News 85

News 85 বহুজন সমাজের স্বতন্ত্র গণমাধ্যম।

মুসলিম নয়, এই লোকেরাই মন্দিরের দেওয়ালে লিখেছিল ‘আই লাভ মোহাম্মদ’, দাঙ্গা ভড়কানোর ছিল ষড়যন্ত্র  উত্তরপ্রদেশের অলিগড় জেলার...
31/10/2025

মুসলিম নয়, এই লোকেরাই মন্দিরের দেওয়ালে লিখেছিল ‘আই লাভ মোহাম্মদ’, দাঙ্গা ভড়কানোর ছিল ষড়যন্ত্র

উত্তরপ্রদেশের অলিগড় জেলার লোড়া থানা এলাকায় কয়েকদিন আগে মন্দিরের দেওয়ালে স্প্রে পেইন্ট দিয়ে ‘আই লাভ মোহাম্মদ’ লেখার ঘটনায় পুরো এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার প্রেস কনফারেন্সে ঘটনার খোলাসা করেন সিনিয়র পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (এসএসপি) নীরজ কুমার জাদৌন।

ব্রাহ্মণের পা ধুইয়ে সেই জল খেয়ে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে হল মধ্যপ্রদেশের ওবিসি যুবককে!'বৈদিক' নয় ,'হিন্দু নয় ,'সনাতন' নয় ,ধর্...
12/10/2025

ব্রাহ্মণের পা ধুইয়ে সেই জল খেয়ে ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে হল মধ্যপ্রদেশের ওবিসি যুবককে!

'বৈদিক' নয় ,'হিন্দু নয় ,'সনাতন' নয় ,ধর্মটির আসল নাম 'ব্রাহ্মণ্য ধর্ম' গোপন করার ষড়যন্ত্রকে বুঝতে শিখুন।
সকল প্রদেশের OBC - রা তো বুঝে গেছে বাংলার OBC কখন বুঝবে।

খরা কাটিয়ে বৃষ্টি চাই। সে জন্য ছয় কিশোরীকে নগ্ন করে ঘোরানো হয়েছিল গ্রামে। বছর চারেক আগে এ নিয়ে জোর শোরগোল হয়েছিল মধ্যপ্রদেশের দামো জেলায়। সম্প্রতি ওই জেলার আর এক ‘কীর্তি’ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। অভিযোগ, এক ব্রাহ্মণ যুবককে অপমানের শাস্তি হিসাবে তাঁর পা ধুয়ে জল খেতে হয়েছে ‘নিচু জাতের যুবক’কে।
আপনারাই ভাবুন একবার আমি আর বেশী কিছু বলবো না। ভক্তদের অনুভূতিতে আঘাত লেগে যাবে। বিবাদ শুরু হয়ে যাবে।

বলছে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই কখনো পা ধুয়া জল খাওয়াই কখনো মাথায় মাথায় মূত্র ছিটায়।

মুল ভারতীয়দের শাসন প্রশাসনে আসতে হলে জানতে হবে বুঝতে হবে শত্রু মিত্র চিনতে হবে সর্বোপরি প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হতে হবে। বর্তম...
11/10/2025

মুল ভারতীয়দের শাসন প্রশাসনে আসতে হলে জানতে হবে বুঝতে হবে শত্রু মিত্র চিনতে হবে সর্বোপরি প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হতে হবে।
বর্তমান সময়ে কমলাকান্ত কালের মত প্রশিক্ষক খুব কমই আছে এ দেশে।

11/10/2025
ভারতে জাতি বা বর্নের সৃষ্টি হয়েছে বিদেশি আক্রমনের পর, যে বর্বর আর্যরা ধ্বংস করেছিল সুমহান হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো র মত মুল ...
10/10/2025

ভারতে জাতি বা বর্নের সৃষ্টি হয়েছে বিদেশি আক্রমনের পর, যে বর্বর আর্যরা ধ্বংস করেছিল সুমহান হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো র মত মুল ভারতীয় সভ্যতা তার যখন ঠিক করে নিল এখানে পাকাপোক্ত ভাবে থাকার তখন তারা বাকিদের গোলাম করে রাখার জন্য এই ঘৃন্য বর্ন তথা জাতি ব্যবস্থার নির্মান করল।



