Shawon & Shiul

Shawon & Shiul Make memories and fun only
(2)

নিজের জীবনকে গুছিয়ে নিতে জেই কাজ গুলা না করলেই নয়, একজন ম্যাচিউর মানুষের জীবনে যা আরো বেশি দরকার। ( হিপোক্রেটরা এইগুলা ...
11/11/2025

নিজের জীবনকে গুছিয়ে নিতে জেই কাজ গুলা না করলেই নয়, একজন ম্যাচিউর মানুষের জীবনে যা আরো বেশি দরকার। ( হিপোক্রেটরা এইগুলা মানবে না)

1. কম বলুন, বেশি করুন
নিজের সাফল্য, পরিকল্পনা বা সুখের খবর সবাইকে বলার প্রয়োজন নেই।

2. যা প্রয়োজন নেই তা শেয়ার করবেন না
ব্যক্তিগত টাকা-পয়সা, সম্পর্ক বা কাজের অগ্রগতি গোপন রাখুন।

3. তাদের খোঁচায় উত্তেজিত হবেন না
ওরা চাইবে আপনি রেগে যান। শান্ত থাকুন।

4. নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না
আপনার জীবন আপনার। কারো সামনে নিজেকে বড় দেখাতে হবে না।

5. নিজের সীমা ঠিক করে নিন
কোন জায়গায় “না” বলতে হবে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

6. দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যেস করুন
দূরত্ব মানে শত্রুতা নয়, নিজের শান্তি রক্ষা করা।

7. সময়ের নিয়ন্ত্রণ আপনার
যাদের সাথে থাকলে মন খারাপ হয়, তাদের সাথে থাকার সময় কমিয়ে দিন।

8. তাদের প্রশংসায় বিভ্রান্ত হবেন না
হিংসুক লোকের প্রশংসা অনেক সময় ইমিটেশন গয়নার মতো খুব আকর্ষণীয় হয় কিন্তু ১০০% ভেজাল।

9. নিজের ভালো কাজ চালিয়ে যান
তারা বিরক্ত হোক, আপনি থেমে যাবেন কেন?

10. ফাঁদে পা দেবেন না
গসিপ, ঝগড়া বা তুলনার খেলায় জড়াবেন না।

11. সোজাসাপ্টা হতে শিখুন
প্রয়োজন হলে ভদ্রভাবে কিন্তু সরাসরি বলুন, যেমন,
“এই ব্যাপারে আমি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি না।”

12. সব সময় বিনয়ী হবার চেষ্টা করবেন, বেয়াদবি কোন স্কিল্ না কুলনেস ও না।

13. পরোক্ষ খোঁটা বুঝেও চুপ থাকুন
উত্তর দেওয়ার প্রতিযোগিতা নয়, বরং একটি হালকা হাসিই সেই খোঁটার জবাবের জন্য যথেষ্ট।

14. নিজের উন্নতিতে সময় দিন

15. ভালো মানুষের সাথে নিজেকে ঘিরে রাখুন
আপনার দলে পজিটিভ মানুষ থাকা দরকার।

16. ভেতরের শান্তি রক্ষা করুন
Meditation হোক বা প্রার্থনা বা জাস্ট একটু নির্জনতা—নিজেকে সময় দিন, রিসেট করুন।

17. নিজের দুঃখ প্রকাশ করবেন না
আপনার কষ্ট বা দুর্বলতাকে তারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে

18. আপ্নি যা না তা ফেইক শো ওফ করবেন না, এতে করে আপ্নার ফেইক কনফিডেন্স হবে।

19. তাদের সাফল্যে হালকা শুভেচ্ছা বিনিময় করুন
আপনি বড় মনের মানুষ এটা জানানো, তাদের সন্তুষ্ট করার জন্য নয়, বরং নিজের কাছে স্বচ্ছ থাকার জন্য দরকার

20. নিজের দুর্বলতা মেনে নিতে শিখুন, দুর্বলতালে ঠিক করতে কাজ করুন।

21. নিজের মূল্য নিজের কাছে রাখুন
আপনি কে, তা আপ্নার চেয়ে আর কেউ ভাল জানবে না
আপনার আত্মসম্মান আপনার হাতে।

