People's Thinking

  • Home
  • People's Thinking

People's Thinking I'm a dreamer

08/05/2026

বাংলাদেশীরা একটা দিক দিয়ে ভাগ্যবান।

সরকার - চোর হোক, দুর্নীতিবাজ হোক, সামরিক হোক কিংবা ফ্যাসিস্ট হোক- সবসময়ই ১০০% খাঁটি দেশীয় হয়।

কোন 'ফ্র‍্যাঞ্চাইজি' দলের এদেশে সরকার গঠনের সুযোগ নাই।

স্বাধীনতার এটাই আনন্দ।

একবার কথা হচ্ছিল ওপার বাংলার এক বন্ধুর সাথে।

কথায় কথায় তিনি বলছিলেন, দাদা, এই যে ৪৭ এ ধর্মের ভিত্তিতে যে দেশভাগ হয়েছিল, এটা কি উচিৎ হয়েছিল ? আপনার কী মনে হয়?

আমি বললাম, না, মোটেও উচিৎ হয় নাই। এটা যে একটা ভুল ছিল একাত্তরেই তা প্রমাণ হয়েছে। আমরা পরে পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে গেছি। ধর্ম আমাদের একসঙ্গে রাখতে পারে নাই।

আমার কথা শুনে দাদার উৎসাহ বেশ বেড়ে গেল।

তিনি বললেন, হ্যাঁ, দেখুন না, এই দেশবিভাগের ক্ষত আজো কেমন দুই বাংলা বয়ে বেড়াচ্ছে। তার চেয়ে কত ভালো হতো যদি আজো আমরা এক বাংলা হিসেবে থাকতাম। না থাকতো কোনো বর্ডার, না থাকতো কোনো পাসপোর্ট- ভিসার জটিলতা। আমাদের শিল্প -সংস্কৃতির মেল বন্ধন হতো কলকাতা ও ঢাকা।

আমিও উৎসাহ নিয়ে বললাম, খুবই ভালো হতো। কিন্তু তখন দেশের রাজধানী কোনটা হতো দাদা?

তিনি বললেন, কেন রাজধানী দিল্লীই থাকতো।

আমি বললাম, তাহলে দাদা, স্যরি। মানবেন ৪৭ এর দেশ-ভাগ আখেরে আমাদের ভালোই করেছে। এভাবে ভাগ হয়েছিলো বলেই না আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তখন এই ভাগাভাগিটা না হলে আমরা কি সেটা পেতাম?

নাহ, মানে ....

রাখুন তো দাদা, তার চেয়ে বলুন এবার ইলিশ কেমন পেলেন আপনারা? .....

যেহেতু আলোচনা আর টেনে নেবার দরকার নেই আমি প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে দিলাম।

প্রায়ই আমরা দুই বাংলার লোকেরাই বলে থাকি, ইস ! দেশটা যদি ভাগ না হতো, তবে কতই না ভালো হতো।

কিন্তু ভাগ না হলে দেশটা কেমন হতো সেটা কিন্তু আমরা দুই বাংলার লোক দুভাবে ভেবে থাকি।

আমরা ভাবি স্বাধীন বাংলা, তারা ভাবে অঙ্গরাজ্য বাংলা।

তারা সবসময়ই - আগে ভারতীয়, পরে বাঙালী।

আমরা কিন্তু তাদের মত - আগে পাকিস্তানী, পরে বাঙালি ছিলাম না। যদি হতাম, তাহলে কিন্তু আর বাংলাদেশের জন্ম হতো না।

দেশভাগ নিয়ে বাঙালী দাদাদের হা-হুতাশটা আসলে এপার বাংলার উপর দাদাগিরি হারানোর হা-হুতাশ ছাড়া আর কিছু নয়।









#1947

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর কারণে আপনাকে আমাকে রাস্তায় ধরে কেউ এখনও 'জয় শ্রীরাম' বলতে বাধ্য করে না, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর ...
04/05/2026

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর কারণে আপনাকে আমাকে রাস্তায় ধরে কেউ এখনও 'জয় শ্রীরাম' বলতে বাধ্য করে না, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর কারণে আমরা এখনও নির্বিঘ্নে গরুর মাংস কিনে খেতে পারি, বকরি ঈদ না বলে কুরবানির ঈদ বলতে পারি, যিনি উপমহাদেশের চল্লিশ কোটি মুসলিমকে রামরাজ্য থেকে বাঁচিয়েছেন উপমহাদেশের সেই মহান নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ'র প্রতি কৃতজ্ঞতা।

জিন্নাহকে সেলাম। ভারতের হিন্দুত্ববাদ থেকে আমাদেরকে আলাদা করার জন্য৷

শেরে বাংলা একে ফজলুল হককে সেলাম। লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য।

