MD SUMON MIAH

MD SUMON MIAH Md Sumon Miah - Leader of Bangladesh Chhatra League | A symbol of youth, progress, and patriotism | Committed to student welfare and nation-building.

04/01/2026
30/12/2025

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক
------
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান অপরিসীম। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এবং বিএনপি নেতৃত্বের এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। আমি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমি তাঁর ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন‍্যান‍্য শোকাহত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

আশা করছি মহান আল্লাহ তার পরিবারের সদস্যদের এবং বিএনপির সবাইকে এই শোক কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবেন।

30/12/2025

Rest in peace, Former Prime Minister of Bangladesh - Begum Khaleda Zia

16/12/2025

মহান
বিজয়
দিবসের শুভেচ্ছা

নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের পর যেদিন বিজয়ের সূর্য হেসেছিল বাংলার আকাশে, সেদিন কেমন ছিল ঢাকা? নয় মাস অবরুদ্ধ থাকা মানুষগুলোর মুক...
16/12/2025

নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের পর যেদিন বিজয়ের সূর্য হেসেছিল বাংলার আকাশে, সেদিন কেমন ছিল ঢাকা? নয় মাস অবরুদ্ধ থাকা মানুষগুলোর মুক্তির আনন্দের প্রকাশইবা ছিল কেমন?
৫১ বছর পর তার চাক্ষুস সাক্ষী অনেকে হারিয়ে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে, কিন্তু যারা এখনও বেঁচে আছেন, তাদের মনে এখনও জ্বলজ্বল করে সেই স্মৃতি।

তেমনই একজন সত্তরোর্ধ্ব আনোয়ারুল আলীম; ওষুধের ব্যবসা করতেন এক সময়। এখন অবসর নিয়ে আবাস গেঁড়েছেন মিরপুর ডিওএইচএসে, তবে তখন থাকতেন পুরান ঢাকার মিডফোর্ড এলাকায়।১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকালে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণের পর রাতভর পুরান ঢাকায় বিজয়োল্লাসের সাক্ষী হয়েছিলেন তখনকার বিএ পরীক্ষার্থী আলীম।বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে স্মৃতির ঝাঁপি খুলে তিনি বলেন, “পুরান ঢাকায় সারারাত খণ্ড খণ্ড মিছিল হয়েছে। মানুষ আনন্দ করেছে। দীর্ঘদিন বন্দি থাকার পর মুক্তির উল্লাস!“ওই রাতে বাঙালি পরিবার সবাই জানালা খুলে রেখেছিল। ঘরের আলো জ্বালিয়ে দিয়েছিল। রাস্তায় আলো নেই। ঘরের আলোয় রাস্তা আলোকিত ছিল।”

সবার জানালা খোলা কেন- উত্তরে তিনি বলেন, “যাদের জানালা বন্ধ, তারা বাংলাদেশের পক্ষে না, এমনটাই সবার ধারণা ছিল।”

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ শুরুর পর শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের প্রতিরোধ যুদ্ধ। ঢাকায় যারা ছিলেন, সেই যুদ্ধের প্রায় পুরোটা সময় তাদের এক ধরনের বন্দিদশায় থাকতে হয়েছিল।

তার মধ্যেই ডিসেম্বরের মাঝমাঝিতে তারা আভাস পাচ্ছিলেন, বিজয় আসছে, বিশ্বের মানচিত্রে নতুন দেশে হিসেবে অভ্যুদয় ঘটছে বাংলাদেশের।

তবে তখন ঢাকাবাসীর উপর পাকিস্তানি বাহিনীর কড়াকড়িও বাড়ছিল।
আনোয়ারুল আলীম বলেন, “আগের তিন দিন ছিল কারফিউ। শহরে ব্ল্যাকআউট। ১৫ ডিসেম্বর সম্ভবত আকাশবাণীতে শুনেছিলাম যে, স্যারেন্ডার হতে পারে। রেডিও তখন আস্তে শুনতে হত, গোপনে। আকাশবাণী আর মাঝে মাঝে স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্র।”
পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করছে- চাইলেও ঘরে থেকে এমন কথা বিশ্বাস করতে বিশ্বাস হতে চাইছিল না আলীমের।

“স্যারেন্ডারের খবর প্রথমে বিশ্বাস করিনি। যতক্ষণ না হয়, মানুষের মধ্যে বিশ্বাস আসেনি। তবে পরদিন মানে ১৬ ডিসেম্বর, আমার পরিষ্কার মনে আছে, ছাদে বসে আছি, বেলা ১১-১২টার দিকে হবে হয়ত, দেখলাম আকাশে ৩-৪টা ভারতীয় হেলিকপ্টার। আমার বাসা তখন মিডফোর্ড হাসপাতালের উল্টোদিকে। ওই হেলিকপ্টার দেখে মনে হল, স্যারেন্ডার হতে চলেছে। পরে বন্ধুদের খোঁজ নেওয়া শুরু করলাম।”বন্ধুদের নিয়ে তখন রেসকোর্সের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন আলীম, যেখানে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যের আত্মসমর্পণের মঞ্চ ততক্ষণে প্রস্তত।

“হাঁটতে হাঁটতে বন্ধুদের সাথে আমিও রেসকোর্সে গিয়েছিলাম। যখন পৌঁছেছিলাম তখন স্যারেন্ডারের আনুষ্ঠানিকতা শেষ। তবুও প্রচুর মানুষ তখন রেসকোর্সে। সবাই উল্লাস করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারারাত মহল্লায় মহল্লায় উল্লাস। এখনও চোখের সামনে ভাসে।”
বাংলাদেশের বিজয়ের সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, এস ফোর্সের অধিনায়ক কে এস সফিউল্লাহ।

