Journalist Society For Human Rights & Welfare

Journalist Society For Human Rights & Welfare All human beings are born free and equal in dignity and rights.

02/01/2018

২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ৬৫ জন সংবাদকর্মী নিহত। "রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স"
_____________________________________________
মোয়াজ্জেম হোসেইন চৌধুরী
৩ জানুয়ারি ২০১৮।

২০১৭ সালে বিশ্বজুড়ে ৬৫ জন গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন৷ এঁদের মধ্যে ৫০ জনই পেশাদার সাংবাদিক৷ তবে গত ১৪ বছরের মধ্যে এই সংখ্যাটা কম বলে জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স আরএসএফ৷ মঙ্গলবার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আরএসএফ৷ নিহতের সংখ্যা কম হওয়ার পেছনে কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গেল বছর ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো এড়িয়ে চলেছেন সাংবাদিকরা, অর্থাৎ তারা এমন সব স্থানে রিপোর্টিং এ যাননি, যেখানে প্রাণ হারানোর ভয় ছিল৷

আরএসএফ বলেছে, গেল বছর সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ ছিল সিরিয়া৷ যেখানে ১২ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন৷ মেস্কিকোতে হত্যা করা হয়েছে,১১ জনকে৷ এর মধ্যে রয়েছেন মেক্সিকোর প্রখ্যাত সাংবাদিক হাভিয়ের ভাল্দেজ, যিনি সেখানকার মাদক চোরাচোলান নিয়ে প্রতিবেদন করতে গিয়ে আততায়ীদের গুলিতে প্রাণ হারান৷ তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র হয়ে কাজ করছিলেন৷

সাংবাদিকদের জন্য এশিয়ায় সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ ছিল ফিলিপাইন্স৷ গত বছর সেখানে পাঁচজন সাংবাদিককে গুলি করা হয়৷ যাঁদের মধ্যে চারজন মারা গেছেন৷ ৬৫ জন গণমাধ্যমকর্মীর মধ্যে ৩৯ জন দায়িত্বপালন করার সময় প্রাণ হারান৷ এঁদের কেউ মারা গেছেন গুলিতে বা আত্মঘাতী হামলায়৷

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য গত বছর ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় কারাগার' হয়ে উঠেছে তুরস্ক৷ ৪২ জন সাংবাদিক এবং একজন গণমাধ্যমকর্মীকে আটক করেছে তারা৷ সরকারের সমালোচনা করায় এদের বেশিরভাগকে কারাভোগ করতে হচ্ছে৷ অন্যদিকে, চীনে ব্লগে লেখালেখি করার জন্য ৫২ জন সাংবাদিক ও ব্লগারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

এদিকে, আট মাস কারাবন্দি থাকার পর সোমবার তুরস্কের কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন জার্মান সাংবাদিক মেজালে টোলু৷ জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হওয়ার অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল গত বছরের জুলাইতে৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল টোলুকে সাধুবাদ জানিয়েছেন৷

আতসবাজির ঋলকানিতে নতুন বছর ২০১৮ কে  প্যারিস সহ সারা বিশ্ব স্বাগত জানিয়েছে।>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>মোয়াজ্জ...
01/01/2018

আতসবাজির ঋলকানিতে নতুন বছর ২০১৮ কে প্যারিস সহ সারা বিশ্ব স্বাগত জানিয়েছে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেইন চৌধুরী
১ জানুয়ারি ২০১৮
প্যারিস থেকে।

সন্ত্রাসের থাবা আর যেন হানা না দেয় বিশ্বের কোনও প্রান্তে। এই কামনা নিয়েই নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে গোটা বিশ্ব। নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন শুরু হল দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট অফ সামোয়া থেকে। এখানে সবার আগে মধ্যরাত হয়। এখান থেকে শুরু হল নিউ ইয়ার ব্যাশ। ছোট্ট এই দ্বীপপুঞ্জ সবার আগে মাতল নিউ ইয়ার উদযাপনে। মজার কথা হল, আমেরিকার মূল ভূখণ্ড থেকে এই দ্বীপটির দূরত্ব মাত্র এক ঘণ্টার বিমানযাত্রার। তাই চাইলেই প্রথমে সামোয়াতে নিউ ইয়ার কাটিয়ে, এক ঘন্টার বিমানে চড়ে ফের আমেরিকাতে ফিরে গিয়ে কেউ দ্বিতীয়বার উৎসবে মেতে উঠতে পারেন।

