Jalil Faruk

Jalil Faruk Individual

২৪ ঘন্টার ১ ঘন্টা আমার গুগল ম্যাপে কাটে। মানে প্রতিদিন ই আমি গুগল ম্যাপ ইউজ করি। প্রতিটি অঞ্চল, জেলা উপজেলা আমি ঘুরে ঘুর...
30/05/2026

২৪ ঘন্টার ১ ঘন্টা আমার গুগল ম্যাপে কাটে। মানে প্রতিদিন ই আমি গুগল ম্যাপ ইউজ করি। প্রতিটি অঞ্চল, জেলা উপজেলা আমি ঘুরে ঘুরে দেখি।

বাস্তবে ঘুরতে যেমন ভালো লাগে তেমনি গুগল ম্যাপ দেখতে ভালো লাগে। মাঝে মাঝে গুগল আর্থে গিয়ে পুরানো সময়ের ম্যাপ দেখি। কিভাবে নদী পরিবর্তন হয় তা দেখি।পছন্দের জায়গা গুলো পিন ও করে রাখি।

মাঝে মাঝে স্ট্রিট ভিওতে হাটি। আমার মতো হয়ত অনেকেই এই কাজ করে থাকে।

হ্যাপি এক্সপ্লোরিং!

©শাহাদাত

বলার কোনো ভাষা নাই😭
29/05/2026

বলার কোনো ভাষা নাই😭

*বাংলাদেশে কোন হিন্দুকে " জোড় করে কালেমা পড়ানো হয় না * বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘর-বাড়িতে আগুন বা বুল্ডোজার দিয়ে ভাঙ্গা হয় না...
26/05/2026

*বাংলাদেশে কোন হিন্দুকে " জোড় করে কালেমা পড়ানো হয় না
* বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘর-বাড়িতে আগুন বা বুল্ডোজার দিয়ে ভাঙ্গা হয় না ।
* বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুদের ভারতে পুশইন করে না ।
* বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজা করতে নিষেধ করা হয় না ।
* বাংলাদেশের হিন্দুদের পাঠা বা ছাগল বলি দিতে নিষেধ করা হয় না ।
* বাংলাদেশে মন্দির বা মঠ ভাঙ্গা হয় না বরং উলটা পাহারা দেওয়া হয় ।
* বাংলাদেশের মুসলমানরা কোন হিন্দুদের গায়ে অন্যায়ভাবে হাত তোলে না
* বাংলাদেশে মুসলমানরা হিন্দু-খ্রিষ্টান-বৌদ্ধদের মানুষ হিসেবে যথেষ্ট সম্মান করে ।
* বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে ব্যবসা-বানিজ্য এবং হিংসাও করে না ।
* বাংলাদেশের হিন্দুরা বড় বড় সরকারি পদেও বহু কর্মকর্তা কর্মরত রয়েছেন ।

অথচ ভারতে হিন্দুরা মুসলমানদের সাথে যা যা করে তা দুনিয়ার সবাই জানে তবে বাংলাদেশে বসবাস করে কিছু হিন্দু ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী এবং মুসলমান নিধনের উস্কানি দেয় । এরা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শত্রু , বাংলাদেশের জণগনের শত্রু , এদের উদ্দেশ্য কি তা এদের চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি এর ১২৪-এ ধারায় (Section 124/A) আইনের আওত্তায় আনা জরুরী।

©B.M Sabab

পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর প্রেমিকা ছিলেন পদ্মজা নাইডু (সরোজিনী নাইডুর মেয়ে)। জওহরলাল তার সাথে লিভ টুগেদার করতেন। পদ্মজা ভে...
22/05/2026

পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর প্রেমিকা ছিলেন পদ্মজা নাইডু (সরোজিনী নাইডুর মেয়ে)। জওহরলাল তার সাথে লিভ টুগেদার করতেন। পদ্মজা ভেবেছিলেন কমলার মৃত্যুর পর জওহরলাল তাকে বিয়ে করবেন কিন্তু তার আশায় গুঁড়েবালি।

