Man for Mind

Man for Mind information type

বাংলা টেলিভিশনের অত্যন্ত পরিচিত মুখ এষা ভট্টাচার্যকে নিয়ে সামনে এসেছে এক হৃদয়বিদারক খবর। কয়েক বছর আগে স্তন ক্যান্সারের ব...
22/07/2026

বাংলা টেলিভিশনের অত্যন্ত পরিচিত মুখ এষা ভট্টাচার্যকে নিয়ে সামনে এসেছে এক হৃদয়বিদারক খবর। কয়েক বছর আগে স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই করে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ২০২৬ সালের মে মাসে আবারও তাঁর শরীরে ধরা পড়েছে স্তন ক্যান্সার। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে অনুরাগীদের মধ্যে।

সম্প্রতি অভিনেত্রীর মেয়ে প্রেরণা ভট্টাচার্য নিজের ভ্লগে মায়ের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবেগঘন বার্তা দেন। তিনি বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ তাঁদের পরিবারের কাছে দুঃস্বপ্নের থেকেও ভয়ঙ্কর ছিল। প্রথমে কেমোথেরাপির জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও চিকিৎসার সময় একের পর এক জটিলতা তৈরি হয়। দু'বার কেমো দেওয়ার পর এষা ভট্টাচার্যের ডান হাতের শিরা আর ব্যবহারযোগ্য ছিল না। তাই চিকিৎসকদের কেমো পোর্ট বসাতে হয়।

কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি সমস্যা। কেমো পোর্ট বসানোর জায়গাটি ঠিকমতো শুকোতে না চাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কেমোথেরাপি শুরু করা সম্ভব হয়নি। সংক্রমণ এড়াতে তাঁকে অতিরিক্ত ওষুধও খেতে হয়। পরে চিকিৎসকরা বাঁ হাত দিয়ে কেমো দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাঝপথেই তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লেটলেটের সংখ্যা বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। রক্ত, ইনজেকশন এবং বিভিন্ন ওষুধ দিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

অবশেষে চিকিৎসকরা কেমো পোর্ট খুলে অন্য উপায়ে চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু ততক্ষণে অবস্থা এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে তাঁকে রাতারাতি আইসিইউ-তে স্থানান্তর করতে হয়। প্রেরণা জানিয়েছেন, সেই দু'দিন তিনি এবং তাঁর বাবা শুধু একটাই প্রার্থনা করেছিলেন—হাসপাতাল থেকে যেন কোনও খারাপ খবর না আসে। ভাগ্যক্রমে দু'দিন পর এষা ভট্টাচার্য আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে ফিরলেও তাঁর কষ্ট এখনও শেষ হয়নি। সারা শরীরে র‍্যাশ, জ্বর এবং তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা তাঁকে ভোগাচ্ছে। এমনকি আগেরবার ছ'টি কেমো নেওয়ার পর চুল পড়তে শুরু করলেও এবার একটি কেমো সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই চুল ঝরতে শুরু করেছে।

তবুও পরিবার আশাবাদী। স্বামী দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং মেয়ে প্রেরণা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁর পাশে রয়েছেন। হাসপাতালের সমস্ত দায়িত্ব থেকে শুরু করে মানসিকভাবে সাহস জোগানো—সবকিছুই তাঁরা একসঙ্গে সামলাচ্ছেন। চিকিৎসকরাও নিয়মিত তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রথমবার ক্যান্সারের চিকিৎসার সময় নিজের চুল হারিয়েও ভেঙে পড়েননি এষা ভট্টাচার্য। প্রথমে উইগ ব্যবহার করলেও পরে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ন্যাড়া মাথাতেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর সেই অদম্য সাহস এবং ইতিবাচক মানসিকতা অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

এবারও সকলের বিশ্বাস, আগের মতোই জীবনের এই কঠিন পরীক্ষাতেও জয়ী হয়ে ফিরবেন তিনি। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে অসংখ্য অনুরাগী অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। আমরাও প্রার্থনা করি, খুব শিগগিরই সুস্থ হয়ে আবার হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে ফিরুন এষা ভট্টাচার্য।

