Only Krishna vokti 1632

Only Krishna vokti 1632 আমার পেজটাকে একটু সকলেই ফলো করবেন আমিও উপকৃত হব আপনারা উপকৃত হবেন। হরেকৃষ্ণ 🙏

👉🏻মাছ-মাংস খেলে যদি পাপ হয়, তবে শাক-সবজি খেলেও কি পাপ হয় না?গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন এবং বৈদিক শাস্ত্র অত্যন্ত স্পষ্ট ও বৈজ্ঞা...
15/09/2026

👉🏻মাছ-মাংস খেলে যদি পাপ হয়, তবে শাক-সবজি খেলেও কি পাপ হয় না?

গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন এবং বৈদিক শাস্ত্র অত্যন্ত স্পষ্ট ও বৈজ্ঞানিক যুক্তির মাধ্যমে এর সমাধান দিয়েছে।

শাক-সবজি খেলে কেন পাপ হয় না?

গৌড়ীয় বৈষ্ণব মত ও বৈদিক দর্শন অনুযায়ী:

👉🏻১. উদ্ভিদেও প্রাণ আছে:

সনাতন দর্শন স্বীকার করে যে উদ্ভিদের মধ্যেও আত্মা ও প্রাণ রয়েছে।

👉🏻২. চেতনার স্তরভেদ:

উদ্ভিদের চেতনা হলো ‘আচ্ছাদিত চেতনা’ (Covered Consciousness)। উদ্ভিদের কোনো স্নায়ুতন্ত্র (Nervous system) বা রক্তমাংসের অনুভূতিশীল মন নেই। ফলে একটি প্রাণীকে যেভাবে গলা কেটে বা আঘাত করে হত্যা করলে সে অসহ্য যন্ত্রণা, ভয় ও আর্তনাদ অনুভব করে, উদ্ভিদের ক্ষেত্রে তা হয় না।

👉🏻৩. প্রকৃতির বিধান:

ফল, পাতা বা দুধ গ্রহণ করলে মূল উদ্ভিদের জীবন নাশ হয় না। ধান, গম, ডাল ইত্যাদি শস্য ফল পাকার পর প্রাকৃতিকভাবেই শুকিয়ে মারা যায়, তারপর তা সংগ্রহ করা হয়।

👉🏻৪. মূল তত্ত্ব (ভগবদ্‌ প্রসাদ তত্ত্ব):

👉🏻গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতে, কেউ যদি কেবল শাক-সবজিও নিজের ইন্দ্রিয়তৃপ্তির জন্য রান্না করে খায়, তবে তারও পাপ হয়। কারণ সৃষ্টির প্রতিটি উপাদান ঈশ্বরের। কিন্তু পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় নির্দেশ দিয়েছেন যে, ভক্ত যখন তাঁকে ভক্তিভরে ফল, শাক, শস্য নিবেদন করে সেই নিবেদিত ‘প্রসাদ’ গ্রহণ করে, তখন সেই খাদ্যের সমস্ত কর্মফল ও পাপ মোচন হয়ে যায়। ভগবান কোনো প্রাণীর মাংস গ্রহণ করেন না, তিনি কেবল সাত্ত্বিক নিরামিষ খাদ্য গ্রহণ করেন।

👉🏻১. চার বেদের প্রমাণ (মন্ত্র ও অনুবাদ)

👉🏻ক) ঋগ্বেদ

যঃ পৌরুষেয়েণ ক্রবিষা সমঙ্ক্তে যো অশ্ব্যেন পশুনা যাতুধানঃ।
যো অঘ্ন্যায়া ভরতি ক্ষীরমগ্নে তেষাং শীর্ষাণি হরসা অপি বৃশ্চ॥
(ঋগ্বেদ ১০/৮৭/১৬)

👉🏻অনুবাদ: যে ব্যক্তি নরমাংস, অশ্ব বা অন্য কোনো নিরীহ পশুর মাংস ভক্ষণ করে এবং যে ব্যক্তি দুগ্ধবতী অনপরাধিনী গাভীকে হত্যা করে, হে অগ্নিদেব! তুমি তোমার দিব্য তেজে সেই দুরাচারীদের মস্তক ছিন্ন করো।