এক সময় তাঁর বিয়ের বয়স শেষ হয়ে যায়। সে না পায় সংসার, না পায় সন্তান । জওহরলাল যদি কোনো সাধারণ ব্যক্তি হতেন তাহলে না হয় পদ্মজা 'বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ' এর মামলা করতে পারতেন। কিন্তু তাঁর মতো ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা শুধু অসম্ভব নয়, অকল্পনীয়ও বটে।

মানুষের ভালোবাসায় প্রত্যাখ্যাত পদ্মজা একসময় কুকুর, বিড়াল পুষতে শুরু করেন। পদ্মজা যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে কলকাতার রাজভবনে আসেন, তখন তার সাথে এসেছিল একটি বিড়াল ও চারটি এলসেশিয়ান কুকুর। তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিল মার্কো।

কলকাতার রাজভবনে মার্কো যেদিন মারা যায়, সেদিন পুরো রাজভবনে নেমে এসেছিল বিষাদের ছায়া। কার্পেটের টুকরো কেটে, সদ্য কেনা তুলো বিছিয়ে খাটিয়ায় কাঁধে চড়িয়ে মার্কোকে রাজভবনের দক্ষিণ পশ্চিম কোণে ছায়া ঘেরা ছোট পুকুর পাড়ে শ্ৰীমতী পদ্মজা নাইডুর সম্মুখে তার অশ্রুসজল চাপা কান্নার মধ্যে সমাধিস্থ করা হয়। সে এক এলাহী কান্ড!

রাজভবনের প্রায় সকল কর্মচারীর চোখেই সেদিন জল। ঘন ঘন টেলিফোনও এলো রাজভবনের টেলিফোনে। পদ্মজার শোক ভোলানোর জন্যে কলকাতার হোমরা চোমরা ব্যক্তিরা ছুটে এলেন সান্ত্বনা দিতে।

মার্কোর মৃত্যু শোকে তৎকালীন সেক্রেটারীর আদেশে কলকাতার রাজভবনের কর্মচারীদের আধাবেলা ছুটি হয়ে যায়। পদ্মজা কবিতা লিখতেন। মার্কোর সমাধির শ্বেত পাথরের ওপর পদ্মজার নিজের লেখা কবিতা খোদাই করা হয়।

১৯৬১ সালের ৭ জুন পদ্মজা দুই মাসের জন্য বিলেত বেড়াতে যান। সে সময় হঠাৎই তার আরেকটি কুকুর মারা যায়। মনিবহীন সেই মৃত কুকুরটিকে লেজে দড়ি বেঁধে রাজভবনের মাঠ দিয়ে টেনে মার্কোর পাশে সমাধিস্থ করা হয়।

তার মৃতদেহ কেউ খাটিয়ায় বহন করেনি, কেউ সামান্যতম শোক প্রকাশও করেনি। রাজ্যপাল পদ্মজা নেই, কে তার কুকুরকে সম্মান দেখাবে! কে পদ্মজাকে দেখিয়ে দেখিয়ে কেঁদে কেঁদে বলবে- ম্যাডাম, মার্কো ইজ গোয়িং, মার্কো ইজ নো মোর। কে কুকুরের শব কাঁধে বইবে?

ছোট্ট এই একটিমাত্র ঘটনা প্রমাণ করে ক্ষমতা থাকলে অনেক চাটুকার কুকুরেরও পা চাটে, অনেকেই সম্মুখে সমব্যথী হওয়ার নিখুঁত অভিনয় করে। ক্ষমতা বা সম্মুখ অবস্থানে থেকে কখনো প্রকৃত হিতৈষীকে চেনা যায় না। প্রকৃত হিতৈষীকে চিনতে হয় ক্ষমতার বাইরে ও আড়ালে থেকে।

@ মুজতবা খন্দকার

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যখন কোনো সমর্থক ছিল না, তখন তাদের সমর্থক হিসেবে কাজ করেছে হিন্দুদের ঘোষ সম্প্রদায়ের লোকেরা। অধ্যাপক ...
20/05/2026

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির যখন কোনো সমর্থক ছিল না, তখন তাদের সমর্থক হিসেবে কাজ করেছে হিন্দুদের ঘোষ সম্প্রদায়ের লোকেরা।

