Santanu Maity

Santanu Maity Freedom is not given — it is taken.

আরশোলার শখ হলো পাখি হয়ে উড়বো… 🪳🕊️পাড়ার আরশোলা একদিন আয়নায় নিজেকে দেখে ভাবলো—“অনেক হয়েছে! এবার ঈগল হবো!” 😎প্রথমে দে...
10/06/2026

আরশোলার শখ হলো পাখি হয়ে উড়বো… 🪳🕊️

পাড়ার আরশোলা একদিন আয়নায় নিজেকে দেখে ভাবলো—

“অনেক হয়েছে! এবার ঈগল হবো!” 😎

প্রথমে দেওয়ালে উঠলো…

তারপর টেবিলে উঠলো…

তারপর আলমারিতে উঠলো…

তারপর ঘোষণা করলো—

“আমি এবার আকাশ জয় করবো!”

চারপাশের সবাই অবাক!

চড়ুই বললো, “উড়তে জানিস?”

কাক বললো, “ডানা কোথায়?”

পায়রা বললো, “আকাশে উঠবি কীভাবে?”

আরশোলা বললো—

“ওসব পরে দেখা যাবে, আগে খবরটা ভাইরাল হোক!” 🤣

তারপর এক লাফ…

এক সেকেন্ড আকাশে…

আর পরের সেকেন্ডে সোজা মাটিতে! 😂

মাটিতে পড়ে উঠে আবার বললো

“আমি পড়িনি, এটা ছিল কৌশলগত অবতরণ!” 😌

রাজনীতিতে হোক বা জীবনে—

স্বপ্ন দেখা দোষের নয়।

কিন্তু আরশোলা যদি নিজেকে ঈগল ভাবতে শুরু করে,

তাহলে পাড়ার লোকজন একটু হাসবেই! 😆🍿

দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না গাইজ। তাই “চোর ধরো, দলে ভরো” স্কিমে যোগ দেবার ইচ্ছে প্রকাশ করলাম।😜
10/06/2026

দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না গাইজ।
তাই “চোর ধরো, দলে ভরো” স্কিমে যোগ দেবার ইচ্ছে প্রকাশ করলাম।😜

রাজনীতির নতুন ডিটারজেন্ট! 🧺আগে শুনতাম—🔴 “চোর ধরো, জেলে ভরো।”এখন আপডেটেড ভার্সন এসেছে—🟠 “চোর ধরো, দলে ভরো।”বিজ্ঞানীরা এখন...
10/06/2026

রাজনীতির নতুন ডিটারজেন্ট! 🧺

আগে শুনতাম—

🔴 “চোর ধরো, জেলে ভরো।”

এখন আপডেটেড ভার্সন এসেছে—

🟠 “চোর ধরো, দলে ভরো।”

বিজ্ঞানীরা এখনও অবাক!

যে ব্যক্তি গতকাল পর্যন্ত ছিল—

❌ দুর্নীতিবাজ

❌ তোলাবাজ

❌ গণতন্ত্রের শত্রু

❌ বাংলার সর্বনাশের মূল হোতা

সে আজ দল পরিবর্তন করার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে যাচ্ছে—

✅ জননেতা

✅ উন্নয়নের কারিগর

✅ জনপ্রিয় মুখ

✅ গণতন্ত্রের সৈনিক

এত দ্রুত চরিত্র পরিবর্তনের প্রযুক্তি এখনও MIT, NASA বা ISRO কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি।

শুধুমাত্র ভারতীয় রাজনীতিই এই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।

জনগণও বড্ড বোকা।

তারা ভেবেছিল ভোট দিয়ে দুর্নীতি দূর করবে।

পরে দেখা গেল, দুর্নীতি দূর করা নয়, রিসাইকেল করা হচ্ছে। ♻️

আগে ছিল এক দলে।

এখন অন্য দলে।

কিন্তু নেতা একই।

গাড়ি একই।

বডিগার্ড একই।

ভাষণ একই।

শুধু গামছা আর পতাকার রং বদলেছে।

বাংলার ভোটার:
“আমরা তো সিনেমা বদলাতে টিকিট কেটেছিলাম!”