21/08/2025

অ্যাটাক হবে Free fire style এ

শরীর এর খুধা
14/08/2025

শরীর এর খুধা

সবুজ ঘাসের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে, চোখ মেলে তাকিয়ে থাকা সেই আকাশের দিকে এ এক অদ্ভুত শান্তি। যেন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ, তাড়া, আর চি...
12/08/2025

সবুজ ঘাসের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে, চোখ মেলে তাকিয়ে থাকা সেই আকাশের দিকে এ এক অদ্ভুত শান্তি। যেন পৃথিবীর সমস্ত শব্দ, তাড়া, আর চিন্তা হঠাৎ থেমে গেছে। শৈশবের মাঠ, গায়ের ঘাসের গন্ধ, আর খেলার ক্লান্তির পর শুয়ে পড়ার সেই অনুভূতি এখনও বুকের ভেতরে লুকিয়ে আছে।

বিদেশের জীবন যেন এক অবিরাম যন্ত্রের শব্দ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সময়ের কাঁটা শুধু দৌড়ায়। কিন্তু সেই যান্ত্রিকতার ভিড়ে যখনই সুযোগ মেলে, আমরা দু’জন সোফিয়াকে নিয়ে ছুটে যাই খোলা আকাশের নিচে। ঘাসের ওপর বসে থাকা, হাওয়ার মৃদু স্পর্শ, আর আকাশের নীলের সঙ্গে সাদা মেঘের খেলা সব মিলিয়ে মনে হয়, জীবন এখনও সুন্দর।

সেই মুহূর্তে, মনে হয় আমরা ফের ফিরে গেছি সেই মাঠে, যেখানে সময় থমকে দাঁড়িয়ে ছিল, আর আকাশটা শুধু আমাদের জন্য নেমে এসেছিল।

দেখেনিলাম এইবার এর ইদ এর আলোচিত ছবি উৎসব।  তানিম নূরের নির্মিত উৎসব সিনেমাটি সামান্য প্রমোশন ও কোনো অতিরঞ্জিত দৃশ্য ছাড়া...
08/08/2025

দেখেনিলাম এইবার এর ইদ এর আলোচিত ছবি উৎসব। তানিম নূরের নির্মিত উৎসব সিনেমাটি সামান্য প্রমোশন ও কোনো অতিরঞ্জিত দৃশ্য ছাড়াই মুক্তি পেয়ে ঈদসহ টানা দুই মাস বক্স অফিসে রাজত্ব করে, প্রায় ১০ কোটি টাকা গ্রস কালেকশন করে। নাটক ও সিনেমার শিল্পীদের মধ্যে বিভেদ ভেঙে যায় এবং প্রমাণ হয়, দর্শক মূলত ভালো কনটেন্টকেই প্রাধান্য দেয়, বড় তারকা বা জমকালো সেট নয়। কলকাতা ও বলিউডের উদাহরণের মতোই, শক্তিশালী গল্প, দিকনির্দেশনা ও অভিনয়ই ছিল সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। এটি দেখিয়ে দিলো, সিনেমা তৈরিতে শিল্পী নির্বাচন ছাড়াও কনটেন্ট নিয়ে গবেষণা সমান গুরুত্বপূর্ণ। ছবির trailer এ বলাছিল পরিবার ছাড়া দেখা নিষেদ, এর মদ্ধেই বোঝা গিয়েছিল পরিবার নিয়ে দেখার মতোই একটি ছবি হবে।

কেন উৎসব সবার দেখা উচিৎ?

গল্পটি অত্যন্ত সাধারণ, জীবনসঙ্গীন এবং ছুঁয়েছে মানুষের হৃদয়; এ ধরনের সহজ গল্পে আবেগের পরিমিতি বজায় রাখাই মন্ত্র।

অভিনেতাদের অভিজ্ঞ এবং হৃদ্য পারফরম্যান্স, বিশেষ করে জাহিদ হাসানের অনবদ্য উপস্থিতি।

