াল কে রাখবে, আর কাল রাতে তুমি দাদির রুমে গেলে কেন? বেশ কিছুদিন ওইরুমে যাওয়া ঠিক হবে না?
আমি বললাম আমি কাউকে খুজতে গিয়েছিলাম। সে আর কথা বাড়ালো না।

আমার একদম কাজে মন বসে না, খেতেও ইচ্ছে করে না। বাবু খেলাদুলা করে বেশ। ও নতুন নতুন কথা শিখেছে আমার সাথে খুব কথা বলতে চায় খেলতে চায় কিন্তু আমার মনের যে কি হলো শুধু দাদির ঘরের দিকে তাকিয়ে কান্না করি। বাবু এসে চোখ মুছে দেয়।

এভাবে চলে গেল এক মাসের মত, একটানা নামাজে থাকতাম, অনেক বেশি দোয়া করতাম, দুই একবার নামাজ পড়ে সাহস নিয়ে ওদেরও ডাকতাম, আর একটু পর পর পেছনে তাকাতাম এই আসলো বুঝি, আমার পিছনে দাড়িয়ে নামাজ পড়ছে মনে হলো। পিছনে তাকাতাম একটু পরপর, কিন্তু কেউ নেই। এই ভেবে আর বেশি কান্না পায় যে, গেলে তো সবাই একসাথে আমাকে রেখে চলে গেলে…

বাবুর হঠাৎ করে জ্বর আসছে, এ সব আমার দোষে, দাদির শোকে এতটা ভেঙ্গে পড়েছি যে আমার ছেলেটার প্রতি কোন যত্নই নেইনি। ওর বাবা অনেক কথা শুনাইছে, সব মিলিয়ে সবকিছু এলোমেলো লাগছিল। বাবুকে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খাইয়ে ওকে নিয়ে শুয়ে পড়েছিলাম, ওর বাবার জন্য অন্যান্যদিন অপেক্ষা করতাম, কিন্তু আজকে ক্লান্ত লাগছিল ভীষণ।

বিছানায় বাবুর পাশে একটু বিশ্রামের জন্য শোয়ার কিছুক্ষনের ভেতর চোখ বন্ধ হয়ে আসে। আমি দেখি চারিদিকে ধৌয়া উড়ছে, দাদি দাড়িয়ে ঠিক তার সাদা শাড়িটা পরে, মনি মনি বলে ডাকছে, সে ভাল আছে, বাবুর যত্ন নিতে বলেছে। তার জন্য চিন্তা করতে নিষেধ করেছে।

স্বপ্নের ভেতরেই কাঁদছিলাম, হঠাৎ চোখ খুললাম আমার বাবুর বাবার দরজা ভাঙ্গার শব্দ, দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম। তিনি বেশ রাগান্বিত কন্ঠে বললেন ২০ মিঃ দাড়িয়ে কি করছোটা কি? ২০ মি?
শোয়ার সাথে সাথে চোখে ঘুম লেগেছিল। দাদিকে দেখেছি স্বপ্নে। কিছুটা খারাপ লাগছিল, ভালোও লাগছিল। নামাজে দাড়ালাম। মন থেকে অনেক দোয়া করলাম।

পরদিন সকালে বাবু কিছুটা ভালো অনুভব করছে, সেটা তার সারা ঘরে দৌড়াদৌড়িই বলে দিচ্ছিল। আমি সকল কাজ সেরে বাবুর শরীর মুছে দিয়ে ওর বাবার অপেক্ষা করছি। সে আসলে তাকে দুপুরের খাবার দিয়ে বাবু কে তার কাছে রেখে গোসলে যাবো।
বাবুর বাবা আসলো তাকে বললাম তুমি গোসল করে আসো আমি খাবার দিচ্ছি। সে বাবু কে নিয়ে গেল। আমি এদিকে থালা বাসন গুলো ধুয়ে নিয়ে ঘরে আসছিলাম।
রান্না ঘরে হাড়ি পড়ার বিকট শব্দ….. বিড়াল ভেবে দ্রুত ছুটে গেলাম, বিড়ালই ছিল।
খাবারের জন্য তাদের ডাকলাম। বাবুর বাবা এসে বলে তোমাকে রান্না ঘরে দেখলাম কত আগে আর ডাকতেছো মাত্র। আমি বললাম কই আমি তো মাত্র আসছি….

যাই হোক তারপর তারা সবাই খেয়ে নিল । আমিও খেয়ে ওনাকে বিদায় দিয়ে দরজার ছিটকানিটা দিয়ে একটু ঘুমাই,
কখন যে বাবু উঠে চলে গেল জানা নাই। তবে সে যে কত কথা বলছে, কার সাথে বলছে কে আছে তার সাথে? কার সাথে খেলছে এই সবই ভাবছিলাম অর্ধ্ব ঘুমের মাঝে আর ডাকছিলাম বাবুকে…

আম্নুর কাছে আসো, তুমি কি করো একা একা ? কার সাথে কথা বলো? কোন জবাব নাই তার। একটা সময় ঘুমিয়ে যাই। হঠাৎ চোখ খুলে বিছানায় তাকাই, উঠে বসি আর ডাক দেই বাবু বাবু বলে। ঘরের অন্য কক্ষে গিয়ে দেখি সে খেলতে খেলতে মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু এই ছেলেতো একা কখনোই খেলবে না…. আজকে কেমনে ???