অধ্যাপক অমলকুমার ঘোষ, অসীম ঘোষ ও মুরলীধর ঘোষেরা ছিলেন বিজেপির নেতৃত্বে। তখন ক্ষমতায় ছিল বামেরা। বিজেপির কোনো নামগন্ধও কলকাতায় ছিল না। এই ঘোষরা খেটেখুটে বিজেপিকে নিয়ে এসেছে।

হিন্দুদের প্রত্যেক সম্প্রদায়ের পৃথক পৃথক পেশা আছে। ঘোষদের পেশা মূলত কৃষিকাজ, গৃহস্থালি পশুপালন এবং নথিপত্র লেখা। আরও নির্দিষ্ট করে বললে ‘গরু লালনপালন করা’।

ঘোষ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘গোষ্ঠ’ থেকে। এর দুটি অর্থ পাওয়া যায়।
১. গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে চলা।
২. আওয়াজ, ধ্বনি, চিৎকার, ডাকাডাকি করা।

এই ‘গোষ্ঠ’ থেকেই এসেছে গো বা গরু। যেহেতু গরু গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে চলে, তাই গরু বলা হয়। আর যারা গরু লালনপালন করে তারা ঘোষ।

ঘোষদের আবার কয়েকটা গ্রুপ আছে। প্রধানত তিনটা গ্রুপ; ১. কুলীন/কায়স্থ ঘোষ। ২. গোয়ালা যাদব ঘোষ। ৩. সদগোপ।

কুলীন/কায়স্থদের পেশা হলো রাষ্ট্রীয় নথিপত্র লেখালিখির চাকরি করা। এজন্যই তাদের ‘কুলীন’ বা বংশধারী বলা হয়।

গোয়ালাদের পেশা হলো গরু লালনপালন, দুধ বেচাকেনা, দুধ দিয়ে মিষ্টি তৈরি করা ইত্যাদি। প্রাচীনকাল থেকেই তারা তারা গরু সংক্রান্ত পেশার সাথে জড়িত। এজন্য দেখবেন, আপনার আশেপাশে হিন্দুদের মিষ্টির দোকানগুলোর বেশির ভাগই ঘোষদের দ্বারা পরিচালিত।

তো এই ঘোষ সম্প্রদায়ের লোকেরা একচেটিয়াভাবে সমর্থন করে বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছে। তারা ক্ষমতায় এসে প্রথম আঘাতটাই করেছে ঘোষদের রিজিকে। গরু বেচাকেনা নিষিদ্ধ। ১৪ বছরের কম বয়সি গরু জবাই করা আইনত অবৈধ।

গরু পালে হিন্দুরা, কিনে মুসলমানরা। একেকজন ঘোষ গরু লালনপালন করার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নেয়। বিক্রি হওয়ার পর সেই ঋণ পরিশোধ করে।

এখন যেহেতু রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তাই মুসলমানরা এখন আর গরু কিনবে না। ১৪ বছর বয়সি বুড়া গরু কে কিনতে যাবে? তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন হাটে গরু কেনাবেচা বয়কট ঘোষণা করেছে। ফলে মাথায় হাত পড়েছে হিন্দুদের।

যে ঘোষরা বিজেপিকে শক্তিশালী করেছে, তাদের আয়-উপার্জনেই প্রথম আঘাতটা করেছে বিজেপি। তাই ‘খাল কেটে কুমির আনা’–এর উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত পেয়েছে তারা।

@ মুহাম্মদ সাদ সাকী

কলকাতার বিভিন্ন মিডিয়ায় ও সামাজিক মাধ্যমে গরিব হিন্দু খামারীদের কান্নাকাটি দেখে বেশ খারাপ লাগছে। এইসব প্রান্তিক খামারি...
18/05/2026

কলকাতার বিভিন্ন মিডিয়ায় ও সামাজিক মাধ্যমে গরিব হিন্দু খামারীদের কান্নাকাটি দেখে বেশ খারাপ লাগছে। এইসব প্রান্তিক খামারিরা কেউ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেউবা মা বোন বউদের স্বর্ণের গহনা বন্ধক রেখে খামারের পুঁজি জোগাড় করেছেন।