সেদিনে ঢাকার অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, “এয়ারপোর্ট থেকে রেসকোর্স পর্যন্ত খুব বেশি মানুষ ছিল না। যখন আমরা নিয়াজিকে নিয়ে যাই তখন রেসকোর্সেও খুব মানুষ ছিল না। আত্মসমর্পণের পরে প্রচুর মানুষ রাস্তায় নামে। মিছিল করে।”

মানুষের উচ্ছ্বাস নিয়ে আনোয়ারুল আলীম বলেন, “রাস্তায় ভারতীয় সেনার ট্রাক দেখলেই মানুষ থামিয়ে তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছিল। অনেকে আবার তাদের ফান্টা-সেভেনআপ কিনে খাওয়াচ্ছিল। রাস্তায় রাস্তায় মিছিল। মুক্তিযোদ্ধা, ভারতীয় সেনা দেখলেই উল্লাসে ফেটে পড়ছে।

“পাকিস্তানি আর্মি ১৭ তারিখেও ঢাকায় ঢুকেছে। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। আমরা ক্ষোভ জানিয়েছিলাম, কেন তাদের হাতে অস্ত্র থাকবে।”

তরুণ মুক্তিযোদ্ধা সোহেল আহমেদ বলেন, তাদের ক্যাম্প ছিল বুড়িগঙ্গা নদীর ওপারে কেরানীগঞ্জের আঁটিবাজারে। ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১১টার দিকে ঢাকায় ঢোকেন তারা।
“আমাদের একটি নৌকা ডুবে বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা মারা যান। আমরা তৎকালীন পাকিস্তান বেতার ভবনে ঢুকে পতাকা উড়িয়েছিলাম। মুক্তির আনন্দ ছিল তখন মানুষের চোখেমুখে।”

বিজয়ের পরদিন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে ঢু মেরেছিলেন আলীম ও তার বন্ধুরা; যেখানে তখন অনেক বিদেশি সাংবাদিক ছিলেন।

আলীম বলেন, “১৭ ডিসেম্বর আমরা কয়েকজন ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে গিয়েছিলাম। একজন শিখ অফিসার দেখে আমাদের একজন বলে উঠল, ‘জেনারেল অরোরা’। সবার কী উৎসাহ! দূর থেকে দেখেছি। উনি জেনারেল অরোরা ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করে এখন বলতে পারব না। এরপর তেজগাঁও বিমানবন্দরে। সেখানে পাকিস্তানি সৈন্যরা ছিল। কেউ দাঁড়িয়ে ছিল, কেউ কাঁদছিল।”

রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণের দলিলে সই করেছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সর্বাধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি। আর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে গঠিত মিত্রবাহিনীর পক্ষে সই করেন ভারতের সেনাবাহিনীর জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আখাউড়া থেকে এসেছিলেন মেজর জেনারেল সফিউল্লাহ।
তিনি বলেন, “আমার শেষ যুদ্ধ হয়েছিল আখাউড়াতে। ওখানে পাকিস্তানের একটি ব্রিগেডকে পরাজিত করার পর ভারতীয় একটি ব্রিগেড আমাদের সাথে যুক্ত হয়। আমি সিলেট হাইওয়ে ধরে আশুগঞ্জ যাই। আর ইন্ডিয়ান ব্রিগেড রেললাইন ধরে এগোয়। ১০ ডিসেম্বর আমরা নরসিংদীর রায়পুরা থেকে ঢাকার দিকে রওনা দেই। ১১ তারিখ আমরা ডেমরা পৌঁছাই। নদীর এ পার থেকে আমরা গুলি চালিয়েছিলাম। ডেমরা ঘাটে যুদ্ধ হয়। ১৪ তারিখ ডেমরায় পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করে।”

পাকিস্তানিদের আত্মসমর্পণ সম্পর্কে তিনি বলেন, “স্যারেন্ডার ফাইনাল হওয়ার পরপর আমাকে বলা হয়, আমি যেন জেনারেল নিয়াজিকে এয়ারপোর্ট থেকে রেসকোর্স নিয়ে যাই। আমার কাছে গাড়ি নেই। এতদিন তো পায়ে হেঁটে চলছি। ডেমরাতে পাকিস্তানের যে ব্যাটালিয়ন আমার কাছে স্যারেন্ডার করে, সেটার কমান্ডারকে তার গাড়ি নিয়ে আসতে বললাম। ওই গাড়ি নিয়ে আমি এয়ারপোর্ট যাই। নিয়াজিকে নিয়ে আমি ঢাকা ক্লাবের উল্টোদিকে রেসকোর্সে যাই। আত্মসমর্পণ যেখানে হল, সেখানে আমি দাঁড়ানো ছিলাম। নিয়াজি সিগনেচার করল। জেনারেল অরোরা সই করার সময় তার নামটা ঠিক লেখেননি। আমি তখন তাকে বললাম, তার নাম ঠিক নাই। তারপর তিনি আবার সাইন করেন।”

ঐতিহাসিক সেই আত্মসমর্পণের দলিলের খসড়া লিখেছিলেন তখনকার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএফআর জ্যাকব (বর্তমানে প্রয়াত)। শুধু দলিলের খসড়া রচনাই নয়, নিয়াজিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার কৃতিত্বও তার।
২০০৮ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকব নিয়াজির আত্মসমর্পণ সম্পর্কে বলেন, “…এরপর দেখি তার চোখে জল। আমি সেদিকে করুণাভরে তাকিয়ে ভাবলাম, এই লোকটা বাংলাদেশের মানুষকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। আপনারা জানেন, তার সেনাবাহিনী কী করেছে, তাই নতুন করে তা বলার নেই। এজন্য আমি তাকে ঢাকাবাসীর সামনে আত্মসমর্পণ করানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। নিয়াজী আবারও বললেন, তিনি তার সদর দপ্তরে আত্মসমর্পণ করবেন। আমি বললাম, না, আপনাকে রেসকোর্স ময়দানে ঢাকাবাসীর সামনে আত্মসমর্পণ করতে হবে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি নিয়মিত বাহিনীর প্রকাশ্য আত্মসমর্পণই শুধু নয়, আমি তাদের গার্ড অব অনার দিতেও বাধ্য করলাম।”

