BNG Times

BNG Times Trusted Bangla News for Smart Readers. Facts first, noise never. BNG Times — Be Informed.

সারা বিশ্বে তেলের দাম বাড়ছে হুড়মুড়িয়ে, NATOকে 'কাগুজে বাঘ' বলে তোেপ দাগলেন ট্রাম্পট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে মাঝেমধ...
20/03/2026

সারা বিশ্বে তেলের দাম বাড়ছে হুড়মুড়িয়ে, NATOকে 'কাগুজে বাঘ' বলে তোেপ দাগলেন ট্রাম্প

ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে মাঝেমধ্যেই অবস্থান বদল করছে। একবার তিনি বলেছেন জলপথটি সুরক্ষিত করতে ওয়াশিংটনের কারোরই সাহায্য প্রয়োজন নেই। আবার কখনও পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্যান্য দেশের সমালোচনা করেছেন।

তিনি তাঁর 'ট্রুথ সোশ্যাল' প্ল্যাটফর্মে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ন্যাটো একটি কাগুজে বাঘ!”

ন্যাটোভুক্ত দেশগুলির দিক দেখে তোপ দেগে ট্রাম্পের অভিযোগ- তারা পারমাণবিক শক্তিধর ইরানকে থামানোর লড়াইয়ে যোগ দিতে চায়নি। এখন সেই লড়াইয়ে সামরিকভাবে জয় এসেছে, এবং তাতে তাদের জন্য বিপদও প্রায় নেই বললেই চলে; তারা তেলের চড়া দাম নিয়ে অভিযোগ করছে যা দিতে তারা বাধ্য হচ্ছে, কিন্তু হরমুজ প্রণালী খুলতে সাহায্য করতে চাইছে না-যা কিনা একটি সাধারণ সামরিক কৌশল এবং এই চড়া তেলের দামের একমাত্র কারণ। তাদের জন্য এটা করা কতই না সহজ, ঝুঁকিও কত কম। কাপুরুষ, এবং আমরা তাদের মনে রাখব!

৭৯ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান, যিনি পশ্চিমা সামরিক জোটের দীর্ঘদিনের সমালোচক, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বারবার ন্যাটোর সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপান সহ ছয়টি প্রধান আন্তর্জাতিক শক্তি জানিয়েছে যে, প্রণালীটি সুরক্ষিত করার জন্য তারা “উপযুক্ত প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে” প্রস্তুত।

তবে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কোনও অভিযানের জন্য কেউই অফিসিয়ালি প্রতিশ্রুতি দেয়নি, অন্যদিকে জার্মানি ও ইতালি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নাকচ করে দিয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েলের হামলার পর একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়, যার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান উপসাগর জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেয়। এরপরই ট্রাম্প সাহায্যের জন্য আহ্বান জানান।

দুবাই-দোহায় একাধিক বিস্ফোরণ!বাগদাদে মিসাইল হানা! তেহরান এবং বেইরুটেও পাল্টা হামলা ইজরায়েলিবাহিনীর
17/03/2026

দুবাই-দোহায় একাধিক বিস্ফোরণ!

বাগদাদে মিসাইল হানা! তেহরান এবং বেইরুটেও পাল্টা হামলা ইজরায়েলি
বাহিনীর

ইরান প্রথমবারের মতো ব্যবহার করল 'ডান্সিং মিসাইল'! রাডার দেখলেই সাপের মতো ঢেউ খেলায়, তারপর করে হামলাতেহরান: গত দুই সপ্তাহ...
16/03/2026

ইরান প্রথমবারের মতো ব্যবহার করল 'ডান্সিং মিসাইল'! রাডার দেখলেই সাপের মতো ঢেউ খেলায়, তারপর করে হামলা

তেহরান: গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে
চলছে আমেরিকা-ইরান সংঘর্ষ। ইরানের বাণিজ্যিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে সম্প্রতি হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। জবাবে ইরানও পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার বিভিন্ন বন্ধু দেশকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