আল্লামা ইকবালকে সেলাম। সাহিত্যের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও ইসলামের তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।



26/04/2026

NCP/ ছাত্রশক্তির সাথে শিবিরের সাথে দ্বন্দ্বের জায়গা সম্ভবত দুইটা:

১। Gen Z & Gen Alpha এর মার্কেট।
২। ঢাকা দক্ষিনের মেয়র ইলেকশন।

ডাকসুতে মোসাদ্দেক, জুমা, এবং জুবায়েরের উপর এমন জঘন্য হামলা হলেও মোসাদ্দেকদের সহযোদ্ধারা, ছাত্রশক্তি তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

দেখায় নাই তো ভাল কথা, এখন NCP এর মাউথপিসগুলো মোসাদ্দেক, জুমা, জুবায়েরের ইন্ডিপেন্ডেন্ট এজেন্সিকে অনেকটা অস্বীকার করে শিবির বলে জেনারালাইজ করে ভিক্টিম ব্লেমিং করতেছে।

সব দোষ সাদেক কায়েমের; কেন? কারন শিবির গুপ্ত রাজনীতি করে।
শিবির সবাইকে শত্রু বানিয়েছে; কিভাবে শত্রু বানালো? গুপ্ত রাজনীতি করে!

উদ্দেশ্য এভাবে শিবিরকে ক্রিমিনালাইজ করে জেন জি এবং জেন আলফার মার্কেট নিজের দখলে নেওয়া এবং ঢাকা দক্ষিনে নিজের প্রার্থী দেওয়া।

কিন্তু প্রশ্নটা থেকেই যায়, শিবিরের কি কোন দোষই নাই? এবং এই প্রশ্নটা গ্লোবাল।

ফিলিস্তিনিদের কি কোন দোষ নাই?
কাস্মীরীদের কোন অপরাধ নাই?
চেচেনরা কোন পাপ করে নাই?
বসনিয়ানরা কি নিস্পাপ?
মিন্দানাওয়ানেরা কোন ভুল নাই?

নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হলে কাস্মীরীদেরও একটু বকে দিতে হবে। কাস্মীরীদের উপর জুলুম নিয়ে কথা বললেই আপনি XYZ

তাহলে ঝামেলাটা আসলে কোথায়?

ঝামেলা হল শিবির বাকী প্রতিযোগিতা সংগঠনের তুলনায় অনেক বেশি সংগঠিত, অনেক বেশি রিচ, অনেক বেশি স্ট্রং, শিবিবের বাজেটও অনেক বেশি। গত দেড় বছর সকল ছাত্র সংগঠন মিলিয়ে যত প্রোগ্রাম করেছে শিবির একা কমপক্ষে তার পাঁচ গুণ বেশি প্রোগ্রাম করছে। শিবির যে সফলভাবে ওয়েলফেয়ার পলিটিক্সের মডেল দাঁড় করিয়েছেন, বাকী দল এখানে ফাইট দিয়ে সুবিধা করতে পারছে না।

মানে বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ঝামেলা হল বুন্দেশ লীগার মত। জার্মানির বাকী সব ক্লাবের সমর্থকেরা ব্রায়ার্ন মিউনিখকে পছন্দ করে না। সবার কমন এনিমি ব্রায়ার্ন মিউনিখ। কেন? কারন ব্রায়ার্ন মিউনিখ বাকীদের চেয়ে এত ভাল খেলে; সব ট্রফি, সব পুরস্কার ব্রায়ার্ন একাই জেতে। এটা কারো সহ্য হয় না।

@মীর সালমান শামিল ভাই

#এনসিপি #শিবির

বাংলাদেশের শেষ জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার শালবাহানে নব্বই দশকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ তেলের খনির সন্ধান পাওয়া যায়।তখন পঞ্চগড় তথা স...
23/04/2026

বাংলাদেশের শেষ জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ার শালবাহানে নব্বই দশকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ তেলের খনির সন্ধান পাওয়া যায়।

তখন পঞ্চগড় তথা সারাদেশে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।

তৎকালীন সময়ে আমরা নাইন-টেনের ছাত্র।

বড় বড় গাড়িতে ভারী যন্ত্রপাতি আসত, রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্বপ্ন বুনতাম,

তেলের খনির কারণে পঞ্চগড়ে বিমানবন্দর হবে, ট্রেনে তেলের বগিতে দেশের অন্যপ্রান্তে তেল যাবে, বিদেশি নাগরিকের আনাগোনা দেখা যাবে।