আরে বাহা টুডুকে ধর্ষণ করে খুন করেছে তো তাতে তথাকথিত উচ্চ বর্ণের কি যায় আসে।সে তো আদিবাসী? তাদের আবার এগুলি নিয়ে মাতামা...
28/09/2025

আরে বাহা টুডুকে ধর্ষণ করে খুন করেছে তো তাতে তথাকথিত উচ্চ বর্ণের কি যায় আসে।সে তো আদিবাসী? তাদের আবার এগুলি নিয়ে মাতামাতি কিসের ! এগুলি হামেশাই হয় আদিবাসী দের সাথে কারণ তারা ভোগ্য পণ্যের ন্যায় । আদিবাসীরা মানুষ নাকি? আর জি করে খুন ধর্ষণ হলে রাত দখলের ডাক দেই সুশীল সমাজ আজ কোথায় সেই ভেক ধারি সমাজ আন্দোলনের কর্মীরা? আজ কোথায় বাম মনস্ক বাম পন্থীরা । আজ কোথায় বিরোধী দলনেতা? তাদের প্রতিবাদের স্ফূলিং কোন অতল গহবরে তলিয়ে গেছে আদিবাসী সমাজের মানুষ জানতে চাই।
বাহা টুডুর খুনের অপরাধী কে পুলিশ আড়াল করতে চাইছিল কেনো? যেটুকু আন্দোলন হচ্ছে সেটা আদিবাসী মানুষরাই করছেন । তাহলে অন্যান্য সুশীল সমাজের মানুষ কি খুন ধর্ষণ কে পরক্ষে সমর্থন করছেন? নাকি আদিবাসী বলে আন্দোলনে সামিল হতে চাইছেন না ? ৪০০০ বছর ধরে আদিবাসী সমাজ লাঞ্ছিত, বঞ্চিত,অপমানিত, ধর্ষিত। বাহা টুদুর খুনি শিক্ষকের ফাঁসি চাই । সমাজে তার বাঁচার কোনো অধিকার নেই । আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হোক।
✍️
অম্বুজ মুদি।

এই সেই গর্ত। এই সেই গর্ত যেখানে রাষ্ট্র আমাদের এক জায়গায় আনতে চেয়েছিল। গর্তটার নাম "তুমি আমার বিপদে দূরে সরে যাবে, আমি ত...
28/09/2025

এই সেই গর্ত।

এই সেই গর্ত যেখানে রাষ্ট্র আমাদের এক জায়গায় আনতে চেয়েছিল। গর্তটার নাম "তুমি আমার বিপদে দূরে সরে যাবে, আমি তোমারটায়"।