প্রতি বছরেই প্যারিসে নতুন বছরের বর্ণাঢ্য উদযাপন শুরু হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হলোনা। মানুষের ঢল ছিল রাস্তায়। শান্তিপুর্ন ভাবেই সবাই নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।

নিউ ইয়ার সেলিব্রেশনে অবশ্য পিছিয়ে নেই কেউই। নিউজিল্যান্ড, টোকিও, বেইজিং, হংকংয়ে জমে উঠেছে আতসবাজির খেলা। জার্মানি, রোম, লিসবন, বার্সেলোনা, দুবাই, লন্ডন, নিউ ইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলসের রাজপথেও উৎসবমুখর জনতার ঢল ছিল।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়াতেও জমে উঠেছিলো নিউ ইয়ার ইভ। সিডনির সারকুলার কোয়ে-তে ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিলো আতসবাজির খেলা দেখবে বলে। এবছর সেখানে সাতরঙা বাজি পুড়েছে। সদ্য অস্ট্রেলিয়াতে সমলিঙ্গের বিয়েকে স্বীকৃত বলে মেনে নেওয়ার উদযাপনের সঙ্গে মিলেমিশে যাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠান। অস্ট্রেলিয়াতে এবছর বেশ গরম পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য সে সবকে থোড়াই কেয়ার করেন! বিয়ারের গেলাস হাতে মানুষের ঢল নেমেছে রাস্তায়। কিন্তুু কানাডার চিত্রটা আবার একটু আলাদা। এবছর সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পড়েছে সেখানে। কানাডার কিছু অংশে নতুন বছরের শুরুতেই মঙ্গলগ্রহের চেয়েও বেশি ঠাণ্ডা পড়েছে।

31/12/2017

অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশ পুলিশ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেইন চৌধুরী
৩১ ডিসেম্বর ২০১৭।

বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে পুলিশ৷ বিশেষ করে মাদকের সঙ্গে পুলিশের সম্পৃক্তটা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে৷ এ কারণে শাস্তিও বেড়েছে৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু শাস্তি দিয়ে অপরাধ কমানো সম্ভব নয়৷ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলো গত ১৭ ডিসেম্বর এক প্রতিবেদনে বলেছে, পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রিতে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে হরহামেশা৷ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্তেও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে৷ বছরের প্রথম ছয় মাসে ৬৭ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর৷ মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে গত ৩১ জানুয়ারি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে সারা দেশের পুলিশের জন্য ১০ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়৷ প্রথম দফায় বলা হয়, যেসব পুলিশ সদস্য মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন, তাঁদের চিহ্নিত করে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা, প্রয়োজনে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে হবে৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ এরপর জুলাই থেকে এ পর্যন্ত কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে হিসাব পাওয়া যায়নি৷ পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এ মাসের শেষে বাকি ছয় মাসের মোট হিসাব পাওয়া যাবে৷

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বলেন, ‘‘পুলিশের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বেড়েছে এটা বলবো না৷ বলা উচিত এই প্রবণতা আগেও ছিল, এখনো আছে৷ আগে সেভাবে গণমাধ্যমে আসত না, এখন আসছে৷ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও আগে সেভাবে খেয়াল রাখত না, এখন রাখছে৷ ফলে বিষয়টি সামনে চলে এসেছে৷ আমি মনে করি, পুলিশের মধ্যে কোন পরিবর্তন হয়নি৷ তাদের কিছু বিভাগ বেড়েছে সত্যি, কিন্তু সেই বৃটিশ নিয়মেই তারা চলে৷ আর এই সংস্কারটা হচ্ছে না- এর কারণ পুলিশকে অনেক বেশি রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হয়৷ পুলিশের মধ্যে এমন কোন ক্যারিশমেটিক নেতা আসেনি যে তারা নিজের উদ্যোগেই সংস্কার করবে৷ আর আমাদের অর্থনীতি যেভাবে বেড়েছে তাতে পুলিশের মধ্যে এই দিকে ধাবিত হওয়ার প্রবণতা রয়েছে৷ অনেকেই অল্প দিনে ধনী হতে চান ফলে তারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন৷''