রাজনীতি:
“সিনেমা একই আছে দাদা, শুধু প্রোডাকশন হাউস বদলেছে!” 😂

বাংলার মানুষ কি শুধু সরকার বদলাতে চেয়েছিল, নাকি পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাটাই বদলাতে চেয়েছিল?পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকে শুধুমা...
09/06/2026

বাংলার মানুষ কি শুধু সরকার বদলাতে চেয়েছিল, নাকি পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থাটাই বদলাতে চেয়েছিল?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকে শুধুমাত্র নির্বাচনের ফল দিয়ে বিচার করলে একটা বড় ভুল হবে। কারণ অনেক সময় ভোট মানুষ কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য দেয় না, বরং একটি ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলার বহু মানুষের মধ্যে একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল যে তৃণমূল কংগ্রেস শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ ক্ষমতার ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ ছিল, দুর্নীতি, কাটমানি, রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব এবং স্থানীয় স্তরে ক্ষমতার অপব্যবহার ধীরে ধীরে একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

এই ক্ষোভ শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ছিল না।

অনেক মানুষের অভিযোগ ছিল, পঞ্চায়েত থেকে ব্লক, ব্লক থেকে জেলা, জেলা থেকে বিধায়ক, সাংসদ—ক্ষমতার প্রতিটি স্তরে একই সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে।

২০১৯ সালে বিজেপির উত্থান সেই ক্ষোভেরই রাজনৈতিক প্রকাশ ছিল।

অনেক ভোটার বিজেপির প্রার্থীকে চিনতেন না। অনেকেই স্থানীয় নেতার নামও জানতেন না। কিন্তু তারা EVM-এ পদ্মফুলে চাপ দিয়েছিলেন একটি কারণেই—তারা তৃণমূলকে রাজনৈতিকভাবে শাস্তি দিতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু এরপর বিজেপি এমন একটি পথ বেছে নেয়, যা অনেক সমর্থকের মনেই প্রশ্ন তৈরি করে।

যাদের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর আন্দোলন হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সভা-মিছিল হয়েছে, তাদের অনেককেই বিজেপির মঞ্চে দেখা যেতে শুরু করে।

এখানেই প্রথম ফাটল তৈরি হয়।

কারণ সাধারণ ভোটার খুব সরলভাবে বিষয়টি দেখেন।

তিনি ভাবেন, “যদি এই মানুষগুলো এত খারাপ হয়, তাহলে তারা বিজেপিতে এলেই ভালো হয়ে গেল কীভাবে?”

আর যদি ভালোই হয়, তাহলে এতদিন তাদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ তোলা হলো কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর আজও বাংলার রাজনীতিতে স্পষ্ট নয়।

আমার মতে, এখানেই বিজেপি বাংলার ভোটারের মনোভাব ভুল পড়েছিল।

মানুষ তৃণমূলের পতাকা বদল দেখতে চায়নি।

মানুষ তৃণমূলের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবসান দেখতে চেয়েছিল।

তারা নতুন মুখ দেখতে চেয়েছিল।

তারা চেয়েছিল যারা বছরের পর বছর রাস্তায় লড়াই করেছে, তাদের উঠে আসতে।

তারা চেয়েছিল জবাবদিহি।

তারা চেয়েছিল পরিবর্তন।

যখন এই বার্তা উপেক্ষা করা হয়, তখন তার রাজনৈতিক মূল্য দিতে হয়।

কিন্তু পরে বিজেপি আবার বুঝতে পারে যে বাংলার মানুষ শুধুমাত্র ক্ষমতার অঙ্ক দেখছে না, চরিত্রও দেখছে। তখন দলবদল রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে সরে এসে তারা নিজেদেরকে একটি বিকল্প রাজনৈতিক সংস্কৃতি হিসেবে তুলে ধরতে শুরু করে। এমনকি দলের মধ্যেই “Trinamoolisation” নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

এবং সেখানেই বাংলার মানুষ তাদের সবচেয়ে বড় বার্তা দেয়।

একটি অভূতপূর্ব জনসমর্থন।

একটি ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট।

একটি এমন রায়, যা শুধু সরকার গঠনের অনুমতি নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কার করার দায়িত্বও দেয়।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

যদি এত বড় জনসমর্থন পাওয়ার পরও আবার সেই পুরনো রাজনৈতিক মুখগুলোকে দলে আনা শুরু হয়, তাহলে সাধারণ ভোটার কী ভাববে?

তিনি কি ভাববেন না যে তিনি যাদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন, তারা শেষ পর্যন্ত অন্য রঙের পতাকা নিয়েই আবার ক্ষমতার কেন্দ্রে ফিরে এসেছে?

তাহলে পরিবর্তনটা কোথায়?

দলের নাম বদলেছে?