রাতে নামাজ পড়ার প্রস্তুতি সাড়লাম, আজ কি মনে করে ইচ্ছে হলো আরেকটা জায়নামাজ বিছিয়ে দেই, দিলামও তবে দাদি যখন ছিল সেটা সম্পূর্ন বিছানো থাকতো। আমি জায়নামাজ টা না বিছিয়ে শুধু আমার পাশে রাখি। তারপর নামাজ পড়ছিলাম। শেষ করে পিছনে তাকানোর পর কলিজা কেপে উঠে। ভাজ করে রাখা জায়নামাজটা দেখি বিছানো…… আশপাশে কেউ নেই……তাহলে বিছালো কে? কেউ কি নামাজ পড়ছে এটাতে???

আরেকটা পর্ব আসবে…..

 #ধোয়া২য় পর্বলেখকঃ মো রাকিব©️Copyright Prohibited 🚫 দাদি বলে ভয় পাস না, আমিই দরজা ধাক্কা দিয়েছি, কিন্তু কি করে সম্ভব? এত...
11/11/2023

#ধোয়া
২য় পর্ব
লেখকঃ মো রাকিব
©️Copyright Prohibited 🚫

দাদি বলে ভয় পাস না, আমিই দরজা ধাক্কা দিয়েছি, কিন্তু কি করে সম্ভব? এত দুর থেকে দরজা খুলা কোনভাবেই সম্ভব না। আর এমন বিকট শব্দে আওয়াজ? অটা কোনভাবেই দাদি করেনি, দাদিকে তখন ঘরের বাহিরে এভাবে দাড়িয়ে থাকতে দেখে আমি অনেক বেশি ভয় পেয়ে যাই, আমি দাদিকে ওই পরিস্থিতিতে দেখে আর এক মুহূর্তও দাড়াইনি। সোজা বিছানায় গিয়ে কাথা মুড়িয়ে শুয়ে পড়ি। এতটা ভয় পেয়েছিলাম যা বলে বুঝানো যাবে না। এরপর রাতে দাদি ঘরে এসে বলে তোরে বারবার বলছি উঠে আমাকে না পেলে অপেক্ষা করবি আমি চলে আসবো। কাথার ভেতর থেকে আমি একটাই কথা বললাম, কথা বইলো না আমার সাথে”

তখন ভয়ে কান্না করছিলাম আর মায়ের কথাও মনে পড়ছিল। এরপর দাদি আমার শরীরে হাত রাখে, বলে শোন দাদি তোরে সবই বলি কিন্তু এটা বলতে পারছি না কারন আমি ওয়াদা করেছি, তবে যখন দাদি থাকবো না তখন তুই জানতে পারবি, গত কয়েকদিন যাবৎ আমার শরীরটা ভাল নাই, আমি নামাজ পড়তে পারছি না ঠিকমত। আমি চুপ করে শুনতে শুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম,মনেও নেই…

আসলে তখন এতকিছু না বুঝলেও এখন বুঝি। দাদি কেন কোথাও রাত্রি যাপন করতেন না। খাবার কিছু তার রুমে সব সময় রেখে দিতেন, রাতে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেন। একবার একটা মজার ঘটনা ঘটেছিল, দাদির নিজ হাতে লাগানো অনেক গুলো ফলগাছ ছিল, সেগুলোর ফল খেতে গ্রামের ছেলেরা ভোর সকালে চলে আসতো। তবে একরাতে দাদির ডাব গাছে উঠে পড়ে এক চোর। বেচারা উঠে ফেসে গেছে, আর নামতে পারছে না। এরপর সে চেচামেচি শুরু করে কেঁদে কেঁদে চিৎকার করতে থাকে। তার চেচামেচিতে দাদি ঘর থেকে বের হয়ে যায়, দাদির পিছে পিছে আমি বাবা বের হই। দেখি বেচারা গাছে ঝুলে আছে, কি দেখেছে আল্লাহই জানেন। দাদি হাত দিয়ে ইশারা দেয় নিচে নামতে কিন্তু বেচারা যেন ভুত দেখেছে এমন ভাবে কাদছিল। পরে দাদি আমাকে বলে মনি এরে নামতে বলতো হতোচ্ছাড়াটা…. এরপর আমি আর বাবা তারে অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে গাছ থেকে নামাই। তারপর দাদি বলে এই এলাকার চোর ভুলেও আমার গাছে চুরি করবে না, তুই কন গ্রামের? পরে সে শিকার করে সে পাশের গ্রাম থেকে এসেছে, দিনমজুর সারাদিন কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে দাদির গাছে গাছে এত এত ফল যেন গাছ ভেঙ্গে পড়বে, এসব দেখে তার বেশ লোভ লাগে…. কথা বলার মাঝে এক গ্লাস পানি চায়, আমি পানি এনে দেই…. পরে বাবা জিজ্ঞেস কর্ তুই নিজের ইচ্ছায় উঠেছিস তাহলে নামতে এমন ভয় পেলি কেন? তখন সে বলে আরে আমি তো নামতেই চাই, কিন্তু আমারেতো নামতেই দেয় না, এত লম্বা লম্বা তাল গাছের মত আইসা আমারে ঘিরে ধরছে…. বাবা ও আমি বুঝে যাই এটা দাদিরই কিছু হবে।
এরপর দাদি তাকে চলে যেতে বলে যাওয়ার সময় তার হাতে বেশ কিছু ফল দিয়ে দেয় আর কখনো যেন এমন না করে তাও তিনি বলে দেন। এমনি ছিল আমার দাদি….
এমনকি আমার অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়, বাবা আমারে যে ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চেয়েছিল দাদি সেই ছেলেকে পছন্দ করেনি তিনি বলে আমি ওর জন্য ছেলে দেখবো, পরে দাদি তার পছন্দের ছেলের সাথে বিয়ে দেয়, এমনকি আমার মনে হয় এই ছেলে পছন্দের পেছনেও দাদির সাথে থাকে জিনের হাত ছিল, কারন দাদির কথার সাথে ছেলের বাড়ির সব কিছুর সাথে মিলে গিয়েছিল। আমি তেমন অবাক হয়নি কারন ছোটবেলা থেকে এসব দেখে আসছি। আমার বিয়ের ১ বছরের মাথায় যখন আমার বাবু পেটে আসে তখন পুরা ৭ মাস আমি দাদির কাছেই ছিলাম , আমার এক মুহূর্তের জন্যও ভয় লাগেনি। নিশ্চই আল্লাহর অশেষ রহমত ছিল আর দাদি এ ওনার রহস্যে ঘেরা যে কার্যকলাপ এই সবই একটা উছিলা মাত্র। আমার পরিবার প্রচন্ড ধার্মিক। এ জন্য আমাদের পরিবারে আল্লাহর বিশেষ রহমতও ছিল বেশ।