সারা বছর খামারের পেছনে নিজেরাই খাটেন। গরুর খাবারের পেছনে বেশ মোটা খরচা আছে। এত সব পরিশ্রমের পরেও তারা আশায় থাকেন কোরবানির ঈদে মুসলমানদের কাছে গরু বিক্রি করে সামান্য মুনাফা করবেন।

সেই মুনাফা থেকে ব্যাংকের ঋণ শোধ হবে। কিছু অংশ দিয়ে আবার নতুন গরু কিনবেন। আর বাকি অংশ দিয়ে নিজেদের সারা বছরের খাবার খরচ হয়ে যাবে। সেই দু মুঠো অন্নের পাতে আজ লাথি মারতে চলেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।

এই পরিস্থিতিতে মুসলমানদের হিসাব বেশ পরিষ্কার। তারা দেখছে হাটে বাজারে খামারীদের কাছ থেকে গরু কেনা মাত্র তারা টাকা নিয়ে চলে যাবে। কিন্তু মুসলিম ক্রেতা গরু নিয়ে বের হলেই ভক্তরা হামলা করবে। গরু তো কেড়ে নেবেই, সেইসাথে প্রাণটাও যেতে পারে।

গরুর বদলে ছাগল কিংবা দুম্বা দিয়ে কোরবানি করা যেতে পারে কিন্তু প্রাণ গেলে ফেরত আসবে না। তাই মুসলিমরা এবার গরু না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে গরীব হিন্দু খামারিদের মাথায় বজ্রপাত হতে চলেছে।

তারা কান্নাকাটি করে মিডিয়ার সামনে শুভেন্দুর কাছে বিষ অথবা গলায় দেওয়ার দড়ি চাইছেন। গরু বিক্রি না হলে ব্যাংকের ঋণ শোধ হবেনা। তখন ব্যাংকের লোক ঘরের চাল খুলে নিয়ে যাবে। আর গরুগুলো কম দামে বিজেপি নেতাদের ফ্যাক্টরিগুলো কিনে নেবে।

গরু ও পুঁজি দুটোই হারিয়ে গেলে হয় তাদের বিষ খেতে হবে অথবা গলায় দড়ি দিতে হবে। গরু জবাই বন্ধ করে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের চাপে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে গরিব হিন্দু খামারীরাই বেশি চাপে পড়েছে।

পৃথিবীর সর্বত্র রাজনীতির শিকার সবচেয়ে প্রান্তিক লোকেরাই হয়ে থাকে। গরিব হিন্দু খামারিদের কান্নাকাটির দুই একটা নমুনা কমেন্টে।

১৯৭১ সালে ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনী যখন আত্মসমর্পণ করে,ঠিক সেই মুহূর্তে দিল্লির পার্লামেন্টে ইন্দিরা গান্ধী একটা কথা বলেছ...
13/05/2026

১৯৭১ সালে ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনী যখন আত্মসমর্পণ করে,
ঠিক সেই মুহূর্তে দিল্লির পার্লামেন্টে ইন্দিরা গান্ধী একটা কথা বলেছিল, ‘হাজার সালকা বদলা লিয়া’- হাজার বছরের প্রতিশোধ নিলাম।

এই একটি মাত্র কথা থেকে আপনি বুঝতে পারবেন, ভারত কেন আমাদেরকে সাহায্য করেছিল।

মমতাকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের পর এই উ*গ্র,বা'দী,রা তাদের প্রোফাইলে,

Revival of Hindutva, Awakening of Hindutva, Awakening of Bharat Mata, A Sacred Land Reclaimed, Bengal is the birthplace of Hindutva, Hindus have reclaimed Bengal after 800 years (অনুবাদ কমেন্ট দেখুন)

এই জাতীয় কথাগুলো ব্যপকভাবে প্রচার করছে।

এই কথাগুলোর অর্থ কী এবং সেই ৮০০ বছর কোথা থেকে এলো এটা একটু জেনে রাখা দরকার।

এই ৮০০ বছর এসেছে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির হাতে সর্বশেষ হিন্দু রাজা লক্ষণ সেনের পতনের মধ্য দিয়ে।

বাংলায় প্রথম বাঙালি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল রাজাদের হাত ধরে (৭৫০-১১৭৪ খ্রিস্টাব্দ)।