আত্মসমর্পণে আর দু’য়েকদিন দেরি হলেই জাতিসংঘ তাদের যুদ্ধবিরতি আদেশ কার্যকর করত বলে শঙ্কা ছিল জ্যাকবের।

তার ‘স্যারেন্ডোর অ্যাট ঢাকা: বার্থ অব অ্যা নেশন’ বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিয়াজির অফিসে যখন আত্মসমর্পণের দলিলের খসড়া পড়ে শোনানো হয়, তখন সেখানে পিনপতন নিঃস্তব্ধতা। নিয়াজি কাঁদছিলেন। রাও ফরমান আলি ‘ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ’ কথাটিতে আপত্তি জানান। নিয়াজি বলেন, খসড়ায় তো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের কথা বলা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত নিয়াজি খসড়া মেনে নেন।

সেই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন উপ প্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকার।

২০১৩ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত এক স্মৃতিচারণমূলক নিবন্ধে এ কে খন্দকার লেখেন, “আমি তখন কোলকাতায়। ১৬ ডিসেম্বর সকালের দিকে কিছু কাজে বাইরে গেছিলাম। ফিরলাম বেলা দশটার দিকে। ফিরে দেখি আমার জন্য কিছু লোক অপেক্ষা করছেন। তাদের কাছেই জানলাম পাকিস্তানি বাহিনী সেদিন বিকেলে যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করবে। সেজন্য ঢাকার রেসকোর্সে একটি ছোট্ট অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান হবে। আর আমাকে সে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করতে হবে….।”

রেসকোর্স ময়দানে আনন্দ-উল্লাস আর ভিড়ের মধ্যে সেই অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ে তিনি লিখেছিলেন, “সামান্য একটু জায়গা ফাঁকা রাখা ছিল, সেখানে একটি টেবিল পাতা। সামনেই ঢাকা ক্লাব, সেখান থেকে দুটো চেয়ার এনে বসার ব্যবস্থা করা গেল। বসলেন ভারতীয় বাহিনীর পক্ষে জেনারেল অরোরা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষে জেনারেল নিয়াজী। তারপর আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করলেন দুজনে।”

এ কে খন্দকার লিখেছেন, “স্বাক্ষরের পরপরই পাকিস্তানি অফিসারদের ওখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হল। কারণ আত্মসমর্পণ করেছে বলে পাক সেনা অফিসারদের নিরাপত্তার দায়িত্বভার আমাদের ওপরই বর্তে গেছে। ওদিকে আশেপাশে ঘিরে থাকা হাজার মানুষ উল্লাসে মুখর হয়ে ঊঠলেন। অনেকেই এগিয়ে এসে আমাদের জড়িয়ে ধরলেন। কাঁদছিলেন প্রায় সবাই। কাঁদতে কাঁদতে তারা বললেন, ‘আজ থেকে আমরা শান্তিতে ঘুমাব’।”
আত্মসমর্পণের সময় জ্যাকবের ঘড়িতে সময় ছিল বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিট (ভারতীয় সময়)। বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী ৫টা ২৫ মিনিট।

“তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে, কিন্তু কোনো আলোর ব্যবস্থা ছিল না,” লিখেছেন জ্যাকব।
তবে ততক্ষণে স্বাধীন দেশের নতুন আলোর আস্বাদ পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশের মানুষ।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪

#মুক্তিযুদ্ধ #বিজয়েরমাস #বাংলাদেশ

বিজয়ের মাসে ‘জয় বাংলা’ অপরাধ হলে—এই রাষ্ট্র কার?বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই বড়লেখা থানায় যোগ দিয়েই নিজের তথাকথিত “পারফরম্যান্স...
16/12/2025

বিজয়ের মাসে ‘জয় বাংলা’ অপরাধ হলে—এই রাষ্ট্র কার?

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই বড়লেখা থানায় যোগ দিয়েই নিজের তথাকথিত “পারফরম্যান্স” দেখাতে বাংলাদেশের অন্যতম সর্বাধিক মুক্তিযোদ্ধা অধ্যুষিত এলাকা—বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের পূর্বদৌলতপুর–বাদেপুকুরিয়া গ্রামকে বেছে নিয়েছে ওসি মনিরুজ্জামান।

সজিব আহমদ, জাহিদ হাসান, জুবায়ের আহমদ, সাইদুল ইসলাম ও জাহিদ আহমদ—পাঁচজনই স্কুলপড়ুয়া কিশোর। সন্ধ্যার পর ব্যাডমিন্টন খেলায় ব্যস্ত থাকা এই শিশুরা হঠাৎ করেই পুলিশের টার্গেটে পরিণত হয়। অভিযোগ—তারা নাকি মিছিল করেছে, “জয় বাংলা” স্লোগান দিয়েছে!

ওসি মনিরুজ্জামানের নির্দেশে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরিবারে জন্ম নেওয়ার ‘অপরাধে’ পাঁচ শিশুকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাজানো মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেফতারের পর অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরদের ওপর চালানো হয় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন। অতিরিক্ত মারধরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে আদালতে পাঠানোর আগে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয় পুলিশ। অথচ মামলায় লেখা হয়—“গ্রেফতারের সময় ধস্তাধস্তিতে আহত”!

‘জয় বাংলা’ কি অপরাধ?
বিজয়ের মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রামে কিশোরদের কারাগারে পাঠানো কোন আইনের শাসন ? যেখানে ১৯৭১ সালে পাক-হানাদার বাহিনীও এই গ্রামে এমন দুঃসাহস দেখাতে পারেনি, সেখানে আজ স্বাধীন দেশে পুলিশ কীভাবে শিশুদের ওপর এই বর্বরতা চালায়?

