অধ্যয়ন অধ্যায়

অধ্যয়ন অধ্যায় “জ্ঞানীর নিন্দা, মূর্খের উপাসনা অপেক্ষা শ্রেয়।”
- আল হাদিস

লরেল রীথের প্রতীক এবং উদ্দেশ্যলরেল রীথ হলো একটি পাতার নকশা, যা প্রধানত সম্মান, বিজয়, সাফল্য এবং শ্রেষ্ঠত্বের একটি আন্তর...
06/12/2025

লরেল রীথের প্রতীক এবং উদ্দেশ্য

লরেল রীথ হলো একটি পাতার নকশা, যা প্রধানত সম্মান, বিজয়, সাফল্য এবং শ্রেষ্ঠত্বের একটি আন্তর্জাতিক প্রতীক। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতিতে এর ব্যবহার শুরু হয়েছিল এবং এটি বিজয়ীদের মুকুট হিসেবে দেওয়া হতো। চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে, কোনো পোস্টার বা ট্রেলারে এই লোগোটি ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিটির মান এবং গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা। যখন কোনো চলচ্চিত্র এই প্রতীকটি ব্যবহার করে, তখন এটি দর্শকদের এই বার্তা দেয় যে ছবিটি কোনো স্বনামধন্য চলচ্চিত্র উৎসবে (Film Festival) প্রদর্শনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত (Official Selection) হয়েছে, অথবা ছবিটি সেই উৎসবে কোনো পুরস্কার জিতেছে। এই প্রতীকটি প্রযোজকদের জন্য একটি শক্তিশালী ভিজ্যুয়াল টুল যা তাদের কাজের গুণগত মানকে তুলে ধরে।

এই লোগোটি যেকোনো চলচ্চিত্রে ব্যবহার করা যায় না, বরং শুধুমাত্র সেই চলচ্চিত্রগুলিই এটি ব্যবহার করার অনুমোদন পায় যা কোনো উৎসব বা প্রতিযোগিতায় স্বীকৃতি অর্জন করেছে। লরেল রীথ লোগোটি সাধারণত মূলধারার বাণিজ্যিক ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রের চেয়ে স্বতন্ত্র বা স্বাধীন চলচ্চিত্র (Independent Films), তথ্যচিত্র (Documentary Films) এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলিতে (Short Films) বেশি দেখা যায়। এই ধরনের চলচ্চিত্রগুলি প্রায়শই উৎসবগুলিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের পরিচিতি এবং বিতরণের পথ খুঁজে নেয়। তাই, উৎসবের লোগো বা লরেল রীথ তাদের সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে এবং দর্শকদের কাছে চলচ্চিত্রটির বিশেষত্ব ও গুরুত্ব তুলে ধরে। এককথায়, লরেল রীথ বা পাতার পুষ্পস্তবক হলো বিজয় ও সম্মানের প্রতীক, চিরসবুজ এই লোগোটি বলতে সাধারণত সফলতা বোঝায়।

🏆 🎬 🌿

বিশ্বের অন্যতম দামি টয়লেটনিলামে দাম ১২২ কোটি টাকা থেকে শুরু।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিলামে উঠতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম দা...
02/11/2025

বিশ্বের অন্যতম দামি টয়লেট

নিলামে দাম ১২২ কোটি টাকা থেকে শুরু।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিলামে উঠতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম দামি টয়লেট, যা সম্পূর্ণরূপে খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি। ইতালীয় শিল্পী মাউরিজিও ক্যাটেলান-এর এই বিখ্যাত শিল্পকর্মটির নাম 'আমেরিকা'।

গুরুর গামছা রহস্য: জেমস কেন মাথায় গামছা পরেন?বাংলা রক সংগীতের ইতিহাসে কিংবদন্তি পপ তারকা মাহফুজ আনাম জেমস। ভক্তদের কাছে ...
24/10/2025

গুরুর গামছা রহস্য: জেমস কেন মাথায় গামছা পরেন?