কিন্তু দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটক থেকে আসা বিজয় সেন কর্তৃক পাল রাজাদের বিতাড়িত করার মাধ্যমে বাংলায় সেন বংশের শাসন শুরু হয় (১১৭০-১২০৪)।

সেন রাজবংশ উচ্চবর্ণের উ'/গ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী ছিল।

তুর্কি সেনাপতি বখতিয়ার খিলজির কাছে লক্ষণ সেনের পতনের মধ্য দিয়ে বাংলায় হিন্দু উ,গ্র'বা,দী'দে,র পতন ঘটে এবং এর পরে আর কখনোই তারা বাংলা দখলে নিতে পারেনি।

এই শাসনামল টিকে ছিল ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

এরপর সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের মাধ্যমে বাংলায় ইলিয়াস শাহী রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়, যা ইতিহাসে বাঙ্গলা সালতানাত নামে পরিচিত (১৩৪২-১৫৭৬)।

এই সালতানাতের পর শুরু হয় মুঘল শাসনামল (১৫৭৬-১৭১৭)।

এরপর আসে নবাবী শাসন (১৭১৭-১৭৫৭)।

পলাশীর আম্র কাননে রবার্ট ক্লাইভের কাছে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় শুরু হয় ব্রিটিশ শাসন আমল (১৭৫৭-১৯৪৭)।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় পশ্চিমবাংলার বাঙালি হিন্দুরা ভারতের সাথে অঙ্গীভূত হয়ে থাকাকে বেছে নিলে শুরু হয় বাংলায় কংগ্রেস ও বামদের শাসন।

এই দুই দল বা তাদের সমর্থিত জোট বিভিন্ন নির্বাচনে ঘুরেফিরে একের পর এক রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব উপভোগ করে।

২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবাংলায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।

২০ মে ২০১১ থেকে ৪ মে ২০২৬ টানা ১৫ বছর পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার পর সর্বশেষ নির্বাচনে স,/ন্ত্রা'সী' হিন্দুত্ববাদী বিজেপির কাছে ভূমিধস পরাজয় ঘটে।

এর মধ্য দিয়েই ৮০০ বছর পর আবার পশ্চিম বাংলার রাষ্ট্র ক্ষমতায় হিন্দুত্ববাদীরা ফিরে আসে।

এটাকেই তারা Revival, Awakening, Reclaim — বাংলায় হিন্দুত্ববাদের পুনরুজ্জীবন, জাগরণ বা পুনরুত্থান বলে গর্বের সাথে দাবি করছে।

অপরদিকে মুসলিমরা নিজেদেরকে গনতান্ত্রিক মডারেট মুসলিম প্রমাণ করার জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।

একটি কথা,
কোননটা সত্যি কোনটা মিথ্যা সেটা পাঠক বিচার করবে। জ্ঞানপিপাসুরা অবশ্যই সেটা খুঁজে বের করবে। এ ব্যাপারে আমি অতটুকু জানিনা। যারা সঠিক জানেন অবশ্যই বলবেন। আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন।

৩৪ লাখ টাকা পাওনা এক কোম্পানীর মালিকের কাছে। ৬ মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। আজকে টিমের পোলাপান সবগুলোরে একসাথে পাঠালাম!" যেভাবেই হো...
08/05/2026

৩৪ লাখ টাকা পাওনা এক কোম্পানীর মালিকের কাছে। ৬ মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। আজকে টিমের পোলাপান সবগুলোরে একসাথে পাঠালাম!" যেভাবেই হোক টাকা তুলে নিয়ে আসবি। টাকা তুলতে না পারলে একটারও চাকুরী নাই।"

ম্যানেজার মুনেজার সব লেংটি কেচে দৌড় দিয়েছে। সব মিলে হৈ হোল্লড় করতে করতে বেরিয়ে গেল৷ দুপুরে ফোন দিয়ে ম্যানেজার বললো " বস! এমডি আপনারে আসতে বলে!" গেলাম আমি।

