দেশে বিদেশে

দেশে বিদেশে Discover the Fusion: Europe Travel, Indian Culture, Fun, Cooking, Dance and many more! 💃🤷‍♀️🤳
(1)

কাজের ফাঁকে কিছু অগোছালো ছবি 🥰🥰💜❤❤🧿🧿
13/09/2025

কাজের ফাঁকে কিছু অগোছালো ছবি 🥰🥰💜❤❤🧿🧿










চলা ফেরা এখন Netflix এর মতো লোডিং এ আটকে গেছে । হাঁটার লাইসেন্স সাময়িক সাসপেন্ডেড 😟😔🍀🍀🙏🏻🙏🏻
12/09/2025

চলা ফেরা এখন Netflix এর মতো লোডিং এ আটকে গেছে । হাঁটার লাইসেন্স সাময়িক সাসপেন্ডেড 😟😔🍀🍀🙏🏻🙏🏻








ছোটবেলা আমিও এভাবে গাছের ডাল ধরে দোল খেয়েছি, কারা কারা এভাবে গাছের ডাল ধরে দোল খেতে জানিও । শৈশবটা কত তাড়াতাড়ি পেরিয়...
11/09/2025

ছোটবেলা আমিও এভাবে গাছের ডাল ধরে দোল খেয়েছি, কারা কারা এভাবে গাছের ডাল ধরে দোল খেতে জানিও । শৈশবটা কত তাড়াতাড়ি পেরিয়ে যায় । এটাই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় 🥰🥰🌹🌹🍀🍀❤️❤️🧿🧿









01/07/2025

জীবনে প্রথমবার এরকম একটা কাণ্ড ঘটালাম 😂😂😂 সবকিছুরই অভিজ্ঞতা হওয়া দরকার 😜 fans

25/06/2025

মিউনিখ থেকে আমরা গিয়েছিলাম বাবারিয়ান ক্যাসেলে। জায়গাটা মিউনিখ থেকে অনেকটাই দূরে। দুবার ট্রেন এবং বাস চেঞ্জ করে আমরা গিয়েছিলাম। প্রচন্ড ঠান্ডা ঝোড়ো হাওয়া তার সঙ্গে ঝিরঝির করে বৃষ্টি। দুর্গটা পাহাড়ের অনেক উপরে, গভীর জঙ্গলের ভিতর দিয়ে পাহাড়ি পথ পেয়ে যেতে হয়। এত উঁচুতে আমরা হেঁটে উঠতে পারবো না সেই কারণেই আমরা ঘোড়ার গাড়ি করেছিলাম। হাড় কাঁপানো ঠান্ডা তার সাথে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি গভীর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম উপরের দিকে তখন একটা বেশ গা ছম ছম করা পরিবেশ। স্বর্ণ আগের থেকে ভেতরে ঢোকার জন্য আমাদের টিকিট বুক করে রেখেছিল। আমাদের ভেতরে ঢোকার টাইম ছিল বিকাল চারটা। ভেতরে ঢোকার পর ওদের গাইড আমাদের সবাইকে একটা করে মাইক্রোফোন দিল কানে লাগাবার জন্য এবং উনি সমস্ত বিষয়টা জার্মান ভাষায় বলে বলে দিচ্ছিলেন। যদিও আমরা বুঝতে পারিনি। ভেতরে ঢুকে মনে হচ্ছিল বহু শতাব্দী পূর্বে কোন এক রাজার প্রাসাদে আমরা প্রবেশ করেছি। ভেতরে এমন সব মায়াবী কারুকার্য দেখে অবাক হয়ে গেলাম। রাজ দরবার, রাজার শয়ন কক্ষ, রানীদের থাকার জায়গা ইত্যাদি সমস্ত কিছুই এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
দেখে মনে হচ্ছিল যেন জীবন্ত রাজবাড়ি সব কিছুই এখনো একই রকম ভাবে সাজানো গোছানো রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের পরে আমরা আবার ঘোড়ার গাড়ি করে নিচে নেমে এলাম। মনের মধ্যে অজস্র জীবন্ত স্মৃতি নিয়ে আমরা আবার নিজেদের রুমে ফিরে গেলাম।

Narayan Chandra Goswami

.