পশ্চিম এশিয়াতে চলা যুদ্ধে ইরান ইতিমধ্যেই তাদের ভয়ঙ্কর অস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি ছেড়ে দিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) 'Operation True Promise ৪'-এ তাদের বিখ্যাত ‘Dancing Missile' সেজ্জিল-২-কে আমেরিকান ঘাঁটি-র বিরুদ্ধে প্রথমবার ব্যবহার করেছে। এখনও ইরান-র ঝুলিতে এমন অনেক অস্ত্র আছে, যেগুলো আমেরিকার অ্যাডভান্সড টেকনোলজিকে ভালই টক্কর দিতে পারে। সেজ্জিল-২ সেই অস্ত্রর একটা, যার ভয় ইজরায়েল ১২ দিনের ছোট যুদ্ধে আগেই দেখে নিয়েছে।

সেজ্জিল-২ ইরানের দ্বিতীয় প্রজন্মের মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল। এটা দুই ধাপের এবং কঠিন জ্বালানিতে চলে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর মতে, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ মিটার, ব্যাস ১.২৫ মিটার এবং ওজন প্রায় ২৩,৬০০ কিলোগ্রাম। এটা ৭০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত ওয়ারহেড বহন করতে পারে। এর আঘাত করার ক্ষমতা ২,০০০ থেকে ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত, মানে ইরান থেকে সরাসরি ইজরায়েল, সৌদি আরব, কুয়েত, এরবিলের আমেরিকার ঘাঁটি পর্যন্ত এটি পৌঁছতে পারে।

IRGC-র সাম্প্রতিক বিবৃতি অনুযায়ী সেজিল-২ কে আল-হারির এয়ার বেস, আলি আল সেলেম এয়ার বেস এবং কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে মিসাইল ও ড্রোন-র সঙ্গে লঞ্চ করা হয়েছে। ইরানের দাবি, এই হামলায় আমেরিকার ঘাঁটিগুলোতে প্রচণ্ড ক্ষতি হয়েছে এবং এলাকায় হইচই পড়ে গিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সেজ্জিল-২-এর এই প্রথম আমেরিকান টার্গেট ব্যবহার ইরানের কৌশলে বড় পরিবর্তন। আগে এটা শুধু ইজরায়েলের বিরুদ্ধে সীমিত ছিল, কিন্তু এখন পুরো এলাকায় আমেরিকার উপস্থিতিকে এটি চ্যালেঞ্জ করছে

সেজ্জিল-২ কে ইন্টারসেপ্ট করা খুবই কঠিন। এর বেশি জ্বালানি, দ্রুত লঞ্চ আর ম্যানুভারিং ক্ষমতা আমেরিকান প্যাট্রিয়ট বা ইজরায়েলি অ্যারো সিস্টেমকেও সমস্যায় ফেলে দেয়। ইরানি ইঞ্জিনিয়াররা এতে অ্যান্টি-রাডার কোটিংও দিয়েছেন। ৫৯ ফুট লম্বা এই মিসাইল ৭ কুইন্টাল পেলোড নিয়ে শত্রুর রাডারকে ফাঁকি দিয়ে নাচতে নাচতে টার্গেট ভেদ করে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে বাড়তে থাকা টেনশনের মধ্যে সেজ্জিল-২ ইরানের মিসাইল ক্ষমতার এখন প্রতীক হয়ে উঠেছে। IRGC কমান্ডাররা বলছেন, আমেরিকান অ্যাডভান্সড টেকনোলজিও এখন এই ইরানি অস্ত্রের মোকাবিলা করতে পারছে না।

কেন ডাকা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, গিরিশ পার্ক কাণ্ডে রিপোের্ট চাইল কমিশন! স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের, ধৃত ৪কলকাতা: গিরিশ...
14/03/2026

কেন ডাকা হল না কেন্দ্রীয় বাহিনী, গিরিশ পার্ক কাণ্ডে রিপোের্ট চাইল কমিশন! স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের, ধৃত ৪

কলকাতা: গিরিশ পার্কে অশান্তির ঘটনায়
ইতিমধ্যেই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ভাঙচুরের অভিযোগে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে ৪ জনকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,, শশী পাঁজার বাড়ির ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফুটেজ খতিয়ে দেখে তাণ্ডবের সঙ্গে যুক্তদের চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।