বাংলা রক সংগীতের ইতিহাসে কিংবদন্তি পপ তারকা মাহফুজ আনাম জেমস। ভক্তদের কাছে যিনি 'গুরু', 'নগরবাউল' ও 'ঝাঁকড়া চুলের গিটারম্যান' নামে পরিচিত। মঞ্চে তাঁর গলায় বা মাথায় গামছা পরিধানের পেছনে রয়েছে এক গভীর মানবিক গল্প, যা তাঁর একটি বিখ্যাত গান সৃষ্টিরও অনুপ্রেরণা।

আলোকচিত্রশিল্পী নজরুল সৈয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছিল প্রায় ত্রিশ বছর আগে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে (সম্ভবত ১৯৯৬ সালের দিকে), যখন রকস্টার জেমস 'জেল থেকে বলছি', 'পালাবে কোথায়', 'প্রিয় আকাশি', 'ভালোবাসার যৌথ খামার' ইত্যাদি গানের মাধ্যমে ততদিনে 'গুরু' এবং 'নগর বাউল' তকমায় এক নতুন ক্রেজ হয়ে উঠেছেন। সেই সময় 'আনন্দভুবন' নামে একটি স্মার্ট বিনোদন পত্রিকার ঈদসংখ্যার প্রচ্ছদের ছবি তোলার জন্য জেমসকে নিয়ে যাওয়া হয় সাভারের অরুণাপল্লীর উল্টোদিকের এক খোলা মাঠে। এটিই ছিল বাংলাদেশের কোনো বিনোদন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে সিনেমার নায়িকা ছাড়া কোনো 'ব্যাটাছেলে'র ছবি ছাপানোর প্রথম ভাবনা।

সেই ফটোসেশনের সময় স্থানীয় এক কৃষক, যার নাম ছিল আসিরুদ্দিন মন্ডল, তিনি একটি গামছায় করে গুড় আর মুড়ি নিয়ে এসে জেমসকে খেতে দেন। গুড়-মুড়ি খেতে খেতে দুজনের মধ্যে জমে ওঠে মারফতি আলাপ। সেই আলাপের এক পর্যায়ে আসিরুদ্দিন মন্ডল বলেন, "এই পথই আমাগো বাপ, পথই আমগো মা।" কৃষক মন্ডলের এই কথাটি জেমসকে গভীরভাবে স্পর্শ করে। আড্ডার শেষে জেমস তাঁর গায়ের চাদরের বিনিময়ে মন্ডল সাহেবের সেই গামছাটি নিয়ে নেন। সেই দিন থেকে দীর্ঘ অনেক বছর ধরে এই গামছাই তাঁর পোশাকের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে, যা পরে তাঁর রকস্টার ইমেজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়ায়।

কৃষক আসিরুদ্দিন মন্ডলের বলা এই গভীর জীবনবোধের কথাটিই পরবর্তীতে গীতিকার আনন্দর হাতে তুলে দেন জেমস, যা থেকে জন্ম নেয় তাঁর কালজয়ী গান— 'পথের বাপই বাপ রে মনা, পথের মা-ই মা, এই পথের মাঝেই খুঁজে পাবি আপন ঠিকানা।' এভাবে মঞ্চে জেমসের গামছা কেবল একটি পরিধেয় বস্তুই নয়, বরং শিকড়ের প্রতি টান, সহজ-সরল মানুষের প্রতি ভালোবাসা এবং তাঁর সৃষ্টির এক অবিচ্ছেদ্য প্রতীক হয়ে রইল।

গুগলের 'আপনি কি রোবট?' প্রশ্নের রহস্যআপনি রোবট কিনা, গুগল এই প্রশ্নটি কেন করে? জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলে কিছু খুঁজতে গি...
17/09/2025

