14/02/2026
মাননীয় তারেক রহমান: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী! (ভারতীয় এক লেখকের লেখা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা)
***********
প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ভাবী প্রধানমন্ত্রী কে নমষ্কার। আপনি জেলে কয়েক মাস না থাকলে আপনার বুকের এই বদলার আগুন জ্বলে থাকতো না। আপনার মা বেগম খালেদা জিয়া আপনার পিতা জিয়াউল হকের পথেই চলতেন। আজকের পরাজিত জামাত ও আপনার দল বিএনপি, আদর্শ গত তফাৎ দলের সংবিধানে থাকতে পারে, কাজেতে সেই হিন্দু নিধন,লুঠ খুন ধর্ষণ করে সমস্ত সম্পদ কেড়ে নিয়ে বিতারন। মজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু ?হয়তো। উনিও এক পথ নিয়েছিলেন কৌশল করে। এনিমি প্রপার্টি এক্ট যে শয়তানী সাম্প্রদায়িক আইন চালু করেছিল আপনার পিতা জিয়াউল, হিন্দু দের ওপর অত্যাচার চালিয়ে তাড়িয়ে ইসলামিক রাষ্ট্রকে কাফের শূণ্য করার জন্য, মুজিব ভারতের করুণায় প্রধানমন্ত্রী হয়েও সে আইন খুব সামান্য সংশোধন করে বজায় রেখেছিলেন। চট্টগ্রামে উনি কয়েক শো কুখ্যাত ক্রিমিনালকে জেল থেকে ছেড়ে দিয়ে পাঠিয়েছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান দের তাড়িয়ে মেরে নিকেশ করতে। এদের পরিবারকে জমি ও টাকা দিয়ে ওখানে বসত করে দিয়েছেন। সেই জন্য ওদের নাম হয়েছিল সেটেলার। ওরা ওখানে গিয়ে ব্যাপক খুন লুট নারী নির্যাতন শুরু করে। রাতের বেলা কাপ্তাই নদী বাঁধ কেটে বিস্তীর্ণ অমুসলিম এলাকায় ডুব জল ঢুকিয়ে দেয়। যারা বেঁচে ছিল অধিকাংশ ত্রিপুরা চলে যায়।গভীর রাতে কত শিশু নারী অসুস্থ বৃদ্ধ যে ডুবে মারা গেছে তার হিসাব কোনো ঐতিহাসিক লেখেন নি ভাববেন না। ঐ দেশের এক বীর সত্যবাদী সাহিত্যিক আব্দুস সালাম আজাদ সে ভয়াবহ ইতিহাস লিখে গেছেন আশির দশকে। তিনি পলাতক। গ্রন্থ টির নাম হিন্দুরা কেন বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। তারপরেও এক নদী রক্ত পদ্মা মেঘনা দিয়ে বয়ে গেছে, যাচ্ছে।আপনার দেশে বহু " মানুষ" বরাবর জন্ম নিয়েছে।জন্মেছে বহু সাধু সন্ন্যাসী।বীর বিপ্লবী।জোর করে ধর্মের নামে ভাগ করা এই দুই বাংলা দুই বিভক্ত পাঞ্জাবের মতোই অসংখ্য বীর, মহামানব, লেখক সাহিত্যিক কবির জন্ম দিয়েছে।ভারতের মানচিত্র ছোট হচ্ছে কয়েক শতাব্দী ধরে।
আপনাকে যেটা বলার, ঐ পূর্বসূরি দের পথ আপনি কত দিন পরে ধরবেন? কারণ, না ধরলে আপনিও মুজিব হবেন। যে জামাত নির্বাচনে জিততে পারলো না, আমরাও খুব চেষ্টা করেছি জেতানোর, মানে এপারে যত ওপার থেকে এসে এখনো আত্মীয় হয়ে আছে তারা খুব মদত দিয়েও হেরে গেলেও পশ্চিম বঙ্গের সীমান্ত বরাবর কিন্তু জামাত জিতেছে। কিন্তু আপনি সে সব ইতিহাস মনে রাখবেন, নাকি নতুন সূর্য উঠবে? জয় বাংলা, খেলা হবে, সব আপনার দেশের শ্লোগান, আপনার দেশের গুন্ডা মস্তান,কালো টাকায় আমাদের ভাগ আছে। লক্ষ লক্ষ লোক দুই দেশেই ভোট দিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমরা এক। জালী নোট, কুইন্টাল কুইন্টাল নেশার বস্তু, যত এপারের খাদ্য বস্ত্র ওপারে পাচার -- আপনার দেশের লোকের এসব দীর্ঘ দিনের অবদান।