সাড়ে তিন টার সময় গেলাম লোভার মিউজিয়াম। এটা পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটা মিউজিয়াম। এই মিউজিয়ামে মোনালিসার সেই বিখ্যাত...
24/06/2025

সাড়ে তিন টার সময় গেলাম লোভার মিউজিয়াম। এটা পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটা মিউজিয়াম। এই মিউজিয়ামে মোনালিসার সেই বিখ্যাত ছবিটা আছে। প্রকাণ্ড বিল্ডিং, খানিকটা এল টাইপের, পাঁচতলা বাড়ি, হাফ কিমি দৈর্ঘ্য তো হবেই। আমার আর স্বর্ণর টিকিট আগে থেকেই বুক করা ছিল আমাদের সময় ছিল বিকাল সাড়ে তিনটা। লাইন দিয়ে দাঁড়াবার পরে সিকিউরিটি চেকিং হল। ভেতরে ঢুকে দেখি হাজার হাজার মানুষ দশ-বারোটা এসকেলেটার দিয়ে ওঠানামা করছে। স্বর্ণ আগের থেকেই ঠিক করে রেখেছিল নির্দিষ্ট কিছু কিছু জায়গা দেখব কারণ পুরোটা দেখতে হলে দু তিন দিন সময় লেগে যাবে। ভেতরে যে অপরূপ পেইন্টিং কারুকার্য এগুলো চোখে না দেখলে বর্ণনা করা যায় না। গ্রিক ইটালি, ফ্রান্স ইত্যাদি বহু দেশের শিল্পের অপরূপ সমন্বয় এই মিউজিয়ামে দেখা যায়। হাজার হাজার বিদেশি পর্যটক ঘুরাঘুরি করে সে সব অপরূপ দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্য উপভোগ করছে আমরাও তার সাথে ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম সেই সব অপরূপ শিল্পগুলিকে। মোনালিসার ছবি চাক্ষুষ দেখার খুব ইচ্ছা ছিল আমার , তাই মনের মধ্যে বিরাট কৌতূহল নিয়ে ওখানে গেলাম। ছবি তুললাম, মোনালিসার পাশে দাঁড়িয়েও ছবি তুললাম। ওইখানটাতেই ভিড় বেশি ছিল। তবে যেটা দেখলাম ওর চাইতেও অনেক ভালো ভালো বিভিন্ন ছবি রয়েছে। কম সময়ের মধ্যে যতটা সম্ভব খুব দ্রুততার সঙ্গে আমরা দেখে নিলাম তারপর নিচে নামলাম। যদি কখনো কেউ প্যারিসে আসেন তাহলে অবশ্যই এখানে আসবেন জীবন সার্থক হয়ে যাবে। মানুষ যে এমন শিল্প সৃষ্টি করতে পারে চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা খুব কঠিন। এটা দেখে সত্যি সত্যি জীবন ধন্য হয়ে গেল। বাইরে আবার কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে যখন ডিনার শেষ করে বাড়ি ফিরলাম তখন রাত্রি বারোটা।

Narayan Chandra Goswami

আজ বার হয়ে প্রথমে গেলাম আমরা সুন্দরবন বলে একটা ভারতীয় রেস্তোরায় বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য। ওখান থেকে আমরা চলে গেলাম নট্র...
23/06/2025

আজ বার হয়ে প্রথমে গেলাম আমরা সুন্দরবন বলে একটা ভারতীয় রেস্তোরায় বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য। ওখান থেকে আমরা চলে গেলাম নট্রর ডেম।এটা হল নেপোলিয়নের সমাধিক্ষেত্র এবং পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত ক্যাথিড্রাল। ছবিতে দেখুন কেউ অসাধারণ শিল্প ভাস্কর্য। কত যত্ন করে এরা এগুলোকে অক্ষত অবস্থায় পৃথিবীর মানুষের কাছে তুলে ধরেছে আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এসব কল্পনাই করা যায় না। দেশ-বিদেশে হাজার হাজার পর্যটক এখানে ঘোরাঘুরি করছে ছবি তুলছে আবার ভিতরেও যাচ্ছে। আমাদের সময় কম ছিল যার জন্য ভেতরে গেলাম না। এখান থেকে বার হয়ে আমরা গেলাম শেন নদীতে। ওখানে আমাদের আগের থেকে টিকিট বুক করা ছিল 24 ঘন্টার জন্য। স্টিমারের চেপে নদীর দুপাশের কি অপরুপ দৃশ্য কল্পনা করা যায় না। নটা স্টপেজ আছে। সেখানে নেমে নেমে সব দর্শনীয় স্থান দেখা যায়। একটা নদীকে কত সুন্দর ভাবে সাজিয়ে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়ভাবে করা যায় এটা না দেখলে বোঝা যাবে না। স্টিমারে বসে দুধারের অসংখ্য স্থাপত্য এবং বড় বড় বাড়ি গুলোর অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে যাচ্ছিলাম। এই সব কিছু দেখে আমাদের মনটা ভরে গেল।

