The সত্যবাদী

The সত্যবাদী হাসতে থাকুন ভালো থাকুন

🌸 “একজন মানবেন্দ্র ঘোষ — এক আকাশ ছোঁয়া মেয়ের গল্প” 🌸যে মেয়ের পেছনে এমন একজন বাবা থাকেন,যিনি মেয়ের ডানা কাটেন না, বরং...
05/11/2025

🌸 “একজন মানবেন্দ্র ঘোষ — এক আকাশ ছোঁয়া মেয়ের গল্প” 🌸

যে মেয়ের পেছনে এমন একজন বাবা থাকেন,
যিনি মেয়ের ডানা কাটেন না, বরং আকাশে উড়ে যাওয়ার সাহস দেন,
যে বাবা বিশ্বাস করেন, মেয়ের স্বপ্নই তার সত্যি অস্তিত্ব —
সেই মেয়ের সাফল্যের আকাশ আর সীমাবদ্ধ থাকে না,
সে ছুঁয়ে ফেলে অজানাকে, সে ছাপিয়ে যায় পৃথিবীকে।
এমনই এক গল্প — শিলিগুড়ির মেয়ে রিচা ঘোষের।

রিচা আজ ভারতের নারী ক্রিকেটের গর্ব,
কিন্তু এই ঝলমলে আলোয় পৌঁছানোর পেছনে লুকিয়ে আছে এক মানুষ,
তার বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ, এক স্পোর্টসপ্রেমী, এক নীরব যোদ্ধা।

তিনি নিজে টেনিস খেলতেন,
কিন্তু যখন দেখলেন ছোট্ট রিচার চোখে ব্যাট-বল নিয়ে ঝলমল করা স্বপ্ন,
তখনই বুঝেছিলেন — “এই মেয়েটি একদিন বড় কিছু করবে।”
মাত্র চার বছর বয়স থেকে রিচার হাতে ধরা পড়ে ব্যাট,
এগারো বছরেই ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলে,
আর ১৬ বছরেই ভারতের জাতীয় দলে স্থান —
এ যেন সিনেমার গল্প নয়, এ এক বাস্তব কাব্য!

আজ, মাত্র ২২ বছর বয়সী রিচা, বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার।
কিন্তু তার হাসির আড়ালে, প্রতিটি ছক্কা-চারে,
লুকিয়ে আছে এক বাবার ঘাম, এক বাবার বিশ্বাস,
এক বাবার সেই অবিচল উচ্চারণ —

> “বিন্দাস খেল, কিছু ভাবিস না… তুই পারবি!”

রিচা এক সাক্ষাৎকারে হেসে বলেছিল —
“বাড়ির জানলা-দরজা যত ভেঙেছি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে,
তার সবটার দাম আমার বাবা দিয়েছেন — ধমক নয়, উৎসাহ দিয়ে।”

এটাই বাবা নামের আশ্চর্য জাদু।
এই মানুষগুলোই বদলে দেন মেয়েদের ভাগ্য,
এই বাবারাই সমাজকে শেখান —
মেয়েরা শুধু কারো ঘরের বউ নয়,
তারা নিজের ভাগ্যের স্থপতি হতে জানে।

কিন্তু আফসোস,
এই ভারতবর্ষেই এখনো হাজার হাজার মেয়ের ডানা কেটে দেওয়া হয় প্রতিদিন।
কত মেয়েকে দেখা যায়,
স্বপ্নভরা চোখে বই হাতে, পাখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বুকে,
তবু বাবা-মা বলেন, “বিয়ের বয়স হয়ে গেছে।”

সমাজ, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীর কথা,
সব মিলে মেয়েদের স্বপ্ন গলায় দড়ি পড়ে যায় —
একটি প্রশ্ন কেউ করে না —

> “ও মেয়েটি কি চায়?”

বাবা-মা সন্তান জন্ম দেন, বড় করেন —
কিন্তু সন্তানদের স্বপ্ন ছিনিয়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।
বাবার কাজ শুধু রুটি রোজগার নয়,
বাবার আসল কাজ সন্তানের ডানা তৈরি করা।

যেমনটা করেছেন মানবেন্দ্র ঘোষ।
তিনি সমাজের কথা ভাবেননি,
তিনি ভেবেছেন শুধু একটাই কথা —
“আমার মেয়েটি সুখে থাকুক, নিজের স্বপ্নে বাঁচুক।”

আজ তিনি এক ‘রিচা ঘোষ’-এর জন্ম দিয়েছেন,
যিনি শুধু ভারতের নয়, প্রতিটি মেয়ের অনুপ্রেরণা।

---

আজকের প্রতিটি বাবাকে তাই বলি —
একবার ভেবে দেখুন,
আপনার ঘরের ছোট্ট মেয়েটির চোখেও হয়তো লুকিয়ে আছে একটা রিচা ঘোষ।
ওকে থামাবেন না, ওকে পথ দেখান।
ওড়তে দিন। বিশ্বাস রাখুন। পাশে থাকুন।

একদিন আপনি গর্ব করে বলতে পারবেন —

> “ও আমার মেয়ে, আমার গর্ব, আমার আকাশ।” 💖

Sudip Paine ✍️

RIP LEGEND 🙏🙏
21/10/2025

RIP LEGEND 🙏🙏

🤪🤪🤪
18/10/2025

🤪🤪🤪

লজ্জা করেনা!
08/09/2025

লজ্জা করেনা!