সময়টা অক্টোবর, ২০০৫। Cabinet Committee of Economic Affairs (CCEA) অনুমতি দিলেন PPP (Public-Private Partnership) মডেলের। যদিও শিক্ষাক্ষেত্রে এটার আইনী অধিকার এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়, তবে এই বিরাট ক্ষেত্রকে কোন corporate sector ই ছেড়ে দেবে। ফলে শুরু হল সরকারের উপর corporate sector এর সেই অমোঘ আদেশ -"হঠাও, নতুন নিয়োগ বন্ধ কর, ছাঁটাই কর, তুলে দাও, কমিয়ে আন"।
আমাদের বুঝে নিতে হবে
১. শিক্ষাক্ষেত্র সরকারের কাছে বর্তমানে একটি তাৎক্ষনিকভাবে লাভজনক ক্ষেত্র নয় (বিলম্বিত ক্ষেত্রে এটা অবশ্যই লাভজনক , তবে মানবসম্পদ সৃষ্টি ও তার ব্যবহারের কথা ওঁনাদেরকে না বোঝানোই ভালো, ওগুলো বোঝার জন্য ওঁরা রাজনীতির জগতে পা রাখেননি)।
২. এই ক্ষেত্র থেকে তোলাবাজির সুযোগ প্রায় শুন‍্যের দিকে। বেসরকারি স্কুল খুললে সেখান থেকে রোজগারের কত রাস্তা!
৩. বিনামূল্যে বই, খাবার, জুতো, ব্যাগ এসব দিয়ে নিজেদের পকেটে আর কতটুকু থাকে? এখান থেকে তোলা? সে আর ক পয়সা? সর্বোপরি
৪. শিক্ষক/শিক্ষিকাদের বেতন বাবদ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ।
ফলত উদ্যোগ নাও দুর্নীতি করে নিয়োগ করে মামলা- মোকদ্দমার মধ্যে তাকে ঢুকিয়ে দেবার। বছরের পর বছর গড়িয়ে যাবে। আমরা ভাবব আমার কী? গেছে তো ওদের। অর্থাৎ গর্তের মধ্যে প্রবেশ করলাম কিছুজন।
এরপর ধাপে ধাপে সবাই এগোলাম ওই গর্তের দিকে।
বিপদ যে "শিক্ষাব্যবস্থাকে গুটিয়ে আনার মাধ্যমে" সেটা না বুঝে বুঝলাম তোমার সমস্যা তোমার, আমারটা আমার। ফল? আজকের এই পরিস্থিতি। এর পরে অন্য ক্ষেত্রগুলোও আসবে (এর আগে ব্যাঙ্ক এবং রেলের কথা ভাবুন)।

কিছু জনকে অন্যদের থেকে পৃথক করার পদ্ধতিগুলো এক নয়। কারন সবাইকে একসাথে বের করলে সেই বিক্ষোভ রাষ্ট্র সামলাতে পারবে না। সুতরাং আগে এল নিয়োগে দুর্নীতি করে কিছু স্বচ্ছভাবে চাকরি পাওয়াদের হটিয়ে দাও, তারপর এল মামলা চলছে, তাই নিয়োগ করতে পারছি না, অর্থাৎ নতুনদের আটকে দাও, TET দিয়েছেন পাশ করে নিযুক্তও হয়েছেন, কিন্তু হাতে সার্টিফিকেট নেই, এল কম ছাত্র/ছাত্রী বিশিষ্ট বিদ্যালয়গুলিকে তুলে দেবগর নিদান, এল একটি শিক্ষককে দিয়েই বিদ্যালয় চালিয়ে তার মুখ দিয়ছ রক্ত বের করছ দেবার উদ্যোগ, আপাতত সর্বশেষ সংযোজন আইন পরিবর্তন করে যত শিক্ষক/শিক্ষিকা আছেন সবাইকেই TET এ বসাও। একসাথে একটি নিয়মে সবাইকে বের করে দিলে তাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে উঠবে যে! কে না জানে রাষ্ট্র সবথেকে বেশি ভয় পায় শোষিত জনগনের ঐক্যকে !

দোসর হিসেবে এল মিডিয়া। কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা কীভাবে নিযুক্ত হয়েছেন তার চুলচেরা বিশ্লেষণে অভিভাবককুল ভাবতে বসলেন কাদের কাছে আমরা সন্তানদের পাঠাচ্ছি? খুব একটা দোষ দেওয়াও যায় না। নিজেদের দায় অস্বীকার করাও যায় কী? অভিভাবকদের কাছে, সমাজের কাছে শিক্ষক/শিক্ষিকারা হয়ে গেলেন শ্রেণীশত্রু।

প্রত্যেককে পরস্পরের বিরোধী কর। তারপর ফেল একটাই গর্তে। এই রাজনৈতিক চালের (এটা চিরকালীনও বটে) মুখে আমরা কোন সালের ব্যাচ, কোন স্তরের শিক্ষক/শিক্ষিকা সেটা বিবেচনার মধ্যে যত আনব তত গর্তটার দিকে এগোব। আমাদের পেশা গুরুত্বপূর্ণ না কী স্তরের শিক্ষক/শিক্ষিকা সেটা বিবেচ‍্য ? কি করব সেটা আমাদেরকেই ঠিক করতে হবে।