👉🏻খ) যজুর্বেদ

ইমং মা হিংসীর্দ্বিপাদং পশুং সহস্রাক্ষ মেধায় চীয়মানঃ।
(শুক্ল যজুর্বেদ ১৩/৪৭)
এবং
পশূংস্ত্রায়েথাম্।
(শুক্ল যজুর্বেদ ১/১)

👉🏻অনুবাদ: জগতের কোনো প্রাণীকে হিংসা করো না, সমস্ত দ্বি-পদ ও চতুষ্পদ পশুকে হত্যা থেকে রক্ষা করো।

👉🏻গ) সামবেদ

অহিংস্রায় সর্বাণি ভূতানি আত্মবদ্ পশ্যন্ সর্বথা।
(সামবেদ সংহিতা, মন্ত্র ১৮৫৯ / আরণ্য গান)

👉🏻অনুবাদ: সমস্ত প্রাণীর প্রতি অহিংসা পোষণ করো এবং জগতের সমস্ত জীবকে নিজের আত্মার ন্যায় বিবেচনা করো। কোনো প্রাণীকে খাদ্যের জন্য বধ করো না।

👉🏻ঘ) অথর্ববেদ

য আমং মাংসমদন্তি পৌরুষেয়ং চ যে ক্রবিঃ।
গর্ভাং খাদন্তি কেশবাস্তাস্তো নাশয়ামসি॥
(অথর্ববেদ ৮/৬/২৩)

👉🏻অনুবাদ: যারা কাঁচা মাংস, নরমাংস কিংবা পশুমাংস ভক্ষণ করে এবং গর্ভজাত ভ্রূণ বিনাশ করে, সেই সমস্ত মাংসাশী পাপীদের সর্বতোভাবে বিনাশ করা কর্তব্য।

👉🏻২. ছয়টি সাত্ত্বিক পুরাণের প্রমাণ (শ্লোক ও অনুবাদ)

পদ্মপুরাণ অনুযায়ী ছয়টি সাত্ত্বিক পুরাণ হলো: শ্রীমদ্ভাগবত, বিষ্ণু পুরাণ, পদ্ম পুরাণ, গরুড় পুরাণ, বরাহ পুরাণ এবং নারদ পুরাণ।

👉🏻১. শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ

অভ্যর্থিতস্তদা তস্মৈ স্থানানি প্রদদৌ কলিঃ।
দ্যূতং পানং স্ত্রিয়ঃ সূনা যত্রাধর্মশ্চতুর্বিধঃ॥
(শ্রীমদ্ভাগবত ১/১৭/৩৮)

👉🏻অনুবাদ: মহারাজ পরীক্ষিতের কাছে কলি আশ্রয় প্রার্থনা করলে তিনি কলিকে থাকার জন্য চারটি স্থান প্রদান করেন—দ্যূত (জুয়াখেলা/প্রতারণা), পান (মদ্যপান/মাদক), স্ত্রীসঙ্গ (অবৈধ সঙ্গ) এবং সূনা (জীবহত্যা বা মাংসাহার); যেখানে এই চার প্রকার অধর্ম অবস্থান করে।

👉🏻২. বিষ্ণু পুরাণ

ন হিংস্যাৎ সর্বভূতানি ন কুর্যাৎ কর্ম বাঙ্মনঃ।
পরপীড়াং সমাসাদ্য যন্নাত্মনোহনুকূলম্॥
(বিষ্ণু পুরাণ ৩/৮/১৫)

👉🏻অনুবাদ: কায়-মন-বাক্যে কোনো জীবের হিংসা করবে না। যা নিজের আত্মার পক্ষে প্রতিকূল বা কষ্টদায়ক, অপরের প্রতি কখনো সেই আচরণ করবে না।