নাকি রাজনীতির চরিত্র বদলেছে?

বাংলার মানুষ সরকার পরিবর্তনের জন্য ভোট দেয়নি।

বাংলার মানুষ একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনের জন্য ভোট দিয়েছিল।

আর যদি সেই প্রত্যাশা ভেঙে যায়, তাহলে কোনো বিরোধী দল নয়, কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়—সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে মানুষের বিশ্বাস হারানো।

কারণ গণতন্ত্রে ভোটার পরাজয় মেনে নেয়।

কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা খুব কমই ভুলে যায়।

08/06/2026

Still, I have full faith in this man.. as well as Indian system.

একটা নীতিগত প্রশ্ন।কোনো রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়।সরকার যদি কোনো প্রকল্পের যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আয়...
04/06/2026

একটা নীতিগত প্রশ্ন।

কোনো রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়।

সরকার যদি কোনো প্রকল্পের যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আয়কে গুরুত্ব দেয়, তাহলে আবেদনপত্রে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আয়, পেশা বা আর্থিক অবস্থার তথ্য চাওয়া হচ্ছে কেন?

আর যদি পরিবারের সামগ্রিক আর্থিক অবস্থাও বিবেচ্য হয়, তাহলে সেই বিষয়টি স্পষ্টভাবে নীতিতে উল্লেখ করা হচ্ছে না কেন?

এখানেই সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

একদিকে বলা হচ্ছে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে ফর্মে এমন অনেক তথ্য চাওয়া হচ্ছে, যা পারিবারিক আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—

এই তথ্যগুলো কি শুধুই তথ্য সংগ্রহের জন্য?

নাকি এগুলো যোগ্যতা নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়?

যদি ব্যবহার না হয়, তাহলে কেন সংগ্রহ করা হচ্ছে?

আর যদি ব্যবহার হয়, তাহলে সেটা পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন?

এক

কল্যাণমূলক প্রকল্পের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো স্বচ্ছতা।

নাগরিকের অধিকার আছে জানার—

✔️ কোন তথ্যের ভিত্তিতে যোগ্যতা নির্ধারণ হচ্ছে।

✔️ কোন তথ্য শুধুমাত্র রেকর্ডের জন্য নেওয়া হচ্ছে।

✔️ কোন তথ্যের কোনো বাস্তব প্রভাব নেই।

সরকারের কাছে অনুরোধ, প্রকল্পের যোগ্যতার মানদণ্ড এবং আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্যের উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা হোক।

কারণ অস্পষ্টতা যত বাড়ে, বিভ্রান্তি তত বাড়ে।

আর বিভ্রান্তি বাড়লে গুজব, ভুল তথ্য এবং রাজনৈতিক বিতর্কেরও জন্ম হয়।

জনগণের টাকা দিয়ে পরিচালিত যেকোনো প্রকল্পের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা কোনো অনুগ্রহ নয়।

এটা নাগরিকের অধিকার।

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি যাতায়াত।কিন্তু এই নীতির ফলে আসলে কারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন?সত...
04/06/2026

পশ্চিমবঙ্গে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি যাতায়াত।

কিন্তু এই নীতির ফলে আসলে কারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন?

সত্যিই কি সেই গরিব মহিলা, যাঁর জন্য এই প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল?

নাকি এমন অনেক মানুষও এই সুবিধা পাচ্ছেন, যাদের এর কোনো প্রয়োজনই নেই?

আজ কলকাতায় এমন অসংখ্য দৃশ্য দেখা যায়—

একজন সরকারি চাকরিজীবী,
একজন ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য,
এমনকি কয়েক লক্ষ টাকার মোবাইল, গাড়ি বা অন্যান্য বিলাসবহুল জিনিস ব্যবহারকারী মানুষও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াত করছেন।

অন্যদিকে সেই বাস চালাতে, ডিজেল কিনতে, কর্মচারীদের বেতন দিতে, নতুন বাস কিনতে যে টাকা লাগছে, সেটা কোথা থেকে আসছে?

করদাতাদের পকেট থেকে।

অর্থাৎ একজন বেকার যুবক, একজন ছোট দোকানদার, একজন বেসরকারি কর্মচারীও করের মাধ্যমে সেই খরচ বহন করছেন।

আমার প্রশ্ন খুব সহজ।

যদি সরকার সত্যিই সাহায্য করতে চায়, তাহলে কেন আয়ভিত্তিক ব্যবস্থা আনা হবে না?