মনে রাখবেন গনতন্ত্রের "তন্ত্র"টা যতই প্যাঁচাল হোক শেষ পর্যন্ত সেটা নিয়ন্ত্রন করে "গন"ই।

পুড়ছে সবকিছুই। এই পোড়া গন্ধ বাতাসে মিশে পৌঁছাচ্ছে অন্য সরকারি ক্ষেত্রগুলিতেও। আমরা কী সেটা দেখতে দেখতে সবকিছু শ্মশান না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব না কী মাঠে নামব? সবাই একসাথে নামব নাকি একা লড়ে দেওয়ালে পিঠটা ঠেকিয়ে ফেলব। খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এবং সেটা নিতে হবে আপনাকেই।
✍️(সংগ্রহ করা)

🌑 ঘৃণ্য ঘটনা ঘটলেই তীব্র আন্দোলন আছড়ে পড়বে তার কোনও মানে নেই। মধ্যবিত্ত রক্ষণশীন মানসিকতায় স্থান কাল পাত্র ভেদের পাশাপাশ...
27/09/2025

🌑 ঘৃণ্য ঘটনা ঘটলেই তীব্র আন্দোলন আছড়ে পড়বে তার কোনও মানে নেই। মধ্যবিত্ত রক্ষণশীন মানসিকতায় স্থান কাল পাত্র ভেদের পাশাপাশি জাত ধর্ম সমাজ বিবেচনা করে আন্দোলন সংগঠিত হয়। আর সেই আন্দোলনটাও সিজিনাল উৎসব পরব প্রকৃতির হয়। আরজিকরের রাতজাগা, মোমবাতি জ্বালানো, ছবি আঁকা আন্দোলন তীব্র হয়, স্থিমিত হয় ঐ মধ্যবিত্ত রক্ষণশীন মানসিকতার কারণেই।

🌑 সম্প্রতি রামপুরহাটে একজন শিক্ষক তার নিজের বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে(সাঁওতাল) আটকে রেখে কয়েকদিন ধরে ধর্ষণ করলো। তারপর তিন টুকরো করে কেটে একটা খালে ফেলে দিল। শরীরের মধ্য অংশটা এখনো পাওয়াই যায়নি। এই বীভৎস ঘটনার কালপিট ঐ শিক্ষক পুরো শিক্ষক সমাজের লজ্জা। আন্দোলনে সাঁওতাল সমাজ নামলো। কিন্তু শিক্ষক সমাজকে পথে নামতে দেখা যাচ্ছে না!

🌑 রাইপুরের কাড়ামারায় একটা সাঁওতাল মেয়েকে সাতজন যুবক একটা মাঠে সারারাত ধরে ধর্ষণ করলো। মেয়েটা এখনও মানসিক ভারসামহীনতায় ভুগছে। ধর্ষিতা ও ধর্ষকরা সবাই সাঁওতাল সম্প্রদায়ের হওয়ায় মেয়েটাকে এবং তার পরিবারকে সাহায্য করার জন্য, কিম্বা আন্দোলন গড়ে তুলতে সাঁওতালদের কোনও সামাজিক সংগঠন এগিয়ে এলো না। ওদের ব্যাপার বলে অন্যরাও কেউ এগিয়ে এলো না।

🌑 রানিবাঁধের রাজাকাটা গ্রামের এক ১১ বছরের মেয়েকে তার নিজের বাবা ধর্ষণ করে। চিকিৎসার জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজের মেয়েটাকে ভর্তি করা হলো। বাবা এবং মেয়ে উভয়েই ভূমিজ সম্প্রদায়ের হওয়ায় ভূমিজ সমাজের পক্ষ থেকে আন্দোলন তো দূরের কথা বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়া হল। অন্য কেউও কোনও ভ্রুক্ষেপ করলো না। এটা একটা সামাজিক রোগ কেউ ধর্তব্যের মধ্যেই রাখলো না।

🌑 এই মধ্যবিত্ত রক্ষণশীন মানসিকতা ভাঙতে না পারলে এরকম ঘৃণ্য ঘটনা ঘটতেই থাকবে, আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়বে, বিচারের বানী নীরবে নিভৃতে কাঁদতেই থাকবে। আর প্রকৃত বিচার চাওয়া, অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে চাওয়া, সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখা মানুষগুলো হাত কামড়াতে থাকবে। সামাজিক রোগ সমাজে সংগঠিতভাবে প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু-----!!!???