ছোটপর্দা ছেড়ে কিছুদিন বড়পর্দা ও ওটিটির কাজ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। তবে এবার তাঁকে নিয়ে শোনা য...
20/07/2026

ছোটপর্দা ছেড়ে কিছুদিন বড়পর্দা ও ওটিটির কাজ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। তবে এবার তাঁকে নিয়ে শোনা যাচ্ছে এক বড় সুখবর। টলিপাড়ার জোর গুঞ্জন, চলতি বছরের মহালয়ায় সান বাংলার অনুষ্ঠানে দেবী দুর্গার রূপে দেখা যেতে পারে দিতিপ্রিয়াকে।

'রানী রাসমণি' ধারাবাহিকের মাধ্যমে দিতিপ্রিয়া যেমন কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন, তেমনই পরবর্তীতে বিভিন্ন সিনেমা ও ওয়েব সিরিজেও নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন। যদিও 'চিরদিনই তুমি যে আমার' ধারাবাহিক চলাকালীন কিছু বিতর্কের জেরে তিনি সেই প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ান। তারপর থেকে ছোটপর্দায় তাঁকে আর নিয়মিত দেখা যায়নি।

এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করছেন অনুরাগীরা। দুর্গাপুজোর আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। তার আগেই বিভিন্ন বাংলা চ্যানেল মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। সূত্রের খবর, সান বাংলার পক্ষ থেকে দেবী দুর্গার চরিত্রের জন্য দিতিপ্রিয়ার নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে।

যদিও এখনও পর্যন্ত চ্যানেল বা অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তাই আপাতত বিষয়টি জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই দিতিপ্রিয়ার ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তুঙ্গে। সত্যিই যদি তাঁকে দুর্গা রূপে দেখা যায়, তাহলে এবারের মহালয়ার অন্যতম বড় আকর্ষণ হতে পারেন তিনি। এখন শুধু অপেক্ষা, কবে আসে সেই সরকারি ঘোষণা।

জন্মদিন মানেই বিশেষ দিন। আর সেই দিন যদি ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে এমন আবেগঘন শুভেচ্ছা পাওয়া যায়, তাহলে আনন্দ যেন আরও ...
20/07/2026

জন্মদিন মানেই বিশেষ দিন। আর সেই দিন যদি ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে এমন আবেগঘন শুভেচ্ছা পাওয়া যায়, তাহলে আনন্দ যেন আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ঠিক এমনই এক সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন অভিনেত্রী অস্মিতা চক্রবর্তী। জন্মদিন উপলক্ষে প্রেমিক প্রারদ্ধি সিংহ যে পোস্টটি করেছেন, তা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।

রাত বারোটা বাজতেই কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন অস্মিতা। সেই বিশেষ মুহূর্তের একাধিক ছবি পোস্ট করে প্রারদ্ধি লিখেছেন, "যে হৃদয়ে আমি নিজের ঘর খুঁজে পাই, আজ সেই হৃদয়ের উদযাপন। শুভ জন্মদিন, ভালোবাসা।" এই কয়েকটি লাইনই বুঝিয়ে দিয়েছে, তাঁদের সম্পর্ক কতটা গভীর এবং একে অপরের প্রতি কতটা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে।

শুধু প্রেমিক নন, টলিপাড়ার বহু তারকাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অস্মিতাকে। অভিনেত্রী অহনা দত্ত ও তনুশ্রী গোস্বামী মজার ছলে তাঁকে 'টলিউডের করিনা কাপুর' বলে সম্বোধন করেছেন। কারণ, ইন্ডাস্ট্রির নানা খবর নাকি সবার আগে অস্মিতার কাছেই পৌঁছে যায়। এই বন্ধুত্বপূর্ণ খুনসুটি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ উপভোগ করেছেন অনুরাগীরা।

উল্লেখ্য, 'ভাগ্যলক্ষ্মী' ধারাবাহিকে একসঙ্গে অভিনয় করতে গিয়েই অস্মিতা ও প্রারদ্ধির পরিচয়, আর সেখান থেকেই শুরু তাঁদের প্রেমের গল্প। এরপর থেকে নানা সময়ে একসঙ্গে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে নিজেদের সম্পর্কের সুন্দর মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা।