S2050 Ultra Pro Max এ যা ধরাপড়েছে
08/09/2025

S2050 Ultra Pro Max এ যা ধরাপড়েছে

21/07/2025

তারপর বলো কটা ডিম খেলে?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ....আর মাত্র কয়েক ঘন্টা...
19/07/2025

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ....আর মাত্র কয়েক ঘন্টা...

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে, শহরের আলো থেকে অনেক দূরে এক ছোট্ট, বিচ্ছিন্ন গ্রাম — জিলিং সেরেং। এই গ্রামে বাস করে এক...
11/07/2025

পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে, শহরের আলো থেকে অনেক দূরে এক ছোট্ট, বিচ্ছিন্ন গ্রাম — জিলিং সেরেং। এই গ্রামে বাস করে এক সাধারণ গৃহবধূ, এক মা — যার নাম মালতী মুর্মু। কিন্তু আজ তিনি শুধু একজন মা নন, তিনি একজন প্রেরণা, এক জীবন্ত উদাহরণ।

২০২০ সালের লকডাউনের সময়, যখন গোটা দেশ থমকে গিয়েছিল, শিশুরা বই থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, ঠিক তখনই মালতী একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নেন —
“আমি আমার গ্রামের ছেলেমেয়েদের বিনামূল্যে পড়াবো।”

গ্রামে স্কুল ছিল না, পাহাড়ি রাস্তা পেরিয়ে পড়তে যাওয়াটা ছিল শিশুদের জন্য প্রায় অসম্ভব। এই অন্ধকারে আলোর দীপ্তি হয়ে উঠলেন মালতী। নিজের ছোট্ট বাড়িটাকেই বানিয়ে ফেললেন একটি স্কুল। আর কোলে তখন মাত্র দুই মাসের শিশুপুত্র।

শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। পরিবারে মতের অমিল, সমাজের কটু কথা, অর্থনৈতিক টানাপোড়েন — কিছুই বাদ যায়নি। কিন্তু মালতীর ইচ্ছাশক্তি ছিল পাহাড় থেকেও অটল।
প্রথমে কয়েকজন পড়ুয়া, তারপর দশ, কুড়ি, তিরিশ… ধীরে ধীরে গ্রামের ৮৫টি পরিবারের প্রায় ৬০ জন ছাত্রী এসে জড়ো হতে লাগলো সেই ছোট্ট স্কুল ঘরে।

স্বামীও প্রথমে দ্বিধায় ছিলেন। কিন্তু স্ত্রীর অদম্য প্রচেষ্টা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখে তিনিও পাশে এসে দাঁড়ালেন। মালতী একা শুরু করেছিলেন, কিন্তু এখন তাঁর সাথে আছে গোটা গ্রাম।

আজ মালতী দিদিমনি শুধু শিক্ষক নন — তিনি স্বপ্নের কারিগর। তাঁর প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর চোখে এখন একটা স্বপ্ন জ্বলজ্বল করে। এবং এই স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ নিচ্ছে একজন নারীর সাহস ও মমতার ছোঁয়ায়।

যে সমাজে আদিবাসী নারীরা আজও সুযোগের অপেক্ষায়, সেই সমাজেই মালতী মুর্মু আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছেন। তিনি আজ শুধু জিলিং সেরেং গ্রামের নয়, গোটা ভারতের গর্ব।

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা জানাই মালতী মুর্মুর মতো মা, মাটি আর মানুষের প্রকৃত সেবিকাদের প্রতি।
তুমি দেখিয়ে দিলে — একা মেয়ে হলেও, যদি মনোবল থাকে, পাহাড়ও পথ ছেড়ে দেয়। 🌸

সালাম মালতী দিদিমনি। 💐🇮🇳

তথ্য: দীল খানের ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিও দেখলাম ও কয়েকটা ছবি স্কিনশট নিলাম।