অবৈধ জামাতি ইউনুসের হস্তক্ষেপে প্রশাসনের এই দমননীতিই মাঠপর্যায়ে এমন পাশবিকতা উসকে দিচ্ছে। কিশোর ছেলেদের নিরাপত্তা যেখানে ভেঙে পড়ছে, সেখানে রাষ্ট্রের নৈতিকতা ও আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন অনিবার্য।

বিজয়ের মাস: ডিসেম্বর ১ ডিসেম্বর ১৯৭১ ইয়াহিয়াকে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য অপসারণ করতে বলেন ইন্দিরা গান্ধী‘বাংলাদেশ’ রাষ্ট্রের প...
01/12/2025

বিজয়ের মাস: ডিসেম্বর

১ ডিসেম্বর ১৯৭১
ইয়াহিয়াকে বাংলাদেশ থেকে সৈন্য অপসারণ করতে বলেন ইন্দিরা গান্ধী

‘বাংলাদেশ’ রাষ্ট্রের পরিচয়ে মাথা তুলে দাঁড়াবার চূড়ান্ত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। সেই অনন্য অর্জন অন্যদিকে এই ডিসেম্বর স্বজন হারানোর মাস। ৩০ লাখ প্রাণ ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রম হারানোর বেদনা মিশে আছে এই বিজয়ের ক্ষণে।

জাতির জীবনে আবারও এসেছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। কোটি মানুষের হৃদয়ে এই ডিসেম্বর আসে প্রেরণা, প্রতিজ্ঞার বার্তা নিয়ে। প্রতিকূল পরিস্থিতিকে পরাজিত করে সুন্দর, সত্যের পথে লড়াইয়ের সঞ্জীবনী শক্তি লুকিয়ে রয়েছে এই ডিসেম্বরে। আজ পহেলা ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই সময়ে সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধ সর্বাত্মক রূপ পেয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। সারা দেশে চলতে থাকে ব্যাপক যুদ্ধ।

এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পার্লামেন্টের উচ্চ পরিষদে বক্তৃতাকালে উপমহাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণই সমস্যার শ্রেষ্ঠ সমাধান। এই বক্তৃতায় তিনি ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

১৯৭১ সালে এই দিনে নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকার এক রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গেরিলা তত্পরতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের নির্দেশে সামরিক বাহিনীর লোকেরা পুনরায় গ্রামবাসীকে হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার বর্বর অভিযান শুরু করেছে। গেরিলা সন্দেহে জিঞ্জিরার কত জন যুবককে যে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করেছে তার ইয়ত্তা নেই। বুড়িগঙ্গার অপর পাড়ের এই গ্রামটিতে অন্তত ৮৭ জনকে সামরিক বাহিনীর লোকেরা হত্যা করেছে। এদের অধিকাংশই যুবক। নারী ও শিশুরাও ওদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।

এদিন রাওয়ালপিন্ডিতে একজন সরকারি মুখপাত্র জানায়, অধুনালুপ্ত আওয়ামী লীগ-প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার এখনো শেষ হয়নি। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের চারটি রণাঙ্গণে যে আক্রমণাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

’৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশন চালিয়ে ঢাকায় দুজন মুসলিম লীগ কর্মীকে হত্যা করে। বাকি দুজনকে বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে, মুক্তিযোদ্ধারা শেষ রাতের দিকে সিলেটের শমশেরনগরে অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে নাজেহাল করে তোলে। মুক্তিবাহিনীর তীব্র আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনী এই এলাকা থেকে পালাতে শুরু করে। মুক্তিবাহিনী টেংরাটিলা ও দুয়ারাবাজার মুক্ত ঘোষণা করে। মুক্তিবাহিনীর অপারেশন অব্যাহত থাকায় পাকিস্তানি বাহিনী এই জেলার গারা, আলিরগাঁও, পিরিজপুর থেকে তাদের বাহিনী গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

এদিকে, পিপলস পার্টির ঢাকা অফিস বোমা বিস্ফোরণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জুলফিকার আলি ভুট্টো দুই মাস আগে এ অফিস উদ্বোধন করেন। রাঙ্গামাটিতে ব্যাপটিস্ট মিশনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে চার্লস আর হাউজার নামে একজন ধর্মযাজক এবং বহু বাঙালি সন্ন্যাসী নিহত হন।

#বঙ্গবন্ধু #বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ #ইন্দিরাগান্ধী ি

25/11/2025

ক্ষুদিরামের ফাঁসি রায় দিয়ে ভারতবর্ষ থেকে ইংরেজরা পালাতে বাধ্য হয়।

বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসির রায় দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছে পাকিস্তানিদের।

শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় দিয়েছে যারা তারাও এদেশে থাকবে না।

বাংলাদেশ — NOT FOR SALE;দেশঘাতক ইউনূস — GO TO HELL!
24/11/2025

বাংলাদেশ — NOT FOR SALE;
দেশঘাতক ইউনূস — GO TO HELL!