তবে আমি আমার শশুর বাড়িতে থাকা শুরু করার পর থেকে দাদি কে পূর্বের চেও অনেক বেশি অনুভব করি। তাই কিছুদিন পর পর খবর পাঠাতাম আমার শশুরবাড়ি এসে ঘুরে যেতে। দাদি কখনো আসতো না। সব সময় আমাকেই আসতে বলতো।

আমার বাবুর ১ বছর ৩ মাসের মাথায় বসন্ত হলে হঠাৎ দাদি ঘরে এসে হাজির, ওনাকে খবর পাঠানোর কথা চলছিল কি তার মাঝে তিনি ঘরে এসে হাজির, আমি তো চোখের কান্না ধরে রাখতে পারিনি। বেশ অনেকক্ষন দাদিকে জড়িয়ে ধরে কান্না করি, আমার মনে হলো যেন আমার মা কে জড়িয়ে ধরেছি। এরপর দাদি বলে আমার নাতির বসন্ত হইছে আমি খোজ পাইয়া চলে আসছি, তখন আমি বলি কিন্তু তোমাকে খবর জানাইলো কে? তোমার ওইগুলা না? দাদি কথা বলে না। আমার হাতে কিছু জিনিস দিয়ে বলে নে এগুলা ছেলেরে ঠিকমত দিবি ঠিক হয়ে যাবে শীঘ্রই… দাদি বলে আমি বিকেল গড়ানোর আগেই রউনা দিবো। এত চেষ্টা করলাম পারলাম না রাখতে।
যাওয়ার সময় শুধু বলে যায় শোন আমি সব সময় তোর সাথে আছি…. বাবু কে এগুলো ব্যবহার করার কিছু দিনের ভেতর আলহামদুলিল্লাহ বাবু সুস্থ হতে থাকে। বসন্ত বেশ কিছুদিন থাকলেও বাবুর কষ্ট হয়েছে কম।

দাদি মারা যাওয়ার ১০-১৫ দিন আগে বাবা আসে আমার শশুরবাড়িতে অনেক গুলো বাজার নিয়ে তারপর বলে মনি তুই পারলে একটু বাড়িতে আসিস, তোর দাদির কি হয়েছে জানি না, কথা বলে না ঠিক মত খায় না। চুপচাপ থাকে। আমি আর এক মুহূর্ত দেরি করিনি বাবা কে নিয়ে চলে যাই আমার স্বামীও আমার সাথে আসে। তারপর দাদির কাছে যাই নিজ হাতে দাদিকে খাইয়ে দিয়েছি। আমার মনে হয় দাদি জানতো দাদির হাতে বেশি সময় নেই। আমার দিকে একদৃষ্টিতে অপলোক চোখে চেয়ে থাকতো। আমি বলতাম কি দাদি এমনে চেয়ে আছো কেন?
কিছু বলতো না মুচকি হাসতো….
এরপর আমি আমার জামাই মিলে এক প্রকার জোড় পূর্বক দাদিকে আমার বাসায় নিয়ে আসি, ওই ১৫ দিন আমার জীবনের সেরা দিন ছিল। আমার দাদিকে আমি নিজ হাতে সেবা করার সুযোগ পেয়েছিলাম, এমনকি বাবুও দাদির বেশ সেবা করতো সারাক্ষন তার সাথেই থাকতো।

দাদিকে আমি যেদিন আমার ঘরে নিয়ে আসি, সেদিনই দাদি আমার কাছে বলতে বাধ্য হয়, অনেক দূর্বল ছিল। আস্তে আস্তে বলছিল আমি কান এগিয়ে দেই।

