The Lazy and The Crazy

The Lazy and The Crazy Memoir of the crazy things we do

02/09/2026

লাভা উগড়ে দেয়া ভয়ংকর Volcano এর কথা তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু আজ নতুন একটা ন্যাচারাল ফর্মেশন সম্পর্কে জানলাম: Ice Volcan...
02/09/2026

লাভা উগড়ে দেয়া ভয়ংকর Volcano এর কথা তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু আজ নতুন একটা ন্যাচারাল ফর্মেশন সম্পর্কে জানলাম: Ice Volcano.

সারা সপ্তাহের কাজের চাপ সামলে উইকেন্ডে একটু হালকা হতে বেরিয়ে পড়েছিলাম নিরুদ্দেশ পথে। এভাবেই কোন এক জায়গায় Lake Ontario এর পাড়ে এই বস্তুর দেখা পেলাম। বুঝতে পারছিলাম না কি হতে পারে। লেকের মধ্যে পাহাড়ের মত উচু হয়ে পড়ন্ত সূর্যের আলোয় অদ্ভুৎ লাগছিল। প্রচন্ড ঠান্ডা হবার পরেও কিছুটা এগিয়ে গেলাম দেখার জন্য।

সামনে গিয়ে স্থানীয় এক লেডিকে দেখে কুশল বিনিময় করে জিজ্ঞেস করলাম এটা কি জিনিস। সে বুঝিয়ে বলল, সাথে বলল আজ ঠান্ডা অনেক বেশি, সাবধানে থাকতে। উত্তরে একটু কপট ভাব নিয়েই বললামঃ I am used to a bit of cold, I am from Saskatchewan, হাহাহা 🤣😂

সে এই Ice Volcano সম্পর্কে যা বলল তার সারমর্ম হচ্ছে: লেকের পানির উপরের স্তর হালকা জমে যাওয়ার পরেও নিচে পানির স্রোত/ঢেউ থাকে। ঢেউ পাড়ে ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাবার সময় আসার ঢেউ আর ফিরে যাওয়া ঢেউয়ে সংঘর্ষ হয়ে উপরের দিকে ধাক্কা দেয়, তাতে অনেক জায়গার উপরের বরফের স্তর ফেটে পানি উপরের দিকে উঠে যায়, এবং কিছু অংশ য়াটকা পড়ে উপরে জমে যায়। এভাবে ঢেউয়ের পর ঢেউ এসে এক দুই স্তরে জমতে থাকে আর উচু হয়ে ছোটখাট পাহাড়ের আকার নেয়, মাঝে ফাঁপা থেকে যায় পানি চলাচলের জন্য। ঢেউয়ের ধাক্কায় পানি সেই ফাঁপা দিয়ে উপরে ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে আসে। ঠিক যেন আগ্নেয়গিরির বরফশীতল ভার্সন। দুর থেকে দেখতে যতটা সুন্দর, কাছে গেলে ঠিক ততটাই বিপদজনক এই শুভ্র সুন্দরী। কোনভাবে ভেংগে বা পিছলে ভিতরে পরে গেলেই নিচে হিমশীতল পানি। রুপের আগুনে পুড়ে যেতে, বা এক্ষেত্রে জমে যেতে না চাইলে দুর থেকেই সুন্দরীর রুপদর্শন করা ভাল।

আল্লাহর সৃষ্টিজগতে কত কোটি বৈচিত্র যে আছে, তার কতটা অংশ আমরা জানি?

সপ্তাহ দু’য়েক আগের কথা। শীত আসি আসি করছে, কয়েক দিন আগে এক পশলা তুষারপাত হয়ে আবার সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে।এদিকে গাড়ি খারাপ ...
12/01/2025

সপ্তাহ দু’য়েক আগের কথা। শীত আসি আসি করছে, কয়েক দিন আগে এক পশলা তুষারপাত হয়ে আবার সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে।

এদিকে গাড়ি খারাপ হয়ে আছে, মেরামত হতে কিছুদিন লাগবে। বাজার-সদাই করা মুশকিল গাড়ি না থাকলে। তাই কয়েক দিনের জন্য একটা গাড়ি ভাড়া করলাম। বাংলাদেশে তো ড্রাইভারসহ গাড়ি ভাড়া নিতে হয়, এখানে নিজেই ড্রাইভার—ভাড়ার গাড়িতেও একই ব্যাপার। ডানাভাঙা পাখির মত কিছুদিন আটকে থেকে ছটফট করছিলাম, হাতে গাড়ি পেয়ে আর কি বসে থাকা যায়?

টরন্টোয় তাপমাত্রা তখন মনে হয় ৩–৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে। সাসকাচুয়ানে আড়াই বছর কাটানো আমার কাছে এ তো রীতিমত গরমই, হাহাহা। রবিবারে শুভ দিন দেখে বেরিয়ে পড়লাম Arrowhead Provincial Park, Huntsville-এর উদ্দেশ্যে। দূরত্ব বাসা থেকে কমবেশি ২৩০ কিলোমিটারের মতো হবে।

