08/08/2026
দুর্গাপুর, ৮ আগস্ট ২০২৬ :
দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে ‘এক দুনিয়া’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বন্ধুর বন্ধন’। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি প্রযুক্তিকে মানুষের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা উঠে আসে এই অনুষ্ঠানে।
‘এক বন্ধন • এক স্বপ্ন • এক ভবিষ্যৎ’—এই ভাবনাকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি ও মানবিকতার সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে উন্নয়নের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ চন্দ্র ঘোড়ুই মহাশয় - ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুমন কারফা মহাশয় - রানীগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পার্থ ঘোষ মহাশয় - পশ্চিম বর্ধমান মহিলা মোর্চার শুভ্রা সাহারায় বাবু - RSS পশ্চিম বর্ধমানের অচ্ছুত হাজরা মহাশয় এবং গলসি বিধানসভার বিধায়ক রাজু পাত্র। তাঁদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি করে।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে দ্রুত, সহজ ও আধুনিক করে তুললেও তার প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন প্রযুক্তির সুফল সমাজের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়। সেই লক্ষ্যেই ‘এক দুনিয়া’ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ডিজিটাল পর্যটনের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তিনির্ভর সুযোগ তৈরির স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছে।
অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও জীবিকার নতুন পথ তৈরি এবং ডিজিটাল পর্যটনের মাধ্যমে দেশের বৈচিত্র্য ও সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা সম্ভব।
পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আরও আত্মনির্ভর করে তোলার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ‘এক দুনিয়া’র পক্ষ থেকে বলা হয়, উন্নয়ন তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সেই উন্নয়নের সুযোগ সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
‘বন্ধুর বন্ধন’ অনুষ্ঠানের মূল ভাবনার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আস্থা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং একসঙ্গে এগিয়ে চলার প্রত্যয়। প্রযুক্তির শক্তির সঙ্গে মানবিকতার সংযোগ ঘটিয়ে এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়, যেখানে ডিজিটাল অগ্রগতি শুধুমাত্র শহরকেন্দ্রিক না থেকে গ্রাম, মফস্বল এবং সাধারণ মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
দুর্গাপুরের মাটি থেকে এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষে মানুষে বন্ধন, প্রযুক্তির সঙ্গে সংযোগ, জ্ঞান ও দক্ষতার প্রসার এবং উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরির বার্তা দেওয়া হয়।
‘এক দুনিয়া’র উদ্যোগের লক্ষ্য হিসেবে বলা হয়—প্রযুক্তি হবে মানুষের জন্য, উন্নয়ন হবে সবার জন্য এবং অগ্রযাত্রায় কেউ পিছিয়ে থাকবে না।
এক দুনিয়া—এক বন্ধনএক স্বপ্ন—একসঙ্গে এগিয়ে চলাএক ভবিষ্যৎ—সবার জন্য উন্নয়ন।