তখন দাদি বলে আমার সাথে জিনের কয়েকটা পরিবার থাকে ওরা আমার সাথে নামাজ পড়ে, আমার কোরআন তেলাওয়াত শুনতে পাশে বসে। আমার সাথে খায় আমার সাথে ঘুমায়। আমি যেদিকে যাই আমার সাথে সব ছুটে। তাই তোর এদিকে আসতে চাই না। ওই যে এখন তোর ঘরে সবগুলা এসে হাজির…. আমি বলি কই দাদি? দাদি বলে ওই যে একটা তোর আলমিরার উপর বসে, আরেকটা তোর রান্না ঘরে খাবার খুজে দুইটা আমার পাশে বসে…….আমি মানে… মানে কি বলবো… এরপর এরা যে আমার ঘাড়ে উড়ে এসে বসবে কে জানতো? দাদি বললো এবার সামলা…..

শেষ পর্ব কাল…..

 #সত্য ঘটনা #ধোয়ালেখকঃ মো রাকিব©️Copyright Prohibited 🚫 ২০১৭ সালে একজন অপরিচিত আপু একটা লম্বা ম্যাসেজ লিখে পাঠান আমাকে, ...
10/11/2023

#সত্য ঘটনা
#ধোয়া
লেখকঃ মো রাকিব
©️Copyright Prohibited 🚫

২০১৭ সালে একজন অপরিচিত আপু একটা লম্বা ম্যাসেজ লিখে পাঠান আমাকে, তিনি তার ম্যাসেজের শুরুটা করেন ঠিক এভাবে..

_ ভাইয়া আপনিতো সত্য ঘটনা লেখেন, কাউকে জিনে ধরেছে তারপর তার সমাধান কিভাবে হয়েছে তাও বিস্তারিত আপনার লেখায় তুলে ধরেন, কিন্তু যার ঘরেই জিনের বসবাস, সারা ঘর ছুটে বেড়ায়, তার জন্য কি কোন সমাধান আছে? এখন পর্যন্ত অনেক হুজুর কবিরাজ দেখিয়েও ব্যর্থ। তাদের একটাই কথা যেহেতু তোমাদের কোন ক্ষতি করছে না তবে তোমরা তাদের কোন ক্ষতি করতে যাবা কেন? তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দাও।

জিনের থাকা না থাকা কোন সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে ওই আপুটার এক ছেলে সন্তান আছে…. তার ধারাভাস্য মতে তার দাদি মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি মাঝে মাঝেই তার ঘরে এমন কিছুর অস্তিত্ব দেখতে পান যেটা অন্যকেউ দেখতে পায় না। মানে তিনি জিনের অস্বিত্ব দেখতে পান, এমনকি তিনি বলেন তিনি তাদের তারই ঘরে একরুম থেকে আরেকরুমে যাওয়া আসা, চলা ফেরা এবং সবচেয়ে ভীতিকর তার বাচ্চা যখন ঘুমায় তখন জিন তাকিয়ে থাকে বাচ্চার দিকে এসবই তিনি তার সচোক্ষে দেখতে পান। আর এটাই তাকে প্রতিনিয়ত ভীত করছে, তার চিন্তা শুধু একটাই। যদি তার বাচ্চার কোন ক্ষতি করে? যদিও হুজুর/ কবিরাজের কথা অনেকাংশে মিলে, তারা দু”পক্ষই বলেন বাচ্চা বা তোমার পরিবার কারো কোন ক্ষতি হবে না। ওটা জিনের একটা ভাল পরিবার ।

আপুটা তার পরিবারের সদস্যদের অনেকবার আঙ্গুল বা চোখ দিয়ে ইশারা করলেও তারা বলেন তারা কিছুই দেখতে পান না। ঘটনাটার সত্যতা যাচাই করতে পারিনি আমি তবে তিনি তার বাচ্চাকে উদ্দেশ্য করে বলছেন আমার নিশ্পাপ বাচ্চা কে ছুয়ে বললাম আমার ঘরে অনেক জিনের বসবাস, তবে এরা আমাদের কারোই ক্ষতি করে না।
ঘটনাটির সূত্রপাত আমার দাদির মৃত্যুর পর থেকে। দাদি মারা যাওয়ার ১৫ দিন আগে আমি আমার দাদি কে আমার শশুর বাড়িতে নিয়ে আসি। মূলত আমি ছোট থাকতেই আমার মা মারা যায় পড়ে নানি ও দাদিই আমাকে মানুষ করেছে, বাবা নানু বাড়ি বেশি যেতে দিত না তাই দাদির কাছেই থাকা বতো বেশি।
বড় হওয়ার পরও দাদি তার সাথেই বিয়ের আগ পর্যন্ত আমাকে রেখেছে, দাদি মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে অনেক চেষ্টা করে দাদিকে আমি আমার সাথে এনে রাখি। তবে দাদি আসতে চাইতো না এমনকি দাদি কখনো আমি দেখিনি কারো বাড়িতে রাতে থাকতে, দিনে যেত দিনে চলে আসতো। আমিও যখনি বলতাম দাদি আমার এত বড় বাড়ি তুমি কয়েকটা দিন আমার সাথে থেকে যেতে তো পারো, তখন আমার বাবু পেটে ছিল, নানু এসে কয়েকবার সময় দিয়ে গেলেও দাদি কখনোই আসত না। যখনই অনুরোধ করতাম, দাদি একটা কথাই বলতো আসলেও রাতে থাকা যাবে না সমস্যা আছে। তুই আয়……