👉🏻৩. পদ্ম পুরাণ

সর্বহিংসা-নিবৃত্তা যে সর্বস্যানুকম্পকাঃ।
তে নরাঃ স্বর্গমায়ান্তি নান্যে বৈ মাংসভক্ষকাঃ॥
(পদ্ম পুরাণ, সৃষ্টিখণ্ড ১৯/৩১৫)

👉🏻অনুবাদ: যাঁরা সর্বপ্রকার হিংসা থেকে নিবৃত্ত এবং সমস্ত জীবের প্রতি দয়াশীল, তাঁরাই পরম গতি লাভ করেন। কিন্তু মাংসভক্ষণকারীরা কখনো কল্যাণ বা সদ্গতি লাভ করতে পারে না।

👉🏻৪. গরুড় পুরাণ

পরমাংসৈঃ সুপুষ্টাঙ্গো মাংসাশী নরাধমঃ।
রৌরবে কুম্ভীপাকে চ পচ্যতে যমকিঙ্করৈঃ॥
(গরুড় পুরাণ, প্রেতখণ্ড ২/৩৫)

👉🏻অনুবাদ: যে নরাধম অন্য নিরীহ জীবের মাংস খেয়ে নিজের শরীর পরিপুষ্ট করে, পরকালে যমদূতেরা তাকে রৌরব ও কুম্ভীপাক নামক নরকে নিক্ষেপ করে অনন্তকাল ধরে দগ্ধ করে।

👉🏻৫. বরাহ পুরাণ

মাংসং মদ্যং চ যো দদ্যাৎ মম ভক্তোঽপি যো ভবেৎ।
নাহং তং প্রতিগৃহ্নামি স মে দ্রোহী ন সংশয়ঃ॥
(বরাহ পুরাণ, সেবাপরাধ অধ্যায়)

👉🏻অনুবাদ: শ্রীভগবান বরাহদেব বলেছেন: যে ব্যক্তি মাংস বা মদ্য ভক্ষণ করে অথবা আমাকে তা অর্পণ করতে চায়, সে যদি আমার ভক্তও বলে দাবি করে, তবুও আমি তার কোনো কিছু গ্রহণ করি না। সে প্রকৃতপক্ষে আমার দ্রোহী।

👉🏻৬. নারদ পুরাণ

অহিংসা পরমো ধর্মস্তথাহিংসা পরং তপঃ।
অহিংসা পরমং সত্যং যতো ধর্মঃ প্রবর্ততে॥
(নারদ পুরাণ, পূর্বভাগ ১/৩১/৩৯)

👉🏻অনুবাদ: অহিংসাই হলো পরম ধর্ম, অহিংসাই পরম তপস্যা এবং অহিংসাই পরম সত্য। যেখানে কোনো জীবের প্রতি হিংসা নেই, সেখানেই কেবল ধর্মের স্থিতি সম্ভব।

👉🏻৩. শাস্ত্রের প্রমাণ

👉🏻ক) শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (কেন শাকসবজি খেলে বৈষ্ণবদের পাপ হয় না?)

যজ্ঞশিষ্টাশিনঃ সন্তো মুচ্যন্তে সর্বকিল্বিষৈঃ।
ভুঞ্জতে তে ত্বঘং পাপা যে পচন্ত্যাত্মকারণাত্॥
(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ৩/১৩)

👉🏻অনুবাদ: ভগবানের ভক্তেরা সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হন, কারণ তাঁরা যজ্ঞের অবশিষ্টাংশ (ভগবানের ভোগ নিবেদনের পর প্রসাদ) গ্রহণ করেন। কিন্তু যারা কেবল নিজেদের ইন্দ্রিয়তৃপ্তির জন্য খাদ্য রান্না করে, তারা কেবল পাপই ভক্ষণ করে।

👉🏻(অর্থাৎ, সাধারণ নিরামিষাশী ব্যক্তিও যদি ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ভোগ না দিয়ে শুধু নিজের জন্য শাকসবজি খায়, সেও পাপ খায়। কিন্তু বৈষ্ণবরা শ্রীকৃষ্ণকে ভোগ নিবেদন করে ‘প্রসাদ’ গ্রহণ করায় শাকসবজির কর্মবন্ধন থেকেও মুক্ত হন।)

পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতমশ্নামি প্রযতাত্মনঃ॥
(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ৯/২৬)

👉🏻অনুবাদ: শ্রীকৃষ্ণ বলেন: কেউ যদি আমাকে ভক্তিভরে পত্র (শাকপাতা), পুষ্প, ফল এবং জল অর্পণ করে, শুদ্ধচিত্ত ভক্তের সেই ভক্তিপ্লুত উপহার আমি সানন্দে গ্রহণ করি।

(এখানে ভগবান স্পষ্টভাবে ফল, শাক ও জলের কথা বলেছেন, কোনো প্রাণীর মাংস তিনি গ্রহণ করেন না।)

👉🏻খ) মনুসংহিতা

অনুমন্তা বিশসিতা নিহন্তা ক্রয়বিক্রয়ী।
সংস্কর্তা চোপহর্তা চ খাদকাশ্চেতি ঘাতকাঃ॥
(মনুসংহিতা ৫/৫১)

👉🏻অনুবাদ: যে পশুহত্যার অনুমতি দেয়, যে পশু কাটে, যে হত্যা করে, যে মাংস কেনে, যে বিক্রি করে, যে রান্না করে, যে পরিবেশন করে এবং যে খায়—এই আট শ্রেণির ব্যক্তিই সমভাবে পশুর হত্যাকারী ও মহাপাপী।

মাং স ভক্ষয়িতাহমুত্র যস্য মাংসমিহাম্যহম্।
এতন্মাংসস্য মাংসত্বং প্রবদন্তি মনীষিণঃ॥
(মনুসংহিতা ৫/৫৫)

👉🏻অনুবাদ: ‘আজ আমি ইহলোকে যার মাংস খাচ্ছি, পরলোকে সে আমাকে ভক্ষণ করবে’—এই কারণেই পণ্ডিতগণ ‘মাংস’ শব্দটিকে ব্যাখ্যা করেছেন (মাং = আমাকে, সঃ = সে খাবে)।

👉🏻গ) মহাভারত

স্বমাংসং পরমাংসেন যো বর্ধয়িতুমিচ্ছতি।
অনভ্যর্চ্য পিতৃন্ দেবান্ন ততোঽন্যোঽস্ত্যপুণ্যকৃৎ॥
(মহাভারত, অনুশাসন পর্ব ১১৫/৫২)

👉🏻অনুবাদ: যে ব্যক্তি অন্য জীবের মাংস ভক্ষণ করে নিজের শরীরের মাংস বৃদ্ধি করতে চায়, তার চেয়ে বড় অধার্মিক ও মহাপাপী জগতে আর কেউ নেই।

👉🏻ঘ) শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত (গৌড়ীয় বৈষ্ণব মূল গ্রন্থ)

জীব হিংসা নাহি যার সর্বদয়ে দয়া।
সেই তো বৈষ্ণব শ্রেষ্ঠ কৃষ্ণের পরম মায়া॥
(শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত)

👉🏻অনুবাদ: যাঁর অন্তরে কোনো জীবের প্রতি তিলমাত্র হিংসা নেই এবং সকল জীবের প্রতি যিনি করুণাশীল, তিনিই প্রকৃত বৈষ্ণব এবং শ্রীকৃষ্ণের পরম কৃপাপাত্র।