Narayan Chandra Goswami

মিউনিখ থেকে আমরা গিয়েছিলাম হিটলারের কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার যেখানে বেছে বেছে  ইহুদী দ...
22/06/2025

মিউনিখ থেকে আমরা গিয়েছিলাম হিটলারের কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার যেখানে বেছে বেছে ইহুদী দিকে এই কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে বন্দী করে রাখত এবং তাদের উপরে অকথ্য নির্যাতন চালাতো। এখানে দেখবে একটা গ্যাস চেম্বারের ছবি দেওয়া আছে, ওই গ্যাস চেম্বারে ঢুকিয়ে দিয়ে তাদেরকে হত্যা করা হতো। বন্দী করে কয়েদি দিকে ছোট ছোট প্রকোষ্ঠে রাখা হতো। যেখানে একটা মানুষ পা মেলে শুতে পারত না এবং সেগুলো দুটো তিনটা স্তরে থাকতো যাতে অনেক বন্দী একসঙ্গে রাখা যায়। ভেতরে ঢুকে মনে হচ্ছিল সেই তখনকার হাড় হিম করা দৃশ্যটা যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে। আমাদের ওখানের মথুরার ওই কংসের কারাগারের মতো খানিকটা। কোন জালানা নেই ছোট্ট ছোট্ট দরজা পুরোটাই পাথরের তৈরি। ওখানে সাধারণ মানুষকে রাখলে এমনিতেই দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে। সমস্ত ঘটনার দিনপঞ্জি এবং বিশদ বিবরণ বিভিন্ন জায়গায় ডিসপ্লে করে লেখা আছে। এতদিন হিটলারের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের কথা ইতিহাসে পড়েছিলাম আজকে চাক্ষুষ সেগুলো দেখলাম কি ভয়ংকর ইতিহাস। ভগ্ন গ্যাস চেম্বার এর সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম কি নির্মম নিষ্ঠুর ভাবে কয়েদি দিকে এখানে হত্যা করা হতো। এখানে নাকি চল্লিশ হাজার বন্দিকে হত্যা করা হয়েছিল।

Narayan Chandra Goswami

প্রথম দিন প্যারিস এ নেমে আমাদের রুমে পৌছাতে বিকাল হয়ে গেল। আসার সময় আমরা দোতলা বুলেট ট্রেনে এসেছি। ঘন্টায় গতিবেগ 320 ক...
21/06/2025

প্রথম দিন প্যারিস এ নেমে আমাদের রুমে পৌছাতে বিকাল হয়ে গেল। আসার সময় আমরা দোতলা বুলেট ট্রেনে এসেছি। ঘন্টায় গতিবেগ 320 কিমি/ ঘন্টা। যাতে তাড়াতাড়ি পৌঁছে সেদিনই কিছু দর্শনীয় জায়গা দেখা যায় তাই এই ট্রেনের টিকিট কেটেছিল। রুমে পৌঁছে ফ্রেশ হয়ে টিফিন খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম। গন্তব্য স্বপ্নের আই ফেল টাওয়ার। অসাধারণ মনমুগ্ধকর দৃশ্য। ছবির মত সাজানো বিশাল এলাকা। হাজার হাজার মানুষ যে যার মত নিজের নিজের মত আনন্দ করছে।ওখানে ঘন্টা দুয়েক ছিলাম।
ওখান থেকে মেট্রো ধরে একটা Indian restaurant ,( সুন্দর বন) এ গেলাম। ওটা 9 টার সময় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন আর স্বর্ণ, পিউ এর বিরিয়ানি খাওয়া হল না। অন্য একটা ভারতীয় রেস্তোরাঁয় খেয়ে রাত্রি 11 টায় দু বার মেট্রো চেঞ্জ করে রুমে ফিরলাম।

On courtesy:-- Narayan Chandra Goswami.