কিছু বিদেশি নাগরিক আসতেও দেখা গিয়েছিল।

এরশাদের শাসনামলে হেলিকপ্টারের চক্করে ভীনদেশীদের চোখে পড়ে তেলের খনিটি।

এরপর এরশাদের ভারত গমন পাল্টে দিল সরকারের অবস্থান।

চিরতরে হারিয়ে গেল স্বপ্ন, দেশ বঞ্চিত হলো খনিজ সম্পদ থেকে, পঞ্চগড়ের মানুষের কপালে ভাঁজ পড়ল।

রাজনৈতিক দলগুলোর মুখ বন্ধ হলো, সবকিছুই মিলিয়ে গেল ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাছে।

সীমান্তের ওপাশে জমিদার পাড়ায় ভারতীয়রা সময় নষ্ট না করে তেল উত্তোলন শুরু করে দিল।

চরিত্রহীন কিছু বাঙালি ভয় পেল, কিংবা চুপিচুপি সুবিধা নিয়ে চুপসে গেল।

তৎকালীন সময়ে আমরা ছোটোরা তা অনুধাবন করতে পারিনি।

তবে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম, প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে আল্লাহর রহমতে তেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাটির দিকে প্রবাহিত হওয়ায় ভারত সুবিধা করতে পারেনি।

৩ দশক হয়ে গেলেও কোনো সরকার খনিটি নিয়ে কোনো ভূমিকা রাখেনি অজ্ঞাত কারণে।

শুধু শোনে গেলাম দিল্লি না ঢাকা শ্লোগান।

ইউনুস সাহেবের ১৮ মাসে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোনো ভিজিট‌ও দেখলাম না ওখানে।

তার মানে আমাদের সাহসও নেই, তেল উত্তোলনের উদ্যোগও নেই।

ভারত বাঁধা দেবে, তারা চাইবে না সীমান্ত ঘেঁষে এ খনিজ সম্পদ আমরা আহরণ করে দেশকে সমৃদ্ধ করি।

বিগত সরকারের আমলে মিয়ানমারের কাছে আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি হয়ে আমরা সমুদ্র জয় করে ১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল পেয়েছিলাম।

প্রয়োজনে ভারতের সাথে স্নায়ুযুদ্ধ করে জনমত গঠন করে সরকারের সাথে সকল রাজনৈতিক মতাদর্শকে একীভূত করে তেল উত্তোলনে মাঠে নামতে হবে।

এ বিষয়ে বিরোধী দল মুখ্য ভূমিকায় এসে সরকারকে সহযোগিতা করলে ইনশাআল্লাহ এশিয়ার সর্ববৃহৎ তেল খনি থেকে তেল উত্তোলন করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি।

© Salahuddin

#তেলের #খনি #পঞ্চগড় #তেল‌উত্তোলন #খনিজতেল
#ভারতীয়_আগ্ৰাসন

23/04/2026
ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা ব্যক্তিগতভাবে পালন করার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রে সমকালীন বাস্তবতা ও ইহকাল এর সাথে সম্পূর্ন ভাবে স...
23/04/2026

ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা ব্যক্তিগতভাবে পালন করার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রে সমকালীন বাস্তবতা ও ইহকাল এর সাথে সম্পূর্ন ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আমরা গর্বিত মুসলমান।
আমাদের ধর্ম দ্বারা রাষ্ট্র চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ ইসলামে রয়েছে!
যেটা পৃথিবীর অন্যকোন এক্সিস্টিং ধর্মে নেই।
এখানেই পার্থক্য।

গত চৌদ্দশ বছর ধরে ইসলামের সোনালী ইতিহাসে কিভাবে বিশাল বিশাল সাম্রাজ্য গুলো পরিচালিত হয়েছে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে ইতিহাসে!

বর্তমানে পৃথিবীর কয়েকটি জায়গায় সীমিত পরিসরে ইসলামী শরিয়াহ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
এবং শরিয়াহ অনুযায়ী রাষ্ট্র চালানোর জন্য কোনো সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের প্রয়োজন তাদের
হয় নাই!
শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রগুলো হলো:
সৌদি আরব, ব্রুনাই, আফগানিস্তান

এরপর আসা যাক প্রগতিশীল উগ্ৰ হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি তথা বিজেপির দলীয় বা সরকারী কার্যক্রম নিয়ে:

# আপনি কি মুসলমানদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া দেখেন নাই!
# গুজরাটের দাঙ্গায় মুসলমানদেরকে দিনে দুপুরে মেরে ফেলা দেখেন নাই?
# বাবরি মসজিদে হামলা করা দেখেন নাই?
# এইতো কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে একজনকে বাংলাদেশী সন্দেহে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো!
# মুসলমানদের ওয়াকফ বোর্ড দখল করা দেখেন নাই?
# গরু খাওয়ার জন্য মুসলিমদের পিটিয়ে মেরে ফেলা দেখেন নাই?
# মুসলমানদের ধরে ধরে জোর করে জয় শ্রীরাম বলাতে দেখেন নাই?
# উগ্ৰ হিন্দুত্ববাদী কর্তৃক মুসলিম যুবতীদের রেপ করতে দেখেন নাই?
# আসামে লাখ লাখ লোককে অবৈধ ঘোষণা করে তাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া দেখেন নাই?
এছাড়াও মুসলমানদের কথায় কথায় পাকিস্তানী ট্যাগ দিয়ে ডিহিউম্যানাইজ করা দেখেন নাই?

যত ঘটনা ঘটেছে তার মাত্র সিকিভাগের কিছু উল্লেখ করলাম,
তন্মধ্যে এগুলো সব রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয়ে হয়েছে!
এখন আমার প্রশ্ন আপনার কাছে, যতগুলো ঘটনা বললাম এগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু বা অন্য যেকোন সংখ্যালঘুদের উপর এরকম কিছু হয়েছে কিনা?
আর, হলেও রাষ্ট্র কি তার প্রশ্রয় দিয়েছে কিনা?

ইন্দোনেশিয়া একটা মুসলিম রাষ্ট্র। ২.৫% হিন্দু রয়েছে!
কোনোদিন শুনলাম না কোনো মুসলমান কর্তৃক হিন্দুদের উপর হামলা বা নির্যাতন হতে!
তাহলে হিন্দুরা এত প্রগ্ৰেসিভ হওয়ার পর ভারতে তাদের অধীনে থাকা সংখ্যালঘুরা কেন নিরাপদ নয়!

আর, প্রগতিহীন মুসলমানের নিকট তথা বাংলাদেশ , ইন্দোনেশিয়ায় হিন্দুরা কেন প্রগতিশীল ভারতের হিন্দুদের তুলনায় তারা কেন নিরাপদ!

এই কমেন্টটি একজন সাম্প্রদায়িক উগ্ৰ হিন্দুত্ববাদীর সাথে
কয়েকমাস আগে

23/04/2026

ক্যাম্পাসগুলোয় ছাত্রলীগ ছিল সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তাদের প্রটেকশন ও ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য CRI সরাসরি সাপোর্ট দিত!
এবং ছাত্রলীগের প্রাইম সময়ে শিবির নিজেকে প্রটেক্ট করছে!
কিন্তু ছাত্রদলের সেই CRI বা শাহবাগী বাম গ্ৰুপ নেই যেটা ছাত্রদলের ড্যামেজ কন্ট্রোল করবে!

এছাড়াও ৫ ই অগাস্টের পর স্টুডেন্ট পলিটিক্সে পেরাডাইম শিফট ঘটে গেছে!আগের মতো পেশিশক্তি প্রদর্শন ও গেস্ট রুম কালচার সাধারণ ছাত্ররা এক্সেপ্ট করবে বলে মনে হচ্ছে না!

ছাত্রদল যদি মনে করে পেশিশক্তি দিয়ে ছাত্রলীগের কায়দায় সকল ক্যাম্পাস দখল করবে, তাহলে হয়তো তারা ক্যাম্পাস দখল করবে ঠিক, কিন্তু এই দখল তারা ধরে রাখতে পারবে না!
ছাত্রদলের ওই মানের মগজ ও মাথা নেই। যেটা লীগের ছিল!

তাদের মাথামোটা কোনো একটা কাজের কাফফারা হয়তোবা সরকারের পতনও ঘটিয়ে ফেলতে পারে!

আসাদ
শিক্ষার্থী, আইন বিভাগ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম


#জামায়াত

22/04/2026

এস জয়শংকরের এই ফেসবুক পোস্টে ৩ হাজারের মতো রিএ্যাক্ট পড়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই হা হা রিএ্যাক্ট। এর বাইরে ৩৫০ টা মতো লাভ রিএ্যাক্ট পড়েছে। আমি কৌতুহলবশত চেক করতে গিয়ে দেখলাম লাভ রিএ্যাক্ট গুলো সব গুলোই হিন্দু ধর্মের লোকজন। এর বাইরে যতগুলো আইডি ঘেটে দেখলাম বেশিরভাগ বাংলাদেশের।কেউ চট্টগ্রামের, ময়মনসিংহের, ঢাকা, অর্থাৎ বাংলাদেশের। একজন মুসলিমকেও দেখলাম তবে তার প্রোফাইলে শেখ হাসিনার ছবি দেওয়া।