বর্তমানে দুজনেই নিজেদের অভিনয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। তবে ব্যস্ততার মাঝেও একে অপরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি যেন তাঁদের প্রতিটি পোস্টেই ফুটে ওঠে। জন্মদিনের এই ভালোবাসামাখা মুহূর্ত আবারও প্রমাণ করল, বাস্তব জীবনেও তাঁরা টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় জুটিগুলির একটি।

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর সেট থেকে এবার সামনে এল এক অপ্রত্যাশিত খবর। শুটিং চলাকালীন আচমকাই...
19/07/2026

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর সেট থেকে এবার সামনে এল এক অপ্রত্যাশিত খবর। শুটিং চলাকালীন আচমকাই পায়ে চোট পান ধারাবাহিকের নায়িকা তৃণা সাহা। মুহূর্তের মধ্যেই সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়, আর অভিনেত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করেন অনুরাগীরা।

তবে ভয়ের তেমন কোনও কারণ নেই। তৃণা নিজেই জানিয়েছেন, শুটিংয়ের সময় দুর্ঘটনাবশত তাঁর পায়ের নখ উল্টে যায়। আঘাত লাগলেও সেটি গুরুতর নয়। কিন্তু ব্যথা যে কম ছিল না, তা শুটিং ফ্লোরে তাঁর খুঁড়িয়ে হাঁটার দৃশ্য থেকেই স্পষ্ট। সেই সময় সহ-অভিনেতারা তাঁর পাশে দাঁড়ান এবং চলাফেরায় সাহায্য করেন।

সবচেয়ে প্রশংসনীয় বিষয় হল, চোট পাওয়ার পরেও তৃণা নিজের কাজ থামিয়ে দেননি। ব্যথা সহ্য করেই নির্ধারিত শুটিং শেষ করেন তিনি। একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে তাঁর এই দায়িত্ববোধ অনেকের মন জয় করেছে। দর্শকরাও বলছেন, পর্দার চরিত্রের মতোই বাস্তব জীবনেও তৃণা যথেষ্ট সাহসী এবং কর্মনিষ্ঠ।

অন্যদিকে, ধারাবাহিকের গল্প এখন আরও জমে উঠেছে। পরশুরাম ও তটিনীর সম্পর্ক, ষড়যন্ত্রের জাল এবং সত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই—সব মিলিয়ে প্রতিটি পর্বেই বাড়ছে উত্তেজনা। তাই একদিকে যেমন দর্শক নতুন গল্পের অপেক্ষায় রয়েছেন, অন্যদিকে তৃণা সাহার দ্রুত সুস্থ হয়ে আগের ছন্দে ফিরে আসার প্রার্থনাও করছেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী।

স্বপ্ন পূরণ মানেই যে সবসময় বড় কিছু অর্জন, তা নয়—এই বার্তাই যেন আবারও তুলে ধরলেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত। তাঁর কথায়, সংসা...
19/07/2026

স্বপ্ন পূরণ মানেই যে সবসময় বড় কিছু অর্জন, তা নয়—এই বার্তাই যেন আবারও তুলে ধরলেন অভিনেত্রী অহনা দত্ত। তাঁর কথায়, সংসার চালাতে গিয়ে অনেক সময় নিজের ইচ্ছেগুলোকে পিছিয়ে রাখতে হয়েছে। কখনও পরিবারের প্রয়োজন, কখনও আর্থিক টানাপোড়েন—সবকিছুর মধ্যেই নিজের ছোট ছোট স্বপ্নগুলোকে অপেক্ষা করাতে হয়েছে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক সময়ে পরিশ্রমের ফল একদিন না একদিন অবশ্যই মেলে।

এই ভ্লগে শুধু একটি সোনার চেন কেনার গল্পই নয়, বরং স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একে অপরের পাশে থাকার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন অহনা। তাঁর মতে, একটি সংসার তখনই সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়, যখন দুইজন মানুষ সমানভাবে দায়িত্ব ভাগ করে নেন এবং একে অপরের স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন বলে মনে করেন।