Sad reality of our country 😔😭 ©ORIGINAL CREATER
10/07/2025

Sad reality of our country 😔😭

©ORIGINAL CREATER

দিদি is লাভ ♥️♥️
08/07/2025

দিদি is লাভ ♥️♥️

"চুরিবিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পড়ো ধরা!" – এই গল্পটা শুধু এক যুবকের নয়, এটা একটা সময়ের আয়নাভাবুন তো—আপনার পাড়ার সেই ছেল...
04/07/2025

"চুরিবিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পড়ো ধরা!" – এই গল্পটা শুধু এক যুবকের নয়, এটা একটা সময়ের আয়না

ভাবুন তো—আপনার পাড়ার সেই ছেলেটা, যাকে ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছেন।
যার বাড়ির ছাদে স্বাধীনতা দিবসে পতাকা ওড়ে, যার মা বাজারে গিয়ে গর্ব করে বলেন, “আমার ছেলে এখন পুলিশ!”
সে রোজ সকালে চকচকে বুট পায়ে, কলাপাতার মতো ইস্ত্রি করা ইউনিফর্ম পরে বেরিয়ে পড়ে ডিউটিতে।
আর আমরা?
আমরা তাকিয়ে দেখি, ফোনে ক্যামেরা জুম করে ছবি তুলি, ইনস্টাগ্রামে ফলো দিই, কমেন্টে লিখি “Proud of you bro”।

কিন্তু সিনেমার মতো টুইস্ট আসতে তো একটুও দেরি হয় না...

উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার শিমুলপুর চৌরঙ্গী গ্রামের সেই হিরো, অঙ্কিত ঘোষ—যাকে সকলে জানত ‘সল্টলেক বিকাশ ভবনের কনস্টেবল’ হিসেবে,
সে আদৌ পুলিশই না!

ভুল শুনছেন না।
সে ‘চাকরি পেয়েছে’ গল্পটা বানিয়ে গিয়েছিল, শুধু সমাজের মুখে লজ্জা এড়াতে।
আর সেই এক মিথ্যেকে ঢাকতে ঢাকতেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল এক আস্ত নাটক—কস্টিউম, সেট, স্ক্রিপ্ট—সব রেডি!

প্রথমে গাঁটের কড়ি খরচ করে বানিয়েছিল পুলিশের পোশাক।
তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় উর্দি পরা ছবি, বুক ফুলিয়ে দাঁড়ানো পোজ, ব্যাকগ্রাউন্ডে সরকারি দপ্তরের বিল্ডিং...
কে বলবে সে ‘নকল’?
আমরাও তো তাকেই ‘হিরো’ বানিয়ে ফেলি!

তবে বাস্তবের পুলিশ তো সিনেমার পুলিশ না—সোজাসাপটা মাথা নোয়ায় না।
তারা তদন্ত শুরু করতেই, খুলে গেল সব কাঁচের দেওয়াল।
‘বিকাশ ভবনে তার পোস্টিং’?
নথিপত্রে এমন কোনো কনস্টেবল নেই!

সেই মঙ্গলবার সকালে
যখন সে প্রস্তুত হচ্ছিল নিজের তৈরি করা জাল চাকরির “আরেকটা দিন” কাটাতে,
ঠিক তখনই দরজায় কড়া নাড়ল আসল পুলিশ।

“আপনার আইডি কার্ড?”
সেই একটা প্রশ্নেই যেন সব ছিন্নভিন্ন।

মুখে ঘাম, চোখে ভয়।
সেই বুক চিতানো আত্মবিশ্বাস তখন ছাই হয়ে উড়ে যায় হাওয়ায়।

বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সারি সারি নকল পোশাক, ব্যাজ, নামপ্লেট, এমনকি পুলিশি নোটবইও!
এ যেন এক আস্ত থিয়েটার, যার হিরো নিজেই ভুলে গিয়েছিল সে অভিনয় করছে।

অঙ্কিত পুলিশের পরীক্ষায় ফেল করেছিল।
তবু সমাজের চোখে নিজেকে সফল প্রমাণ করতে গিয়ে বেছে নিয়েছিল অভিনয়।
একটা "সত্যির মুখোশ" পরে, সে বাঁচছিল—শুধু চোখে চোখ রাখতে না পারার ভয়ে।

---

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে,

এই অভিনয় কি শুধু তার একার ছিল?

