মিথিলা আকন্দ

মিথিলা আকন্দ A collection of quiet storms, unspoken verses, and skies I carry within.

আমি আর সবকিছু ধরে রাখার চেষ্টা করিনা। বরং বেছে নেই—কী রাখবো, আর কী ছেড়ে দেবো।কারণ জীবনটা ভার নিয়ে নয়, হালকা হয়ে বাঁচার জ...
08/04/2026

আমি আর সবকিছু ধরে রাখার চেষ্টা করিনা। বরং বেছে নেই—কী রাখবো, আর কী ছেড়ে দেবো।

কারণ জীবনটা ভার নিয়ে নয়, হালকা হয়ে বাঁচার জন্য।

একটা নরম কোল দরকার আর নিঃস্বার্থ আদর। ঝড়ে ভেজা পাতাটার ঘর দরকার আর এক টুকরো চাদর।
06/04/2026

একটা নরম কোল দরকার আর
নিঃস্বার্থ আদর।
ঝড়ে ভেজা পাতাটার ঘর দরকার আর
এক টুকরো চাদর।

Don’t be an open book to everyone.সব কথা সবার কাছে বলতে নেই…কারণ সবাই সব বুঝবে না—কেউ কেউ ব্যবহার করবে।রাগের মাথায় নেওয়া...
03/04/2026

Don’t be an open book to everyone.

সব কথা সবার কাছে বলতে নেই…
কারণ সবাই সব বুঝবে না—কেউ কেউ ব্যবহার করবে।

রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত,
পরে অনেক বড় কষ্ট হয়ে ফিরে আসে।

সম্পর্ক ভাঙা সহজ…
কিন্তু ভাঙার পরের শূন্যতা, তিক্ততা—
ওটা বয়ে নেওয়া সহজ না।

অনেকে ভেঙে আবার ফেরে…
ভালোবাসার জন্য না,
বরং অভ্যাস, একাকীত্ব আর প্রয়োজনের জন্য।

কিন্তু সত্যিটা হলো—
“ম্যানেজ” করে বেঁচে থাকা মানে বেঁচে থাকা না।

তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে—
চুপ হয়ে যান।
নিজেকে সময় দিন।
নিজের জন্য প্রস্তুতি নিন।

কারণ—
অপ্রস্তুত সিদ্ধান্ত,
সবচেয়ে বেশি ভাঙে আপনাকেই।

মিথিলা আকন্দ

প্রিয় নিজ, আমি তোমাকে সময় দিচ্ছি কারণ তুমি হিল হওয়ার যোগ্য। আমি তোমার কাছে দুঃখিত, কারণ তোমাকে সারাজীবন স্ট্রেসে রেখেছি।...
02/04/2026

প্রিয় নিজ, আমি তোমাকে সময় দিচ্ছি কারণ তুমি হিল হওয়ার যোগ্য। আমি তোমার কাছে দুঃখিত, কারণ তোমাকে সারাজীবন স্ট্রেসে রেখেছি। আমি তোমাকে ভালোবাসি , ভালো দিন এবং খারাপ দিনেও। অগাছোলো এবং ইমপার্ফেক্ট তোমাকেও। আমি সব সময় তোমার পাশে আছি, তোমার ভেতরে তোমার জন্য একটা নিরাপদ আশ্রয় বানানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের নাট্যজগতে যে পরিবর্তন দৃশ্যমান, তা শুধু বিনোদনের ধরণ বদলাচ্ছে না—এটি আমাদের সমাজের চিন্তাভাবনাকে...
31/03/2026

গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের নাট্যজগতে যে পরিবর্তন দৃশ্যমান, তা শুধু বিনোদনের ধরণ বদলাচ্ছে না—এটি আমাদের সমাজের চিন্তাভাবনাকেও নতুনভাবে গড়ে তুলছে। “এটা আমাদেরই গল্প”–এর মতো নাটক দেখিয়ে দিয়েছে, দর্শক আসলে কী চায়: বাস্তবতা, সম্পর্কের গভীরতা এবং পারিবারিক মূল্যবোধ। সুস্থ বিনোদন গ্রহণ করা আমাদের জন্য শুধু পছন্দের বিষয় নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব। কারণ আমরা যা দেখি, তা ধীরে ধীরে আমাদের চিন্তা, ভাষা, আচরণ—সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলে। ভালো গল্প মানুষকে সহানুভূতিশীল করে, পরিবারকে গুরুত্ব দিতে শেখায়, এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করে।

অন্যদিকে, অসুস্থ বা অশালীন বিনোদন আমাদের মানসিকতাকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি সম্পর্ককে হালকা করে তোলে, অযথা নাটকীয়তা ও অশ্রদ্ধাশীল আচরণকে স্বাভাবিক করে তোলে, এমনকি তরুণ প্রজন্মের মাঝে ভুল বার্তা ছড়িয়ে দেয়। যখন মানুষ বারবার এমন কনটেন্ট দেখে, তখন সেটাই তার কাছে “স্বাভাবিক” মনে হতে শুরু করে—যা একটি সমাজের জন্য খুবই বিপজ্জনক। Neil Postman একবার বলেছিলেন, “We are what we watch”—আমরা আসলে তাই হয়ে উঠি, যা আমরা নিয়মিত দেখি। এই কথার ভেতরেই লুকিয়ে আছে বড় সত্য।