ছোটবেলা থেকে দাদি পর্দা করতেন, বের হতেন কম, অপরিচিত কাউকে মুখ দেখাতেন না। আমাকেও কোথাও নিয়ে গেলে সম্পূর্ন বোরকায় আবৃত করে নিয়ে যেতেন। তখন বুঝতাম না এমন করার কারনটা কি। কিন্তু দাদি যাওয়ার পর এখন বুঝতে পারছি দাদি কেন এমন করতো।

আমার বাবার বাড়িটার ঠিক উপরেই বিশাল একটা কাঠ বাদামের গাছ। অনেক বছর পুরোনো গাছটা, এখনো আছে। আমি ছোট থাকতে অনেক কাঠ বাদাম কুড়াতাম। তবে দাদি ওই গাছটার নিচে বেশিক্ষন থাকতে দিতেন না। এমনকি অন্য বাড়ির বাচ্চারা আসলেও তিনি ঘর থেকে বাদাম এনে তাদের হাতে দিতেন কিন্তু গাছের নিচে যেতে দিতেন না। একদিন অনেক চেষ্টা করি দাদির মুখ থেকে জানার যে রহস্যটা কি? তবে তিনি কিছুই বলতেন না। এরপর বাবাকে জিজ্ঞেস করলে বলে মুরুব্বী মানুষ ওনারে বেশি বিরক্ত না করতে। বয়স হলে ওনারা একটু এমন হয়ে যায়। দাদি রাতবিরাত জেগে নামাজ পড়তেন, আরবি তে অনবরত কথা বলে যেতেন, তিনি কি কুরআন তেলাওয়াত করতেন নাকি কথা বলতেন তা তখন বুঝতাম না। তবে একদিন ভীষণ ভয় পাই যখন আমি দাদির রুমে গিয়ে দেখি দাদি দাড়িয়ে ঘাড় উচা করে উপরে তাকিয়ে কাউকে উদ্দেশ্য করে কথা বলছেন। মনে হয় যেন দাদির থেকেও লম্বা কোন মানুষের সাথে তিনি কথা বলছেন। অথচ সেখানে কেউ নেই।

তখন আমি দাদি বলে ডাক দিলে দাদি চোখ রাঙ্গিয়ে বলে তর ঘরে যা…. আমি দৌড় দেই…..
তিনি স্বাভাবিক ছিলেন না…. তার ঘরের ভেতরের বিছানার সাথে একটা ছোট্ট টেবিল থাকে ওইটার উপর দাদির ওষুধ, খায়াস পানি থাকে। তবে দাদি এগুলো ছাড়াও প্রতিদিন একটা থালায় অনেক খাবার নিয়ে জানালা বরাবর রেখে জানালাটা খুলে দিতেন। এই খাবার বিকাল, সন্ধা, রাত পর্যন্তও সেখানে থাকতো। দাদীর নিষেধ কেউ এই থালা এখান থেকে সড়িয়ে নিবে না। আমি কিছুটা ভিতু ছিলাম তখন তাই দাদিকে এসব সম্পর্কে প্রথমে অনেক জিজ্ঞাসা করলেও পরে দাদির কিছু অদ্ভুদ আচরনের জন্য আমি আর চুপচাপ থাকতাম।
এক রাতে হঠাৎ আমার চোখ খুলে যায় আর আমি উঠে দেখি দাদি নেই, কয়েকবার ডাকার পরও কোন সারাশব্দ নেই। একটু ভয়ে পেয়ে বাবা কে ডাক দেই বাবা কোন সংকেত না দিলে আমি উঠে গিয়ে দাদি দাদি বলে ডাকতে থাকি, ঠিক তখনই আমাদের প্রধান দরজাটার উপর যেন কিছু একটা আছড়ে পড়েছে, আমার মনে হয়েছে দরজার উপর বিশাল কোন পাথর কেউ উপর থেকে ছুড়ে মেরেছে, আমি চিৎকার দিয়ে চোখ বন্ধ তরে ফেলি, যখন চোখ খুলি তখন দেখি দাদি আমার থেকে কম করে হলেও ত্রিশ হাত দুরে থেকে তিনি বলছেন……….
২য় পর্ব কাল……

 #সত্য ঘটনা #ধোয়াআজ রাত ১০ঃ৩০ মিনিটে…..
10/11/2023

#সত্য ঘটনা
#ধোয়া
আজ রাত ১০ঃ৩০ মিনিটে…..