24/11/2025

⁨⁨বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও প্রহসনমূলক মামলার সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ
------------------------------------
আমরা গভীর ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করেছে তা প্রহসনমূলক ও অগ্রহণযোগ্য। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে ক্যাঙারু কোর্টের রুপ পরিগ্রহ করেছে এর স্বৈরাচারী, পক্ষপাতদুষ্ট এবং ন্যায়বিচার পরিপন্থী কার্যকলাপ তথা মিথ্যা সাক্ষাৎ প্রামাণের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এ দেশের কোটি জনতা আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ ধরনের বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রমূলক এবং পূর্বনির্ধারিত রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি এবং ক্যাঙারু কোর্টের প্রহসনমূলক রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।
অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান
অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন
অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক
অধ্যাপক ড. মো: আখতারুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা
প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম
প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান
প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম
প্রফেসর ড. এম. জেড মামুন
অধ্যাপক ড. হারুনর রশীদ খান
অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন
অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস
প্রফেসর ড.লায়লা আরজুমান বানু
অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান
অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান
অধ্যাপক মশিউর রহমান
অধ্যাপক ম. মনিরুজ্জামান
অধ্যাপক ড.মো: আবুল হোসেন
অধ্যাপক ডাঃ আহসান হাবীব হেলাল
অধ্যাপক ড.জাকিয়া সুলতানা মুক্তা
অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি
অধ্যাপক ড. মো: আমিনুল হক ভূঁইয়া
অধ্যাপক ড. শবনম জাহান
অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন
অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া
ড. মাহবুব আলম প্রদীপ
অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী
অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন
প্রফেসর ড.ফাজরিন হুদা
প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান
অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার
প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল
অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক খান
অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আক্তার
অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর
অধ্যাপক ড. সুব্রত সাহা
অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন
ড. সিদ্ধার্থ দে
অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম
অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান
অধ্যাপক আসাদুজ্জামান
অধ্যাপক ড.ওসমান গণি তালুকদার
প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া
অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ
অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান
অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ
অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন
ড. বেলাল হোসেন
অধ্যাপক ড. মো: শামীম হোসেন
অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান
ড. নীলিমা আখতার
অধ্যাপক ড. মাহবুব আল মারুফ
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ
প্রফেসর ড. ওমর ফারুক
অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম
অধ্যাপক ড.দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস
অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল হোসেন
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ
অধ্যাপক ড.আইনুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব
ড. সোমা দে
ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির
অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার
অধ্যাপক ড. জাহানারা আরজু
অধ্যাপক মো: জামাল হোসেন
অধ্যাপক ড. ফারুক উদ্দিন
অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী
অধ্যাপক ড. জাভীদ ইকবাল বাঙালী
প্রফেসর ড. মুসতাক আহমেদ
অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান
অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান
অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান
অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মুহিত
অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দীন
অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. ফারমিন ইসলাম
অধ‍্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
ড. মো: মিজানুর রহমান
অধ্যাপক ড. সীমা জামান
অধ্যাপক ড.কায়সার আহমেদ রকি
অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা
অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক
অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম
অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ
অধ্যাপক ড. এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
অধ্যাপক ড. মু. সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী
অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান
অধ্যাপক ড.মো: শফিকুল ইসলাম
কামরুন নাহার
অধ্যাপক মো: রবিউল ইসলাম জাবেদ
প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল্লাহ
প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার
প্রফেসর ড. আফরিনা মুস্তারি
প্রফেসর ড. আকতার হোসেন
প্রফেসর হাবিবুর রহমান
অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান
প্রফেসর মো: হানিফ সিদ্দিকী
অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস লাভলু
অধ্যাপক রন্তু দাস
প্রফেসর ড.মো: আনোরুল ইসলাম
প্রফেসর ড.এম এল পলাশ
অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল
অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীন
অধ্যাপক ড. আরমিন খাতুন
অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান
জনাব শামীমা খাতুন
অধ্যাপক ড. অতিশ কুমার জোয়ার্দার
ড. আশরাফুন্নাহার
অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির
অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান
অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন
অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার
অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর
অধ্যাপক প্রভাস কুমার চাকলাদার
ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান
অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ
অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু
প্রফেসর ড. রহমান নাছি
প্রফেসর ড. খাইরুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. মুবিনা চৌধুরী কেয়া
প্রফেসর ড.সজিব ঘোষ
অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান
অধ্যাপক আরিফা রহমান রুমা
অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. সামছুজ্জোহা
অধ্যাপক নুরে আলম সিদ্দিকী
অধ্যাপক শাহ আজম
অধ্যাপক হারুন অর রশিদ
অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান
অধ্যাপক রবিউল ইসলাম
অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন
অধ্যাপক বাদশা মিয়া
অধ্যাপক আব্দুল আলীম
অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা
অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম
প্রফেসর সাইদুল ইসলাম
অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন
প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার
অধ্যাপক ড. মঈন উদ্দিন
অধ্যাপক নূর ইসরাত জাহান
ড. মাহমুদুর রহমান
ড. মোঃ নাসির উদ্দিন
অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ
ড. ইব্রাহীম আব্দুল্লাহ
অধ‍্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন
প্রফেসর ড. তানভীর আহমেদ
প্রফেসর ড. মো আলমগীর হোসেন
ড. মোঃ আব্দুল কাইউম
প্রফেসর ড. আবুল হোসেন
অধ্যাপক এনামুল কবির
অধ্যাপক আলতাফ রাসেল
অধ্যাপক শামিমুর রহমান
প্রফেসর ফারজানা ইসলাম
অধ্যাপক সাব্বির সাত্তার
অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত নয়ন
অধ্যাপক ড. অনীক কৃষ্ণ কর্মকার