মালিকের সাথে মিটিং এ বসলাম। সে খুব ব্যাস্ততা দেখালো। ফোনে কথা বলে। পিয়নকে ডাকে৷ তার একাউন্টসের জিএমকে ডাকে। তাদের আমার সামনেই ধমকাধমকি করে। আমিও তার ব্যাস্ততা উপভোগ করলা। প্রায় ৫ মিনিট তার এক্টিং চললো। এরপর আমার দিকে তাকিয়ে বললো, "আপনাদের মালে কিছু সমস্যা ছিল। বিলের পেপারসেও সমস্যা। এগুলো ঠিক করে নিয়ে আসেন।" আমি বুঝতে পারছি সে ঘুরাচ্ছে। এরকম সে এর আগেও বহুবার করেছে।

আমি তার অফিস থেকে বের হয়ে কল দিলাম খোকন ভাইকে। বললাম "ভাই একটু আসতে হবে গুলশানে। খুহ জরুরী। একটা ঝামেলায় পড়েছি!" উনি বললেন, "আমি আছিই গুলশান। কই আসতে হবে বলো ছুডু ভাই? পোলাপান লাগবে? আমি বললাম ভাই শুধু আপনি এলেই হবে।"

উনি আসলেন। আমি উনাকে সব খুলে বললাম। এবং আরও বললাম ভাই টাকা তুলে দিতে পারলে " ১ লাখ আপনার। উনি সাথে সাথে বললেন "কয় ট্রাক পোলাপান লাগবে, খাড়াও কল দেই। আমি বললাম ভাই "কিছু লাগবে না। আপনি শুধু একটু গরম দেখাবেন।" ওকে, চলো চলো! গরম দেখাইয়া আসি।

উনাকে নিয়ে আবার ভেতরে গেলাম। পেছনে টিমের পোলাপান হাতা মাতা গুটিয়ে ঢুকেছে। তারা ভাবছে মাইরপিট করতে হবে। আজকে এসপার উসপার হবে। খোকন ভাই ঢুকেই রিসিপশনে বললেন, "এই আপনার মালিক কই? ঢাকেন!" রিসিপশনে ছিল একটা মেয়ে। সামনে একটা প্লেটে কিছু আনারস রাখা। ডেস্কের নীচে মুখ দিয়ে আনারস ভর্তা খাচ্ছিল। টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে সে ভয় পেয়ে প্রায় দৌড়ে ভেতরে চলে গেল। খোকন ভাই বললো, "ছুডু ভাই! এসব ডাকাডাকি আমার ধাঁচে নাই। চলো ভেতরে চলো। ওরে ওর রুমে গিয়ে ধরি৷"

খোকন ভাই এগিয়ে গেলেন। আমি উনার পেছনে। আমার পেছনে টিমের পোলাপান তাবলীগের লাইনের মতো সিরিয়াল ধরে এগুতে লাগলো।

এমডির রুমে ঢুকেই খোকন ভাই হুংকার ছুড়ে দিলেন। উনার একটা প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে সরাসরি মালিককে বললেন- "৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা না দিলে আজকে আপনি বাসায় ফিরতে পারবেন না। বাইরে দুই ট্রাক পোলাপান ফালাইয়া রাখব দিন রাত।" মালিক আমাকে দেখলেন। বেশ ঘাবড়ে গেলেন। বললেন, "নাদিম ভাই, ইনি কে?"আমি বললাম "আমার বস।" খোকন ভাই এটা শুনে আরও খুশি হলেন। দ্বিগুন উৎসাহ নিয়ে ২য় দফায় আরও জোড়ালো থ্রেড দিলেন। এবার আপনি থেকে সরাসরি তুই তোকারিতে চলে গেলেন " জানের মায়া থাকলে এখনই টাকা ফেল।" এই বলে আবারও প্যান্টের পকেট নাড়াচাড়া করতে লাগলেন!" আরও কিছু বাকবিতন্ডা শেষে মালিক চেক লিখে দিল ১৫ লাখ টাকার। বললো, বাকীটা সামনের সপ্তাহে দিবে।

খোকন ভাই চেক হাতে নিয়ে বললেন, " সামনের সপ্তাহে ঠিক এই সময় আমার পোলাপান আসবে। যদি কথা হের ফের হয়, তুলে নিয়ে এমনভাবে গা* ব করে দিব যে র‍্যাবের কু// ত্তাও তোর লা: শ খুঁজে পাবে না।" এই বলে খোকন ভাই বেরিয়ে আসলেন। বাইরে এসে চেকটা আমার হাতে দিলেন। আমার টিমের পোলাপান ইম্প্রেসড। পারলে খোকন ভাইয়ের পায়ে ধরে সালাম করে ফেলে।