এর মধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করল
জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গিরিশ পার্কে অশান্তির
ঘটনায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার করা হয়নি?
সে বিষয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতার পুলিশ
কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের কাছে রিপোর্ট
চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। শনিবার দুপুরে গিরিশ
পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার
অভিযোগ ওঠে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের পাল্টা
অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে
তপ্ত হয়ে ওঠা গিরিশ পার্কের অশান্তির ঘটনা নিয়ে
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোের্ট দিতে বলা হয়েছে
সুপ্রতিমকে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর
অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিশন।

এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, “প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে কর্মী-সমর্থকেরা যাচ্ছিলেন। তার মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা সত্ত্বেও, প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে ওই এলাকায় অশান্তি চলল। তার পরেও সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি।”

শনিবার দুপুরে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা ছিল। সেই সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে কর্মী-সমর্থকেরা আসেন। মোদীর সভা শুরুর আগে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক এলাকা। তৃণমূলের অভিযোগ, মোদীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময়ে একদল বিজেপি কর্মী শশীর বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক শশী পাঁজা জানিয়েছিলেন, গিরিশ পার্কে তাঁর বাড়ির আশপাশে 'বয়কট বিজেপি' লেখা পোস্টার, ফ্লেক্স ছিল। বিজেপি কর্মীরা সেখান থেকে যাওয়ার সময় বাস থেকে নেমে এসে সেই সব পোস্টার ছিঁড়ে দেন। তার পরে বাসে উঠে যান। এর পরে আবার তৃণমূল কর্মীরা সেই পোস্টার লাগাতে গেলে বাস থেকে নেমে এসে বিজেপি কর্মীরা মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ।

পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপিও। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা তাদের বাস লক্ষ্য করে ইট ছোড়েন। আহত হন বেশ কয়েক জন বিজেপি কর্মী। ব্রিগেডগামী বাসেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। দু'পক্ষের অশান্তির মধ্যে পড়ে আহত হন বৌবাজার থানার ওসিও।
সেই ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ রিপোের্ট তলব করেছে কমিশন।

ইরান যুদ্ধে এবার বিরাট মোড়! এবার তেহরানে ঢুকবে মার্কিন স্থলসেনা? সঙ্গে 'উভচর', যুদ্ধ এবার চলবে বহুদিন?ইরান যুদ্ধে অংশ ন...
14/03/2026

ইরান যুদ্ধে এবার বিরাট মোড়! এবার তেহরানে ঢুকবে মার্কিন স্থলসেনা? সঙ্গে 'উভচর', যুদ্ধ এবার চলবে বহুদিন?

ইরান যুদ্ধে অংশ নিতে রওনা দিয়েছে ২,৫০০ মার্কিন স্থলসেনা, সঙ্গে রয়েছে 'উভচর’ যুদ্ধজাহাজ। আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো আড়াই হাজার মার্কিন মেরিন সেনার একটি দল মোতায়েন করা হচ্ছে। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত নিজেদের ঘাঁটি থেকে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এখন যাত্রাপথে রয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে উভচর যুদ্ধজাহাজ 'ইউএসএস ত্রিপোলি'।

এই যুদ্ধজাহাজ থেকেই মেরিন সেনারা সরাসরি রণক্ষেত্রে নামবেন। কোনও সংকট মোকাবিলা কিংবা ইরানের কোনও অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রয়োজনে তাঁদের ব্যবহার করা হতে পারে। মূলত এই মেরিন সেনারাই হতে যাচ্ছেন ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধে মোতায়েন হওয়া প্রথম মার্কিন স্থলসেনা।

LPG Gas Cyllinder Rule: LPG বুকিং ছাড়াল ৭৫ লাখ, বাড়ি বা গুদামে গ্যাস লুকিয়ে রাখলে হতে পারে জেল! গ্যাস নিয়ে এল গুরুত্ব...
13/03/2026

LPG Gas Cyllinder Rule: LPG বুকিং ছাড়াল ৭৫ লাখ, বাড়ি বা গুদামে গ্যাস লুকিয়ে রাখলে হতে পারে জেল! গ্যাস নিয়ে এল গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা 🚨💨🔥

একটা দেশে ঢুকে রাষ্ট্রপ্রধানকে তুলে নিয়ে গেল অন্য একটি দেশের সেনা! আন্তর্জাতিক আইন কি আদৌ এটি অনুমোদন করে?মাদুরোকে বন্দি...
05/01/2026

একটা দেশে ঢুকে রাষ্ট্রপ্রধানকে তুলে নিয়ে গেল অন্য একটি দেশের সেনা! আন্তর্জাতিক আইন কি আদৌ এটি অনুমোদন করে?