সংক্ষেপে সারকথা

মাছ-মাংস সংগ্রহ করা হয় একটি সচেতন পশুপাখিকে নারকীয় যন্ত্রণা দিয়ে এবং হত্যা করে, যার ফলে তীব্র পাপ ও কর্মবন্ধন তৈরি হয়। অন্যদিকে, শাক-সবজি ও শস্য উদ্ভিদের স্বাভাবিক উপহার, যা জীবকে যন্ত্রণা না দিয়ে বা প্রাকৃতিক আয়ু শেষে সংগৃহীত হয়। গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতে—শাকসবজি রান্নার মধ্যেও যে সূক্ষ্ম দোষ থাকে, তা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ভক্তিভরে নিবেদন করে ‘কৃষ্ণপ্রসাদ’ হিসেবে গ্রহণ করলে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায়। তাই প্রসাদ গ্রহণ করলে কোনো পাপ হয় না, বরং আত্মার মুক্তি ঘটে।🌷🌷🤏🤏 আপনারা এটাকে বেশি বেশি করে শেয়ার করবেন তাহলে বেশিরভাগ মানুষ এটা জানতে পারবে 🙏🙏🙏🙏🙏🙏✍️অভিষেক গোপাল দাস

10/09/2026

''শ্রীপাদ চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রহ্মচারী'' মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন।
দীর্ঘ দুই বছর পরে ভগবানের সঙ্গে ভক্তের মিলন 😭😭😭🙏🙏🙏

অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য:হরিশ্চন্দ্র নামক এক রাজা ছিলেন। ভাগ্যের কারণে তিনি তাঁর রাজ্য হারান এবং স্ত্রী-পুত্রকে বিক্রয় ক...
06/09/2026

অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য:

হরিশ্চন্দ্র নামক এক রাজা ছিলেন। ভাগ্যের কারণে তিনি তাঁর রাজ্য হারান এবং স্ত্রী-পুত্রকে বিক্রয় করতে বাধ্য হন। তিনি নিজে চণ্ডালদের দাসে পরিণত হলেন ও শ্মশানে প্রহরী হিসেবে সেবা করতে থাকলেন। এই অবস্থায়ও তিনি সত্যবাদী ও সচ্চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। এইভাবে বহু বছর কাটানোর পর একদিন গৌতম মুনি আসলেন। তিনি তাঁর এই দুঃখের কথা শুনে তাঁকে অন্নদা একাদশীর উপবাস করতে বললেন। রাজা হরিশ্চন্দ্র এই একাদশী পালন করে সমস্ত দুঃখ থেকে মুক্ত হলেন। তাঁর স্ত্রী ও পুত্রকে ফিরে পেলেন, তাঁর পুত্র পুনরায় জীবিত হল। এবং আবার রাজ্য ফিরে পেলেন। মৃত্যুর পর আত্মীয়স্বজন-সহ তিনি চিন্ময় ধামে ফিরে গেলেন।

যে ব্যক্তিই এই একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণ অথবা পাঠ করে সে ব্যক্তি অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ করেন।

আমার গৃহে ভগবানের শ্রীকৃষ্ণ জন্মদিনের উৎসব পালন 🙏❤️
04/09/2026

আমার গৃহে ভগবানের শ্রীকৃষ্ণ জন্মদিনের উৎসব পালন 🙏❤️

আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামীশ্রীল প্রভুপাদের ১৩০ তম ব্যাসপূজা৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬(অর্ধদিবস উপবাস)প্রক...
04/09/2026

আজ কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি এ.সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী
শ্রীল প্রভুপাদের ১৩০ তম ব্যাসপূজা
৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬
(অর্ধদিবস উপবাস)

প্রকৃতপক্ষে সমগ্র জগতের শ্রীল প্রভুপাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারোরই তাঁর প্রতি বৈরীভাবাপন্ন হওয়া উচিত নয় কারণ তিনি যা করেছেন তা ইতোপূর্বে আর কেউ করেনি। তিনি ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর কৃপাস্বরূপ ভবিষ্যৎবাণীকে পরিপূর্ণ করেছেন।

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী, ৯ই মার্চ, ১৯৮২, শ্রীধাম মায়াপুর

💥‼️ জরুরী স্বাস্থ্যবার্তা‼️‌(১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ) — আবারও জ্বর গুরু মহারাজের! ফুসফুসের তরল পরীক্ষা ও কান থেকে বায়োপসি...
02/09/2026