খোকন ভাই আমাকে নিয়ে একটু সাইডে এলেন। এসে বললেন "ছুডু ভাই কিছু টাকা আমার নাম্বারে বিকাশ করে দিও।" আমি বললাম, দিয়ে দিব ভাই। কোন সমস্যা নাই। আচ্ছা ভাই, আপনার পকেটে কি মেশিন মুশিন আছে নাকি? খোকন ভাই হাসলেন। ছুডু ভাই! মেশিন কি পকেটে রাখার জায়গা? আমার রানের চিপায় চুলকানি হইসে। খালি চুলকায়। এ জন্য এক পকেটে হাত ঢুকিয়ে একটু চুল্কাইয়া নিচ্ছিলাম আর কি! কিন্তু হ্লায় ভয় পাইসে এইটা দেখেই। হাহাহহা! খোকন হেসে হেসে একটা রিক্সা ডাকলেন। "বিকাশ করে দিও তাইলে। গেলাম ছুডু ভাই!" খোকন ভাই চলে গেলেন।

আমার টিমের পোলাপান দূরে দাঁড়িয়ে আছে সব। ম্যানেজার জিজ্ঞাসা করলো, বস উনি কি বড় কোন সন্ত্রা**!? আমি বললাম "উনি খোকন ভাই। আমার এলাকার রকি ভাই। বিএনপি নেতা।" ম্যানেজার কিছু বুঝলো বলে মনে হলো না।

অফিসে একাউন্টে চেক জমা দিয়ে আমি আমার ব্যাক্তিগত একাউন্ট থেকে ৫০ হাজার টাকা খোকন ভাইকে বিকাশ করে দিলাম। সাথে সাথে খোকন ভাই ভুল ইংরেজিতে একটা মেসেজ দিলেন "Sarvise ok. Thonk yuo!"

©জায়েফ খান নাদিম

কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের একটা জিনিস ইন্টারেস্টিং- তারা বাংলায় বাঙালির আধিপত্য চায়। কিন্তু সে বাঙালিটাকে অবশ্যই হিন্দু হতে...
03/05/2026

কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের একটা জিনিস ইন্টারেস্টিং- তারা বাংলায় বাঙালির আধিপত্য চায়। কিন্তু সে বাঙালিটাকে অবশ্যই হিন্দু হতে হবে।

কিন্তু সে বাঙালি যদি মুসলিম হয়, তবে তারা ভীন অঞ্চলের হিন্দুর কাছে নিজেকে সমর্পন করতেও দুইবার চিন্তা করে না।

১৯৪৭ সালে সোহরাওয়ার্দী, শরত বসুরা চিন্তা করলো বাঙলা - ভারত, পাকিস্তান দুই ইউনিয়নের একটাতেও না গিয়ে - তৃতীয় দেশ হিসেবে থাকবে।

জিন্নাহ সব শুনে রাজি হলো। আগ্রহ নিয়ে বললো, তবে বাঙালিরা যদি এক সাথে থেকে; ভালো থাকে। তাহলে বাঙলাকে ভাগ খামোখা।

গান্ধী, নেহেরু, কলকাতার হিন্দু নেতাদের বললেন, তোমরা যে দুই বাঙলার একত্রিত থাকা চাও? কোন দিন কোন হিন্দু বাঙলায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে? এখন পর্যন্ত কয়জন হিন্দু বাঙলায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছে ( শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীর দিকে ইঙ্গিত করে)। বাঙলায় মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাই বাঙলা ভাগ আমাদের চাই-ই চাই।

কলকাতার হিন্দু নেতারাও চিন্তা করে দেখলেন, কথা আসলেই সঠিক। বাঙলায় বাঙালি মুসলান সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে।

তাই তারা ভারতে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। যে বাঙালি হিন্দুরা ১৯০৫ সালে ঢাকা ও আসামকে আলাদা প্রদেশ করায় তীব্র আন্দোলন শুরু করেছিলো, বঙ্গ মায়ের অঙ্গহানি বলেছিলো। তারাই এবার ১৯৪৭ সালে বাংলাকে ভাগ করে ভারতে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