আমি এখানে অসাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াতে আসিনি। আমি শুধু আমার একটা দর্শন শেয়ার করতে এসেছি। সেটা হলো,
বাংলাদেশের মুসলিম তথা 90% মানুষ যেখানে পক্ষে সেখানে হিন্দুরা বিপক্ষে অবস্থান নেয়। এমনকি তার নিজের দেশ বাংলাদেশের বিপক্ষে গিয়েও অন্য দেশ তথা ভারতের পক্ষে অবস্থান নেয়। আজকে হিন্দুরা বাংলাদেশে ভারতের আধিপত্য দেখতে পায় না। কারণ যেটা আমাদের কাছে আধিপত্য ওইটা তাদের কাছে মায়ের দয়া। খেয়াল করে দেখবেন দেশে ভারত থেকে কোনো কিছু আমদানি হলে তারা উল্টো আমাদের খোঁচা দেয়। অথচ আমরা চাই, বলি যে বাংলাদেশ এমনভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ হোক যেন ভারতের কাছে থেকে আমদানি না করা লাগে। কিন্তু ওরা চায় বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করুক। এতে তাদের আরাম লাগে। আর ওরা এটাও জানে আমদানির মাধ্যমে ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক থাকবে। তাই তারা কোনো কিছু আমদানি হলে ওইটা বাংলাদেশে ভারত দয়া করেছে এমন দৃষ্টিতে দেখে। এবং উল্টো আমাদের খোঁচা দেয় "কিরে তোদের দিল্লি না ঢাকা কোথায় গেল?" "যা পাকিস্তানের কাছে" এই ধরনের শব্দে নিজের দেশের 90% মানুষকে অপমান করে। 90% মানুষকে অপমান করা মানে দেশকে অপমান করা। ওরা।

বাংলাদেশে থাকে ঠিকই কিন্তু বাংলাদেশকে ভারতের অংশ মনে করে। তাই কেউ দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিলে তাদের গায়ে লাগে।
মনে রাখবেন, এই এরাই ১৯০৫ সালে ঢাকাকে কেন্দ্র করে আলাদা প্রদেশের বিরোধীতা করেছিল, কারণ এতে কোলকাতার গুরুত্ব কমে যাবে। অর্থনৈতিক শক্তি কমে যাবে তথা মুসলিমদের হাতে এতো বড় অঞ্চল দিতে কখনোই চায়নি। আজকে প্রীতিলতা, সূর্য সেন এরাও বঙ্গভঙ্গের বিরোধীতা করেছে।

এরাই এরপর ১৯৪৭ এর দেশভাগের বিরোধীতা করেছে। এবং আজো দেশভাগ ভারতীয়রা মেনে নিতে পারেনি। কারণ এটা তাদের অখণ্ড ভারতের অংশ। এই এরাই ডাইনি শেখ হাসিনাকে দুই বছর ধরে আশ্রয় দিচ্ছে। যেখানে প্রতিটি ভারতীয় হিন্দু এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের সমর্থন আছে। কেন এই সমর্থন? কারণ টা ভারত। ভারত যার পক্ষে, বাংলাদেশের হিন্দুরা তার পক্ষে। দুদিন আগে আফগানিস্তানকে ভারতের মিডিয়া বিশ্বে জঙ্গি দেশ হিসেবে তুলে ধরতো। ভারতের জনগণও তাই বলতো। আজকে হঠাৎ আফগানিস্তান অনেক ভালো হয়ে গেল ভারতের কাছে। আফগানিস্তান আর জঙ্গি না। কারণ টা কি? কারণ টা পাকিস্তান। একইভাবে এই হিন্দুরা ইতিহাসে মুসলমানদের স্বাধীনতাতে বিরোধীতা করে আসলেও ১৯৭১ সালে তারা পাশে ছিল। এবং এখনও তারা এটাকে স্বরণ করে। এর কারণ পাকিস্তান। তারা পাকিস্তান ভেঙ্গে আলাদা করতে সাহায্য করেছে। তারা এই অঞ্চলের মুসলিম শক্তিকে দূর্বল করতে পেরেছে। কারণ ভারত জানে পাকিস্তানের জনগণ অনেক সাহসী ও শক্তিশালী। তারা এক থাকলে ভারত কখনো সুপার পাওয়ার তো দূরের কথা উল্টো সেভেন সিস্টার্স থাকব কি না তা নিয়ে সন্দিহান ছিল। এবং ভারত এও জানতো পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশের মানুষকে বশে এনে শাসন করা যাবে। এবং ৫৫ বছর ধরে তাই হচ্ছে। শেখ হাসিনা তার বড় প্রমাণ।