💥‼️ জরুরী স্বাস্থ্যবার্তা‼️‌(১লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ) — আবারও জ্বর গুরু মহারাজের! ফুসফুসের তরল পরীক্ষা ও কান থেকে বায়োপসি—তবে গতকাল ঘটেছে এমন এক আশাব্যঞ্জক ঘটনা, যা ভক্তদের মনে আবারও আশা জাগাবে! 🩵🙏

শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের শিষ্য-শিষ্যা সকলে কৃপাপূর্বক আমাদের বিনম্র প্রণাম গ্রহণ করুন।

শ্রী শ্রী রাধা-মাধব, শ্রী পঞ্চতত্ত্ব, ভগবান নৃসিংহদেব, শ্রীল প্রভুপাদের কৃপায় এবং সারা বিশ্বের ভক্তদের আন্তরিক প্রার্থনার ফলে আমরা গুরু মহারাজের সুস্থতার প্রতিটি ইতিবাচক অগ্রগতির জন্য আশাবাদী ও কৃতজ্ঞ।

আজ সকালে গুরু মহারাজের আবারও জ্বর এসেছিল। সৌভাগ্যক্রমে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জ্বর কমে যায়।

বারবার জ্বর আসা এবং চলমান আরও কিছু শারীরিক উদ্বেগের কারণে ডাক্তাররা আজ অতিরিক্ত কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। পরীক্ষার জন্য ফুসফুসের চারপাশ থেকে তরল সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও, প্রায় তিন মাস আগে গুরু মহারাজ যখন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন, তখন যে ত্বকের ক্যান্সারের জন্য তাঁর অপারেশন হয়েছিল, সেটির বর্তমান অবস্থা মূল্যায়নের জন্য তাঁর কান থেকে একটি বায়োপসি নেওয়া হয়েছে। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো পুনরায় জ্বর আসার সম্ভাব্য অন্তর্নিহিত কারণগুলো আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং পরবর্তী চিকিৎসার দিকনির্দেশ নির্ধারণ করতে চিকিৎসক দলকে সহায়তা করবে।

এই প্রক্রিয়া ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে আজ গুরু মহারাজকে বিছানা থেকে তুলে অন্যত্র স্থানান্তর করা সম্ভব হয়নি। তবে গত ছয় দিন ধরে তিনি ন্যূনতম মাত্রার ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন, যা একটি আশাব্যঞ্জক লক্ষণ। তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের অবস্থা চিকিৎসক দল অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন।

গতকাল গুরু মহারাজকে দু’বার হুইলচেয়ারে বসানো হয়েছিল। এর মধ্যে একবার উপযুক্ত সময়ে তাঁকে অল্প সময়ের জন্য হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যাতে তিনি কিছুটা তাজা বাতাস ও কোমল সূর্যালোক গ্রহণ করতে পারেন। এ ধরনের চলাফেরা ও শারীরিক কার্যকলাপ তাঁর চলমান পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাঁর সজাগ থাকা ও মনোযোগও ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে। অগ্রগতির এই ছোট কিন্তু অর্থবহ লক্ষণগুলোর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

আমরা বিনীতভাবে সারা বিশ্বের সকল ভক্ত, শিষ্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করছি, আপনারা যেন গুরু মহারাজের জন্য আন্তরিক প্রার্থনা অব্যাহত রাখেন:

“হে আমার প্রিয় শ্রী শ্রী রাধা-মাধব, শ্রী শ্রী পঞ্চতত্ত্ব, ভগবান নৃসিংহদেব এবং শ্রীল প্রভুপাদ, আপনাদের ইচ্ছা হলে, দয়া করে গুরু মহারাজকে আশীর্বাদ করুন, যেন তিনি সংক্রমণ ও অন্যান্য জটিলতা থেকে মুক্ত থাকেন, তাঁর শক্তি ও চেতনা ফিরে পান, যোগাযোগ ও পারস্পরিক কথোপকথনের সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেন, ক্রমশ নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে আরও স্বাধীন হয়ে উঠতে পারেন এবং স্থিতিশীল স্বাস্থ্য ও সম্পূর্ণ সুস্থতার দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হতে পারেন।”

