Atrai News

Atrai News আত্রাই নিউজ: পত্নীতলা কেন্দ্রিক অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম – রাজনীতি, দুর্নীতি ও সমাজচিত্র

সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গোপন কার্যক্রমে অস্বচ্ছ আর্থিক লেনদেনআগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য অনুস্যিব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ...
09/30/2025

সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গোপন কার্যক্রমে অস্বচ্ছ আর্থিক লেনদেন
আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য অনুস্যিব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন সাবেক সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন লাটিম। নির্বাচন ঘিরে পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলায় গোপন কার্যক্রম ও অস্বচ্ছ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

গোপন টিম ও প্রস্তুতি:
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতের বালুরঘাটে একটি কার্যালয় থেকে পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলার ১৯টি ইউনিয়নের জন্য আলাদা ১৯টি টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিম সরাসরি ভোটার সংগ্রহ কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং বিপুল অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নিয়মিত স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

সম্প্রতি গাহন গ্রামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার নেতৃত্বে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে খাবার বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়, যা এই নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আর্থিক সহায়তা ও মাসোহারা:
অভিযোগ রয়েছে, পলাতক নেতা-কর্মীদের ভিন্ন শ্রেণিভেদে মাসোহারা প্রদান করা হচ্ছে—

ক শ্রেণি: মাসে ৩০,০০০ টাকা
খ শ্রেণি: মাসে ২৫,০০০ টাকা
গ শ্রেণি: মাসে ১৫,০০০ টাকা

এই অর্থ প্রদানের দায়িত্বে রয়েছেন পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল খালেক চৌধুরীর ভাতিজা রায়হান চৌধুরী। পাশাপাশি পলাতক নেতা-কর্মীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদানের জন্য একটি আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে। এ টিম পরিচালনা করছেন ধামইরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এবং সাপাহারের এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী, যিনি বর্তমানে পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আঁতাত:
অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বিএনপির কিছু নেতার সঙ্গে আঁতাত করে গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে নজিপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের কথাও শোনা যাচ্ছে।

বিশেষ করে—

বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান, থানা বিএনপির সহসভাপতি আশরাফুল ইসলাম এবং সাদেকুল বারিকে সম্পৃক্ত করে বালুমহল ব্যবসায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করা হয়েছে।

গত অক্টোবর মাসে আশরাফুল ইসলামকে পত্নীতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ১৮ লক্ষ টাকা এবং নভেম্বরে ৩২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

এ ছাড়া মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক এমপি আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিমের ভাতিজা, জেলা যুবদলের সদস্য মেহেদী হাসান গত বছর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিল্টন উদ্দিনের কাছ থেকে চার দফায় মোট ২৮ লক্ষ টাকা নেন। এই অর্থ তিনি ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন এবং পরবর্তীতে লাভের অংশ মিল্টন উদ্দিনকে ফেরত দেন।

প্রশাসনের ভূমিকা:
এতসব কার্যক্রম প্রকাশ্যে চলে এলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়ভাবে অনেকে মনে করছেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের চাপ ও আঁতাতের কারণে প্রশাসন বিষয়গুলো এড়িয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া:
পত্নীতলা ও ধামইরহাটের সাধারণ মানুষ এ ধরনের গোপন কার্যক্রম, অস্বচ্ছ অর্থ লেনদেন এবং বিরোধী দলের সঙ্গে আঁতাত নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে প্রশাসনের আরও দৃঢ় অবস্থান নেওয়া জরুরি।

#কি_হচ্ছে_দেশে #প্রশাসননীরবকেন #জাতীয়নির্বাচন২০২৫ #ভোটেরআগেরখেলা #নওগাঁ #পত্নীতলা , #গ্রামবাংলারখবর

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:বাংলাদেশের রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা থাকলেও নওগাঁর পত্নীতলায়...
09/12/2025

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা থাকলেও নওগাঁর পত্নীতলায় বিএনপির রাজনীতিতে এর প্রতিফলন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। একসময় ছাত্রদল থেকে উঠে আসা বহু তরুণ নেতা এখন মূলধারার রাজনীতি থেকে সরে গেছেন বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এ প্রবণতা জাতীয় রাজনীতিরই প্রতিচ্ছবি।

থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী বর্তমানে পদশূন্য থেকে রাজনৈতিক ফোরামে আলোচনায় থাকলেও সক্রিয় নন। তার সহকর্মী সাধারণ সম্পাদক সাহিদুজ্জান রুবেল ছাত্র রাজনীতির পর থেকে আর কোনো ভূমিকা রাখছেন না। একইভাবে সাবেক নেতা আব্দুর রশিদ, কাজী মেনন, আবু রেজা সাহিন ও মোফাজ্জল হোসেন বাবুকেও বিএনপির রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে না।