না।
আজকের সমাজ নিজেই তো চায় “দেখাতে হবে”, “লাইক চাই”, “প্রতিবেশীর থেকে ভালো কিছু করতে হবে।”
পেছনে পরিশ্রম না থাকলে কি এসে যায়?
ছবি তোল, ক্যাপশন দাও, হিরো হয়ে যাও।

আর ধরা পড়ে গেলে?
তুমি আর মানুষ নও, ভাইরাল কন্টেন্ট!
তোমাকে নিয়ে মিম হবে, শেয়ার হবে, হাসাহাসি হবে।

---

ভাবুন,

যদি অঙ্কিত সেই সাহসটা নিজের ভুল থেকে না পালিয়ে,
নিজেকে গড়ে তোলার পিছনে দিত,
তাহলে হয়তো আজ অসীম শ্রদ্ধা পেত ‘অভিনয়’ করে নয়, নিজের লড়াই জিতে।

এ গল্পটা শুধু অঙ্কিতের নয়,
এটা আমাদের সবার জন্য আয়না—
যেখানে মুখোশ পরে দাঁড়ালে একদিন চেহারাটাই হারিয়ে যায়।

👉 তাই যারা এখনো যুদ্ধ করছেন জীবনের সঙ্গে—
মিথ্যে নয়, নিজের পরিশ্রমের উপরে বিশ্বাস রাখুন।
লাইকের জগত আপনাকে নয়, আপনার সাফল্যকে চায়।
আর আপনি আসল হলে, দেরি হলেও জয় একদিন হবেই।

📢 এই গল্প সবাইকে শোনান, জানুন—সমাজে হিরো হওয়া যতটা সহজ,
মানুষ হয়ে বেঁচে থাকা তার চেয়েও বেশি কঠিন!

---

তুমি অভিনয় করলে ভাইরাল হবে,
কিন্তু সত্যি হয়ে উঠলে ইতিহাস হবে।
💔👮🏻‍♂️

জুন মাসটা যেন স্বপ্নের মতো ছিল। জাতীয় দলের জয়, লিভারপুলের ট্রফি, আর জীবনের সবচেয়ে বড় দিন—বিয়ের মঞ্চে হাসিমুখে দাঁড়া...
04/07/2025

জুন মাসটা যেন স্বপ্নের মতো ছিল। জাতীয় দলের জয়, লিভারপুলের ট্রফি, আর জীবনের সবচেয়ে বড় দিন—বিয়ের মঞ্চে হাসিমুখে দাঁড়ানো জোটা আর তার ভালোবাসার মানুষ। চারদিকে আলো, ফুলের সৌরভ, ক্যামেরার ঝলকানি আর হাজারো মানুষের শুভকামনা। মনে হচ্ছিল, ভাগ্য বুঝি আজীবনের জন্য ওর পক্ষে।

কিন্তু কে জানতো, এই হাসি ঢাকা ছিল অদৃশ্য এক অন্ধকার?
জুলাই এল, আর সব যেন উলটে গেল।

একটা ছবি ভাইরাল হল—কালো-সাদা, চোখে জ্বলজ্বল করছে না কোনো ট্রফির ঝলক, পাশে নেই তার স্ত্রী, নেই লাল জার্সির গর্ব। আছে শুধু এক ফাঁকা চাহনি, কষ্ট চেপে রাখা মুখ, আর যেন ভেতর থেকে ভেঙে পড়া একটা মানুষ।

“জীবন কখন কোন দিকে ঘুরে যায়, কেউ জানে না।”

এই কথাটা আমরা কতবার শুনেছি, কিন্তু এবার আমরা সেটা অনুভব করলাম। শুধু জোটা নয়, কাঁদছে আজ লক্ষ কোটি ভক্ত। সেই মানুষটার জন্য, যার হাসিতে আমরা আনন্দ খুঁজতাম, তার চোখের অশ্রু আজ আমাদের চোখেও জল এনে দিয়েছে।

সে ফুটবলার, সে নায়ক, কিন্তু তার আগে সে এক মানুষ। তার হৃদয়ও ভাঙে, তারও বুকে ঝড় ওঠে। আজ তার পাশে দাঁড়াতে হবে আমাদের। শুধু ট্রফি জেতার পর নয়—ভাঙা হৃদয়ের পাশে থেকেও ভালোবাসতে জানতে হবে।

এই মুহূর্তে আমরা শুধু তার খেলা নয়, তার ভাঙা মনটার সাথেও একাত্ম হতে চাই।
কারণ জোটা শুধু একজন ফুটবলার নয়, সে আমাদের ভালোবাসা, আমাদের আবেগ, আমাদের একটা পরিবার।

এই দুঃসময়ে, একটিবার চোখ বন্ধ করো, আর তাকে বলো—
“তুই একা না। আমরা আছি।” 💔🥺

Address

Bankura

Telephone

+919091370078

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The সত্যবাদী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The সত্যবাদী:

Share

•Welcome To Sattobadi•

আপনি কি একজন গায়ক?

ভালো গান করে ভিডিও বানান, কিন্তু মনের মত ভিউয়ার পাচ্ছেন না?

• আমাদের পেজ থেকে আপনাদের গানের,শর্ট ফিল্ম সহ স্ত্রী ওয়েডিং ভিডিও পােস্ট করাতে যােগাযােগ করুন আমাদের পেজে।

Whatsapp-9091370078