হিসাবে দেখা গেছে, মাদকে জড়িত থাকার অভিযোগ যে ৬৭ জন পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ঢাকা মহানগরের গুলশান, ওয়ারী, মতিঝিল ও তেজগাঁও অঞ্চল, পুলিশের কল্যাণ ট্রাস্ট, পরিবহন শাখা ও দাঙ্গা দমন বিভাগের (পিওএম) ২৩ জন, যশোরের ১০ জন, টাঙ্গাইলের ৭ জন, বগুড়ার ৪ জন, নোয়াখালীর ৩ জন, মানিকগঞ্জ, চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও হাইওয়ে পুলিশের ২ জন করে, খাগড়াছড়ি, সিলেট, হবিগঞ্জ, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ, বরিশাল, সিলেট পুলিশের ১ জন করে এবং র‌্যাবের ৩ জন সদস্য আছেন৷

পুলিশের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র উপমহাপরিদর্শক (গণমাধ্যম) আবদুল আলিম মাহমুদ বলেন, ‘‘বাহিনীর কোন সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসা মাত্রই আমরা কিন্তু তাদের শাস্তি নিশ্চিত করছি৷ কারো কারো ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলা হচ্ছে, আবার কারো ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলাও দেয়া হচ্ছে৷ আমরা শাস্তির মাধ্যমে তাদের বোঝাতে চাই, অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না৷''

মোটিভেশনাল কাজটা হচ্ছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘পুলিশ সদস্যদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তারা অপরাধ করলে কোন ভাবেই মুক্তি মিলবে না৷''

এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রতিমাসে সাড়ে ৩শ' থেকে ৪শ' অভিযোগ জমা হচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তরে৷ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে অনেকেই নানাভাবে দ্রুত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে, আবার অনেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে বেপরোয়া হয়ে নানা অপরাধ করছে৷ রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ, পোস্টিং ও পদোন্নতির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে৷ বিশেষ করে জেলা শহরগুলোতে এই প্রবণতা বেশি৷

"বিশ্বের নজর কাড়লেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ">>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>মোয়াজ্জেম হোসেইন চৌধু...
23/12/2017

"বিশ্বের নজর কাড়লেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ"
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেইন চৌধুরী
প্যারিস থেকে
২২ ডিসেম্বের ২০১৭

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁর উদ্যোগে মঙ্গলবার প্যারিসে একটি জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ ৫০টির বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ নামকরা বিনিয়োগকারী ও প্রখ্যাত কয়েকজন অ্যামেরিকান এতে অংশ নেন৷

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয়ার পর অনেকের মধ্যে সৃষ্ট হওয়া আশংকা দূর করতে এই সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ নেন এমানুয়েল মাক্রোঁ৷ এক্ষেত্রে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হওয়া প্যারিস চুক্তির দু'বছর পূর্তিকে বেছে নেন তিনি৷ জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংক এই সম্মেলনের অন্য দুই আয়োজক ছিল৷

নির্বাচনের পর এখনও সরকার গঠন করতে না পারায় জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল নিজ দেশে দুর্বল অবস্থানে আছেন৷ সে কারণে তিনি প্যারিস সম্মেলনে যাননি৷ এই অবস্থায় ফ্রান্সের মাক্রোঁ জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে নেতৃত্ব দেয়ার ভার কাঁধে তুলে নেন৷ প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন ধীরগতিতে চলছে মন্তব্য করে মাক্রোঁ সবাইকে আরও দ্রুতগতিতে কাজ করার আহ্বান জানান৷ সম্মেলনের শুরুতে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আমরা (প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে) যথেষ্ট দ্রুত এগোচ্ছি না৷ যুদ্ধ জয় করতে আমাদের আরও দ্রুত হতে হবে৷''