প্রাক্তন আহবায়ক আকিব জাভেদ মিজান এখন নজিপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেও দীর্ঘদিন ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সাবেক সভাপতি সাপেল মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা (রানা) ও সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই–এঁরা মূলত দূরে সরে গেছেন। তাদের মধ্যে কেবল রানা ও হাই মাঝে মাঝে কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকেন।

ব্যতিক্রম হিসেবে সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহির হোসেন শিপুকে উল্লেখ করা হয়। তিনি জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে এখনও সক্রিয়। স্থানীয়ভাবে অনেকটা লড়াই করেই তিনি নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

পৌর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ বায়োজিদ হোসেন রাজনীতি থেকে প্রায় নিখোঁজ। সাবেক সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা (সোহেল) নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। সাবেক সভাপতি মোঃ সাখোয়াত হোসেন পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হয়েছেন। আর তার সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান খান রাসেল জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হলেও বর্তমানে নিষ্ক্রিয়।

সম্প্রতি ঘোষিত থানা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে স্থানীয়রা আশা করেছিলেন যে সাবেক ছাত্রনেতারা গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হবেন। তবে বাস্তবে কেবল পৌর বিএনপিতে ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিয়ামত আলী এবং সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে বারাকাতুল ইসলাম সুমনকে রাখা হয়েছে। থানা বিএনপির কমিটিতে কার্যত কোনো ছাত্রনেতাকে স্থান দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ নেতৃত্ব ছাড়া কোনো গণআন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হয় না। অথচ স্থানীয় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিএনপির কমিটিতে তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব না দেওয়ায় হতাশা বাড়ছে। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে রাজনৈতিক দমননীতি তরুণদের অংশগ্রহণে বাধা তৈরি করেছে। বিএনপি যদি তরুণদের সামনে না আনে, তবে ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন’ আন্দোলনও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে বিলম্বিত হতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ নেপালে তরুণ নেতৃত্বই গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি ছিল। সেখানকার আন্দোলনে তরুণদের সরব উপস্থিতির কারণে একের পর এক সরকার পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতান্ত্রিক পরিবর্তন সফল হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পত্নীতলার রাজনীতিতে তরুণদের অনুপস্থিতি কেবল স্থানীয় সমস্যা নয়; এটি জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেরই প্রতিফলন। তরুণদের বাদ দিয়ে রাজনীতি করলে বিএনপির সংগঠন দুর্বল হবে এবং গণআন্দোলনের গতি মন্থর হয়ে যাবে। তাই দলটির টিকে থাকা ও পরিবর্তনের রাজনীতিকে সফল করতে হলে তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে আনার বিকল্প নেই।

আওয়ামী পরিবারের তথাকথিত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির সন্তান রায়হান রেজা চৌধুরী এখন প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজ করছে। ত...
08/17/2025

আওয়ামী পরিবারের তথাকথিত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির সন্তান রায়হান রেজা চৌধুরী এখন প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজ করছে। তিনি পলাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজা হলেও নিজেকে ‘গণমাধ্যমকর্মী’ পরিচয়ে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। বর্তমানে তিনি দ্য ডেইলি অবজারভার পত্রিকায় চাকরিরত।

স্বৈরাচারী আওয়ামী শাসনের পতনের পর থেকেই তিনি হঠাৎ করে মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আওয়ামী লীগের ভাঙা সংগঠনকে দাঁড় করানোর নামে তিনি নানা ধরনের সরকারবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছেন। সমালোচকরা বলছেন, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা এই ব্যক্তি এখন আবারও রাজনৈতিক মাঠ দখলে নেমেছেন, তবে জনগণের আস্থা অর্জনে তিনি ব্যর্থ।

অনেকের মতে, আওয়ামী লীগের ব্যর্থ রাজনীতিকে ঢাকতে এবং জনগণের আন্দোলনকে দুর্বল করার কৌশল হিসেবেই তাকে সামনে আনা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—আওয়ামী লীগের অতীত ব্যর্থতা ও স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের দায় নিয়ে রায়হান রেজা চৌধুরী আদৌ কতটা সফল হতে পারবেন?

আত্রাই নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন:আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় আওয়ামী লীগের ভেতরে সক্রিয়তা বেড়েছে। ...
08/08/2025

আত্রাই নিউজ বিশেষ প্রতিবেদন:

আগামী ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় আওয়ামী লীগের ভেতরে সক্রিয়তা বেড়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন দ্বিতীয় সারির ক্লিন ইমেজধারী শিক্ষিত নেতা-কর্মীরা। সূত্র জানায়, গত ফেব্রুয়ারি থেকে তারা সংগঠিত হচ্ছেন এবং নিয়মিত নজিপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির বাসায় বৈঠক করছেন। এছাড়া নজিপুর ফায়ার সার্ভিসের পাশে ও কলোনিপাড়ায় একাধিক গোপন বৈঠকের তথ্য আত্রাই নিউজের হাতে এসেছে।