ভিডিওটি প্রকাশের পর অনেক অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, অহনার এই সরল স্বীকারোক্তি তাঁদের নিজেদের জীবনের সঙ্গেও মিল খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে। অনেকেই লিখেছেন, ছোট ছোট ইচ্ছা পূরণের আনন্দই আসলে সবচেয়ে বড় সুখ। ব্যক্তিগত জীবনের এই সুন্দর মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে অহনা যেন আরও একবার প্রমাণ করলেন, বাস্তব জীবনের আন্তরিক গল্পই সবচেয়ে বেশি মানুষের মন ছুঁয়ে যায়।

অভিনেত্রী অনন্যা সেনগুপ্ত আবারও প্রমাণ করলেন, একজন নারীর পরিচয় শুধুমাত্র জৈবিক মাতৃত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্প্রতি ...
18/07/2026

অভিনেত্রী অনন্যা সেনগুপ্ত আবারও প্রমাণ করলেন, একজন নারীর পরিচয় শুধুমাত্র জৈবিক মাতৃত্বের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবন, অভিনয় এবং মাতৃত্ব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। আর তাঁর বক্তব্য ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মন ছুঁয়ে গিয়েছে।
অনন্যা জানান, নিজের সন্তান না থাকলেও তাঁর জীবনে সেই নিয়ে কোনও আফসোস নেই। কারণ তাঁর কাছে মাতৃত্ব মানে শুধু জন্ম দেওয়া নয়, বরং ভালোবাসা, যত্ন আর দায়িত্বের বন্ধন। তিনি বলেন, তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর দত্তক নেওয়া মেয়েকে ছোটবেলা থেকে বড় হতে দেখেছেন এবং সেই শিশুর প্রতি তাঁরও গভীর মমতা তৈরি হয়েছে। এই অভিজ্ঞতাই তাঁকে বুঝিয়েছে, সম্পর্কের ভিত্তি রক্তের নয়, ভালোবাসার।
শুধু মানুষই নয়, চারটি উদ্ধার করা পথকুকুরও আজ তাঁর পরিবারের সদস্য। তাঁদের যত্ন নেওয়া, ভালোবাসা এবং নিরাপদ আশ্রয় দেওয়াকেও তিনি নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করেন। ভবিষ্যতে পথশিশু ও অসহায় প্রাণীদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার স্বপ্নও দেখছেন অভিনেত্রী।
অনন্যার এই ভাবনা অনেকের কাছে এক ইতিবাচক বার্তা। তাঁর মতে, একজন মানুষকে মা করে তোলে তাঁর স্নেহ, মমতা এবং দায়িত্ববোধ— শুধুমাত্র সন্তান জন্ম দেওয়া নয়। জীবনের প্রতি তাঁর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই আজ তাঁকে আরও বেশি শ্রদ্ধার আসনে বসিয়েছে।

টলিউডে ফের এক সুখবর। পরিচালক রাজা চন্দ্র ও অভিনেত্রী পিয়ান সরকার খুব শিগগিরই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন। তাঁদের...
18/07/2026

টলিউডে ফের এক সুখবর। পরিচালক রাজা চন্দ্র ও অভিনেত্রী পিয়ান সরকার খুব শিগগিরই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন। তাঁদের পরিবারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য। সেই আনন্দকে ঘিরেই সম্প্রতি আয়োজন করা হয়েছিল পিয়ানের সাধের অনুষ্ঠান। আর সেই অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই শুভেচ্ছায় ভরে উঠেছে কমেন্ট বক্স।

সাধের অনুষ্ঠানে পিয়ানকে দেখা যায় একেবারে বাঙালি ঐতিহ্যের সাজে। নীল-সোনালি শাড়ি, সোনার গয়না, ফুলে সাজানো খোঁপা, সিঁথিভরা সিঁদুর— সব মিলিয়ে হবু মায়ের মুখে ছিল মাতৃত্বের আলাদা আভা। অন্যদিকে সাদা পাঞ্জাবিতে রাজা চন্দ্রও ছিলেন যথারীতি পরিপাটি। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে একটি ভিডিও, যেখানে রাজা নিজের হাতে পিয়ানকে খাবার খাইয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের সেই সহজ-সরল ভালোবাসার মুহূর্তই নেটিজেনদের মন জিতে নিয়েছে।