অন্টারিওর আবহাওয়ার সঙ্গে সাসকাচুয়ানের পার্থক্যের আরেকটা নতুন দিক দেখলাম সেদিন। বাসা থেকে ঝকঝকে রোদ নিয়ে বের হয়েছি, কিন্তু Barrie আসার আগেই হালকা তুষারপাত হচ্ছে দেখলাম। সাসকাচুয়ানে সাধারণত ২০০–৩০০ কিলোমিটার দূরত্বে আবহাওয়ার খুব একটা পার্থক্য হয় না। অথচ এখানে আমরা বাসা থেকে ১০০ কিলোমিটারও আসতে না আসতেই আমূল পরিবর্তন। যদি জানতাম আসার পথে কী অপেক্ষা করছে 🤣

Barrie থেকে যোগ দিল আমাদের বর্তমান পার্টনার-ইন-ক্রেজিনেস রিফাত ভাই। ভাল গল্পবাজ মানুষ, গাড়ি চালাতেও আড্ডা চলছে। একই গাড়িতে না কিন্তু আমরা—কথা হচ্ছে ওয়াকি-টকিতে। এভাবে ড্রাইভিং-এর মজাটাই আলাদা। মনে হয় যেন একই গাড়িতেই আড্ডা দিতে দিতে চলছি। এভাবেই টুকটুক করে চলে এলাম পার্কে।

এই পার্কটি অন্টারিওর অন্যতম সুন্দর এবং বড় পার্কগুলোর একটি। স্কিইং, স্কেটিংসহ নানা রকমের উইন্টার অ্যাকটিভিটিতে ভরা থাকায় শীতেও এর আকর্ষণ গরমকালের থেকে কম না। এক পশলা তুষারের আবরণ শীতের আমেজ নামিয়ে এনেছে যেন। শীতের কাপড়-চোপড় পড়ে কফি-টফি খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সৌন্দর্যের সন্ধানে। রিভারব্যান্ড লুকআউট, মেটাল ব্রিজ—এগুলো ঘুরে দেখলাম। ব্রিজটা অসম্ভব সুন্দর; আমার ক্যামেরায় এর ছিটেফোঁটাও তুলে ধরতে পারিনি।

পুরো পার্ক দেখার সময় নেই আসলে এক দিনে। কাছাকাছি শহরে ঢুকে লাঞ্চ করতে হবে—যদিও বিকেল গড়িয়ে গেছে তখন। খেতে হবে, আবার কাছাকাছি লায়ন্স লুকআউট পয়েন্ট দেখতে হবে। এটা নাকি পাহাড়ের উঁচুতে একটা ড্রাইভেবল স্পট, যেখান থেকে পুরো হান্টসভিল শহর দেখা যায়। শীতের কানাডা, দিনের দৈর্ঘ্য খুবই কম। সন্ধ্যা নেমে গেলে আর কিছু দেখা যাবে না। কোনটা ছেড়ে কোনটা করি? শেষে খাওয়া বাদ দিয়ে চলে গেলাম সৌন্দর্যের সন্ধানে। গিয়ে দেখি শেষের কিছুটা পথ বন্ধ—উইন্টার মেইনটেন্যান্স নেই তাই। অনেকটা পথ হেঁটে উঠতে হবে 😞 এদিকে বউয়ের চমৎকার রান্নাবান্না খেয়ে ওজন-টজন বাড়িয়ে যচ্ছেতাই অবস্থা 🤣 উঠব কি উঠব না করতে করতে লেজিনেসের সাথে যুদ্ধ করে ক্রেজিনেসের বিজয় হলো। বাচ্চাকাচ্চা বগলদাবা করে হাপাতে হাপাতে উঠে গেলাম উপরে। কষ্ট করে উঠাটা স্বার্থক ছিল। চমৎকার কিছু দৃশ্য চোখের ক্যামেরায় আর তার কিছু ভগ্নাংশ মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দী করে নিচে নেমে এলাম। খাওয়াদাওয়া সেরে বাড়ির পথ।

কিন্তু বিধিবাম 😞।

Barrie-এর কিছু দূর আগে থেকেই আবহাওয়া খারাপ হতে লাগল। এক পর্যায়ে রীতিমত তুষারঝর। দশ হাত দূরেও কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এদিকে গাড়ি ভাড়ার হওয়ায় উইন্টার-উপযোগী টায়ারও নেই—মাঝারি মানের অল-সিজন টায়ার। ভয়ে ভয়ে কোনোমতে আল্লাহ আল্লাহ করতে করতে পার হয়ে আসলাম ভয়ংকর জায়গাটা। সিদ্ধান্ত হলো রিফাত ভাইয়ের বাসায় একটু ব্রেক দেব, আবহাওয়া ভালো হবার অপেক্ষায়। ঘণ্টাদুয়েক পর বিদায় নিয়ে বের হয়ে এলাম। কিন্তু কিসের কি? রাস্তায় আবারো ঝড়—আবারো “দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার” অবস্থা। কোনোমতে ভাঙা তরী, ছেঁড়া পাল নিয়ে নিরাপদেই ঘরে ফিরলাম। সাথে এল কিছু অসাধারণ মূহুর্তের স্মৃতি।



11/17/2025
Welcome to the journey with “The Lazy and The Crazy”. Here we will share our Crazy (!) adventures or our lazy time. Stay...
10/16/2025

Welcome to the journey with “The Lazy and The Crazy”. Here we will share our Crazy (!) adventures or our lazy time.

Stay tuned! There could be lots of opportunity to see the world through our eyes 🧐🥸

Or there could be nothing at all, because we are busy being crazy, or, you know, just lazy 😍

Address

Toronto, ON

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Lazy and The Crazy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share