জেপিএস স্বাস্থ্য দল ও জেপিএস সেবা কমিটির পক্ষ থেকে
মহাবরাহ দাস

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের নিয়মাবলী।শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।।
02/09/2026

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ব্রত পালনের নিয়মাবলী।
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।।

আগামীকাল একাদশী তাই একাদশীর মাহাত্ম্য দিলাম সকলেই শ্রবণ করবেন 🙏একদিন মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ কে জিজ্ঞাসা করলেন-- হে প...
23/08/2026

আগামীকাল একাদশী তাই একাদশীর মাহাত্ম্য দিলাম সকলেই শ্রবণ করবেন 🙏একদিন মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ কে জিজ্ঞাসা করলেন-- হে প্রভু! শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে মহারাজ! এখন আমি সেই পবিত্র ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, মনোযোগ দিয়ে তা শ্রবন করুন। যা শোনামাত্রই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
প্রাচীন কালে দ্বাপর যুগের শুরুতে মহিজীৎ নামে এক বিখ্যাত রাজা ছিলেন। তিনি মাহিস্মতি নগরে রাজত্ব করতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে তার মনে বিন্দুমাত্র শান্তি ছিলনা। কেননা তিনি ছিলেন অপুত্রক। 'পুত্রহীনের ইহলোক পরলোকে কোথাও সুখ হয় না'-- এই রূপ চিন্তা করতে করতে বহুদিন কেটে গেল। কিন্তু তবুও পুত্র মুখ দর্শনে রাজা বঞ্চিতই রইলেন। নিজেকে অত্যন্ত দুর্ভাগা মনে করে রাজা চিন্তাগ্রস্ত হলেন। প্রজাদের সামনে গিয়ে বলতে লাগলেন---হে প্রজাবৃন্দ! তোমরা শোন। আমি এই জন্মে তো কোন পাপকাজ করিনি, অন্যায় ভাবে আমার রাজকোষ বৃদ্ধি করিনি, ব্রাহ্মণ বা দেবতাদের সম্পদ কখনও গ্রহণ করিনি উপরন্তু প্রজাদেরকে পুত্রের মতো পালন করেছি, ধর্ম অনুযায়ী পৃথিবী শাসন করেছি। দুষ্টদের যথানুরূপ দন্ড দিয়েছি, সজ্জন ব্যক্তিদের যথাযোগ্য সম্মান করতেও কখনও অবহেলা করিনি। তাই হে ব্রাহ্মণগণ, এই প্রকার ধর্ম পথ অবলম্বন করা সত্ত্বেও কেন আমার পুত্র লাভ হল না, তা আপনারা কৃপা করে অনুসন্ধান করুন| রাজার এই প্রকার কাতর উক্তি শ্রবণে ব্যথিত রাজভক্ত পুরোহিত ব্রাহ্মণগণ রাজার মঙ্গলের জন্য গভীর বনে ত্রিকালজ্ঞ মুনি ঋষির কাছে যেতে মনস্থ করলেন। বনের মধ্যে ঋষিদের আশ্রমসকল দেখতে দেখতে তারা এক মুনির সন্ধান পেলেন। তিনি দীর্ঘায়ু, নীরোগ, নিরাহারে ঘোর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। সর্বশাস্ত্র বিশারদ ধর্মতত্ত্বজ্ঞ ও ত্রিকালজ্ঞ সেই মহামুনি লোমশ নামে পরিচিত। ব্রহ্মার এক কল্প অতিবাহিত হলে মুনিবরের গায়ের একটি লোম পরিত্যক্ত হত। এই কারণে এই মহামুনির নাম লোমশ। তাকে দেখে সকলেই ধন্য হলেন। তারা পরস্পর বলতে লাগলেন যে, আমাদের বহু জন্মের সৌভাগ্যের ফলে আজ আমরা এই মহামুনির সাক্ষাৎ লাভ করলাম। তারপর ঋষিবর তাদের সম্বোধন করে বললেন---কি কারণে আপনারা এখানে এসেছেন এবং কেনই বা আমার এত প্রশংসা করছেন, তা স্পষ্ট করে বলুন। আপনাদের যাতে মঙ্গল হয়, আমি নিশ্চয়ই তার চেষ্টা করব।