যার মাসিক আয় কম, তিনি সম্পূর্ণ ফ্রি যাতায়াত করু

যিনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, তিনি সামান্য ভাড়া দিন।

এতে যে হাজার হাজার কোটি টাকা বাঁচবে, তা দিয়ে—

✔ আরও বাস কেনা যাবে
✔ সরকারি হাসপাতাল উন্নত করা যাবে
✔ স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে
✔ কর্মসংস্থান প্রকল্পে বিনিয়োগ করা যাবে

কোনো সমাজ তখনই এগোয়, যখন কল্যাণনীতি এবং আর্থিক দায়িত্ব—দুটোর মধ্যে ভারসাম্য থাকে।

গরিবকে সাহায্য করুন।

অবশ্যই করুন।

কিন্তু সবাইকে একই ভর্তুকি দেওয়া কি সত্যিই সামাজিক ন্যায়বিচার?

নাকি এটা শুধু ভোটের রাজনীতি?

সিদ্ধান্ত আপনাদের।

03/06/2026

এটা কোনও একটা পার্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ না। কিন্তু এটা তো রিয়ালিটি। যে সব নেতা মন্ত্রী বা উচ্চপদের সরকারী বাবুরা দেশের সেবা করছেন, তাদের ছেলে মেয়েরা ভারতবর্ষের প্রতি আস্থা রাখতে পারছে না কেন?
নিজের ছেলে মেয়েদের বেলায় বাইরের দেশ ও কালচার এবং সুযোগ সুবিধা। এদের ছেলে মেয়েরা সারাজীবন দেশের বাইরে থাকে আর ফিরে এসে নেতা মন্ত্রী হয়ে যায়।
এসব কবে বন্ধ হবে?

কোনো মানুষকে বিচার করতে হলে তাঁর নাম, ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে নয়, তাঁর কাজ দিয়ে বিচার করা উচিত।এই কারণেই খান স্য...
03/06/2026

কোনো মানুষকে বিচার করতে হলে তাঁর নাম, ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে নয়, তাঁর কাজ দিয়ে বিচার করা উচিত।

এই কারণেই খান স্যার আজ শুধু একজন শিক্ষক নন, লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রীর কাছে একটি আশার নাম।

ভারতের ছোট শহর, গ্রাম এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা অসংখ্য ছাত্রছাত্রী বছরের পর বছর ধরে বড় কোচিং সেন্টারের বিপুল ফি দিতে পারেনি। অনেকের স্বপ্ন শুধু অর্থের অভাবে থেমে গিয়েছে।

ঠিক সেই সময় খান স্যার পড়াশোনাকে সহজ ভাষায়, সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছেন।

তিনি হয়তো প্রথম ব্যক্তি নন যিনি পড়ান, কিন্তু তিনি এমনভাবে পড়িয়েছেন যাতে গ্রামের ছাত্র, রিকশাচালকের ছেলে, দিনমজুরের মেয়ে কিংবা ছোট ব্যবসায়ীর সন্তানও আত্মবিশ্বাস পায়।

আজ হাজার হাজার নয়, লক্ষ লক্ষ ছাত্র তাঁর ক্লাস থেকে উপকৃত হয়েছে।

কেউ চাকরি পেয়েছে।

কেউ সরকারি পরীক্ষায় সফল হয়েছে।

কেউ নিজের জীবনের প্রথম বড় স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছে।

ভারতের প্রকৃত শক্তি বড় বড় বিল্ডিং বা ধনী মানুষের মধ্যে নয়।

ভারতের প্রকৃত শক্তি সেই শিক্ষক, সেই সৈনিক, সেই কৃষক এবং সেই সাধারণ মানুষদের মধ্যে, যারা প্রতিদিন অন্যের জীবনকে একটু ভালো করার চেষ্টা করেন।

খান স্যারকে নিয়ে কারও রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে।

তাঁর কোনো বক্তব্যের সঙ্গে একমত বা দ্বিমত হওয়া স্বাভাবিক।

কিন্তু একটি বিষয় অস্বীকার করা কঠিন—

যে মানুষ লক্ষ লক্ষ সাধারণ পরিবারের সন্তানকে শিক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, তাঁর অবদানকে সম্মান করা উচিত।