সবশেষে একটা কথা বলি, হিন্দু ও আওয়ামী লীগ এই অঞ্চলের মুসলিমদের জন্য হুমকি।

কপি পোস্ট

#হিন্দু #মাইনরিটি

22/04/2026

একটা প্রশ্ন অনেকেই দেখি রাখছেন-
"শিবির আর কতদিন শুধু মার খাবে?"
উত্তরটা হচ্ছে -আপনারা যতদিন এই প্রশ্ন করবেন ততদিন

কিছু মনে কইরেন না উত্তর শুনে।ব্যাখা করছি-

শিবিরের উপর ছাত্রদলের সশস্ত্র হামলার পরে আপনাদের আক্ষেপ হচ্ছে,'শিবির কেনো উল্টা ওদের মারলো না!'
আপনারা কি এই প্রশ্ন কি করছেন যে,'অস্ত্র হাতে সন্ত্রাসীটা ছাত্রদলের কেন?তাকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছেনা!'
করছেন না।কেন করছেন না?কারণ আপনারা জানেন যে,'ছাত্রদল এমনই' 'রাজনীতি মানেই শক্তির খেলা,সহিংসতা থাকবেই'।

আসলেই কি তাই? নাকি যুগ যুগ ধরে আপনাদেরকে এই সহিংস রাজনীতিতে অভ্যস্ত করা হয়েছে যেনো সুস্হ্য চিন্তার মানুষজন রাজনীতি থেকে দূরে থাকে?
গড়ে উঠে "I hate Politics" জেনারেশন।

ছাত্রসংসদগুলোকে তো 'রাজনৈতিক'ই বলা হয়।৫ টা ছাত্র সংসদে শিবির একচ্ছত্র অধিপত্যে জয়লাভ করেছে।বলেন তো কোথাও 'শিবিরের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ' হয়েছে কিনা?
হল দখল,ক্যান্টিনে ফাও খাওয়া,চাঁদাবাজি,টেন্ডারবাজি হয়েছে কিনা?
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের কোনো মার্কেটে গিয়ে চাঁদাবাজি করছে কিনা?

এসব কিন্তু আপনি ছাত্ররাজনীতির নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হিসেবে ধরেই নিয়েছিলেন।সহিংসতা, সংঘর্ষ রাজনীতির অংশ হিসেবে দীর্ঘদিনের যে মানসিক অভ্যস্ততা সেই জায়গা থেকেই বলছেন,
'শিবির আর কতদিন শুধু মার খাবে?'

রাজনীতি আসলে সহিংসতার জায়গা না।প্রত্যেক সংগঠন তাদের আদর্শ ও পলিসি শিক্ষার্থীদের কাছে উপস্থাপন করবে। শিক্ষার্থীরা তাদের মতো করে পছন্দ করবে।
শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করাই ছাত্র সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য।
যেই কাজ শিবির ও ছাত্র সংসদগুলো করেছে,করছে এবং করে যাবে।

আপনার আমার সহিংস রাজনীতির প্রতি যে 'মানসিক দাসত্ব' সেই দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে যেদিন সভ্য রাজনীতির চর্চা করতে পারবো সেদিন থেকে শিবির আর মার খাবেনা।

jasim

সত্তরের দশকের শেষের দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে বৈপ্লবিক ইসলামের উত্থান ঘটছিল, তখন রাজতন্ত্রগুলো তাদের সিংহাসন রক্ষার জন্য এমন...
21/04/2026

সত্তরের দশকের শেষের দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে বৈপ্লবিক ইসলামের উত্থান ঘটছিল, তখন রাজতন্ত্রগুলো তাদের সিংহাসন রক্ষার জন্য এমন এক আদর্শের প্রয়োজন বোধ করেছিল যা তরুণদের রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় করে দেবে।

এই প্রকল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে মদিনা ইউনিভার্সিটি। নব্বইয়ের দশকে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় যখন সৌদি আরবে মার্কিন মিলিটারি বেইজ করা হয়, তখন মূলধারার ওলামারা এর প্রতিবাদ করেছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে রাবি বিন হাদি আল মাদখালিকে সামনে আনা হয়, যিনি শাসকের প্রতিটি পদক্ষেপকে 'শরয়ি' বৈধতা দেওয়ার মিশন শুরু করেন।