সংলাপগুলো বুদ্ধিদীপ্ত ও স্মরণীয়, যা দর্শককে ভাবিয়ে তুলতে পারে।

বিনোদনপ্রিয় দর্শক ও সাধারণ দর্শক উভয়ের মনোযোগ আকর্ষণ করে দিয়েছে একই সঙ্গে।

বর্তমানে সিনেমাটি চরকির ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে।

বাসায় খাওয়ার কিছুই নাই 🥹
07/08/2025

বাসায় খাওয়ার কিছুই নাই 🥹

06/08/2025
একটি কন্যা সন্তানের আগমন মানেই জীবনে এক অপূর্ব সুখের ছোঁয়া।যেদিন আপনি মেয়ে সন্তানের মা হোন, সেদিন থেকেই বুঝতে শুরু করে...
04/08/2025

একটি কন্যা সন্তানের আগমন মানেই জীবনে এক অপূর্ব সুখের ছোঁয়া।
যেদিন আপনি মেয়ে সন্তানের মা হোন, সেদিন থেকেই বুঝতে শুরু করেন মায়া, মমতা আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আসলে কাকে বলে।
কারণ, মেয়ের চেয়ে আপন আর যত্নবান সঙ্গী একজন মায়ের জীবনে খুব কমই আসে।

একটি মেয়ে মানেই ঈশ্বর আপনাকে এমন একজন সাথী উপহার দিলেন, যে সারা জীবন আপনার পাশে থাকবে।
মেয়ে মানেই এক বিশ্বস্ত বন্ধুর জন্ম, যে শুধু রক্তের সম্পর্কেই বাঁধা নয় মনের গভীরতায়ও আপনার ছায়াসঙ্গী।

শিশুকালেই তার ছোট্ট দুটি হাত দিয়ে সে আপনার মুখে আদর ছড়িয়ে দেবে,
আপনাকে এমনভাবে ভালোবাসবে যে মনে হবে, আপনি যেন আপনার মায়েরই এক পুনর্জন্ম পেয়েছেন।

ধীরে ধীরে বড় হতে হতে সেই মেয়েই আপনার ছায়ার মতো আপনার পিছু পিছু ঘুরবে
আপনার ক্লান্তিতে পাশে বসে থাকবে, সকালে ঘুম থেকে তুলে এক কাপ চা এনে দেবে,
আলমারি গোছাবে, আপনার সাজগোজের জিনিসপত্র যত্ন করে রাখবে।

কৈশোরে এসে সে হয়ে উঠবে আধা-মা।
বলবে, "ঘুমাও না কেন?", "এই শাড়িটা পরো না কেন?",
আপনার যত্নে, সাজে, খেয়ালে সে হয়ে উঠবে আপনিই।

তারুণ্যে সে নিজের পড়াশোনার ফাঁকে আপনাকে সাপোর্ট করবে ছেলের মতো
আপনার দায়িত্ব বুঝে নিজেকে প্রস্তুত করবে একজন রক্ষাকর্তার ভূমিকায়।

আর যখন আপনি বয়সের ভারে একাকী হয়ে পড়েন,
সে তখন আপনার সবচেয়ে আপন বন্ধু হয়ে উঠবে
আপনার দুঃখ, ক্লান্তি, একাকীত্ব সব কিছু ভাগ করে নেবে মায়ার চাদরে জড়িয়ে।

মেয়েরা বুঝি মায়ের চোখের জল মুছানোর জন্যই পৃথিবীতে আসে।
তাই তো বলে মেয়ে মানেই মায়ের জন্য জান্নাতের এক টুকরো সুখ।

ভালো থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি মা।
ভালো থাকুক সব মেয়ে, যারা নিঃশব্দে ভালোবাসা দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে তোলে। ❤️❤️❤️

সময় বয়ে গেছে, কিন্তু সেই সময়গুলো হৃদয়ের এক কোণে আজও গেঁথে আছে স্কুল-কলেজের বন্ধুদের সাথে কাটানো সেই দিনগুলো। এখন হাজার হ...
04/08/2025