 #বুড়ি #সত্য ঘটনাশেষ পর্বলেখকঃ মো রাকিব©️Copyright Prohibited 🚫 ওই রাতেই বানুর একটা ক্ষতি করতো কিন্তু পারে নাই, বানুর স...
06/11/2023

#বুড়ি
#সত্য ঘটনা
শেষ পর্ব
লেখকঃ মো রাকিব
©️Copyright Prohibited 🚫

ওই রাতেই বানুর একটা ক্ষতি করতো কিন্তু পারে নাই, বানুর সন্তানেরা ঘরে ওকে দেখতে না পেয়ে মা মা বলে খুজতে থাকে। এরপর দাদি কিছুটা ভয় পেয়ে যায়, তখন ওই মহিলা কবিরাজ বলে এখন ভয় পাস কেন? তখনত ঠিকই বের হইছিলি, তোর অনেক সাহস তুই যখন তখন যেখানে সেখানে চলে যাস।
জেঠিমা যখন বুঝতে পারলেন কবিরাজ বেশ ক্ষীপ্ত দাদির উপর তখন জেঠিমা দাদি কে বকা দিয়ে বলে তুই বাইরে গিয়া বস আমি আসতেছি।

তারপর জেঠিমা বলে বুইজা এটার একটা সমাধান দেন, দুধের বাচ্চা, তখন কবিরাজ বলে বাচ্চার শরীরে দুইটা কবজ বেধে দিবে আর এই বাচ্চা বড় হলেও ওর উপর একটা প্রভাব থাকবে তাই সন্ধা ওর জন্য খারাপ, আব্দুল বড় হলেও যেন বেশি রাত করে ঘরের বাহিরে না থাকে।

তার কিছুদিন পর এক রাতে আব্দুলের বাবা স্বপ্নে দেখেন ভয়ানক আকৃতির একটা অজগর সাপ তার ঘরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে আর এটা তার সন্তানদের দিকে ছুটে যাচ্ছে, আব্দুলের বাবা ঘুমের মাঝেই বলতে থাকে হায় হায় আমার সন্তানগুলারে গিল্লা (গিলে ফেলা) ফেলবো আব্দুলের মা উঠো উঠো সাপ সাপ… বলে চিৎকার দিতে থাকেন…. মুহূর্তেই তার চোখ খুলে যায় আর তিনি ঘেমে পুরা অস্থির তিনি উঠেই দেখেন বানু দাদি তার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে তিনি বলেন কি হয়েছে এমনে সাপ সাপ কইরা চিল্লাইতাছো? তখন দাদা বলে আমার জীবনে এত বড় এত মোডা সাপ আমি কহনো দেহি নাই। এডা আমার পোলা মাইয়ার দিকে যাইতেছিল আমি লাডঠি নিয়া দৌড়ানি দিসি। এরপর দাদি তাকে শান্ত করে ঘুমিয়ে যেতে বলেন। ওই মূহূর্তে দাদি কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়েন।
ঠিক তার পরদিন দাদিও সপ্ন দেখেন তবে তিনি ভিন্ন রকম সপ্ন দেখেন তিনি দেখেন তার সব সন্তান ঘরের বাহিরে জঙ্গলের মাঝে দাড়িয়ে দাদির দিকে তাকিয়ে আছে। দাদু অনেক চিৎকার করে বলছে তোরা এত রাইতে জঙ্গলে কি করতে যাস? কিন্তু তার সন্তানেরা কেউ কিছুই শুনছিল না, তারা একটু একটু করে জঙ্গলে হারিয়ে গেল।
দাদি হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে উঠে তার সন্তানদের খুজতে থাকে তারপর তাদের বুকে জড়িয়ে ভীষণ কান্না করে।
ঠিক পরদিনই তিনি বোরকা পড়ে জেঠিমার বাড়িতে যান, গিয়ে দেখেন জেঠিমা নেই পড়ে তিনি নিজে একাই ওই কবিরাজের নিকট যান এবং এসব সমস্যার কথা কবিরাজ কে খুলে বলেন। তখনই কবিরাজ তার জিনের সাহায্যে দাদি ও তার পরিবার কে উত্যক্ত করা মহিলা জিনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। কবিরাজ অনেক চেষ্টার পর তার সাথে থাকা জিন জানায় ওকেত মহিলা জিন/পরী প্রচন্ড বিরক্ত এবং সে আসতে চাচ্ছে না। পরে দাদি বলে তুই চলে যা আমি দেখতেছি ব্যাপারটা। পরে দাদি আবারো অনুরোধ করে তার সন্তানদের যেন কোন ক্ষতি না করে।
