28/05/2026
নিজস্ব প্রতিবেদন ঃ আরামবাগ ঃ
১৫ বছর ধরে সন্ত্রাস, অত্যাচার, হুমকি, তোলাবাজির অভিযোগ। পালাবদল হতেই এবার জনরোষের শিকার খানাকুলের দাপুটে তৃণমূল নেতা। তাকে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। গায়ের পোশাকও নেই।টানাটানি ধস্তাধস্তি, হেনস্থা ও মারধর করা হচ্ছে।সেখানে হাজির অগণিত মানুষ। ছিল পুলিশও।আর
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ভিডিও। যা নিয়ে রীতিমতো সরগরম এলাকা।খানাকুলের ঘাসুয়া এলাকায় প্রকাশ্য রাস্তায় খানাকুলের কিশোরপুর-২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপেন মাইতিকে চড়, থাপ্পড়, লাথি মারল এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, দিনের পর দিন এলাকায় দাদাগিরি চালিয়েছে ওই তৃণমূল নেতা। মাঝ রাতে গিয়েও ঘর ভাঙচুর, শাসানি দিত। এমনকী সবসময় পিস্তল নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াত বলে অভিযোগ। তৃণমূল শাসন ক্ষমতা থেকে চলে যেতেই এবার জনরোষের শিকার হলেন তৃণমূল নেতা। নিজের এলাকাতেই তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে এলে পুলিশের সামনেই চলে মারধর। অবেশেষে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সদস্য বিশ্বজিৎ দাসের দাবি, এতদিন মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছিলেন ঐ দীপেন মাইতি। ক্ষমতার দম্ভে তিনি অত্যাচার অনাচার করেছেন অনেক।তাই মানুষ স্বাধীনতা পেয়ে এই কাজ করেছে। আমরা চাই ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অতীতে যা যা মামলা রয়েছে, সেগুলির প্রকৃত তদন্ত হোক।