সময় বয়ে গেছে, কিন্তু সেই সময়গুলো হৃদয়ের এক কোণে আজও গেঁথে আছে স্কুল-কলেজের বন্ধুদের সাথে কাটানো সেই দিনগুলো। এখন হাজার হাজার মাইল দূরে, দেশের বাইরের এক ব্যস্ত জীবনে আটকে আছি আমি। সবাই নিজের নিজের জীবনে গুছিয়ে নিয়েছে কে কোথায় পরিবার নিয়ে, কে কর্মজীবনের চাপে। আর আমরা, যারা একসময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতাম, এখন সময় খুঁজে বের করাও যেন একটা বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাঝে মাঝে খুব মিস করি সেই নির্ভার দিনগুলো। বিকেলের পর ইউনিভার্সিটি ছুটির পর মোড়ের চায়ের দোকানে বসে তর্ক-বিতর্ক, হাসি, ঠাট্টা, মাঠে ক্রিকেট ফুটবল খেলা, এমনকি চুপচাপ বসেও পাশে থাকার যে এক অদ্ভুত আনন্দ তা এখন আর খুঁজে পাই না। অনেক স্মৃতি যা এখনো মনে পড়লে মনে হয় আবার সবাই এক হই এক সাথে। ফেসবুকে একসাথে কানেক্টেড থাকলেও সবাইকে এক সাথে নিয়ে বসার সেই অনুভূতি মিস করি। সোসাল মিডিয়ায় সবাই আমার নিরব দর্শক।

আজকের দিনে কাজের চাপ, দায়িত্বের ভার, জীবনের যান্ত্রিকতা সবকিছুই একেকটা পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কিন্তু মনে হয়, যদি বন্ধুদের সাথে একটু বসতে পারতাম, হালকা আড্ডা দিতে পারতাম, জীবনটা হয়তো একটু সহজ হতো। মানসিক চাপটা কমে যেত, মনের ভিতরের জমে থাকা ক্লান্তিটা যেন হাওয়ায় উড়ে যেত।

বন্ধুত্ব মানে শুধু স্মৃতি নয়, সেটা একটা আশ্রয়। আর সেই আশ্রয় থেকে দূরে থাকাটা মাঝে মাঝে বড় কষ্টের হয়ে ওঠে।

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ব্যাপার বেশ চোখে পড়ে দুই ধরনের মানুষ আছে। একদল আছেন যারা সত্যিই জীবনে কিছু করে ফেলেছেন, সফল হ...
03/08/2025

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ব্যাপার বেশ চোখে পড়ে দুই ধরনের মানুষ আছে। একদল আছেন যারা সত্যিই জীবনে কিছু করে ফেলেছেন, সফল হয়েছেন, ম্যাচিউরড, আত্মতৃপ্ত। তারা চুপচাপ থাকেন। অহেতুক পোস্ট দেন না, নিজেকে জাহির করার প্রয়োজন বোধ করেন না। কারণ তারা জানেন, স্বস্তি আর সাফল্য এই দুটো জিনিস চিৎকার করে জানানোর দরকার পড়ে না।

আরেকদল মানুষ আছেন, যারা একটু সাজগোজ করলেই একটা সেলফি, একটু দামি রেস্টুরেন্টে গেলেই চেক-ইন, একটু ঘুরতে গেলে ২০টা ছবি। যেন বলে বেড়াতে চায় "দেখো, আমিও আছি, আমিও কিছু!"
কখনো কখনো এদের পোস্টগুলো কৃত্রিম আনন্দ বা জোর করে ‘ভালো থাকার অভিনয়’ বলেই মনে হয়।

সমস্যাটা কোথায় জানেন? দুই দিক থেকেই সাধারণ মানুষ বিরক্ত হয়। যারা চুপ করে আছেন, তারা হয়তো ভাবেন"এসব কী দেখছি বারবার?"
আর যারা প্রকাশ করছে, তারা হয়তো বুঝতেই পারছে না সবাই আপনাকে দেখে প্রশংসা করছে না, অনেকেই বিরক্ত হচ্ছে।

প্রকৃত সাফল্য কখনোই আত্মপ্রচারের ওপর নির্ভর করে না। আর সুখও তখনই আসল, যখন সেটা ভেতর থেকে আসে not through validation.

জীবনের আসল সৌন্দর্য হলো নিজেকে জানার মধ্যে, নিজের জন্য কিছু করার মধ্যে not others' approval.