সেদিন সন্ধা নাগাদ মহিলা কবিরাজ বানু দাদির ঘরে এসে হাজির। দাদি তাকে দেখে অবাক হলেন, দাদি জানেন যে এই কবিরাজ কারো ঘরেই যান না কিন্তু তার ঘরে আসছে, দাদি ভীষণ খুশি এবং কবিরাজ কে বসতে দেন। কিন্তু তিনি বলেন নি। এসেই তাদের চুপ থাকতে বলেন এরপর তিনি পুরা ঘর চোখ ঘুরিয়ে এক পলক দেখেন আর চোখ বুঝে ফেলেন। ১৫-২০ সেকেন্ড তার চোখ বন্ধ থাকা অবস্থায় তিনি তার সামনে মহিলা জিন/পরী টাকে দেখতে পান এক ঝলক আর আকস্মিক ভয় পেলে মানুষ যেমন লাফ মেরে উঠে ঠিক তেমনি করেছিলেন। তিনি আবার চোখ বন্ধ করেন তারপর দুই কদম পেছনে যান আবার। চোখ খুলে দাদিদের ঘরের চালায় তাকান দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে ঘরের চালে তাকিয়ে সেই মহিলা জিন/পরী কে ঘরের চালের উপর দাড়িয়ে থাকতে দেখেন। দাদিকে বলেন তোদের ঘরের চালের উপর ওইটা কে? দাদি তাকান কেউই নেই….. শুধু তাই নয় এই কবিরাজ এতটা দূর্দান্ত, তিনি বানু দাদির পুরা ঘর চক্কর কাটেন তারপর তার নজর হঠাৎ যায় বানু দাদিদের ঘরের সাথে ঘেষা বাগানটার দিকে ঠিক মুহূর্তেই তিনি বাগানের ভেতর চলে যান, এটা দেখে দাদির শরীরে কাটা দেয় দাদি আর সাহস করে বাহিরে দাড়াতে পারেনি তিনি ঘরে চলে যান।
কিছুক্ষন পর কবিরাজ ঘরের সামনে এসে দাদির নাম ধরে ডাকতে থাকেন। দাদি দরজার সামনে এসে বলে ঘরে আসেন বসেন। তখন কবিরাজ বলে না বসুম না সমস্যা আছে, এতক্ষন আমার জিনে আমারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাইছে ওর ঘর কই? ও থাকে কই? কোন দিক দিয়া আসে/যায়। তোদের ঘরে কোথায় কোথায় দাড়ায়। তোর ঘরের এই চালের উপর উইড়া আইসা বসে। আর তোর ঘরের ভেতর ঢুকে, থাকে ওই যে বাগানের ভেতরের গাব গাচ্র ডালে, ওইখান থেকেই তোদের উপর নজর রাখে। এখন নাই, আমার আসা টের পাইয়া ভাগছে। কাইল এক সময় কইরা আসবি, আমি কিছু জিনিস দিমু …. বলে তিনি চলে গেল…
পরদিন দাদি কবিরাজ থেকে কিছু জিনিস নিয়ে আসেন এবং সেগুলো বাগানে, ঘরের ভেতর, ঘরের দরজার সামনে ব্যবহার করেন। তবে দাদিকে সতর্ক করেন এগুলো দেওয়ার পর দাদি ও তার পরিবারের সকল সদস্য কিছুদিন সতর্ক থাকতে। কথিত জিন/পরী এগুলোর প্রভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ও যথার্থ ক্ষতি করার চেষ্টা করে।
দাদি এবং তার পরিবার সকল নিয়ম কানুন মেনে চলেন তবে ঘুরে ফিরে আবারো দাদির উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা,,, দাদি কাঠের লাকড়ি দিয়ে রান্নাঘরে রান্না করছিলেন, বলা নাই কওয়া নাই হুট করে আগুনের একটা ফুলকি দাদির মুখে পড়ে, দাদি নিজেকে রক্ষা করার সে সময়টুকু পান নি তার আগেই তার মুখ কিছুটা ঝলসে যায় পড়ে দাদি চিৎকার দিয়ে পাশে থাকা কলসির সব পানি তার শরীরে ঢেলে দেন। তার চিৎকারে দাদা এসে তাকে ঘরে নিয়ে যায়, আল্লাহর অশেষ রহমত তৎখনাৎ দাদি মুখ ঘুরিয়ে নেয় তাও দাদির মুখের কোনায় কিছুটা পুড়ে যায়। এরপর টানা কয়েকদিন দাদির খাওয়া দাওয়ায় ভীষণ কষ্ট হয়, মুখ ফুলে যায়।