কারণ একজন ভালো শিক্ষক শুধু একটি বিষয় পড়ান না।

তিনি একটি প্রজন্মের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেন।

আর সেই কাজটাই বহু বছর ধরে করে চলেছেন খান স্যার।

রেল স্টেশন চত্বর থেকে অবৈধ দোকান সরানো হচ্ছে। 😦এই খবর শুনে অনেক ছোট ব্যবসায়ী উদ্বিগ্ন। কেউ বলছেন রুজি-রুটি চলে যাবে, কে...
03/06/2026

রেল স্টেশন চত্বর থেকে অবৈধ দোকান সরানো হচ্ছে। 😦

এই খবর শুনে অনেক ছোট ব্যবসায়ী উদ্বিগ্ন। কেউ বলছেন রুজি-রুটি চলে যাবে, কেউ বলছেন বড় লোকেরা সব জায়গা দখল করে নেবে।

কিন্তু আতঙ্কিত হওয়ার আগে একটা বিষয় জেনে নিন।👇

ভারতীয় রেলে স্টল, টি-স্টল, বুক স্টল, মাল্টি পারপাস স্টল (MPS), মিল্ক স্টল, ফুড স্টল—এসবের জন্য বৈধ লাইসেন্স পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খোলা টেন্ডারের মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়।

কীভাবে আবেদন করবেন?

১. আপনার ডিভিশনের DRM (Commercial) অফিসের টেন্ডার নোটিশ দেখুন।

২. Railways / IREPS / Zonal Railway Website-এ প্রকাশিত Notice Inviting Tender (NIT) খুঁজুন।

৩. PAN, Aadhaar, Bank Account, Address Proof, Passport Photo প্রস্তুত রাখুন।

৪. খাবারের দোকান হলে FSSAI লাইসেন্স লাগতে পারে।

৫. টেন্ডার ফর্ম জমা দিন এবং Earnest Money Deposit (EMD) জমা করুন।

৬. টেন্ডার জিতলে Security Deposit ও License Agreement সই করতে হবে।

খরচ কত হতে পারে?

এখানে অনেক ভুল তথ্য ঘুরছে।

“বছরে ২০০০ টাকায় রেলের স্টল” — এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।⚔️

বাস্তবে:

* ছোট স্টেশনগুলিতে ৫০–১০০ বর্গফুটের স্টলের লাইসেন্স ফি কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকা বছরে হতে পারে।
* মাঝারি স্টেশনে তা আরও বেশি হতে পারে।
* বড় স্টেশনগুলিতে ৫ বছরের লাইসেন্স মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত যেতে দেখা যায়।

তবে মনে রাখবেন—

অবৈধ দখলে থেকে প্রতিমাসে দালাল, রাজনৈতিক নেতা, ইউনিয়ন বা স্থানীয় প্রভাবশালীদের টাকা দেওয়ার চেয়ে বৈধ লাইসেন্স অনেক বেশি নিরাপদ।

পুরনো দোকানদারদের জন্য কি কোনো সুযোগ আছে?

যদি বহু বছর ধরে ব্যবসা করে থাকেন:

✔️ ব্যবসার পুরনো প্রমাণ সংগ্রহ করুন
✔️ ব্যবসায়ী সমিতির সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন
✔️ স্থানীয় রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পুনর্বাসন বা বৈধকরণের দাবি জানান
✔️ নতুন টেন্ডার বের হলে অবশ্যই আবেদন করুন

অনেক সময় বিভিন্ন সংরক্ষিত ক্যাটাগরি (SC, ST, মহিলা ইত্যাদি)-র জন্য আলাদা কোটা থাকে।

সরকারী সহায়তা

* PM SVANidhi (যদি যোগ্য হন)
* Mudra Loan
* Stand-Up India
* বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রের ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ প্রকল্প

এসবের মাধ্যমে মূলধন জোগাড় করা সম্ভব।

শেষ কথা

রাজনীতিবিদরা আজ আপনার পাশে দাঁড়াবেন।

কাল অন্য ইস্যু এলে আপনাকে ভুলে যাবেন।

কিন্তু বৈধ লাইসেন্স, বৈধ ব্যবসা এবং সরকারি নথি আপনার পরিবারকে বহু বছর সুরক্ষা দেবে।

স্লোগান দিয়ে ব্যবসা চলে না।

লাইসেন্স, কাগজপত্র এবং আইনি অধিকার দিয়েই ব্যবসার ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে।

তাই ভয় নয়।

দাবি করুন—
“আমাদের উচ্ছেদ নয়, বৈধ ব্যবসার সুযোগ দিন।”

এটাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান। ✊

Address

Arambagh
712601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Santanu Maity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share