বৃটিশদের ভদ্র আচরণ নিয়ে প্রশংসার শেষ নেই। এই দেশের মানুষদের সৌজন্যপূর্ণ ব্যবহার অনেকটা যেন তাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অ...
03/08/2025

বৃটিশদের ভদ্র আচরণ নিয়ে প্রশংসার শেষ নেই। এই দেশের মানুষদের সৌজন্যপূর্ণ ব্যবহার অনেকটা যেন তাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাস্তায় হোক কিংবা দোকানে, ট্রেনে কিংবা পার্কে চোখে চোখ পড়লেই একটি মুচকি হাসি, একটুখানি “Hi” বা “Hello” যেন অনেকটা মানবিক সংযোগের ইঙ্গিত দেয়। যেকোনো অনুরোধের শুরুতে “Please” আর সামান্য ভুলত্রুটিতেও “Sorry” এই ছোট ছোট শব্দগুলো যেন তাদের হৃদয়ের প্রস্থতার প্রতিচ্ছবি। এমনকি কেউ কেউ মজা করে বলে থাকেন, বৃটিশরা যদি চেয়ার টেবিলে ধাক্কা খায়, তাতেও "Sorry" বলে ফেলে!

নতুন দেশে নতুন একজন প্রবাসীর জন্য এই আচরণ অনেকটাই স্বস্তিদায়ক ও উৎসাহব্যঞ্জক। সাহায্যের দরকার পড়লে, পরিচয় না থাকলেও কেউ একজন এগিয়ে আসে। এই অচেনা সাহায্য যেন এক ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা তৈরি করে। আপনি এখানে একা নন এমন বার্তাই যেন ছড়িয়ে পড়ে সমাজের প্রতিটি স্তরে।

অন্যদিকে, আমাদের বাঙালি সমাজে এমন সৌজন্যতা এবং সহমর্মিতার অভাব অনেকটাই চোখে পড়ে। আমরা অনেক সময় পরিচিতদের এড়িয়ে চলি, সাহায্য তো করিই না, বরং অনেক সময় ক্ষতির দিকেই ধাবিত হই। এই মানসিকতা আমাদের জাতিগত দুর্দশার অন্যতম কারণ। সাহায্য করতে গিয়ে যেন নিজের কিছু হারিয়ে যাবে এই ভয়, কিংবা অহংকারের এক অদ্ভুত শেকল আমাদের আটকে রাখে। অথচ, একটু সদয় ব্যবহার, একটুখানি সহানুভূতি অনেক বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

ভদ্রতা, সৌজন্য আর সহযোগিতার এই শিক্ষা আমাদের পারিবারিক, সামাজিক এবং শিক্ষাগত প্রতিটি স্তরেই জরুরি। কারণ, উন্নয়ন শুধু অর্থনীতির পরিসংখ্যান নয়, এটি একটি জাতির মানসিকতা ও আচরণের প্রতিফলন। আমরা যদি নিজেদের আচরণে ছোট ছোট পরিবর্তন আনতে পারি একটি “ধন্যবাদ”, একটি “দয়া করে”, কিংবা একটি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারি তবেই সত্যিকার অর্থে পরিবর্তনের শুরু হবে।

অনেকের মতো আমি ও জানতাম না জুলাই সনদ এটা আসলে কি?  কেনই বা এই জন্য এত আলআলটিমেট?   যারা আমার মতো  জানতেন না তাদের জন্য ল...
01/08/2025

অনেকের মতো আমি ও জানতাম না জুলাই সনদ এটা আসলে কি? কেনই বা এই জন্য এত আলআলটিমেট? যারা আমার মতো জানতেন না তাদের জন্য লিখা।

জুলাই সনদ এর মাধ্যমে জুলাই ঘটিত কর্মকাণ্ড এর জন্য পরবর্তীতে কেউ যেন কেস বা মামলা না দেয়, এর বৈধতা দেয়া।

মানে এই যে ভাংচুর করা হয়েছে এগুলো বৈধ ঘোষণা করা।সরকার যে পুলিশ হত্যা হয়েছে, সম্পদ নস্ট হয়েছিল যেন কোন সরকার এগুলা ব্যবহার না করে ছাত্রদের পরবর্তীতে হয়রানি না করে।

এটা না করলে হুট করে যে কাউকে নাশকতার মামলায় ধরে নিয়ে যেতে পারবে

Address

Liverpool
L60DB

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shawon & Shiul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category