Ananda Mahato

Ananda Mahato ᴡᴇʟᴄᴏᴍᴇ ᴛᴏ ᴀɴᴀɴᴅᴀ ᴍᴀʜᴀᴛᴏ ᴏꜰꜰɪᴄɪᴀʟ ꜰᴀᴄᴇʙᴏᴏᴋ ᴘᴀɢᴇ

নিজের মতো চলি
সত্যি কথা বলতে ভালোবাসি
Motivation | Reality | Public Voice

22/08/2026

খোলা চিঠি

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের কাছে

বিষয়: গ্রামে গ্রামে অবৈধ মদের ভাটি বন্ধ এবং নেশামুক্ত পরিবেশ গড়ার দাবি ।

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী,

সশ্রদ্ধ প্রণাম জানিয়ে আজ বাংলার গ্রামের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।

গ্রামবাংলার বহু এলাকায় মদ্যপানের কারণে পরিবারে অশান্তি, অর্থনৈতিক ক্ষতি, পড়াশোনায় বাধা এবং সামাজিক সমস্যার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের মুখে শোনা যায়। বিশেষ করে যেখানে অবৈধভাবে মদ তৈরি বা বিক্রি হচ্ছে, সেখানে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।

আমাদের প্রশ্ন—
গ্রামের মানুষ যদি বারবার অভিযোগ করেন, তাহলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কি নিয়মিত নজরদারি ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে না?

আমরা জানি, বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান এবং অবৈধ মদ তৈরির ভাটি এক বিষয় নয়। তাই আমাদের দাবি কোনো বৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে নয়। আমাদের দাবি হলো—যেখানে বেআইনিভাবে মদ তৈরি, মজুত বা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, সেখানে নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

🔹 গ্রামে গ্রামে অবৈধ মদ তৈরির ভাটি ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হোক।

🔹 স্থানীয় মানুষের অভিযোগ গ্রহণের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা করা হোক।

🔹 অভিযোগ পাওয়ার পর নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

🔹 স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, উপাসনাস্থল ও জনবসতির আশপাশে অবৈধ মদ বিক্রির অভিযোগ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।

🔹 শুধু অভিযান নয়, মদ্যপানের ক্ষতি সম্পর্কে গ্রামাঞ্চলে সচেতনতা বাড়ানো হোক।

🔹 মদ্যপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক ও স্বাস্থ্য সহায়তার ব্যবস্থা করা হোক।

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী,

একটি পরিবারের উপার্জনের টাকা যদি নেশার পেছনে চলে যায়, তার প্রভাব শুধু একজন মানুষের ওপর পড়ে না—পুরো পরিবারের ওপর পড়ে। সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের খাবার, চিকিৎসা এবং ভবিষ্যৎ—সবকিছুর ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।

তাই আমাদের আবেদন, “নেশামুক্ত ও নিরাপদ গ্রাম” গড়ার লক্ষ্যে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় করা হোক।

আমরা কোনো ব্যক্তিকে টার্গেট করতে চাই না, কাউকে বেআইনিভাবে অভিযুক্তও করতে চাই না। আমরা চাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ পরিবেশ।

সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন একটাই—
গ্রামের মানুষ যদি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও নেশামুক্ত পরিবেশ চান, তাহলে তাঁদের সেই দাবিকে কি গুরুত্ব দেওয়া হবে?

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী,
আপনার কাছে আমাদের আবেদন—এই বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখুন এবং রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে অবৈধ মদ তৈরি ও বিক্রির বিরুদ্ধে কার্যকর, স্বচ্ছ ও আইনসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

আমরা চাই না শুধু অভিযান হোক—
আমরা চাই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক।

গ্রাম বাঁচুক, পরিবার বাঁচুক, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরাপদ থাকুক।

বিনীত,
একজন সচেতন নাগরিক
পশ্চিমবঙ্গ

আদ্রা থেকে লালপুর যাওয়ার পথে ।
21/08/2026

আদ্রা থেকে লালপুর যাওয়ার পথে ।

21/08/2026

একটি পঞ্চায়েত মানে শুধু প্রধান, উপপ্রধান, সদস্য বা কয়েকজন নির্বাচিত প্রতিনিধি নয়। পঞ্চায়েত মানে গোটা এলাকার মানুষ। সেই গ্রামের মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই যখন গ্রামের উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেন, তখন সেই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মতামত, এলাকার বাস্তব সমস্যা এবং মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া কি উচিত নয়?