তাই একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত সচেতনভাবে ভালো কনটেন্ট বেছে নেওয়া এবং খারাপ কনটেন্টকে প্রত্যাখ্যান করা। কারণ দর্শকই নির্ধারণ করে কোন ধরনের শিল্প টিকে থাকবে। আমরা যদি রুচিশীল বিনোদনকে সমর্থন করি, তাহলে নির্মাতারাও বাধ্য হবেন মানসম্পন্ন কাজ করতে। আর যদি আমরা চুপচাপ অসুস্থ বিনোদন গ্রহণ করি, তাহলে সেটাই আরও বাড়বে।

একটি উন্নত সমাজ গড়তে শুধু অর্থনীতি বা প্রযুক্তি যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন সুস্থ সংস্কৃতি। আর সেই সংস্কৃতির বড় অংশ গড়ে ওঠে আমাদের বিনোদনের মাধ্যমেই। তাই এখনই সময়, নিজের পছন্দের মাধ্যমে আমরা যেন প্রমাণ করি—আমরা শুধু দর্শক নই, আমরা একটি উন্নত সমাজের নির্মাতা।

মিথিলা আকন্দ

Thanks Cinemawala

বিদেশে আসার পর একটা অদ্ভুত চর্চার দেখা পেয়েছি। এখানে অনেক মহিলাকে নিজের পরিচয়ে নয়, বরং স্বামীর পরিচয়ে ডাকা হয়। যেমন ধরুন...
28/03/2026

বিদেশে আসার পর একটা অদ্ভুত চর্চার দেখা পেয়েছি। এখানে অনেক মহিলাকে নিজের পরিচয়ে নয়, বরং স্বামীর পরিচয়ে ডাকা হয়। যেমন ধরুন—আপনার স্বামীর নাম যদি মনির হয়, তাহলে আপনাকে বলা হবে “মনির ভাবী”।

শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও, এর ভেতরে একটা নীরব নিষ্ঠুরতা লুকিয়ে আছে।

কারণ, এখানে এমন অনেক নারী আছেন যাদের সাথে হয়তো তাদের স্বামীর সম্পর্ক ভালো না, কেউ আলাদা থাকছেন, কারো হয়তো আর সম্পর্কই নেই। আবার কেউ এমন যিনি স্বামীর কাছ থেকে কোনো সাপোর্ট পান না, একা লড়াই করে নিজের ক্যারিয়ার দাঁড় করিয়েছেন। তবুও তাদের পরিচয় একই—কারো “বউ” হিসেবে। যেন একজন নারী নিজের নামে, নিজের পরিচয়ে, নিজের অর্জনে আলাদা করে কিছুই না।

আপনি যতই কষ্ট করে নিজের পরিচয় গড়ে তুলুন, নিজের জন্য লড়াই করুন—দিনশেষে আপনাকে কেউ আপনার নাম ধরে ডাকছে না। আপনাকে ডাকা হচ্ছে কারো সাথে যুক্ত করে।

এই ছোট্ট বিষয়টা অনেকের কাছে তেমন কিছু না হলেও, কারো কারো জন্য এটা গভীর এক অস্তিত্ব সংকট।

কারণ, একজন মানুষের নাম শুধু একটি শব্দ না—এটা তার পরিচয়, তার স্বাধীনতা, তার নিজের হয়ে ওঠার গল্প। একটি নামের মধ্যে থাকে তার শৈশব, তার সংগ্রাম, তার স্বপ্ন, তার অর্জন। যখন আমরা কাউকে তার নাম ধরে ডাকি, তখন আমরা তার ব্যক্তি সত্তাকে সম্মান করি, তাকে একজন স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে স্বীকার করি।

অন্যদিকে, যখন আমরা কাউকে শুধু কারো “স্ত্রী” হিসেবে চিহ্নিত করি, তখন অজান্তেই আমরা তার নিজের পরিচয়টাকে ছোট করে ফেলি। আমরা তাকে একজন সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে না দেখে, অন্য কারো সাথে যুক্ত একটি পরিচয়ে সীমাবদ্ধ করে দিই।

শেষমেশ, বিষয়টা খুব সহজ—
একজন নারী শুধু কারো “স্ত্রী” না। তিনি নিজেই একজন পূর্ণ মানুষ, যার একটি নাম আছে, একটি পরিচয় আছে, একটি আলাদা গল্প আছে।

তাই আসুন, আমরা মানুষকে তার নিজের নামে ডাকি।
কারণ, নাম ধরে ডাকা মানে শুধু সম্বোধন নয়—
এটা একজন মানুষের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।

মিথিলা আকন্দ

আপনারা কি কেউ আমার মতো—না বলা কথাগুলো যত্ন করে লিখে আবার ডিলিট করে দেন?ধরেন, কারো কথায় বা আচরণে কষ্ট পেলাম। কখনো বিরক্তি...
27/03/2026

আপনারা কি কেউ আমার মতো—না বলা কথাগুলো যত্ন করে লিখে আবার ডিলিট করে দেন?