পিয়ান নিজের পোস্টে লিখেছেন, "শুধু প্রাপ্তিগুলোই গুনে চলেছি…"। একটি ছোট্ট বাক্যেই যেন ধরা পড়েছে জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের অনুভূতি। টলিপাড়ার বহু তারকাও এই সুখবর পেয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনুরাগীরাও কমেন্টে লিখেছেন, মা ও সন্তান দু'জনেই যেন সুস্থ থাকেন।

উল্লেখ্য, একটি মডেল হান্ট প্রতিযোগিতায় প্রথম পরিচয় হয়েছিল রাজা চন্দ্র ও পিয়ান সরকারের। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে প্রেমে বদলায়, আর ২০১৮ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আজ সেই সম্পর্ক পূর্ণতা পেতে চলেছে নতুন অতিথির আগমনে। এখন অপেক্ষা শুধু সেই বিশেষ দিনের, যেদিন রাজা ও পিয়ান তাঁদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর উপহারকে কোলে নেবেন।

রথযাত্রা মানেই ভক্তি, আনন্দ আর প্রভু জগন্নাথের আরাধনায় মেতে ওঠার দিন। কিন্তু সেই পবিত্র উৎসবের আবহের মধ্যেই সোশ্যাল মিড...
17/07/2026

রথযাত্রা মানেই ভক্তি, আনন্দ আর প্রভু জগন্নাথের আরাধনায় মেতে ওঠার দিন। কিন্তু সেই পবিত্র উৎসবের আবহের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে শুরু হয়েছে এক বিতর্ক। কলকাতার কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও মেকআপ-নেইল আর্টিস্ট স্বপ্না নিজের বেবিবাম্পে জগন্নাথদেবের মুখ এঁকে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। শিল্পী হিসেবে নিজের ভাবনাকে রঙে-তুলিতে ফুটিয়ে তুলতেই চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসার পাশাপাশি শুরু হয় কটাক্ষ এবং সমালোচনার বন্যা।

অনেকেই গত বছরের একটি মর্মান্তিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ভয় দেখানোর মতো মন্তব্য করতে থাকেন। কেউ বলেন, এমন কাজ করা উচিত নয়, আবার কেউ অতীতের দুর্ঘটনার সঙ্গে এই ঘটনার অযৌক্তিক তুলনা টানেন। তবে এই ধরনের মন্তব্যের বিরুদ্ধেও সরব হন বহু নেটিজেন। তাঁদের বক্তব্য, কোনও ব্যক্তিগত দুর্ঘটনাকে ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে জুড়ে দেখা শুধু অমানবিকই নয়, অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়কে ভুলভাবে উপস্থাপন করা।

স্বপ্নার ভিডিওর নিচে বহু শুভেচ্ছাবার্তাও জমা পড়েছে। অনেকেই তাঁর শিল্পীসত্তার প্রশংসা করেছেন এবং মা ও অনাগত সন্তানের সুস্থতা কামনা করেছেন। তাঁদের মতে, শিল্পের মাধ্যমে ভক্তি প্রকাশের নানা রূপ থাকতে পারে, আর সেটিকে সম্মান করাই উচিত।

এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও স্পষ্ট হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া যেমন প্রশংসার জায়গা, তেমনই কখনও কখনও কঠোর সমালোচনারও মঞ্চ হয়ে ওঠে। মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু একজন অন্তঃসত্ত্বা মাকে উদ্দেশ্য করে ভয় দেখানো বা অভিশাপের ইঙ্গিত দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শেষ পর্যন্ত এই বিতর্ক নতুন করে একটি প্রশ্নই সামনে এনেছে—মত প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি মানবিকতাও কি সমানভাবে জরুরি নয়?

জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘বাঘিনী’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। ধারাবাহিকের নাম ঘোষণার পর থেকেই নায়িকা কে হবেন, তা...
16/07/2026

জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘বাঘিনী’ নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। ধারাবাহিকের নাম ঘোষণার পর থেকেই নায়িকা কে হবেন, তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিকই হয়তো এই চরিত্রে ফিরবেন। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নির্মাতারা বেছে নিয়েছেন একেবারে নতুন মুখ সম্পিতা প্রামাণিককে।

অভিনয় জগতে এটাই সম্পিতার প্রথম কাজ। এর আগে তিনি নৃত্যশিল্পী ও মডেল হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রথম ধারাবাহিকেই এমন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে সুযোগ পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর কেরিয়ারের বড় মাইলফলক। ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকের প্রথম প্রোমোর শুটিং শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

‘বাঘিনী’র গল্প অন্য ধারার। সুন্দরবনের বাস্তব জীবন, মধু সংগ্রহকারীদের প্রতিদিনের ঝুঁকি এবং এক সাহসী মায়ের সংগ্রামকে কেন্দ্র করেই এগোবে কাহিনি। সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে লড়াই করা এক নারীর জীবনই এই ধারাবাহিকের মূল আকর্ষণ। নির্মাতাদের মতে, এই গল্পে নায়িকার চরিত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই নতুন হলেও অভিনয় দক্ষতার উপর ভরসা রেখেই সম্পিতাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত নায়কের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে খুব শীঘ্রই ধারাবাহিকের প্রথম প্রোমো সম্প্রচারিত হবে এবং ধাপে ধাপে অন্যান্য চরিত্র সম্পর্কেও জানানো হবে। নতুন গল্প, নতুন মুখ এবং সুন্দরবনের বাস্তব পটভূমি—সব মিলিয়ে ‘বাঘিনী’ যে ইতিমধ্যেই দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, তা বলাই যায়।

রথযাত্রা এলেই যেন ছোটবেলার অসংখ্য স্মৃতি ফিরে আসে। ঠিক তেমনই এবারের রথযাত্রায় নিজের শৈশবের দিনগুলোর কথা মনে করে আবেগঘন ...
16/07/2026

রথযাত্রা এলেই যেন ছোটবেলার অসংখ্য স্মৃতি ফিরে আসে। ঠিক তেমনই এবারের রথযাত্রায় নিজের শৈশবের দিনগুলোর কথা মনে করে আবেগঘন পোস্ট করলেন 'পরিণীতা' ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঈশানী চট্টোপাধ্যায়।

তিনি জানান, ছোটবেলায় রথের দড়ি টানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন। রথ এগোতে শুরু করলেই সবাই মিলে "জয় জগন্নাথ" ধ্বনি তুলে হাঁটতেন। রথ থেকে ছুড়ে দেওয়া বাতাসা, নকুলদানা আর প্রসাদ কুড়িয়ে নেওয়ার আনন্দ ছিল অন্যরকম। এমনকি বৃষ্টিতে ভিজেও সেই উৎসবের আনন্দ একটুও কমত না।

শুধু রথ নয়, মেলাও ছিল তাঁর কাছে সমান আকর্ষণের। বাড়ির কাছেই মেলা বসত বলে প্রতিদিন সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকত। পরিবারের সকলের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, বিভিন্ন রাইডে চড়া, পছন্দের খাবার খাওয়া—সব মিলিয়ে রথযাত্রা ছিল তাঁর বছরের সবচেয়ে প্রিয় উৎসব।

এখন অবশ্য সেই দিন আর নেই। অভিনয়ের ব্যস্ত সময়সূচির কারণে এবারের রথযাত্রাও কাটছে শুটিং সেটে। তবু মন যেন বারবার ফিরে যাচ্ছে দুর্গাপুরের সেই রথ, মেলার ভিড় আর শৈশবের দিনগুলোর কাছে। পোস্টের শেষে অভিনেত্রী অনুরাগীদের উদ্দেশে লিখেছেন, "তোমরা যারা আজ রথের দড়ি টানতে যাচ্ছো, আমার হয়ে একটু বেশি করে আনন্দ করে নিও।" সেই সঙ্গে সকলকে শুভ রথযাত্রার আন্তরিক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন তিনি।

Address

Egra
721422

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Man for Mind posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share