মদিনা ইউনিভার্সিটির বিশাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে হাজার হাজার বিদেশি ছাত্রকে এই বিশেষ ঘরানার দীক্ষা দেওয়া হয়, যাদের কাজ ছিল নিজ দেশে ফিরে গিয়ে রাজতন্ত্র ও পশ্চিমা স্বার্থের বিরুদ্ধে যেকোনো কণ্ঠস্বরকে 'খারেজি' বা 'বিদাতি' তকমা দিয়ে স্তব্ধ করে দেওয়া।

এই ফেরকাটি মূলত 'পেট্রো-ডলারের' ওপর ভিত্তি করে টিকে আছে। বিশাল বাজেট, বিলাসবহুল প্রকাশনা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় হাজার হাজার পেইড অ্যাক্টিভিস্টের মাধ্যমে তারা প্রচার করে যে—শাসক যদি জনসমক্ষে ব্যভিচারও করে, তবুও তার প্রতিবাদ করা হারাম। তাদের এই ডলার-নির্ভর মানহাজ মূলত আমেরিকা ও ইসরাইলের আঞ্চলিক স্বার্থের সাথে একই সুতোয় গাঁথা।

ইরাক আক্রমণ থেকে শুরু করে আজকের গাজা পরিস্থিতি—সবখানেই মাদখালিদের ভূমিকা অভিন্ন। তারা এমন সব ফতোয়া তৈরি করে যা পরোক্ষভাবে ইসরাইলি আগ্রাসনকে সহজ করে দেয়। যেমন, তারা প্রচার করে যে শক্তি না থাকলে প্রতিরোধ করা 'আত্মহত্যা', অথচ একই যুক্তি তারা দখলদারদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে না। মূলত, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো যখন কোনো মুসলিম জনপদে আঘাত হানে, তখন এই মাদখালিরাই ধর্মীয় নথিপত্র ঘেঁটে প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে, মার খাওয়াটাই হলো প্রকৃত 'সুন্নাহ'।

মাদখালিজম এবং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার পতন মূলত সমান্তরাল। কেন এরা আমেরিকা-ইসরাইলের পতনের সাথে সাথেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে, তার ব্যাখ্যা অত্যন্ত সহজ। কারণ, এই আদর্শের কোনো শিকড় জনগণের হৃদয়ে নেই; এর শিকড় হলো ক্ষমতার মসনদ আর বিদেশি ডলারে। যখনই কোনো সমাজে ইনসাফ ও বিপ্লবের জোয়ার আসে, এই পরজীবী গোষ্ঠীটি সেখানে টিকতে পারে না।

আজ ২০২৬ সালের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ বলছে, পশ্চিমা আধিপত্যের যে সূর্য অস্তমিত হচ্ছে, তার সাথে সাথে এই দরবারি আলেমদের প্রাসঙ্গিকতাও শেষ হয়ে আসছে। তারা মূলত একটি রাজনৈতিক 'বাফার জোন' হিসেবে কাজ করে; যখন মূল শক্তি (আমেরিকা) মাঠ ছেড়ে যাবে, তখন এই পাহারাদারদের ভুয়া ফতোয়াগুলো বালির বাঁধের মতো ধসে পড়বে। কারণ, যে সত্য কেবল ডলারে কেনা হয়, সেই সত্যের কোনো প্রাণ থাকে না।

পরিশেষে এটি পরিষ্কার যে, মাদখালিজম হলো সাম্রাজ্যবাদের একটি 'রিলিজিয়াস উইং'। তারা সালাফি সাজে মূলত এক প্রকার রাজনৈতিক দাসত্ব ফেরি করে। কিন্তু ইতিহাসের নিয়ম হলো, যখনই বড় কোনো সভ্যতা বা জালেম শক্তির পতন ঘটে, তাদের পদলেহী বুদ্ধিজীবী ও ওলামাদেরও একই পরিণতি হয়।

বায়তুল মাকদিস যেদিন প্রকৃত অর্থে মুক্ত হবে, সেদিন কেবল যায়নবাদীদের পতন হবে না, বরং তাদের পক্ষে ফতোয়া দেওয়া এই 'ডলার-মানহাজ' এর ধারক-বাহকরাও চিরতরে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। কারণ হকের আলো যখন উদ্ভাসিত হয়, তখন বাতিলের এই কৃত্রিম মোমবাতিগুলো নিভতে বাধ্য। এরা একই সুতোয় গাঁথা এক পতনোন্মুখ অস্তিত্ব, যাদের টিকে থাকা কেবল জালেমের আয়ুষ্কালের ওপর নির্ভরশীল।

"তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেনই; যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।"


#আহলেহাদীস
#আহলে_হাদিস
#সালাফি






মদিনার মতো পবিত্র ভূমি থেকে পড়াশোনা করে এসে একজন আলেম কেন ফিলিস্তিনের হামাসকে 'সন্ত্রাসী' বলে গালি দেয়? কেন তারা ইসরাইলে...
14/04/2026