ধরেন, কারো কথায় বা আচরণে কষ্ট পেলাম। কখনো বিরক্তি, কখনো ক্লান্তি, কখনো অকারণ চিন্তা… গলার নিচে জমে থাকা কষ্ট তখন শব্দ খোঁজে। আমি ঝটপট লিখে ফেলি—যা বলা হয়নি তা।

লিখে ফেলি সব অভিমান, সব না-পারা, সব জমে থাকা শব্দ।
তারপর কয়েকবার পড়ি। নিজের ভেতরটা ধীরে ধীরে শান্ত হয়। মনে হয়—বলেছি, যদিও বলা হয়নি।

তারপর… ডিলিট করে দিই।

মাঝে মাঝে ভাবি, নিজের সাথে এই লেখাজোখার সম্পর্কটা যদি না থাকত, তাহলে হয়তো আমি নিজেকেই সামলাতে পারতাম না।
এই না-পাঠানো চিঠিগুলোই হয়তো আমাকে ভেঙে পড়া থেকে বাঁচিয়ে রাখে।

মিথিলা আকন্দ

একটা বয়সে এসে ভালো লাগার ধরন সত্যিই বদলে যায়।আগে গয়না পরতে ভালো লাগত না—এখন লাগে।  আগে ঘরের নীরবতা পছন্দ ছিল—এখন মানুষের...
23/03/2026

একটা বয়সে এসে ভালো লাগার ধরন সত্যিই বদলে যায়।

আগে গয়না পরতে ভালো লাগত না—এখন লাগে।
আগে ঘরের নীরবতা পছন্দ ছিল—এখন মানুষের শব্দ, হাসি, কথাবার্তায় এক ধরনের শান্তি পাই।
যে সবজি একসময় মুখে তুলতেই ইচ্ছে করত না—ঢেঁড়স, করলা, লাউ—এখন সেগুলোই তৃপ্তি নিয়ে খাই।
আগে শাড়ি খুব ভালো লাগত, এখনো লাগে—তবে এখন কমফোর্টটাই আগে দেখি।

একসময় লোকে কী ভাববে, নিজেকে প্রমাণ করতে পারবো কি না—এই চিন্তাগুলো খুব তাড়া করত।
এখন আর কিছু প্রমাণ করার তাড়া নেই, শুধু নিজের মতো করে শান্তিতে বাঁচতে ইচ্ছে করে।

আগে বলতে ভালো লাগত, এখন শুনতে।
আগে লিখতে ভালো লাগত, এখন পড়তে।

বয়সের সাথে সাথে অনেক ভালো লাগাই এভাবে বদলে যায়।
ছোটবেলার যেসব জিনিসে ভীষণ আবেগ ছিল—আজ সেগুলো হয়তো মাগনা দিলেও নিতে ইচ্ছে করে না।
যে ভালোবাসা একসময় কাঁদাতো—এখন মনে হয়, না পাওয়াটাই বেস্ট হয়েছে।
যে মানুষগুলো খারাপ সময়ে পাশে ছিল না, তাদের উপর রাগ হত—এখন মনে হয়, ঠিকই হয়েছে… কিছু সম্পর্ক না থাকাই শান্তি।

“Time doesn’t just heal, it transforms.”

আজ বুঝি—সেই সময়ের অনুভূতিগুলোও মিথ্যা ছিল না, আজকের মতোই সত্যি ছিল।
শুধু সময় নিজের মতো করে সবকিছু গুছিয়ে দিয়েছে, ব্যথাগুলোকে নরম করে দিয়েছে।

জীবন আমাদের শিখায়—
সবকিছু বদলায়, যদি আপনি বেঁচে থাকার সাহসটা ধরে রাখতে পারেন।

শেষমেশ, জীবন আসলে জেতা-হারার গল্প না—
জীবন হলো টিকে থাকার গল্প।
আর যে টিকে থাকে… একদিন সে নিজেকেই নতুন করে চিনে ফেলে।

ইদ মোবারক! 🙂
আমার ইদ আয়োজন। কেমন গেলো আপনাদের ইদ?

বাংলাদেশে নতুন একটা রাজনৈতিক দর্শন এসেছে:“কথা কম, চুপ্পু বেশি।” 😄একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পরে সে চুপ্পু হতে পারে!! 🤣...
13/03/2026

বাংলাদেশে নতুন একটা রাজনৈতিক দর্শন এসেছে:
“কথা কম, চুপ্পু বেশি।” 😄

একটা মানুষ কতটা নির্লজ্জ হলে পরে সে চুপ্পু হতে পারে!! 🤣🤣

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিথিলা আকন্দ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মিথিলা আকন্দ:

Share