বলা হয়েছে বেশি রাত যেন বাহিরে না থাকে কিন্তু দাদা সারাদিন চাষাবাদি করে ঘরে ফিরতে ফিরতে মাঝে মাঝে রাত হয়েই যায়, তো দাদা ঘরে এসে বলছে তিনি ঘরে আসার সময় নদীর ধারে কাকে যেন দাড়িয়ে থাকতে দেখেছে ভীষন দূর থেকে দেখেছে তারপর দাদা ডাকতে যেয়ে ডাকেনন, ডাকার আগেই তিনি ভয় পেয়ে লুঙ্গি বেধে দৌড় দেয়, কারন এত দূর থেকে যদি মানুষটাকে এত লম্বা দেখা যায় তাহলে না জানি সামনা সামনি কত লম্বা হবে। যখন দাদা বুঝলেন যে এটা কোন সাধারন মানুষ না তখনি দাদা একমুহূর্ত দেরি না করে দৌড় দেন।

দাদা কয়েকবার মসজিদের হুজুরের সাথেও আলাপ করেন, সমস্যা হচ্ছে ঘর থেকে মসজিদ অনেক দুর আর দ্বীতিয়ত হুজুর একজনই । গিয়ে সমাধান করা কিছুটা সময়সাপেক্ষ কিন্তু হুজুর তার সাধ্যমত সহযোগিতা দেন।
এদিকে কিছুদিন ধরে সেই মহিলা কবিরাজের কোন দেখা নেই। দাদি জেঠিমার বাড়িতে যান কোন এক কাজে পরে তার মুখ পুড়ে যাওয়া দাদার কিছু একটা দেখা এই সব বলে আফসোস করছেন আর তখন জেঠিমা বলে এগুলা যার সাথে হয় সেই জানে এর কষ্ট কি। তুই বুইজার কাছে আর যাস নাই ? তখন দাদি বলে ও আপনারে তো বলতে ভুলে গেছি এক রাইতে হঠাৎ আপনার ওই কবিরাজ আমাগো বাড়িতে আইসা হাজির, পুরা ঘর দেখলো, ওই জিন/পরী আমাগো লগেই থাকে নাকি হেয় বলছে।
জেঠিমা বলে তাইলে তো ভয়ানক অবস্থা কারন উনি কারে ঘরে যান না কখনো আর যদি কারো ঘরে একবার যায় তার মানে হলো তার পরিবারের সামনে অনেক বিপদ বা তারা অনেক বিপদে আছে……. ঠিকই তার কয়েক মাসের মাথায় জেঠিমা মারা যান। আর ২-১ বছরের মাঝে ভয়াবহ বন্যায় দাদি তার পরিবারের সবাইকে হারান, একমাত্র কোলে থাকে আব্দুলকে ছাড়া সবাইকে প্রলয়ংকারী বন্যা বাসিয়ে নিয়ে যায়……

এবার আসি গল্পের শুরুতে যেই পাগল বুড়ির কথা বললাম, মূলত ইনিই সেই মহিলা কবিরাজ যাকে জেঠিমা বুইজা বলে ডাকতেন, জেঠিমা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই কবিরাজের অনেক সেবা করতেন এবং দাদির যেকোন সমস্যা হলে দাদিকে এই কবিরাজের নিকট নিয়ে যেতেন এবং ভালো উপকার পেতেন। জেঠিমা মারা যাওয়ার পর থেকে বানু দাদি ওনার যতটা সম্ভব খোজ খবর নেন, প্রশ্ন হলো এই কবিরাজের এমন বেহাল দশা হলো কিভাবে আর কেনইবা তাকে গ্রামের মানুষ পাগল বলে ডাকে।

মূলত তিনি জিন পালতেন, তার নিকট একের অধিক জিনের যোগাযোগ ছিল, তিনি সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান একমাত্র এই জিনদের সাথে থাকার কারনে। গত পর্বে একটি বাচ্চা মরে যাওয়ার জন্য এই কবিরাজের উপর দোষ পড়েছিল বলেছিলাম, এই কবিরাজের সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকলেও লোকমুখে শোনা যায় তার সাথে থাকা দুষ্ট জিনের একটা অংশ বাচ্চাটাকে মেরেছে।

একটা সময় এই কবিরাজ ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যান, তবে তিনি যাওয়ার পূর্বে একমাত্র বানু দাদি ও আব্দুলকে দেখে যান এবং আব্দুলের জন্য দোয়া করে যান, আর বলে যান তোর ছেলের আমি যতদিন বাইচা আছি কোন ক্ষতি হবে না, এই বলে তিনি নদীর পাড়ের ওই গ্রাম ছেড়ে চলে যান।

আব্দুল যখন ৪-৫ বছর বয়সের ঠিক তখন এই কবিরাজ আরেকবার আসেন, বানু দাদি দেখেই তাকে চিনে ফেলেন তারে বসতে দেন খেতে দেন, জেঠিমা মারা গেছেন তার পরিবার শেষ, নদী সব শেষ করে দিয়ে গেল বলে অধর নয়নে কাঁদতে থাকেন তখন এক কথায় সেই পাগলী কবিরাজ বলেন আমি সবই জানি।

এরপর থেকে মাঝে মাঝেই পাগলী বুড়ি মানে কবিরাজ তিনি দাদির বাড়িতে আসতেন। আব্দুলের তো কিছু মনে নাই কিন্তু আব্দুল জানেও না যে সে যদি আজ সুস্থ থাকে তবে আল্লাহর রহমতেই…. কবিরাজ একটি উছিলা মাত্র….

বানু দাদি আজ অবদি আব্দুলকে বকা দেয় সন্ধার পূর্বে ঘরে না ফিরলে। তিনি কবিরাজের দেওয়া সেই পরামর্শ যে আব্দুল যত বড়ই হোক না কেন সে যেন বেশি রাত করে ঘরের বাহিরে না থাকে, সেটাই এখনো মেনে চলেন। আর কোন সন্তান তো বেচে নেই একটা মাত্রই সন্তান বানু দাদির। তাই তিনি বেশ চিন্তিত থাকেন সব সময়। এছাড়া আব্দুল ছোটবেলাও বেশ দুষ্ট ছিল আর এখনো এক ছেলের বাপ হয়েছে এখনো তার দুষ্টমি কমেনি।

এই কবিরাজের নিকট যেসকল জিনের আশা যাওয়া ছিল, তারমাঝে ভাল খারাপ দুইটাই বিদ্যামান ছিল। এদের অতিরিক্ত তপস্যা, ধ্যান করতে গিয়ে মূলত তিনি সব হারিয়ে আধাপাগল ভবঘুরের মত হয়ে গেছেন।

প্রশ্ন হলো এই কবিরাজ পাগলি বুড়ি যে কিনা গ্রাম ছেড়েছে তিনি কিভাবে জানতেন জেঠিমা মারা গেছে, তাছাড়া বন্যা হওয়ার আগেই তিনি তার ঘর ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান, তিনি কি জানতেন এমন একটা দুর্যোগ আসবে?

ধন্যবাদ….

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TraveNoa7 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TraveNoa7:

Share