এসব বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে পুরনো বিতর্কিত নেতৃত্বকে সরিয়ে নজিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষককে সভাপতি এবং দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও সাবেক যুবলীগ নেতাকে সাধারণ সম্পাদক করে ধীরে ধীরে মাঠে নামা হবে। এই কার্যক্রমে অর্থ জোগাচ্ছেন নজিপুরের এক ব্যবসায়ী (যিনি পার্শ্ববর্তী উপজেলায় মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী) এবং গোশনগর ইউনিয়নের পলাতক চেয়ারম্যান, যিনি বর্তমানে ঢাকার উত্তরায় থাকেন।

নজিপুরের নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে প্রায় প্রতিদিন রাতে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গোপন বৈঠক করছে। পাশাপাশি গোপন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপদ থাকার জন্য তারা যুবদল ও ছাত্রদলে অনুপ্রবেশ করেছে।

সম্প্রতি বিপুল অর্থের বিনিময়ে নজিপুর কলেজ, শিবপুর কলেজ, কৃষ্ণপুর কলেজ, নজিপুর কারিগরি কলেজসহ একাধিক ছাত্রদল কমিটিতে এই অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এ ক্ষেত্রে জেলা যুবদলের এক সদস্য ও প্রাক্তন যুবলীগ নেতা, যিনি বর্তমানে বিএনপিতে প্রভাবশালী অবস্থানে আছেন, সরাসরি জড়িত।

যুবলীগকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন নেতা ও ঢাকাস্থ এক সাংবাদিকের মাধ্যমে নতুন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ পাটিচড়া ইউনিয়নের গাহন নিবাসী দ্বিতীয় সারির এক নেতা ও প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতাকে দিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তারা "আমরা ৭১", "মুজিবসেনা", "জয়বাংলা" ইত্যাদি নামে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপ খুলে কর্মী সংগ্রহ করছে। পত্নীতলার বিভিন্ন স্থানে বিতর্কিত পোস্টার লাগানো হয়েছে।

তথ্য পাওয়া গেছে, তারা বেনামে বিএনপির নেতাদের বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করছে এবং আগামী নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপিতে অনুপ্রবেশ অব্যাহত রাখবে। এর লক্ষ্য—নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সুবিধা নেওয়া।

যেহেতু এই আসনে বিএনপি বিভক্ত এবং জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপি আগের চেয়ে শক্তিশালী, আওয়ামীপন্থী এই গোষ্ঠী ধানের শীষের ভোট ব্যাংকে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ৩০% কট্টর আওয়ামী ভোট ধরে রেখে একটি "মাস্টার প্ল্যান" বাস্তবায়নের প্রস্তুতিও চলছে।

আগামী নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম থাকায় তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে পরোক্ষভাবে জাতীয় রাজনীতিতে টিকে থাকতে চায়। এই জন্য তারা গোপনে প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকায় রয়েছে—নজিপুর সদর ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, নজিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এবং ধামইরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের পলাতক সভাপতির ছেলে, যিনি বর্তমানে ঢাকার মোহাম্মদপুরে বসবাস করেন এবং ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট ব্যবসায়ী।
সীমান্তবর্তী হওয়ায় এই আসনকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ওপারে বিজেপি শাসিত অঞ্চলে প্রভাবশালী নেতারা থাকায় নির্বাচনী "ইঞ্জিনিয়ারিং" সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ঢাকাস্থ একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় হওয়ার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যার পেছনে রয়েছেন পলাতক আওয়ামী লীগ সভাপতির আত্মীয় এক সাংবাদিক।

এছাড়া বিএনপিকে জনমানসে দুর্বল করার জন্য "হানিট্র্যাপ", দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে। এতে অংশ নিচ্ছেন আওয়ামী ঘরানার নারী নেত্রী, সংখ্যালঘু নারী এবং কিছু মাদক ব্যবসায়ী। ঢাকায় বসে একাধিক মিডিয়াকর্মী এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বাড়াতে বিপুল অর্থ ব্যয় করে কিছু বিতর্কিত সাবেক বিএনপি নেতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পরিচালনা করছেন পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতা ও প্রাক্তন বণিক সমিতির পলাতক সভাপতি।

নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্য আওয়ামীপন্থী শিক্ষক সংগঠন গড়ে পোলিং অফিসারদের কাউন্সেলিং ও সংগঠিত করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই কার্যক্রমের পেছনে একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা থাকতে পারেন। পত্নীতলায় একাধিক উইং কাজ করলেও তারা একে অপরকে চেনে না।
পার্শ্ববর্তী ধামইরহাট উপজেলায় আলাদা টিম সক্রিয় রয়েছে। পুরো কার্যক্রমের তদারকি করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক নেতা, যিনি একসময় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে সহযোগিতা করছেন পার্শ্ববর্তী আসনের কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ধামইরহাটের দুই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা। তারা সীমান্তের ওপারের এক শহরে ভাড়া করা অফিস-বাসা থেকে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

08/07/2025

08/06/2025

Address

Langford Station, BC

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atrai News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share