গুগলের 'আপনি কি রোবট?' প্রশ্নের রহস্য

আপনি রোবট কিনা, গুগল এই প্রশ্নটি কেন করে? জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলে কিছু খুঁজতে গিয়ে অনেকেই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, যেখানে হঠাৎ করে জানতে চাওয়া হয় "আপনি কি রোবট?" মূলত রোবটদের হাত থেকে সার্চ কার্যক্রমকে সুরক্ষিত রাখতেই গুগলের এই ব্যবস্থা। তবে এটি ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ বিরক্তিকর হতে পারে। গুগলের কমিউনিটি হেল্প পেজ অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর সার্চ অ্যাক্টিভিটি দেখে গুগল কখনো কখনো সন্দেহ করে যে ব্যবহারকারী একজন মানুষ নাকি রোবট। বিশেষ করে, যখন একই বিষয় বারবার খোঁজা হয়, ভিপিএন ব্যবহার করা হয়, অথবা কোনো সন্দেহজনক বা অবৈধ বিষয় সার্চ করা হয়, তখন গুগল ব্যবহারকারীকে রোবট ভাবতে পারে। তখনই পরিচিত ভেরিফিকেশন ক্যাপচা সামনে চলে আসে।

ক্যাপচা (CAPTCHA) শব্দটির পূর্ণরূপ হলো "Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart"। এটি এমন একটি পরীক্ষা যা কম্পিউটার এবং মানুষের মধ্যে পার্থক্য করতে সাহায্য করে। এই পরীক্ষায় কখনও অদ্ভুত আকারের অক্ষর-সংখ্যা টাইপ করতে বলা হয়, আবার কখনো ছবির টাইলস থেকে সঠিক ছবিগুলো বাছাই করতে হয়। এই পদ্ধতিগুলো রোবটদের ফিল্টার করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

প্রযুক্তি সাইট ডিসট্র্যাকটিফাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু উপায় আছে। গুগলের তথ্যমতে, ব্রাউজারের কুকিজ বা ক্যাশ ক্লিয়ার করা, রাউটার রিসেট করা, ব্রাউজার এক্সটেনশন বন্ধ করা অথবা ভিপিএন বন্ধ করা এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। তবে, এই পদক্ষেপগুলো নিলেও গুগল আবারও আপনাকে মানুষ হিসেবে প্রমাণের জন্য পরীক্ষা চাইতে পারে, কারণ এর কোনো স্থায়ী সমাধান এখনও নেই। তাই, গুগল যখন অতিরিক্ত সতর্ক হয়, তখন মাঝে মাঝে এই মানব যাচাই পরীক্ষাটি পার করতেই হবে। এই সামান্য বিরক্তি মেনে নেওয়াটাই আপাতত একমাত্র উপায়।

🔍🖥️🔎

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি গু...
26/08/2025

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস, যা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী, তিনি ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন এবং একই তারিখে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন। এ দিনটি মুসলিম উম্মাহকে নবীর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষা স্মরণ করিয়ে দেয়। বিভিন্ন দেশে এই দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করা হয়—কুরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাত, ওয়াজ-মাহফিল, মিলাদ শরিফ ও দরুদ পাঠের মাধ্যমে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বাংলাদেশেও দিনটি সরকারিভাবে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয় এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল এবং জশনে জলুসের আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস বা আনন্দ শোভাযাত্রা ১৯৭৪ সালে প্রথম আয়োজিত হয়, যা ১২ রবিউল আউয়াল হিজরি মোতাবেক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিবস, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। প্রথম শোভাযাত্রাটি বলুয়ারদিঘী খানকাহ্‌ শরীফ থেকে শুরু হয়ে ষোলশহরে অবস্থিত জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় শেষ হয়েছিল। পরবর্তীতে এই অনুষ্ঠানটি চট্টগ্রামের প্রধান ধর্মীয় ঐতিহ্য ও বিশাল জনসমাগমের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিপুলসংখ্যক এই জনসমাগমে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়, যা Gregorian অনুযায়ী প্রায় সেপ্টেম্বর মাসে পড়ে।

উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালে জলুস শুরু হয় সকাল ৮–৯টা, ১৪–১৬ সেপ্টেম্বর। এই শোভাযাত্রাটি হয় আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট–এর ব্যবস্থাপনায় এবং সহযোগিতা করে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ। শুরু হয় ষোলশহরে অবস্থিত জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা–এ কাদেরিয়া সৈয়দিয়া তৈয়্যবিয়া মাঠ থেকে। এরপর বের হয় বিবিরহাট → মুরাদপুর → ষোলশহরের ২ নম্বর গেট → জিইসি মোড় → পুনরায় ২ নম্বর গেট → ষোলশহর → মুরাদপুর → বিবিরহাট রাস্তায় প্রদক্ষিণ করে এবং মাদ্রাসা মাঠে গিয়ে দুপুর ১২ টার দিকে নামাজ ও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এবং ট্রাফিক বিভাগ পুরো রুটে নিরাপত্তা, ডাইভারশন ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। ঈদে মিলাদুন্নবী জশনে জলুসে অংশগ্রহণকারীরা খুশি বিতরণে শরবত, জল, কমলা, চকলেট, জিলাপি, খেজুর ইত্যাদি পানীয় ও খাদ্যসামগ্রীও বিনামূল্যে পরস্পরের মধ্যে ভাগ করে । জশনে জলুস সকাল-বেলা থেকে ষোলশহরের জামেয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে শোভাযাত্রা শুরু; দুপুরে একই স্থানে শেষ। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

স্টার ও সুপারস্টার এবং মেগাস্টারের মধ্যে পার্থক্য:বিনোদন জগতে অভিনেতাদের নামের আগে স্টার, সুপারস্টার এবং মেগাস্টার শব্দগ...
21/08/2025

স্টার ও সুপারস্টার এবং মেগাস্টারের মধ্যে পার্থক্য:

বিনোদন জগতে অভিনেতাদের নামের আগে স্টার, সুপারস্টার এবং মেগাস্টার শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। এছাড়া রয়েছে- রেবেল স্টার, গ্যাংস্টার। জনপ্রিয়তার ক্যাটাগরিতে যখন কোন অভিনেতার কাজে জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, তখন তাকে “স্টার” বলা হয়। আবার ঐ অভিনেতা যখন দীর্ঘদিন ধরে কাজটি করতে থাকেন এবং যখন সেই অভিনেতা দেশের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে ওঠে তাকে “সুপারস্টার” আর সেই সুপারস্টার যখন বিদেশেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে তখন তাকে “মেগাস্টার” বলা হয়।

সাধারণত বিনোদন জগতে ব্যবহৃত সুপারস্টার এবং মেগাস্টার শব্দ দু’টির মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। পার্থক্য হলো - অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার এবং অসাধারণ সাফল্য অর্জনে।

সুপারস্টার ও মেগাস্টারের মধ্যে পার্থক্য:
“সুপারস্টার” শব্দটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে (যেমন, অভিনয়, সঙ্গীত, খেলাধুলা) অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জনকারী ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, “মেগাস্টার” শব্দটি ব্যবহার করা হয় যখন কোনো ব্যক্তি কেবল নির্দিষ্ট ক্ষেত্রেই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী অসাধারণ জনপ্রিয়তা এবং স্বীকৃতি অর্জন করে।

যখন কোন অভিনেতা দেশের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে ওঠে তাকে “সুপারস্টার” বলা হয়। অর্থাৎ, “সুপারস্টার” হলেন সেই অভিনেতা যিনি তাদের দেশে অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এই জনপ্রিয়তা তাদের অভিনয় দক্ষতা, চরিত্র নির্মাণ ক্ষমতা, বিনোদনমূলক ক্ষমতা এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য থেকে আসে।

অন্যদিকে, সেই “সুপারস্টার” যখন বিদেশেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, তাকে “মেগাস্টার” বলা হয়। অর্থাৎ, “মেগাস্টার” হলেন সেই অভিনেতা যিনি তাদের দেশের বাইরেও অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এক্ষেত্রে, সকল মেগাস্টার একইসাথে সুপারস্টার, কিন্তু সকল সুপারস্টার একইসাথে মেগাস্টার না।

