07/31/2026
শখের বাগানী- ১
বাংলাদেশে থাকতে বাগান করার সময়, সুযোগ আর অভিজ্ঞতা কিছুই ছিলনা। কানাডাতে এসে দেখি খুব স্বল্প দৈর্ঘ সামারে সবাইই কিছু না কিছু ফলায়, অনন্ত চেষ্টা করে। আমিও শুরু করেছি গত বছর থেকে, অল্প কিছু ফললেই এত উৎসাহ লাগে, এত ভালো লাগে। যদিও বাগান করার অভিজ্ঞতা বলতে আমি জানি শুধু বীজ ছিটানো আর পানি দেয়া। এর বাইরে গাছের যত্ন নেয়া, সার দেয়া অন্যান্য অনেক কিছু সম্পর্কে আমার ধারণাও খুব কম। প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিখছি। আবার এখানকার আবহাওয়ার রকম বুঝে গাছের ফিজিওলজি বোঝাও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ আমরা বেশিরভাগই বাংলাদেশী সবজি ফলাতে চাই, যেগুলা সবগুলোই গরম তাপমাত্রা আর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের। আর কানাডা একদমই শীতপ্রধান দেশ। বাংলাদেশ বীজ দিয়ে চেষ্টা করলে বেশিরভাগ সময়ই consistent temparature না রাখতে পারার কারণে ফলন হয় না। ট্রপিকাল অঞ্চলের বেশিরভাগ সবজিরই consistent heat, long sunlight, constant temperature লাগে।
যাই হোক তারপরও প্রতি বছর বেড বানাই, বীজ দেই, পানি দেই। আজকের সংগ্রহ বাগান থেকে বাংলাদেশী লাল শাক। ২১ দিনেই মাশাল্লাহ এত বড় বড় হইছে। এর আগেও আরেকবার harvesting করেছিলাম এর প্রায় দ্বিগুন পরিমাণে।