মাদুরোকে বন্দি করায় বিশ্ব জুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তাদের মতে, এ ভাবে মাদুরোকে বন্দি করা ভেনেজ়ুয়েলার আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বে আঘাত হানা ছাড়া কিছুই নয়! বহু দেশই এ বিষয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।

ভেনেজ়ুয়েলায় ঢুকে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে আমেরিকা। বিশ্ব ইতিহাসে এমন ঘটনা খুব একটা নেই। তবে আমেরিকা অতীতেও এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। ইরাকের সাদ্দাম হোসেন হোক বা পানামার প্রেসিডেন্ট ম্যানুয়েল নেরিয়েগা— নিজের দেশেই তাঁরা বন্দি হয়েছেন মার্কিন বাহিনীর হাতে। ঠিক মাদুরোর মতোই। তবে তার পরেও অনেকেই মাদুরোর অপহরণকে ‘বেনজির’ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, আদৌ ভেনেজ়ুয়েলায় ঢুকে মাদুরোকে বন্দি করার অধিকার আছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের? কী বলছে আন্তর্জাতিক আইন?

মাদুরোকে বন্দি করায় বিশ্ব জুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আমেরিকার কিছু ‘বন্ধু’ দেশ বা রিপাবলিকানেরা ট্রাম্পের পদক্ষেপকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেও বেশিরভাগই ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাদের মতে, এ ভাবে মাদুরোকে বন্দি করা ভেনেজ়ুয়েলার আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বে আঘাত হানা ছাড়া কিছুই নয়! বহু দেশই এ বিষয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। প্রতিক্রিয়া দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। তারা জানিয়েছে, আমেরিকার এই পদক্ষেপ বিশ্বের দরবারে একটি ‘বিপজ্জনক নজির’!

১৯৪৫ সালের অক্টোবরে রাষ্ট্রপুঞ্জে এক সনদ স্বাক্ষরিত হয়। সেই সনদের অনুচ্ছেদ ২(৪) অনুযায়ী, সব দেশকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের থেকে বিরত থাকতে হবে! রাষ্ট্রপুঞ্জের সকল সদস্যদেশের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘সকল সদস্য তাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্য দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না।’’ অর্থাৎ, স্পষ্টতই আমেরিকা রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদ লঙ্ঘন করেছে।

ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিয়েরা লিওনে রাষ্ট্রপুঞ্জের যুদ্ধাপরাধ আদালতের প্রাক্তন সদস্য জিওফ্রে রবার্টসনের মতে, ‘‘আমেরিকা বাস্তবে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। আগ্রাসনের অপরাধে অপরাধী তারা। নুরেমবার্গের আদালত এ ধরনের ঘটনাকে সর্বোচ্চ অপরাধ হিসাবে বর্ণনা করেছে।’’ সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞ তথা নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেরেমি পল সংবাদসংস্থা ‘রয়টার্স’কে বলেন, ‘‘কখনই বলা যাবে না যে এটা কোনও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান ছিল। আসলে এই অভিযানের কোনও অর্থই নেই।’’ আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, অন্য কোনও দেশের রাষ্ট্রপ্রধান আটক করার কোনও ক্ষমতা নেই আমেরিকার!

04/01/2026

‘নাগরিকত্ব যাচাইয়ের যন্ত্র’ গায়ে ঠেকিয়ে ‘বাংলাদেশি’ শনাক্ত করছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ! বিতর্কের জেরে তদন্তের নির্দেশভিডিয়ো...
02/01/2026

‘নাগরিকত্ব যাচাইয়ের যন্ত্র’ গায়ে ঠেকিয়ে ‘বাংলাদেশি’ শনাক্ত করছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ! বিতর্কের জেরে তদন্তের নির্দেশ

ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ আধিকারিক বস্তিবাসীদের বলছেন, “মিথ্যা কথা বলবেন না। আমাদের কাছে একটা যন্ত্র আছে। সেখানে কিন্তু মিথ্যা ধরা পড়ে যাবে।” তার পরেই এক জনের পিঠে মোবাইল ঠেকিয়ে ওই পুলিশ আধিকারিক তাঁকে বাংলাদেশি বলে শনাক্ত করে দেন।

ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, এক পুলিশ আধিকারিক বস্তিবাসীদের বলছেন, “মিথ্যা কথা বলবেন না। আমাদের কাছে একটা যন্ত্র আছে। সেখানে কিন্তু মিথ্যা ধরা পড়ে যাবে।” তার পরেই এক জনের পিঠে মোবাইল ঠেকিয়ে ওই পুলিশ আধিকারিক তাঁকে বাংলাদেশি বলে শনাক্ত করে দেন। বলেন, “যন্ত্র বলছে এই ব্যক্তি বাংলাদেশি।” পুলিশ আধিকারিকদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক মহিলা এবং এক নাবালিকা মোবাইলে থাকা পরিচয়পত্র দেখিয়ে পাল্টা দাবি করেন, তাঁরা বিহারের আরারিয়ার বাসিন্দা। কিন্তু পুলিশ আধিকারিকেরা তা মানতে চাননি।

সমাজমাধ্যমে এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই পুলিশের এই আচরণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তার পরেই ইন্দ্রপুরমের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি)-এর নেতৃত্বে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিসিপি (ট্রান্স-হিন্দন) নিমিশ পাতিল জানান, রুটিন তল্লাশির সময় ওই ভিডিয়োটি তোলা হয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর বিহারি মার্কেট এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সকে সঙ্গে নিয়ে কৌশাম্বী থানার ওই আধিকারিকেরা ওই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে ওই পুলিশ আধিকারিকের পরিচয় প্রকাশ করেননি ডিসিপি। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই আধিকারিকের নাম অজয় শর্মা।

তাপমাত্রার পারদ নামছে, ঠান্ডায় বাড়ে ‘ডাস্ট অ্যালার্জি’, শ্বাসকষ্ট ভোগায়, রেহাই পাওয়ার উপায় কী?তাপমাত্রার পারদ নামছে। শহ...
30/12/2025

তাপমাত্রার পারদ নামছে, ঠান্ডায় বাড়ে ‘ডাস্ট অ্যালার্জি’, শ্বাসকষ্ট ভোগায়, রেহাই পাওয়ার উপায় কী?

তাপমাত্রার পারদ নামছে। শহরজুড়ে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। আগামী কয়েকদিনে পারদ পতন হওয়ার সম্ভাবনাও আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ঠান্ডা পড়লে যেমন ভাইরাল জ্বর, সর্দি-কাশির প্রকোপ বাড়ে, তেমনই মাথাচাড়া দেয় নানা রকম অ্যালার্জি। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় দূষণের পাল্লা ভারী থাকে, তাই ধুলোবালি থেকে ‘ডাস্ট অ্যালার্জি’ হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। যাঁরা এমনিতেই অ্যালার্জিতে ভোগেন, তাঁদের এই সময়টাতে একটু বেশিই সতর্ক থাকা জরুরি। ডাস্ট অ্যালার্জি রীতিমতো নাজেহাল করে দিতে পারে। হাঁচি শুরু হলে আর থামবে না। সেই সঙ্গেই শ্বাসকষ্ট ভোগাবে। ধুলোবালি নাক-মুখ দিয়ে বেশি ঢুকে গেলে সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়বে।