মদিনার মতো পবিত্র ভূমি থেকে পড়াশোনা করে এসে একজন আলেম কেন ফিলিস্তিনের হামাসকে 'সন্ত্রাসী' বলে গালি দেয়? কেন তারা ইসরাইলের চেয়ে ইরানকে বড় শত্রু মনে করে? উত্তরটা কোনো আধ্যাত্মিক কিতাবে নেই, বরং এর উত্তর লুকিয়ে আছে মদিনা ইসলামি ইউনিভার্সিটির সেই কারিকুলামে, যা কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

একে বলা হয় 'মাদখালিজম' (রবী ইবনে হাদী আল-মাদখালির নামানুসারে)। এদের মূল কাজই হলো ‘ওয়ালিউল আমর’ বা শাসক যতই জালেম হোক, তার আনুগত্য করাকে 'ফরজ' বানিয়ে দেওয়া।

সহজ করে বলি, সৌদি রাজতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে এমন একদল আলেম দরকার যারা জনগণকে বলবে, "রাজার বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই আল্লাহর বিরুদ্ধে কথা বলা।" আর এই উদ্দেশ্যেই বিশ্বের আনাচে-কানাচে থেকে গরিব ও মেধাবী ছেলেদের মোটা অঙ্কের স্কলারশিপ দিয়ে মদিনায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের মাথায় গেঁথে দেওয়া হয় এক অদ্ভুত ইসলাম।

রেফারেন্স হিসেবে আপনি ডঃ মেইন আল-কুদ্বাহ বা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নিবন্ধ দেখতে পারেন, যেখানে উল্লেখ আছে কীভাবে মদিনা ভার্সিটির সিলেবাসকে ব্যবহার করে ‘সালাফিয়্যা আল-জামি’ বা সরকারের আজ্ঞাবহ একটি গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে। এদের কাছে ইসরাইলের ট্যাংক কোনো সমস্যা নয়, কিন্তু ইরান বা হামাসের প্রতিরোধ তাদের চোখে 'বিদাআত' আর 'ফিতনা'।

মদিনা ভার্সিটির এই আলেমদের কাছে সবচেয়ে বড় শত্রু হলো 'ইরান'। কেন? কারণ ইরান রাজতন্ত্র মানে না। অথচ মজার ব্যাপার দেখেন, এরা যখন ইরানকে 'কাফের' বলে ফতোয়া দেয়, তখন ইসরাইলের সাথে সৌদি রাজতন্ত্রের ক্রমবর্ধমান সখ্যতা বা ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ নিয়ে তারা মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে। তাদের শেখানো হয় যে শাসকের বিরোধিতা হারাম।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ভার্সিটির গ্র্যাজুয়েটদের ব্যবহার করা হয় পশ্চিমাদের দাবার ঘুঁটি হিসেবে। ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্ড্রু হ্যামন্ড তার বইয়ে পরিষ্কার দেখিয়েছেন কীভাবে সৌদি আরব তার ধর্মীয় প্রভাবকে পশ্চিমা স্বার্থে ব্যবহার করে। যখনই আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে কোনো বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তখনই এই মাদখালি আলেমরা কোরআন-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণের ক্ষোভকে থামিয়ে দেয়।

এরা পেট্টোডলারের বিনিময়ে ঈমান বিক্রি করা একদল বেতনভুক্ত কর্মচারী। এদের কাজই হলো প্রতিরোধের দুর্গ ইরানকে কাফের বানিয়ে মুসলিমদের মনে বিভেদ ছড়ানো, যেন আমরা কখনোই এক হয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারি।

ঘুমন্ত মস্তিষ্ককে একবার প্রশ্ন করুন—যে ইসলাম জালেমের পা চাটতে শেখায়, তা কি মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইসলাম নাকি রাজদরবারে তৈরি হওয়া কোনো অনুগত ধর্ম? রাজতন্ত্রের তসবিহ না টিপে একবার ইতিহাসের তলোয়ারটা হাতে নিয়ে দেখুন। মনে রাখবেন, যারা আজ হামাসকে সন্ত্রাসী বলছে আর ইরানকে কাফের বানাচ্ছে, তারাই মূলত ইসরাইলের আসল পাহারাদার। এই মদিনা ভার্সিটির তথাকথিত আলেমদের সার্টিফিকেট দিয়ে জান্নাত মাপা যাবে না, জান্নাত মাপা হবে কুরআন ও সুন্নাহ দিয়ে
- সংগৃহীত


#আহলে_হাদিস

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when People's Thinking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share