01/10/2025
আন্দোলন এবং জমঈতের কামড়াকামড়ি আর পছন্দ হচ্ছে না তাই একটা সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হোক আর না হয় নতুন কোন চিন্তা ধারনা করার প্রয়োজন রয়েছে,আন্দোলনের মসজিদে জমঈয়তের আলিমরা গিয়ে খুতবা দিতে পারে না,জমঈয়তের মসজিদে গিয়ে আন্দোলনে খুতবা দিতে পারে না,
আন্দোলনের সম্মেলনে জমঈয়তের কেউ উপস্থিত হতে পারেনা,জমঈয়তের সম্মেলনে আন্দোলনের কেউ উপস্থিত হতে পারেনা
এমন কি যারা দল মুক্ত যেমন ডক্টর আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া ডক্টর সাইফুল্লাহ ডক্টর ইমাম হোসেন শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ সহ অনেক আলেমরা আছে দল মুক্ত উনারা ও দলীয় কোন মসজিদে গিয়ে খুতবা দিতে পারেনা কারণ শুধু দলীয় কামড়াকামড়ির জন্য ইল্লা মাশাআল্লাহ,
দলীয় অনেকের অপছন্দ হচ্ছে গিয়ে সালাফি এই নামটির উপরে এলার্জি রয়েছে,আমরা সালাফি মিডিয়া নামে একটা মিডিয়া আমাদের অনলাইনে রয়েছে যেটার কার্যক্রম শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে তখন থেকে, মিডিয়ার নাম সালাফি থাকার কারণে অনেক শায়েখদেরকে আমাদের প্রশ্ন উত্তর গ্রুপে নিতে পারি নাই,
সালাফি নামের উপর ঘৃণা কেন থাকবে একজন আহলে হাদিস হয়ে,আপনারা হয়তো মনে করছেন আমি ভুল বলছি আসুন বাস্তব একটা ঘটনা তুলে ধরী, সালাফি কনফারেন্স যখন শুরু হয় শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফিজাহুল্লাহর প্রতিষ্ঠানে ইতিহাস দেখেন সালাফি কনফারেন্স নাম কারণে দলীয় কত শায়েখ কনফারেন্সের বিরোধীতা করেছেন হিসাব ছাড়া আমার কথা বিশ্বাস না হলে আব্দুল্লাহ ভাইয়ের সাথে কথা বলেন বুঝতে পারবেন,
এবার আসুন সালাফি এসোসিয়েশন নিয়ে কিছু কথা
আগেই বলেছি সালাফী নামের উপরে এলার্জি রয়েছে
যদি সালাফি নামের জাগাতে আহলে হাদিস এসোসিয়েশন নাম থাকতো তাহলে হয়তো অনেকে বিরোধীতা করত না,আল্লাহ তাআলা ভালো জানেন,
বাংলাদেশে এই পর্যন্ত সালাফি নাম দিয়ে কেউ কোন কিছু করতে পারে নাই,শুধুমাত্র সালাফি কনফারেন্স বছরে যে কয়েকটি প্রোগ্রাম হয় এই প্রোগ্রাম ব্যতীত
সালাফি নামের উপর কোন কিছু বাংলাদেশে নাই
যে কারণে সালাফি এসোসিয়েশন করা হয়েছে সেটার মূল কারণ কি আসুন জেনে নেই
বাংলাদেশে আহলে হাদিস মসজিদ মাদরাসা যখন ভাঙ্গা হয় বেদআতিরা যখন দখল করে নেয়ে
তখন জমঈয়তের আওতায় যেসব মসজিত রয়েছে সেগুলোর উপর আক্রমণ আসলে জমঈয়তে সেগুলো দেখে এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আমরা অস্বীকার করছি না,
আন্দোলনের যেইসব মসজিদ মাদ্রাসা রয়েছে সেই মসজিদ গুলোর উপর আক্রমণ আসলে আন্দোলন সেইটুকু দেখে এবং তারা স্বয়ং মাঠে গিয়ে কাজ করে,
কিন্তু এর বাহিরে যেত মসজিদ মাদ্রাসা রয়েছে এই মসজিদ গুলোর উপর মাদ্রাসা গুলোর উপর আক্রমণ আসলে দলীয় কেউ সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয় না হয়তো ভিডিও বার্তা দিয়ে দুই একটা কথা বলে লেখার মাধ্যমে দুই একটা কথা বলে এই পর্যন্তই সীমাবদ্ধ,
এর মাধ্যমে কোন উপকার হয় না আমি মনে করি,
মাঝেমধ্যে দেখা যায় আমাদের আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক ভাই যেখানে মসজিদ মাদ্রাসার উপর আক্রমণ হয় সেখানে উনি উপস্থিত হন উনিও ব্যস্ত মানুষ কত জায়গাতে আর উপস্থিত হবেন,
বাংলাদেশে শত শত আহলে হাদিস মসজিদ হানাফিরা দখল করে তাদের কবলে রেখেছে যেমন আমার মসজিদটি, দলীয় কেউ কথা না বলার কারণে এই মসজিদগুলা হানাফিদের দখলে রয়েছে দলীয় কামড়াকামড়ির কারণে শত শত মসজিদ মাদ্রাসা আহলে হাদিসদের আওতাভুক্ত নয়,এর দায় কে বহন করবে?
এখন বলুন সালাফি এসোসিয়েশন বানানোল পিছনে কারা দায়ী কি জন্য এসোসিয়েশন করা হলো?
আমার তদন্ত দলীয় কামড়াকামড়ি কারণে
একটি প্লাটফর্মে এসে কখনো কাজ করতে পারবে না
আর একটি প্লাটফর্মে যদি না আসে তাহলে কামড়াকামড়ি ও বন্ধ হবে না,
ছুটে মুখে অনেক কথা বলেছি ভুল হলে সংশোধন করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন গালি না দিয়ে জাযাকাল্লাহ খায়ের : খন্দকার ফয়সাল