#

18/06/2025

বাজার ঘোরাঘুরি করে খাওয়া দাওয়া করলাম। ওখানে একটা বাংলাদেশী দোকান আছে সেখানে গেলাম। এই দোকানে একদম সমস্ত কিছু পাওয়া যায়। আমরা কিছু শাক-সবজি মশলাপাতি এবং মাছ কিনলাম।
৭ কেজি ৮ কেজি ওজনের রুই কাতলা, দু কিলো আড়াই কিলো ওজনের পদ্মার ইলিশ, পমফ্রেট, পাবদা ইত্যাদি সমস্ত ধরনের মাছ এখানে পাওয়া যায়। আমরা একটা দেড় কিলো সাইজের পদ্মার ইলিশ এবং একটা তিন কিলো সাইজের রুই তার সাথে 1 kg পমফ্রেট নিলাম। এখানে কেমন ভাবে মাছ কাটে সেটা দেখুন।

আগামীকাল আমরা ফ্রান্স যাচ্ছি।

On courtesy:- Narayan Chandra Goswami❤❤

আজ আমরা গিয়েছিলাম ফ্রাঙ্কফুর্ট। এখানটা হল জার্মানি তথা সারা ইউরোপের অর্থনীতির হেডকোয়ার্টার। প্রথমে গিয়েছিলাম আমরা মাই...
17/06/2025

আজ আমরা গিয়েছিলাম ফ্রাঙ্কফুর্ট। এখানটা হল জার্মানি তথা সারা ইউরোপের অর্থনীতির হেডকোয়ার্টার। প্রথমে গিয়েছিলাম আমরা মাইন নদীতে। যাতায়াতের রাস্তার ধারে গগনচুম্বি সব বড় বড় বাড়ি।বাড়িগুলির মধ্যে কাঠ দিয়ে কি অসাধারণ শিল্পের নিদর্শন। যেতে যেতে রাস্তার ধারে নজরে পরলো কোট প্যান্ট পরে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে এক জায়গায় বসে ভিক্ষা করা তিনজন মানুষকে। মাইন নদীর ওখানে যখন পৌঁছালাম তখন খুব সুন্দর পরিষ্কার আকাশ।ওখানে একটা সুন্দর ব্রিজ আছে তার উপরে উঠে ফটো তুললাম। ব্রিজের রেলিং এর উপরে দেখলাম ছোট ছোট কয়েক হাজার ছোট ছোট তালা দেওয়া রয়েছে।ওগুলো না কি প্রেমিক প্রেমিকারা মানত করে দিয়েছে।কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে আমরা চলে এলাম একটা চার্চে। এটা ১০০০ বছরেরও বেশি পুরানো। জার্মানির অনেক রাজা এই চার্চে শপথ নিয়েছিলেন। ওখানে সমস্ত কিছু ভালোভাবে ঘুরে ঘুরে দেখে চলে এলাম একটা ভারতীয় রেস্তোরাঁতে। মালিকের বাড়ি পাঞ্জাবে ওখানে আমরা খুব সুন্দর করে ভারতীয় খাবার খেলাম। এখানে এসে দেখলাম জার্মানির রেস্তোরাঁ গুলোতে খাবারের দাম কিছুটা কম কিন্তু ভারতীয় রেস্তোরায় খাবারের দাম অনেকটাই বেশি। খুব ভালোভাবে এনজয় করলাম আমাদের আজকের জার্নি টাকে। এর পরের অংশ কালকের ভিডিওতে দেব।

On courtesy:- Narayan Chandra Goswami.

আজ আমরা সকলে মিলে সারলুই থেকে বাস চেঞ্জ করে অন্য আরেকটা জায়গা গিয়েছিলাম। একটা শপিং মলে গিয়েছিলাম। শপিং মল যে এত বড় হ...
14/06/2025

আজ আমরা সকলে মিলে সারলুই থেকে বাস চেঞ্জ করে অন্য আরেকটা জায়গা গিয়েছিলাম। একটা শপিং মলে গিয়েছিলাম। শপিং মল যে এত বড় হয় এটা আমার ধারণা ছিল না। ড্রয়িং রুম, ডাইনিং রুম ,কিচেন, বাচ্চাদের শোয়ার ঘর, অফিস রুম কেমন ভাবে সাজাতে হবে সেটা ওখানে ডিসপ্লে করে দেখানো আছে । কিনার পর আর কিছু ভাবতে হবে না। পুরো জায়গাটা ঘুরতে অন্তত ঘন্টা দুই তো লাগবেই। কিনা হয়ে গেলে নিজেকেই মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে বিল করে পেমেন্ট দিতে হয়। সকলে জিনিসপত্র কেনাকাটা করছে নিজে নিজে বিল করে নিচ্ছে পেমেন্ট করছে আবার বেরিয়ে যাচ্ছে। এক অদ্ভুত দৃশ্য। ভেতরের এক একটা অংশের কয়েকটা মাত্র ছবি দিলাম। ওখান থেকে বার হয়ে kfc তে খাওয়া দাওয়া করে রাত্রি নটা নাগাদ বাড়ি ফিরে এলাম।

#

Address

Bankura

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশে বিদেশে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share