এরপর দিনশেষে সমাপনী বক্তব্যে মাক্রোঁকে ইতিবাচক দেখা গেছে৷ কারণ সম্মেলন থেকে আশ্বস্ত হওয়ার মতো অঙ্গীকার পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি৷ বিশ্বব্যাপী কোম্পানিগুলোর জন্য তেল ও কয়লার ব্যবহার থেকে সরে আসা সহজ করতে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের অঙ্গীকার পাওয়া গেছে৷ এছাড়া কয়েক বিলিয়ন ডলারের ডাইভেস্টমেন্টের (কোথাও থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়া) ঘোষণাও এসেছে৷ যেমন ফ্রান্সের বিমা কোম্পানি আক্সা বলেছে, তারা কার্বন সেক্টর থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করবে৷ কয়লা থেকে যেসব কোম্পানির রাজস্ব আয় ৩০ শতাংশের বেশি হয়ে থাকে, সেসব কোম্পানি থেকে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার সরিয়ে নেবে আক্সা৷ এছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান দুই বছরের মধ্যে তেল ও গ্যাস প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করবে৷

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মিলে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন আগামী তিন বছরের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘোষণা করেছে৷ কৃষিখাতে অভিযোজন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে এই অর্থ ব্যয় করা হবে৷

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী কোম্পানিগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করতে ২০০-র বেশি বিনিয়োগকারী একটি কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে৷ তারা বিপি, এয়ারবাস, ফল্কসভাগেন ও গ্লেনকোরকে আরও সবুজ হতে চাপ দেবে৷

প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি দুই ডিগ্রির মধ্যে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ লক্ষ্য পূরণে সফল হতে হলে প্রতিবছর গড়ে সাড়ে তিন ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা৷ বর্তমানের বিনিয়োগের চেয়ে সংখ্যাটি প্রায় দ্বিগুণ৷

22/12/2017

"৭৫০ জনকে গুম করেছে সরকারি বাহিনী:
অভিযোগ খালেদা জিয়ার"
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
২১ ডিসেম্বর, ২০১৭

বিগত ১০ বছরে সরকারি বাহিনী ৭৫০ জনকে গুম করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে এ অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘২০১৩’র ডিসেম্বরে ১৯ জন বিএনপি কর্মীকে গুম করা হয়েছিল, আজো তারা ফেরেননি। গত ১০ বছরে কমপক্ষে প্রায় ৭৫০ জন গণতন্ত্রকামী কর্মীকে গুম করেছে সরকারি বাহিনী। গুমের শিকার মানুষের সন্তান, পিতা-মাতা, স্ত্রীর কান্নার রোল থামছে না। এর অবসান চাই।

24/05/2015

প্রেমিকার অপেক্ষায় ২০ বছর রেলস্টেশনে!!!

চলো মোরা মনের সুখে কচু বনে যাই!!>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>গোলাম মাওলা রনি:কইরে আমার রনি-মাহি-সাকি-কাফি ভাই,চলো মোরা মনের স...
10/05/2015