ব্রাহ্মণেরা বললেন---হে ঋষিবর! আমরা যে উদ্দেশ্যে এখানে এসেছি আপনি তা কৃপা করে শুনুন। এ পৃথিবীতে আপনার মতো শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আর কোথাও নেই। মহীজিৎ নামে এক রাজা নিঃসন্তান হওয়ায় অতি দুঃখে দিন যাপন করছে। আমরা তার প্রজা, তিনি আমাদেরকে পুত্রের মতো পালন করেন। কিন্তু তিনি পুত্রহীন বলে আমরাও সবাই মর্মাহত। তার দুঃখ দূর করতে আমরা এই বনে প্রবেশ করেছি। হে ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠ! রাজা যাতে পুত্রের মুখ দর্শন করতে পারেন, কৃপা করে তার কোনো উপায় আমাদের বলুন। তাদের কথা শুনে মুনি ধ্যান মগ্ন হলেন। কিছু সময় পরে রাজার পূর্বজন্মবৃত্তান্ত বলতে লাগলেন। এই রাজা পূর্বজন্মে এক দরিদ্র বৈশ্য ছিলেন। একবার তিনি এক অন্যায় কার্য করে ফেলেন। ব্যাবসা করার জন্য তিনি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাতায়াত করতেন। একসময় জৈষ্ঠ্য মাসে শুক্লপক্ষের দশমীর দিনে কোথাও যাওয়ার পথে তিনি অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়েন। গ্রাম প্রান্তে এক জলাশয় তিনি দেখতে পেলেন। সেখানে জলপানের জন্য যান। এক গাভী ও তার বাছুর সেখানে জলপান করছিল। তাদেরকে তাড়িয়ে দিয়ে তিনি নিজেই জলপান করতে লাগলেন। এই পাপকর্মের ফলে তিনি পুত্র সুখে বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু পূর্বজন্মের কোনো পূণ্যের ফলে তিনি এরকম নিষ্কন্টক রাজ্য লাভ করেছেন। হে মুনিবর! শাস্ত্রে আছে যে পূণ্য দ্বারা পাপক্ষয় হয়।
তাই আপনি এমন একটি পূণ্য ব্রতের উপদেশ করুন যাতে তার পারব্ধ পাপ দূর হয় এবং আপনার অনুগ্রহে তিনি পুত্র সন্তান লাভ করতে পারেন। লোমশ মুনি বললেন---শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পবিত্রারোপণী একাদশী ব্রত অভিষ্ট ফল প্রদান করে। আপনারা যথাবিধি তা সকলে পালন করুন। লোমশ মুনির উপদেশ শুনে আনন্দ চিত্তে গৃহে প্রত্যাবর্তন করে তারা রাজাকে সকল কথা জানালেন। তারপর সকলে মিলে মুনির নির্দেশ অনুযায়ী ব্রত পালন করলেন। তাদের সকলের পূণ্যফল রাজাকে প্রদান করলেন। সেই পূণ্য প্রভাবে রাজমহিষী গর্ভবতী হলেন। উপযুক্ত সময়ে বলিষ্ঠ, সর্বাঙ্গসুন্দর এক পুত্র সন্তানের জন্ম দান করলেন। ভবিষোত্তরপুরানে এই ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। এই ব্রত যিনি পাঠ বা শ্রবণ করবেন তিনি সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হবেন এবং পুত্র সুখ ভোগ করে অবশেষে দিব্যধাম প্রাপ্ত হবেন।

23/08/2026

হরে কৃষ্ণ আগামীকাল একাদশ সকলের চেষ্টা করবেন এটা পালন করা

Address

Ghatal

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Only Krishna vokti 1632 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share