সর্বোপরি, শব্দ দুটির সঠিক ব্যবহার নির্ভর করে ব্যক্তির খ্যাতির পরিধি এবং প্রভাবের উপর।

প্রকৃতপক্ষে; স্টার, সুপারস্টার, মেগাস্টার অভিনেতার দক্ষতা বোঝানোর এক-একটি বিশেষণ। এই উপমাগুলোর মাধ্যমে একটি পাবলিক মুখের জনপ্রিয়তা দেখানোর চেষ্টা করা হয়। যেমন - কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব থাকার কারণে যার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, তার জন্য “স্টার" শব্দ ব্যবহার করা হয়। যদি একজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কোনো একটি ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন এবং মানুষ তাকে পছন্দ করে, তাহলে তার জন্য “সুপারস্টার” শব্দ ব্যবহার করা হয়। যখন কেউ বিখ্যাত হয়ে ওঠে এবং সেই ব্যক্তিকে শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত লোকেরাই পছন্দ করে না, বরং ব্যাপক স্তরের লোকেরা তাকে পছন্দ করতে শুরু করে তখন তাকে “মেগাস্টার” বলা হয়। এ অবস্থায় বৈশ্বিক পর্যায়েও ব্যক্তির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিটি শ্রেণীর মানুষ তার ভক্ত হয়, তখন তাকে “মেগাস্টার” হিসেবে গণ্য করা হয়।

অনেক তারকা তাদের অভিনয়ের জন্য ভিলেন চরিত্র রূপেও খুব বিখ্যাত হয়, যারা ভিলেন হিসেবেও বিশেষ পরিচিতি তৈরি করেন তাদের বলা হয় “রেবেল স্টার।”

স্টার বা সুপারস্টারের খেতাব পাওয়া সহজ হলেও মেগাস্টারের খেতাব পাওয়া মোটেও সহজ নয়। এরজন্য একজন তারকাকে দীর্ঘ সময় ধরে ভক্তদের মনে রাজত্ব চালিয়ে যেতে হয়।

সুপারস্টার হওয়ার জন্য একজন স্টারের থাকতে হবে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ফ্যান। কোথাও সুপারস্টারের এন্ট্রি মানেই অসংখ্য ভক্তদের ঢল নামবে সেখানে। পর্দায় এক নজর তারকাকে দেখার জন্য দর্শকদের থাকবে উপচে পড়া ভিড়।

সুপারস্টারের এ খ্যাতি অপেক্ষা আরও চারগুণ বেশি থাকে মেগাস্টারের ক্ষেত্রে। মূলত বক্স অফিস রেকর্ড, ফ্যান পেজ, দেশসহ দেশের বাইরেও তারকা খ্যাতি পাওয়া এবং তারকাদের জনপ্রিয়তার আধিপত্যের ওপর ভিত্তি করে এই মেগাস্টারের তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

কিন্তু; আজকাল সংবাদ মাধ্যমগুলো হরহামেশা তারকাদের স্টার বলার পাশাপাশি সবার নামের পাশেই সুপারস্টার শব্দটি ব্যবহার করে থাকে। তাই সুপারস্টার শব্দটি তার প্রকৃত মূল্য হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে সুপারস্টার বা মেগাস্টার খ্যাতি পাওয়া তারকাদের সংখ্যা হাতেগোনা।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে অসংখ্য স্টার রয়েছে, তবে বাংলাদেশি সিনেমার ইতিহাসের সর্বকালের সেরা সুপারস্টার হলেন “সালমান শাহ”। এই সত্যিকারের সুপারস্টারের জন্মনাম
চৌধুরী মুহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ - ০৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬)। সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলাদেশি অভিনেতার তালিকায় প্রথমেই আছে “সালমান শাহ”। মিডিয়াতে “বাংলাদেশি সিনেমার রাজপুত্র” এবং “আধুনিক ঢালিউডের প্রথম সুপারস্টার” হিসাবে উল্লেখ করা হয় এবং তাকে সাধারণত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এবং আইকনিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের “মেগাস্টার” বলা হয় দেশ-বিদেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা “শাকিব খান”-কে।