✍️Madhusudan Mahato

খজুরাহো মন্দির একটি প্রাচীন বৌদ্ধ স্তূপ।  সিজেআই ভূষণ গবই খজুরাহোর বিষ্ণু মন্দির নিয়ে ব্রাহ্মণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন:  তি...
21/09/2025

খজুরাহো মন্দির একটি প্রাচীন বৌদ্ধ স্তূপ।
সিজেআই ভূষণ গবই খজুরাহোর বিষ্ণু মন্দির নিয়ে ব্রাহ্মণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন:

তিনি বলেছেন, “যদি এটি বিষ্ণুর মন্দির হয়, তাহলে বিষ্ণুর কাছে যাও, আমাদের কাছে কেন এসেছ?”

এই কথা বলার কারণে দেশজুড়ে ব্রাহ্মণরা বিচারপতি গবইকে লক্ষ্য করে তাঁকে নোংরা নোংরা গালি দিচ্ছেন। স্বামী আনন্দ স্বরূপের মতো সন্ত্রাসী ব্রাহ্মণ তাঁকে “গোয়ার” বা “গাঁওয়ার” বলে গালিগালাজ করছেন।

বিচারপতি গবই কি আনন্দ স্বরূপকে জেলে পাঠাতে পারেন? যদি তিনি সেই সন্ত্রাসী ব্রাহ্মণকে জেলে পাঠান, তাহলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে তাঁর উপর আরএসএস বা বিজেপি’র কোনো চাপ নেই, এবং তিনি সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছেন। কিন্তু যদি তিনি তাকে জেলে না পাঠান, তাহলে এটিকে উল্টো অর্থে বোঝা যেতে পারে। তবে ব্রাহ্মণরা বিচারপতি গবইয়ের মানহানি করছে, এবং তারা এটি প্রকাশ্যে করার অধিকার দাবি করছে।

আসলে খজুরাহোর বিষ্ণুর মূর্তি আসলে বোধিসত্ত্বের মূর্তি, যাকে ব্রাহ্মণরা ভুলভাবে বিষ্ণু বলে দাবি করে। খজুরাহোতে আর কী আছে, এই পোস্টে আমরা তার সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছি, যা নিম্নরূপ:

খজুরাহো প্রাচীন বিদিশা এবং সাঁচির কাছে একটি প্রাচীন বৌদ্ধ স্থান ছিল, যেখানে চান্দেল রাজপুতরা প্রাচীন বৌদ্ধ ছিল। জেনারেল কানিংহাম খজুরাহো মন্দিরের ভিতরে একটি বিশাল বুদ্ধমূর্তি পেয়েছিলেন, যা তিনি সেখানকার মিউজিয়ামে রেখেছিলেন। সাঁচি, সোনারি, সাতধারা, দেবকোঠার, খজুরাহো—এই সবগুলোই মধ্যপ্রদেশের প্রাচীন বৌদ্ধ স্থান, যেখানে সম্রাট অশোকের সময় থেকে বৌদ্ধ ধর্ম প্রতিষ্ঠিত ছিল।

খজুরাহোর মতো মহোবাও বৌদ্ধ ধর্মের একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল, এবং মহোবা থেকে ১১শ শতাব্দীর একটি বুদ্ধমূর্তি পাওয়া গেছে। মহোবা ছিল আলহা এবং উদলের নগর, যা একটি প্রাচীন বৌদ্ধ নগর ছিল।

