28/01/2021
আজ সকালে সরেজমিনে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে দেখা যায়, কয়েক শ রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাঁরা গতকাল বিকেলে কুতুপালং, লম্বাশিয়া, হাকিমপাড়া, তানজিমারখোলা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে উখিয়া ডিগ্রি কলেজে আসেন। মাঠে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে অর্ধশতাধিক বড় বড় বাস।
রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে ২৫ থেকে ৩০টি ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান। রোহিঙ্গাদের বসার (বিশ্রাম) জন্য বিশাল একটি প্যান্ডেল তৈরির পাশাপাশি চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর পাশেই চলছে গরু জবাই করে রোহিঙ্গাদের খাবারের বিশাল আয়োজন। পুরো এলাকাজুড়ে আছে পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নিরাপত্তা।
স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক জামালদা বেগম, মমিনা খাতুন, আসাব উদ্দিন ও আমির হোসেনের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা বলেন, উখিয়া-টেকনাফের আশ্রয়কেন্দ্রগুলো নিরাপদ নয়। এখন প্রায় সময় অস্ত্রধারী রোহিঙ্গাদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলিবিনিময় ও হামলার ঘটনা ঘটছে। তাই কারও চাপে নয়, স্বেচ্ছায় তাঁরা ভাসানচরে যাচ্ছেন।
উখিয়ায় তানজিমারখোলা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে আসা কবির আহমদ বলেন, ভাসানচরে উন্নত মানের শেড তৈরি করা হয়েছে। টয়লেটসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি হওয়ায় অধিকাংশ রোহিঙ্গাই এখন বাসায় চলে যেতে ইচ্ছুক।
ভাসানচরে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন রোহিঙ্গা নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও বখাটের উৎপাত বেড়েছে। খুনখারাবি, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, নারী ধর্ষণ ও ইয়াবার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে প্রায়ই মারামারির ঘটনা ঘটছে। গত মঙ্গলবারও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দুটি দলের মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। সাধারণ রোহিঙ্গারা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তাই ঝুঁকি এড়াতে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে রোহিঙ্গাবোঝাই ১৭টি যানবাহন সারিবদ্ধভাবে ভাসানচরের উদ্দেশে চট্টগ্রাম রওনা দিয়েছে। এ....