আজ অনেক গ্রামের মানুষের মনে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন—

গ্রামের রাস্তা ভাঙা, পানীয় জলের সমস্যা, নিকাশি ব্যবস্থা খারাপ, স্ট্রিট লাইট নেই, স্কুল-অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সমস্যা রয়েছে—এসব নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা না করেই যদি পঞ্চায়েতের বাজেট তৈরি ও পাস করা হয়, তাহলে সেই বাজেট কতটা জনমুখী?

আমরা জানতে চাই—

বাজেট তৈরির আগে গ্রামের মানুষের মতামত নেওয়া হলো কোথায়?
কোন কাজ আগে দরকার, সেই অগ্রাধিকার ঠিক করল কে?
কোন এলাকায় কত টাকা খরচ হবে, তার পরিকল্পনা কী?
কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, মানুষ কি সেটা জানতে পারবে না?

উন্নয়নের টাকা জনগণের টাকা। তাই সেই টাকার পরিকল্পনা ও খরচের বিষয়ে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি থাকা জরুরি।

গ্রামের মানুষ দিনের পর দিন সমস্যার মধ্যে বসবাস করেন। কোথায় রাস্তা সবচেয়ে খারাপ, কোথায় জল জমে, কোথায় পানীয় জলের সংকট, কোথায় আলো নেই, কোথায় নিকাশি ব্যবস্থা দরকার—এসব সমস্যার বাস্তব চিত্র সবচেয়ে ভালো জানেন গ্রামের সাধারণ মানুষই।

তাহলে তাদের সঙ্গে আলোচনা না করে শুধুমাত্র অফিসের টেবিলে বসে উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি হলে বাস্তব সমস্যার কতটা সমাধান হবে?

আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অন্ধভাবে অভিযোগ করতে চাই না।
আমাদের দাবি খুবই সাধারণ—

পঞ্চায়েতের কাজ হোক স্বচ্ছভাবে।
বাজেট হোক মানুষের প্রয়োজনকে সামনে রেখে।
উন্নয়নের পরিকল্পনায় গ্রামের মানুষের অংশগ্রহণ থাকুক।
কোথায় কত টাকা বরাদ্দ, কী কাজ হবে এবং কাজের অগ্রগতি—এসব তথ্য সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করা হোক।

জনগণ শুধু ভোট দেওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ নয়।
জনগণ প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনের সময় মানুষের দরজায় গিয়ে ভোট চাওয়া হবে, আর নির্বাচনের পরে মানুষের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এলাকার উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—এই মানসিকতার পরিবর্তন দরকার।

আমরা চাই অংশগ্রহণমূলক পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, যেখানে গ্রামের মানুষ শুধু দর্শক নয়, উন্নয়নের পরিকল্পনার অংশীদার হবেন।

কারণ—

আমাদের গ্রাম, আমাদের সমস্যা, আমাদের উন্নয়ন—তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণেও আমাদের মতামত চাই।

প্রশাসনের কাছে আবেদন—
পঞ্চায়েতের বাজেট ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নিয়ে সাধারণ মানুষের সামনে স্বচ্ছ তথ্য তুলে ধরা হোক এবং মানুষের অভিযোগ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হোক।

উন্নয়ন কাগজে নয়, বাস্তবে চাই।
বাজেট শুধু পাস নয়—বাজেটের প্রতিটি টাকার হিসাব চাই।
পঞ্চায়েত শুধু অফিস নয়—পঞ্চায়েত হোক মানুষের মঞ্চ।

আপনার গ্রামের ক্ষেত্রেও কি বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা হয়?
মতামত কমেন্টে জানান।






AdRa
18/08/2026

AdRa

Address

Adra
723121

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ananda Mahato posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share