চলো মোরা মনের সুখে কচু বনে যাই!!
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
গোলাম মাওলা রনি:
কইরে আমার রনি-মাহি-সাকি-কাফি ভাই,
চলো মোরা মনের সুখে কচু বনে যাই!
জোসনা রাতে কচু বনে কচুর লতি খুঁজি,
মন পবনে পাল তুলিয়া ধ্যাংতা ধ্যাংতা নাচি!
সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে কবিতার ছন্দে আর নয়- বরং গদ্য রীতিতে কিছু কথা বলি। দেশের রাজনীতির অঙ্গনের পরিচিত চার যুবক প্রচলিত প্রথা ভেঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েছিলো। স্বাধীনতার পর আজ অবধি কেউ ওমনটি করেনি যেমনটি করেছিলো রনি, মাহি, সাকি কিংবা কাফি। সদ্য সমাপ্ত সিটি নির্বাচনে আমরা চারজনই জামানত হারিয়েছি। এই অবস্থায় নিজেদের দূর্দশা দেখে যতটা না কষ্ট পাচ্ছি তার চেয়ে বেশী বেদনা হত হচ্ছি শিক্ষিত মধ্যবৃত্ত সম্প্রদায় এবং সুশীল সমাজের দৈন্যতা দেখে।
সমাজের কোন বিবেকবান মানুষ একটু মাথা উঁচু করে বলছে না যে, ২৮ তারিখে সত্যিকার অর্থে কোন নির্বাচন হয়নি। তারা একথাও বলছে না যে, সঠিক মতো নির্বাচন হলে প্রত্যয়ী যুবকেরা অধিক ভোট পেতো কিংবা তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হতো না। কেউ যেমন বলছেনা যে, যুবকেরা অন্যান্য প্রার্থী থেকে অযোগ্য আবার তেমনি যোগ্য বলতেও সাহসী হচ্ছে না।
একটি সমাজ মরে যায় কেবলমাত্র শিক্ষিত বিবেকবান মানুষের ভীরুতা, স্বার্থপরতা, অলসতা এবং মুখ বুজে অন্যায় সহ্য করার সীমাহীন ক্ষমতার জন্য। আমাদের পক্ষে প্রচলিত রাজনীতির সঙ্গে মিশে যাওয়া যেমন সহজ ছিলো তেমনি আরো সহজ ছিলো নিজেকে নিয়ে স্বার্থপরদের মতো ব্যস্ত থাকা। কিন্তু অর্ন্তনিহিত বিবেক, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দুঃখ দূর্দশা এবং নিজেদের শিক্ষা-দীক্ষা এবং বোধ-বুদ্ধির কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। আর আগামী দিনে সম্ভব হবে বলেও মনে হবে না।
দলকানা লোকেরা নিয়ত তিরস্কার করে বলছে- আমাদের উচিত কচু গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে মরা। দলের বাইরে আমাদের যে দু’পয়সার মূল্য নেই একথা যেমন তারা জোর দিয়ে বোঝাতে চাচ্ছে তেমনি বোঝাতে চাচ্ছে দল চাইলে অর্বাচিন প্রাচীন হয়ে যায়- লুটেরা হয়ে যায় সাধু- সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলদার হয়ে যায় জনগনের আমানতদার এবং খুনী, জুলুমবাজ এবং নারী নির্যাতনকারীরা হয়ে যায় শান্তির দূত।
এই অবস্থায় আমাদের কি করা উচিত? আমরা কি আগের মতো এগিয়ে যাবো নাকি কচু বনে চলে যাবো? কচু বনে গিয়ে জোসনা রাতে মেলা মেলাবো। ছ্যাঙ্গা বাবু, বল্লা কাদের, রামদা মিজান কিংবা চাপাতি মিলনের নিকট থেকে ট্রেনিং নেবো। তারপর জানবো কি করে অন্যের বাড়ী দখল করা যায় ? কি করে অন্যের ঘর ভেঙ্গে ৪/৫ টা বিয়ে করা যায় এবং মামলা- হামলা করে কিভাবে প্রতিপক্ষকে ঠেঙ্গানো যায়? এরপর কচু বাবার দরবারে গিয়ে পরীক্ষা দেবো এবং কচু দেবতার আরাধনা করবো। সবশেষে সিদ্ধি লাভ করে ফিরে আসবো লোকালয়ে। চারিদিকে ধন্য ধন্য রব পড়ে যাবে। শত বা সহস্র নয় কচু পুত্রদেরকে বরন করার জন্য এই নগরে গঠিত হবে লক্ষ নাগরিকের কমিটি। বিজয়ী কচু পুত্রগণ কচু ফুলের মালা গলায় দিয়ে কচু ভবনে প্রবেশ করবে- আর লক্ষ নাগরিকের বিশাল কমিটি কচু হাতে তাদেরকে অভ্যর্থনা জানাবে।

17/04/2015

"মুসলিমদের জন্মনিয়ন্ত্রণের পরামর্শ শিবসেনার"

17/04/2015

নিউজিল্যান্ডের গোয়েন্দাগিরি বাংলাদেশে!!