মহোবায় ১১শ শতাব্দীর পরে এবং খজুরাহোতে ১০ম শতাব্দীর পরে বৌদ্ধ ধর্মের পতন হয়, এবং সেখানে ব্রাহ্মণ ধর্ম এবং জৈন ধর্মের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

খজুরাহোর কাছে ঘণ্টাইতে সম্রাট অশোকের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ স্তূপ ছিল, যা ভেঙে জৈনরা ১০ম শতাব্দীতে তার উপরে একটি জৈন মন্দির তৈরি করেছিল। ১০ম শতাব্দীর পরে খজুরাহোতে বিকৃত তন্ত্রযানের প্রভাব বৃদ্ধি পায়, যার ফলে খজুরাহোর মন্দিরে অনেক নগ্ন মূর্তি দেখা যায়।

খজুরাহো এবং মহোবা প্রাচীন বৌদ্ধ স্থান, এবং সেখানকার চান্দেল রাজপুত এবং যাদবরা প্রাচীন বৌদ্ধ ছিল—এটি ঐতিহাসিক প্রমাণ দ্বারা সিদ্ধ হয়।

(নীচে খজুরাহো মন্দিরের বুদ্ধমূর্তির ছবি দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমানে সেখানকার মিউজিয়ামে রাখা আছে।)

আমি Agriculture Tribe, 🌾আইখান জাতরায় আড়াই পাক হাল বাহা দিয়ে শুরু হয় আমার বছর। 🙏তারপর রহইন ( বীজ দেওয়া) 🫘ধান লাগানোর আগে ...
07/09/2025

আমি Agriculture Tribe, 🌾
আইখান জাতরায় আড়াই পাক হাল বাহা দিয়ে শুরু হয় আমার বছর। 🙏
তারপর রহইন ( বীজ দেওয়া) 🫘
ধান লাগানোর আগে ও শেষে গরাম পূজা করে প্রার্থনা করি ভালো চাষ যাতে হয় সেটার।
আমাবতিতে মাটিতে লাঙল কোদাল দিই না...মাটির মর্ম চাষীই বুঝে।
বারি পুজা করি জলের জন্য।🌧️
জাওয়া করম করি অঙ্কুদগম, গাছের যত্ন, ইত্যাদি পরের প্রজন্মকে শেখাতে।🧺🌱
পারবনে ধান গাছকে সাধ ভক্ষন করাই যেহুতু ধানে দুধ ভরতে শুরু হয়।🌾
বাঁদনাতে কৃষি কাজে ব্যবহৃত সমস্থ জিনিসকে সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানাই।🐂🐄
জিহুড় করি কারন ধান আনার আগে খামার বাঁধিয়ে রাখা প্রয়োজন।🍀
ছোট মকরে (তার পরেও দিন ধরে) ভক্তি সহকারে জমি থেকে ডিনিমাঞ কে নিয়ে আসি খামারে।
আর শেষ হয় টুসু দিঞ।
প্রত্যেকটা পরব direct indirect Agriculture এর সাথে জড়িত।
আটপহইরা শাড়ি পরার মধ্যেও জানান দেয় আমাদের পরিচয়।।
জহাইর।
✍️
Rajeshwari

যার টাকা আছে সে তো সম্পত্তি বাড়ানোর জন্য জমিতে ইনভেস্ট করে। আরো সম্পত্তি বাড়ায় তা বৈধ বা অবৈধ যাই হোক।পুরুলিয়া টাউন ...
05/09/2025

যার টাকা আছে সে তো সম্পত্তি বাড়ানোর জন্য জমিতে ইনভেস্ট করে। আরো সম্পত্তি বাড়ায় তা বৈধ বা অবৈধ যাই হোক।

পুরুলিয়া টাউন থেকে যে চারটি রাস্তা বার হয়েছে যথা বাঁকুড়া রোড, বরাকর রোড, রাঁচি রোড, টাটা রোড .. এই রোডের ধারে বিস্তীর্ণ যে জমি গুলো দেখেন তার বেশিরভাগই কিনে নিয়েছে অতি কম দামে মাড়ওয়ারি সম্প্রদায়।
পুরুলিয়া শহরে এরা দু তিনশো বছর ধরে আছে নিজেদের স্বার্থে এরা যুক্ত করে নিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে।