গুজরাটি নেহেরু, গান্ধির পদতলে নিজেদের সমর্পন করে। আজ পর্যন্ত একজন সর্ব ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হতে পারে নাই। তথচ ৫ জন বাঙালি পাকিস্তানের ২৩ বছরের ইতিহাসে নিখিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলো।

এখনো ওয়েস্ট বেঙ্গলের এক দল বাঙলাকে গুজরাটি মোদি অমিত শাহের কবল থেকে বাচাতে চায়। আরেক দল দেখে পশ্চিম বঙ্গে মুসলমানদের মমতা তোয়াজ করে। কাজেই মমতা হঠাও। গুজরাটির কাছে মাথা নত করো।

এ যাত্রায় হয়ত মমতা টিকে যাবে। কিন্তু আর কয় দিন?

কলকাতা যেদিন বাংলা থেকে আলাদা হয়েছে, সেদিনই তারা নিজেদের দুর্বল করে ফেলেছে। অথচ বাঙলা প্রদেশে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হলেও সব নেতৃস্থানীয় জায়গায় ছিলো তারা। বাঙালি মুসলমান।ছিলো মুলত পুর্ববঙ্গের চাষাভুষা।

পশ্চিম বঙ্গের আর ফিরে আসার কিছু নাই। দিন দিন তাদের অবনতি হবেই। ১০ কোটি ভেতো বাঙালি একত্রিত হয়ে যতই স্বজাতিপ্রেমের কথা বলুক না কেন! সেখানে মুলত উগ্রধর্মবাদই জিতবে।

পশ্চিম বঙ্গের বাঙালি পুর্ব বঙ্গের বাঙালির মত স্বাধীনচেতা নয়।

©Ekjon Ghunpuka

26/04/2026

শৈশবের সেই দিনগুলো কি সত্যিই হারিয়ে গেছে,
নাকি আমাদের ব্যস্ততার ভিড়ে কোথাও লুকিয়ে আছে? 🌿🌧️

​সিলেটের বর্ষা মানেই ছিল এক উৎসব।
মনে পড়ে কি? যখন আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামত,
আমরা মেতে উঠতাম এক অন্যরকম আনন্দে।
সেই দিনগুলোকে আবারও ফিরে পাওয়ার একটা ছোট উদ্যোগ নিতে চাই।
বৈশাখী ঝড় আর আষাঢ়ের অঝোর ধারায় আমরা কি পারি না আবারও সেই শৈশবকে ছুঁয়ে দেখতে?

​আমাদের এই বর্ষার আয়োজনে যা যা থাকতে পারে:

​🎣 মাছ ধরার উৎসব:
বর্শি বা ছোট জাল নিয়ে খালের পাড়ে বা ডোবায় মাছ ধরার সেই চেনা আনন্দ।

​⚽ কাদা-মাঠে ফুটবল:
বৃষ্টিতে ভিজে কাদা মাখামাখি হয়ে ফুটবল খেলা—যেখানে হার-জিতের চেয়ে বড় ছিল অট্টহাসি।

​☕ গাছের নিচে আড্ডা ও চা:
বড় কোনো রেইনট্রি বা বটগাছের নিচে বসে গরম চা। বৃষ্টির ফোঁটা গাছের পাতা গলে যদি চায়ের কাপে এসে পড়ে, সেই স্বাদ যেন কোনো ক্যাফের কফিতেও নেই!

​🛶 নৌকা ভ্রমণ:
সিলেটের হাওর বা বিলে নৌকায় বসে বৃষ্টির গান শোনা।

​শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করতে কার না ভালো লাগে? যান্ত্রিক জীবন থেকে ছুটি নিয়ে এবার না হয় আমরা সবাই মিলে একটা দিন 'শৈশব' যাপন করি।
​আপনারা কি সাথে আছেন? আরও কোনো আইডিয়া থাকলে কমেন্টে শেয়ার করুন। চলুন, এবারের বর্ষাটা হোক আমাদের সোনালী দিনের মতো! ⛈️💚

​ #শৈশবেরবর্ষা #সিলেট

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jalil Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jalil Faruk:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share