অধ্যাপক ড. জেবুন্নেসা তালুকদার
প্রফেসর ড. বশির আহমেদ
অধ্যাপক সঞ্জয় মুখার্জি
অধ্যাপক আজিজুর রহমান
অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন
অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ
অধ্যাপক রেদোয়ান আহমদ
অধ্যাপক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম
অধ্যাপক রাশেদ মোশাররফ
অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী
অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশিদ
অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন
প্রফেসর ড.ফারমাইন
প্রফেসর সীমা জামান
প্রফেসর রোমানা ইসলাম
অধ্যাপক ড. মামুন
প্রফেসর আব্দুস সোবহান
অধ্যাপক জুলফিকার
অধ্যাপক ড. মোল্লা হক
অধ্যাপক শহীদুল্লাহ হাওলাদার
অধ্যাপক ড. মোঃ আইনুল ইসলাম
প্রফেসর ড. কাজী শাহানারা আহমেদ
অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বকুল
অধ্যাপক আব্দুল হক
অধ্যাপক ড. লাইলা খালেদা
প্রফেসর ড. জামাল উদ্দিন
প্রফেসর ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার
অধ্যাপক অমিত রায়
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম
অধ্যাপক সিদ্ধার্থ সংকর
প্রফেসর ড. ফারহানা হক
প্রফেসর ড.পলিট আহমেদ
প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন
প্রফেসর ড. তানভীর রহমান
প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান
অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন
অধ্যাপক ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ
অধ্যাপক মাযাহারুল ইসলাম
অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান সরকার
প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্ৰ
অধ্যাপক জুলকার নাইম
অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন
অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ
ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম
অধ্যাপক ড.সোবহান ইকবাল
অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ
প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্ৰ
অধ্যাপক সোহান আহমেদ
অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম
আবু জাফর মিয়া
অধ্যাপক ড. সুজন সেন
অধ্যাপক ড. টোভেল
অধ্যাপক ড.আউয়াল কবির জয়
অধ্যাপক জনাব ইলিয়াস উদ্দিন
অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান
ড. মোঃ নাজমুল হাসান সিদ্দিকী
অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক
অধ্যাপক আসাদুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. জাকের আহমেদ
অধ্যাপক আসমা বিনতে শফিক
অধ্যাপক শারমিন আফরোজ
অধ্যাপক ড. সুলাইমান হোসেন
অধ্যাপক ড. সৌরভ পাল
অধ্যাপক ড. জহির আহমেদ
প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা
অধ্যাপক ড. কল্যাণ দে
অধ্যাপক ড. নাজনীন নাহার ইসলাম
অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য
অধ্যাপক ড. শুক্লা দাস
প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান
অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন
অধ্যাপক সাজেদা আখতার
অধ্যাপক সিফাত শারমিন
অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান
অধ্যাপক ডক্টর মোল্লা হক
অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম সাজিব
অধ্যাপক ড. নির্মল কুমার সাহা
অধ্যাপক ড. হাসান মুহাম্মদ
অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস
অধ্যাপক ড. কাজী আয়েশা
প্রফেসর ড. আজমল হুদা
অধ্যাপক রোকনুজ্জামান জুয়েল
ড. সুজন চৌধুরী
অধ্যাপক সুলতান ইসলাম
অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম
অধ্যাপক মেহেদী হাসান
অধ্যাপক জয়শ্রী সেন
অধ্যাপক ড. শারমিন
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান
অধ্যাপক মেহেদী হাসান ইকবাল
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান
প্রফেসর জিল্লুর রহমান
অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন
অধ্যাপক ড. নাঈম হাসান চৌধুরী
অধ্যাপক ড. এস. এম. জিয়াউল ইসলাম সাজল
অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন
অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম
অধ্যাপক সিরাজ উদ্দৌলা
অধ্যাপক হোসেন মোহাম্মদ ইউনুস সিরাজী
অধ্যাপক ফয়সাল বিন মোনির জনি
অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম সরকার
প্রফেসর আহসান হাবীব
অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন
অধ্যাপক ড. এম. দানেশ মিয়া
অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান
অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন
অধ্যাপক সুবাস কান্তি দাস
অধ্যাপক ড. আবুল মানছুর
অধ্যাপক ড. রোবিউল হোসেন ভূঁইয়া
অধ্যাপক মামুনুর রশীদ
অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন
অধ্যাপক আলমগীর সরকার
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন
প্রফেসর আবু জাফর সিদ্দিকী
অধ্যাপক বাহার উদ্দিন
অধ্যাপক মামুন আল আসাদ
অধ্যাপক আলী আজগর আহমেদ
অধ্যাপক আবুল কাশেম
অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক
অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মাহমুদ
প্রফেসর আবু নাসের সরকার
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আবির
অধ্যাপক বোরন ইকবাল সিদ্দিকী
অধ্যাপক ফজলুর রহমান
অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. কাজী কাশরুল আলম কুদ্দুসী
অধ্যাপক ড. গোলাম কবির
অধ্যাপক এম আবু নোমান
অধ্যাপক হাসিবুল আলম
অধ্যাপক সুবেন কুমার
অধ্যাপক ড. শামীমা ফেরদৌসী
অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান
অধ্যাপক ফাইসাল গণি টিপু
অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র
অধ্যাপক সুজন সেন
অধ্যাপক সুলতান আহমদ
অধ্যাপক জাহিদ হাসান
অধ্যাপক জান্নাতুল বারি
অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান
অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম
অধ্যাপক সেলিম নাসরীন
প্রফেসর নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী
অধ্যাপক ওমর ফারুক দিদার
অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদ
অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী
অধ্যাপক শেখ সাদী
অধ্যাপক ড. আহসানুল কবির পালাশ
অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র
অধ্যাপক মনজুরুল আলম সরকার
অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী
অধ্যাপক দিলীপ কুমার
অধ‍্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী
অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম
প্রফেসর নাজির মোল্লা জালাল
অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান
অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান
অধ্যাপক স্বপন চন্দ্র বিশ্বাস
অধ্যাপক ড. দীপিকা রানী
অধ্যাপক ড. রাশেদ উদ নবী
প্রফেসর হারিস আহমদ
অধ্যাপক রাশেদুজ্জামান খান
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বাবু
অধ্যাপক রুহুল আমিন
অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন
অধ্যাপক তপন কুমার বিশ্বাস
অধ্যাপক আহসান-উল হক
অধ্যাপক ড. মনিরুল হাসান
অধ্যাপক ড.মতিয়ার রহমান
অধ্যাপক ইব্রাহিম আব্দুল্লাহ মাহবুব
অধ্যাপক রবিউল হোসেন পলাশ
অধ্যাপক অসীম কুমার বিশ্বাস
অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর সাদাত
অধ্যাপক ড. রেজাউর রহমান
অধ্যাপক আনিছুর রহমান কাওসার
অধ্যাপক রকিবুল ইসলাম নয়ন
অধ্যাপক ফরিদ আহমদ
অধ্যাপক ড. সাদাত আল সজীব
অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাশ
ড. মো. আব্দুল আলীম
অধ্যাপক ড. এ. কে. ওবায়দুল হক
অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন আরমান
অধ্যাপক লিটন কুমার বর্মন
অধ্যাপক শিরীণ আখতার
অধ্যাপক নাসিমুজ্জামান বাদল
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জাবেদ
অধ্যাপক মো: শরিফুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. শম্পা জাহান
অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন
অধ্যাপক কাজী খসরুল আলম
অধ্যাপক মো. মনজুরুল হক
অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ
অধ্যাপক আবুল কাশেম তালুকদার
অধ্যাপক ড. শান্তি রাণী হালদার
অধ্যাপক সুপ্তিকণা মজুমদার
অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন
অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাইনুল হক মিয়াজী
অধ্যাপক ড. মো. নাসিম হাসান
অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক
অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক
অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন
অধ্যাপক সাদাত আকবর হোসেন
অধ্যাপক সোহেল আহমেদ
অধ্যাপক ড. মো. আছাদুজ্জামান
অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার
অধ্যাপক আমিনা পারভীন
অধ্যাপক মাহফুজুল হক
অধ্যাপক ড. শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী
অধ্যাপক ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী
অধ্যাপক রুহুল আমিন হাওলাদার
অধ্যাপক মো. জাকারিয়া সরকার
অধ্যাপক হাসানুল হক মজুমদার
অধ্যাপক গোলাম কবির
অধ্যাপক আলমগীর হোসেন
অধ্যাপক ড. মো.মাসুদার রহমান
অধ্যাপক ইয়াহিয়া আখতার
অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম
অধ্যাপক ড. কবির হোসেন
অধ্যাপক নাজমুল হুদা
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুম
অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী
অধ্যাপক এস. এম. মনিরুল হাসান
অধ্যাপক কামরুন্নাহার মৌসুমী
অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ খান
অধ্যাপক ড. খাদেমুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার
অধ্যাপক ড. শাহজাহান মণ্ডল
অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দিন
অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদ হোসেন
অধ্যাপক শাহনেওয়াজ রাব্বি মিয়া
অধ্যাপক জাহিদুল আলম
অধ্যাপক ড. আলম চৌধুরী
অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন
অধ্যাপক আবু নাসের চৌধুরী
অধ্যাপক ড. রফিকুল হাসান
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া
অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান সজীব
অধ্যাপক একরামুল হক
অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ
অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের
অধ্যাপক শাহাদাত কামাল
অধ্যাপক ড. সিরাজুল আলম
অধ্যাপক তাসনীম হুমাইদা
অধ্যাপক ড. ইকবাল সিদ্দিক
অধ্যাপক ড. মো: তারিকুল ইসলাম
অধ্যাপক গনেশর চন্দ্র
অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল
অধ্যাপক ড. আফরোজা বানু
অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন
অধ্যাপক মাজেদুল হক
অধ্যাপক আশিষ তালহা
অধ্যাপক আলী আহমেদ
অধ্যাপক রেজাউর করিম
অধ্যাপক ড. মিয়া রাসিদুজ্জামান
অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সিকদার
অধ্যাপক ফারুক হোসেন
অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম
মোহাম্মদ মহিবুল আলম
অধ্যাপক মোরশেদ আহমেদ
অধ্যাপক ড. রবিউল হোসেন
অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন
অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন
অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন নিজামী
অধ্যাপক ড. শামীম আল মামুন
অধ্যাপক বিজয় কুমার পাল
অধ্যাপক হুমায়ুন আহমেদ
অধ্যাপক তুলসী কুমার
অধ্যাপক ফিরোজ আলম
অধ্যাপক মো. কামরুল আলম
অধ্যাপক ড. মো. মঈজ্জেম হোসেন
অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন
অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মন্ডল
অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ
অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরিন
অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম আক্তারুল ইসলাম
অধ্যাপক সেলিম উল মাসুদ
অধ্যাপক রবিউল ইসলাম
অধ্যাপক আশরাফুর রহমান
ড. মো: মেহেদী হাসান
অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ
অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দীন
অধ্যাপক ড. হাফিজুল ইসলাম
অধ্যাপক মো. জাহিদুল কবীর
অধ্যাপক মাসুম হাওলাদার
অধ্যাপক ড. জিনোবোধি ভিক্ষু
অধ্যাপক হোসেন কবির
অধ্যাপক ড. মাসুদ রানা
অধ্যাপক মাহবুবুল হাকিম
অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. সেলিম আল মামুন
অধ্যাপক মো. তুহিনুর রহমান
অধ্যাপক আকতার হোসন লিমন
ড. রুহুল আমিন
অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান
ড. মোহাম্মদ সায়েদুল ইসলাম সরকার
অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ
অধ্যাপক কামাল আহমেদ
ড. নাঈমাতুল জান্নাত নিপা
অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন
অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ভুঁইয়া
অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ
অধ্যাপক মো. মুশফিকুর রহমান
অধ্যাপক রাকিবুল ইসলাম
ড. অরুণ কুমার
অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল হক
অধ্যাপক মো. ইমদাদুল হক
অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন
অধ্যাপক মিলন মোস্তাফিজ
অধ্যাপক আলী আহাম্মদ খান
অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমেদ
অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম লিটন
অধ্যাপক নাদিরা জামান
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক
অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন
অধ্যাপক ড. এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব
অধ্যাপক কাউসার মাহমুদ
অধ্যাপক ওয়ারেছ উদ্দিন
সোলাইমান হোসেন মিন্টু
অধ্যাপক আবুল কালাম
অধ্যাপক শ্যামল কুমার দাস
অধ্যাপক শ্যাম দত্ত
অধ্যাপক ড.আবদুল বাকী
অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী
অধ্যাপক বোরহান ইকবাল সিদ্দিকী
অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম
অধ্যাপক মোঃ শাহজাহান ইসলাম
অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন টিটু
অধ্যাপক ড. মো: শহিদুল ইসলাম সেকেন্দার
অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আলীম
অধ্যাপক ড.সাহিদা মন্ডল
অধ্যাপক ড. আহমেদ নূর
অধ্যাপক আব্দুর রউফ
অধ্যাপক এসএম জিল্লুর রহমা
অধ্যাপক ইমতিয়াজ সুলতান
অধ্যাপক ড. মো: ইমতিয়াজ ইসলাম
অধ্যাপক ড. অনিন্দিতা হাবিব
অধ্যাপক মো: মিঠুন
অধ্যাপক ড. আহমেদ সালাউদ্দিন
অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
অধ্যাপক জয়ন্ত কুমার
অধ্যাপক সানাউল হক
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান শাহিন
আব্দুল মালেক সরকার
অধ্যাপক কামরুল হাসান
অধ্যাপক রেজাউর করিম
অধ্যাপক সাদাত আকবর হোসেন
অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ
অধ্যাপক ড. মো: মোজাহিদ হোসেন
অধ্যাপক কাজী আখতার হোসেন
অধ্যাপক ইকবাল হোসেন জুয়েল
অধ্যাপক রাবেয়া ইসলাম
অধ্যাপক আব্দুল ছালাম
অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন
অধ্যাপক সাঈদ আহাম্মদ
অধ্যাপক মাসুদ মিয়া
অধ্যাপক ড. সেলিনা আখতার
অধ্যাপক ড. খালেদ মিসবাহুজ্জামান
অধ্যাপক ড. শাহদাৎ হোসেন
অধ্যাপক মো. তারিফুল ইসলাম
অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন
অধ্যাপক মাহামুদুল হক
অধ্যাপক হেলাল আহমদ
অধ্যাপক ড. দেবাশীষ পলিট
অধ্যাপক ড. মূহিবুল আজিজ
অধ্যাপক মো. খাইরুল ইসলাম
অধ্যাপক আহাম্মদ উল্লাহ
অধ্যাপক মিজানুর রহমান
অধ্যাপক নাজিমুল ইসলাম
অধ্যাপক আব্দুল হাই
অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন
অধ্যাপক সাহাব উদ্দীন
অধ্যাপক মাহবুব হোসেন
অধ্যাপক ড.শহিদুর রহমান খান
অধ্যাপক ফজলুর রহমান
মোসাঃ কামারুন নাহার
অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন
অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা
অধ্যাপক মাজেদুর রহমান
অধ্যাপক রবিউল ইসলাম
এস. এম. মোয়াজ্জেম হোসেন
জাহিদ ইকবাল
জয়নব বিনতে হোসেন
মো: গোলাম রমিজ
কবির ফিরোজ
অধ্যাপক সুশান্ত সাহা
অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম অধ্যাপক
ড. মোঃ মতিয়ার রহমান
অধ্যাপক মো. ইকবাল কবির
মনিরুল ইসলাম
ইমদাদুল হক শরীফ
অধ্যাপক মোস্তাফিজ মিরাজ
প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন
অধ্যাপক সায়েদুর রহমান
অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন
অধ্যাপক মো: মঈন উদ্দিন
অধ্যাপক রাকিবা নবী
ড. মোঃ কামরুজ্জামান
অধ্যাপক নাজনীন বেগম
অধ্যাপক ড. আহমেদ সালাউদ্দিন
অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
অধ্যাপক নির্মল কুমার শাহ
অধ্যাপক বাহার উদ্দিন
অধ্যাপক মানিকুল ইসলাম
অধ্যাপক মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন
অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল ফারুক
অধ্যাপক নঈম উদ্দিন হাসান আওড়ঙ্গজেব
অধ্যাপক দুলাল বসুনিয়া
অধ্যাপক আনছার আলী
অধ্যাপক শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী
অধ্যাপক এ কে এম রেজাউর রহমান
ড.মো: মাইনুদ্দিন মোল্লা
অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন
জয়নব বিনতে হক
ইশরাত জাহান
রায়হান সরকার
ড. তাপস কুমার ভৌমিকসহ ১০০১ জন শিক্ষক