উল্লেখ্য, সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা উজ্জ্বলের (আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল) মেগাহিট সিনেমা ব্যবসা সফল ও দর্শকদের গ্রহণযোগ্যতা দেখে সাপ্তাহিক চিত্রালির সম্পাদক ও চলচ্চিত্রকার আহমেদ জামান চৌধুরী “মেগাস্টার উজ্জ্বল” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন এবং সেই প্রতিবেদনে অভিনেতা উজ্জ্বলকে “মেগাস্টার” উপাধি দেন। মূলত, চলচ্চিত্রকে মেগাহিট ব্যবসার নিশ্চয়তা দেওয়ার কারণে উজ্জ্বলকে “মেগাস্টার” বলা হত। কিন্তু মেগাস্টারের সংজ্ঞা ভিন্ন। উজ্জ্বলকে বাংলা চলচ্চিত্রের “বিগ-স্টার” নিঃসন্দেহে বলা যায়। এছাড়াও কিংবদন্তি অভিনেতাদের মধ্যে নায়করাজ রাজ্জাক, মহানায়ক মান্না, অ্যাকশন কিংস্টার রুবেল সহ আরও অনেকে অনেক বিশেষণে বিশেষায়িত।

আর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্ত এবং লেডি সুপারস্টার নয়নতারা এবং মেগাস্টার চিরঞ্জীব। দক্ষিণী সিনেমায় রজনীকান্তের পরই, দ্বিতীয় সুপারস্টার হিসেবে ধরা হয় বিজয়কে (চন্দ্রশেখর)। আর ভারতীয় বলিউড সিনেমার একশ বছরের ইতিহাসে সাত মেগাস্টারের নাম যুক্ত হয়েছে। তারা হলেন- ১. দিলীপ কুমার ২. রাজেন্দ্র কুমার ৩. ধর্মেন্দ্র ৪. রাজেশ খান্না ৫. অমিতাভ বচন ৬. সালমান খান ৭. শাহরুখ খান।

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বাপবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ। এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে...
20/08/2025

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ। এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে থাকে। ফারসি ভাষায় 'আখের' অর্থ শেষ, আর 'চাহার শোম্বা' অর্থ বুধবার। অর্থাৎ হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকেই আখেরি চাহার শোম্বা বলা হয়। এ দিনে নবীজি (স.) শেষবারের মতো রোগ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর শোকর আদায় করেছিলেন বলে প্রতি বছর মুসলমানরা শুকরিয়ার দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে থাকেন। সাহাবিদের অনুসরণে এ দিনে দান-খয়রাত করেন মুসলমানরা।

হিজরি ২৩ সনের সফর মাসের শেষ বুধবার মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দীর্ঘ রোগভোগের পর সুস্থ বোধ করেন। দিনটি শ্রদ্ধা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করে মুসলিম বিশ্ব। ২৩ হিজরির শুরুতে মহানবী (সা.) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমে অবস্থার অবনতি হওয়ায় নামাজের ইমামতি পর্যন্ত করতে পারছিলেন না। ২৮ সফর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। ওই দিন শেষবারের মতো গোসল করে নামাজে ইমামতি করেন রাসূল (সা.)। তাঁর সুস্থতার খবরে সাহাবিরা উচ্ছ্বসিত হয়ে হাজার হাজার স্বর্ণমুদ্রা দান করেন। তবে পরদিন আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ১৫ দিন পর ১২ রবিউল আউয়াল ইন্তেকাল করেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বার এই দিনে মুসলমানরা পবিত্র নিয়তে গোসল করেন, দান-খয়রাত করেন এবং দোয়া মাহফিল, খতমে কোরআন, খতমে বোখারী ও খতমে মজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-পবিত্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অধ্যয়ন অধ্যায় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অধ্যয়ন অধ্যায়:

Share