গত 15 ই আগস্ট একজন মারোয়ারি জমি সংক্রান্ত মামলায় জনগণের সহানুভূতি আদায় করার জন্য নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করে। শোনা যাচ্ছে ওই জমির দাম প্রায় কোটি কোটি টাকা।
✍️জেপি মোদক।

সাপের এন্টিভেনম মূলত ককটেল জাতীয় হয়। আপনাকে যে বিষধর সাপেই কামড় দিক, এন্টিভেনম একই হবে।তাই সাপ চেনা জরুরি নয়, ওতে শুধুমা...
29/08/2025

সাপের এন্টিভেনম মূলত ককটেল জাতীয় হয়। আপনাকে যে বিষধর সাপেই কামড় দিক, এন্টিভেনম একই হবে।
তাই সাপ চেনা জরুরি নয়, ওতে শুধুমাত্র সময় নষ্ট হবে। ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের কাছে না গিয়ে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি।

(ভারতে মূলত ৪ প্রকার বিষধর সাপের কামড় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়)
১. গোখরা / ইন্ডিয়ান কোবরা (Neurotoxin)
২. কালাচ / কমন ক্রেইট (Neurotoxin)
৩. রাসেলস ভাইপার (Hemotoxin)
৪. সো-স্কেলড ভাইপার (Hemotoxin)

এই চার প্রকার সাপের ভেনম সংগ্রহ করে একসাথে এন্টিভেনম তৈরি করা হয়। সুতরাং, আপনাকে যে সাপেই কামড় দিক, ওষুধ একই।

উপরের চারটি সাপ বাদেও দেশে আরও কিছু বিষধর সাপ আছে (যেমন কিং কোবরা, হাম্প-নোজ পিট ভাইপার ইত্যাদি), তবে এগুলোর কামড় তুলনামূলক বিরল।

সাপে কামড় দিলে শরীরের যেকোনো স্থানে কাপড় বা দড়ি দিয়ে বাঁধন দেওয়ার কোনো দরকার নেই। এতে উপকার হয় না, বরং রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে অঙ্গ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। (বিশেষ করে ভাইপারের কামড়ে হেমোটক্সিন বিষের প্রভাবে অঙ্গহানীর ঝুঁকি বেশি থাকে)।

আক্রান্ত স্থান ব্লেড দিয়ে কেটে দেওয়া বা বিষ চুষে নেওয়ার কোনো দরকার নেই। এতে রোগী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মা রা যেতে পারে।

সাপ কামড় দিলে আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই। সময়মতো এন্টিভেনম নিলে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০%। বরং ভয় পেয়ে হৃদরোগ বা শকে মা রা যাওয়ার ঝুঁকি বেশি।

কালাচ (ক্রেইট) সাপের কামড়ে ভারতে সবচেয়ে বেশি মানুষ মা রা যায়। এরা রাতে মানুষের বিছানায় চলে আসে। এদের বিষে ব্যথা বা জ্বালা করে না, কামড়ের দাগও বোঝা যায় না (কারণ বিষদাঁত খুব ছোট)। তাই অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারে না যে সাপ কামড় দিয়েছে। এজন্য মেঝেতে ঘুমাবেন না, অবশ্যই মশারির ভেতরে ঘুমাবেন।

*** সর্বোপরি, যে সাপেই কামড় দিক, ওঝা, তান্ত্রিক বা ঝাড়ফুঁকের কাছে কখনও যাবেন না।
মনে রাখবেন, একমাত্র এন্টিভেনমই আপনাকে বাঁচাতে পারে। এর বাইরে দুনিয়ার আর কিছুই সাপের কামড় থেকে জীবন বাঁচাতে পারবে না।

*** This image is AI-generated, not real.

✍️সুরজিত সী।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when News 85 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share