ধন্যবাদান্তে
ডক্টর মাহবুব আলম প্ৰদীপ
সহযোগী অধ্যাপক
লোক প্রসাশন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়⁩

Bangladesh: The trial and death sentence of Sheikh Hasina is neither fair nor just. The victims of July 2024 deserve far...
18/11/2025

Bangladesh: The trial and death sentence of Sheikh Hasina is neither fair nor just. The victims of July 2024 deserve far better. Bangladesh needs a justice process that is scrupulously fair and fully impartial beyond all suspicion of bias and does not resort to order further human rights violations through the death penalty. Only then can genuine and meaningful truth, justice and reparations be delivered.

This trial has been conducted before a court that Amnesty International has long criticized for its lack of independence and history of unfair proceedings. Further, the unprecedented speed of this trial in absentia and verdict raises significant fair trial concerns for a case of this scale and complexity. Amnesty International opposes the death penalty in all cases without exception, regardless of the nature or circumstances of the crime; guilt, innocence, or other characteristics of the individual; or the method used by the state to carry out the ex*****on.

https://www.amnesty.org/en/latest/news/2025/11/bangladesh-justice-for-victims-of-2024-massacre-not-served-by-death-sentence-against-sheikh-hasina/

Address

50 Corporation Street
Wednesbury
WS109AQ

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD SUMON MIAH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MD SUMON MIAH:

Share