17/04/2015

"যার দিকে তাকিয়ে শেখ হাসিনা হাসেন, তার জীবন বদলে যায়"
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী:
মেয়র পদে আওয়ামী লীগ সমর্থন দেওয়ায় শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই আনিসুল হকের। বুধবার এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্যেও নিজের কৃতজ্ঞতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন আকস্মিকভাবেই ভোটের মাঠে আসা এই ব্যবসায়ী।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যার দিকে তাকিয়ে হাসেন, তার জীবন বদলে যায়। তার এক ফুঁ-তে আমি হঠাৎ করে নেতা হয়ে গেলাম। কিন্তু সাবধান! সাবধান! সাবধান! যার দিকে তাকিয়ে একটু মন খারাপ করবেন, তার কিন্তু খানা বন্ধ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই মেয়র প্রার্থী রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে যুবলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে একথা বলেন। যুবলীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আনিসুল হক বলেন, শেখ হাসিনা একটা স্বপ্ন দেখেছেন, আনিসুল হককে মেয়র হিসেবে দেখতে চান। তিনি কি হারতে পারেন।
এই সময় উপস্থিত যুবলীগ নেতা-কর্মীরা ‘না’ বলে চিৎকার করে উঠেন। এরপর তিনি বলেন, তাহলে কী করতে হবে? প্রপার ওয়েতে জিততে হবে। একার পক্ষে জেতা সম্ভব না। যুবলীগ না হলে নির্বাচনে জেতা যায় না। এই সময় আবার মিলনায়তনে করতালি ও ঘড়ি প্রতীকের পক্ষে স্লোগান তোলেন সবাই।
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি ঢাকা উত্তরে সমর্থন দিয়েছে ব্যবসায়ীদের এই শীর্ষ সংগঠনের সাবেক আরেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়ালকে।
ব্যবসায়ী আনিসুল হক সভায় বলেন, “বলা হচ্ছে, আমি নাকি অনেক বড় লোক। মেয়র হলে নাকি গরিবের কথা বলতে পারব না। যারা এইসব বলে, ওরা জানে না আমার জীবনের কষ্ট। ওরা জানে না আমার মা কষ্ট করে আমার বাবার প্যান্ট রিফু করে দিতেন, একটা প্যান্ট কিনতেন না। ওরা জানে না যে আমি বাবার ৬৪ হাজার টাকা নিয়ে জীবন শুরু করতে গিয়ে এক রাতে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিলাম।
মতবিনিময় সভায় নিজের আড়াই বছর বেকার থাকার কথাও জানান বিজিএমইএর সাবেক এই সভাপতি।
Please Read, Like And Comments.

11/03/2015

"অর্থমন্ত্রী ফাসেক, সমাজকল্যাণমন্ত্রী মূর্খ।

28/02/2015

"৭, দিনের মধ্যে সরকারের পতন"
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী:
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার এবং ৭২ ঘণ্টার হরতালের সমর্থনে বগুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ২০ দলীয় জোট।
শনিবার সকালে জেলা বিএনপির সভাপতি ও ২০ দলীয় জোটের আহ্বায়ক ভিপি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের শেরপুর রোডের মফিজপাগলার মোড় থেকে একটি মিছিল বের হয়।
মিছিলটি পিটিআই মোড় ঘুরে ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে ভিপি সাইফুল ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরাচারের পতন এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলছে। আন্দোলনে সরকার দিশেহারা হয়ে হত্যা, গুম, গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে সরকারের পতন হবে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে লাভ নেই। যদি গ্রেফতার করা হয় তাহলে বগুড়াসহ উত্তরবঙ্গ অচল করে দেয়া হবে।
তিনি রোববার থেকে শুরু হওয়া ৭২ ঘণ্টার হরতাল সফল করতে জোটের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, ইসলামী ঐক্যজোটের জেলা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শামসুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বগুড়া শহর সভাপতি আজগর আলী প্রমূখ।
Please Read, Like And Comments.

Adresse

Shahamostofa Road
Vichy
3200

Téléphone

+330666963925

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque Journalist Society For Human Rights & Welfare publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à Journalist Society For Human Rights & Welfare:

Partager