তবে এবার ভারত অন্য ভারত। আপনি কিছুতেই আসতেই পারতেন না জেতা তো অনেক পরের কথা। শেখ হাসিনাকে আপনার পক্ষে রাজী করানো, লক্ষ লক্ষ ভোট আপনার দলের বাক্সে ফেলার জন্য ঐ ৪২০ জেন জি যাতে সেনাবাহিনী ব্যবহার না করতে পারে,তার সুব্যবস্থা করা, কেউ তো পুরো ছক টা বানিয়েছে। আপনি বিশাল কিছু নন যে এলেন দেখলেন জয় করলেন। দুই ভয়ঙ্কর বিরোধী দলকে কায়দা করে একমুখী করা চাট্টিখানি কথা! বিএনপির ক্ষমতা ছিল না আওয়ামী লীগের সাহায্য ছাড়াই জিতবে।
আমাদের অনেক ডায়মন্ড আছে। তার মধ্যে বিদেশের ব্যাপার টা দেখেন জয়শঙ্কর জী। আনমোল হীরা। আমেরিকার সব গর্জন, পাকিস্তানের সব পাঁয়তারা কোথায় গেল? আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পাকিস্তান চার টুকরা হবে,পাপ কারো বাপের নয়। আপনার এই বাংলা থেকে কোটি কোটি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান পালিয়ে এসেছে। হিন্দু অনেক বেশী। তারা কেউ একটা পয়সা এক মুঠো চাল আনতে পারে নি। জাত ইজ্জৎ বাপের ভিটা হারিয়ে পালিয়ে এসেছে। এপারে আপনাদের এইসব কীর্তিকলাপের জয়ধ্বনি শুনতে পাবেন। প্রচুর নেতা রুপী হারামখোর আমরা পুষছি সেই ১৯৪৭ থেকে। এবার একটু ভাববেন, ঐ ফেলে আসা বিশাল সম্পদ ভারতকে ফেরত দেবেন তো? যারা দখল করে ভোগ করছে তারা ভারতীয় মুদ্রায় মূল্য চুকিয়ে দেবে। মেরে ফেলেছে যাদের তাদের জীবন বা ধর্ষিতা মা বোনদের ইজ্জৎ তো আর ফিরবে না।
আমাদের আশঙ্কা আপনিও দ্বিতীয় ইউনুস হবেন। পাকিস্তানের চাপে নতী স্বীকার করে ভারতের বিরুদ্ধে লেগে আবার দ্বিতীয় মুজিব হবেন। আপনার শরীরে আপনার মায়ের রক্ত বইছে। ভারত বিদ্বেষ আপনাদের রাজনীতির মশলা।
ইন্দিরার সময়ে ভারতের সারা শরীর ক্ষয় বিক্ষত হলেও এক কোটি নিরাশ্রয় আপনার দেশের মানুষকে আশ্রয় খাবার চিকিৎসা দিয়ে আমরা রেখেছিলাম এক বছর। তার বিনিময়ে আপনার দেশের লোক ভারতের বিরুদ্ধে অলিখিত যুদ্ধ চালাচ্ছে। তবু আমরা আপনার দেশের ঐ সব লোকের জন্য হাজার হাজার টন চাল, পেঁয়াজ পাঠিয়ে খিস্তি খেয়েছি।
এবার কি রকম কি ভাবছেন? এপার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যাতে আপনাদের রাষ্ট্র শ্লোগান ব্যবহার না করেন তার জন্য চিঠি দেবেন? এটা খুব পরিষ্কার জেনে রাখুন কোনো কিছুর বিনিময়ে ভারত আপনার দেশকে আমাদের সুরক্ষা সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোন আপোষ করবে না। সীমান্তে আপনি আজ থেকেই সতর্ক হোন।কৃতজ্ঞতা থাক, ভালোবাসা থাক। পাকিস্তানের মন্ত্র নেওয়া বন্ধ করুন। দুই দেশ হাত মিলিয়ে চলুক।সব রকম অনুপ্রবেশ বন্ধ হোক। যারা এখানে আছে তাদের চলে যেতে বলা হয়েছে, সেটা দেখুন। আর এবার হিন্দু বৌদ্ধ যে অল্প সংখ্যক এখনো আছে,ঐ শুয়োরের বা* ইউনুস যেভাবে অত্যাচার খুন লুট করিয়েছে ঐ অপরাধীদের ফাঁসির ব্যবস্থা না পারলে যোগীজীর পথে সকালে জমা করে রাতে খরচ করে দিন। ধর্মের নামে মানুষকে পাগল করে রাখলেই আপনার পরিণতী মুজিবের মতোই হবে। সন্ত্রাসী র হয় কখনো রাজনীতি নয়।আর অবিলম্বে সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভু কে সসম্মানে মুক্তি দিন।
ভালো থাকবেন। ভারতে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।