শীতকালে বাতাস খুব শুষ্ক থাকে। এই শুষ্ক বাতাসে ধূলিকণা, পরাগ রেণু এবং বাতাসে ভাসমান দূষণবাহী কণা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকে যায়। শুধু বাইরের ধুলোবালি নয়, ঘরের ভিতরেও জমা ধুলোময়লা, রান্নার ধোঁয়া অ্যালার্জির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। শীতে ঘরের দরজা-জানলা বেশির ভাগ সময়েই বন্ধ থাকে। এতে বাইরের অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাসের চলাচল কম হয়। ফলে কার্পেট, সোফা, পর্দা, বিছানায় জমে থাকা ধুলোবালি বা 'ডাস্ট মাইট’ ঘরের ভেতরেই ঘুরপাক খায় এবং নাক-মুখ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়। 'ডাস্ট মাইট’ এক ধরনের ক্ষুদ্র পোকা যা ধুলোয় জন্মায়। লেপ, কম্বল, উলের পোশাকেও বাসা বেঁধে থাকে। এগুলি বাতাসে মিশে শ্বাসের সঙ্গে ঢুকে সরাসরি ফুসফুসে গিয়ে পৌঁছোয় ও ফুসফুসের কোষগুলির ক্ষতি করে। সংক্রমণ ঘটে শ্বাসনালিতে। ফলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, নাগাড়ে হাঁচি-কাশি হতে থাকে। চোখ জ্বালা, চোখ থেকে অনবরত জল বেরোতে পারে। এর থেকে অ্যালার্জিক রাইনিটিসের সমস্যাও বাড়তে পারে।

এই ধরনের অ্যালার্জি থেকে ত্বকের সংক্রমণও ঘটে। ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যাওয়া, চুলকানি, খসখসে হয়ে যাওয়া, ফোস্কা পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, যাকে ‘অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস’ বলে।

রেহাই পাওয়ার উপায় কী?

ডাস্ট অ্যালার্জি থাকলে রাস্তায় বেরোলে মাস্ক পরতেই হবে। ধুলোবালি যেন নাক বা মুখ দিয়ে ঢুকতে না পারে। ঘর পরিষ্কার করার সময়ে অবশ্যই কাপড় দিয়ে নাক-মুখ ভাল করে ঢেকে নেবেন।

বাড়ির ভিতর যতটা সম্ভব খোলামেলা রাখার চেষ্টা করুন। ঘরে রোদ ঢুকতে দিন। রোদ না ঢুকলে সমস্যায় পড়তে পারেন অ্যালার্জির রোগীরা। ঘরবাড়ি, পোশাক পরিষ্কার রাখতে হবে।

বেশি ঠান্ডা লাগানো যাবে না। ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশি ধরে গেলে তার থেকেও অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। অল্প সর্দিকাশি হলেও আগে থেকেই নুনজলে গার্গল শুরু করুন। গরম জলের ভাপ নিন নিয়মিত।

কোনও রকম ঠান্ডা পানীয় খাওয়া যাবে না। প্যাকেটজাত ফলের রসও নয়। এই ধনের ঠান্ডা পানীয়ে এমন রাসায়নিক থাকে যা শরীরে গেলেই অ্যালার্জির সমস্যা বাড়াতে পারে।

বেকারির যে কোনও খাবার সমস্যা বাড়াতে পারে। কেক, পেস্ট্রি, পাউরুটি কম খান।

বিভিন্ন ধরনের বাদাম অ্যালার্জির সমস্যা বাড়াতে পারে। চিনাবাদাম, আখরোট, কাজুবাদাম, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে কাঠবাদাম খেতেও মানা করেন চিকিৎসকেরা।

শরীর ভাল রাখতে নানা রকম সব্জি খেতেই বলেন চিকিৎসকেরা। তবে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস থাকলে কয়েক রকম সব্জি না খাওয়াই ভাল, যেমন বেগুন, ঢেঁড়শ, মাশরুম এড়িয়ে চলাই ভাল।

আদা, গোলমরিচ, দারচিনি, লবঙ্গ দিয়ে তৈরি চা অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। রোজ সকালে এক চামচ করে মধু খেলেও অ্যালার্জির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

‘ইজ়রায়েল যেমন শিক্ষা দিয়েছে গাজ়াকে!’ সে ভাবে বাংলাদেশকে সবক শেখানোর পক্ষে শুভেন্দু, বিজেপির অবস্থানও কি তাই?এখনও পর্যন...
28/12/2025

‘ইজ়রায়েল যেমন শিক্ষা দিয়েছে গাজ়াকে!’ সে ভাবে বাংলাদেশকে সবক শেখানোর পক্ষে শুভেন্দু, বিজেপির অবস্থানও কি তাই?

এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রথম সারির কেউ গাজ়ায় ইজ়রায়েলি আগ্রাসনকে সমর্থন করেননি। দ্বিতীয়ত, ঢাকার সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কও এ হেন ‘সবক’ শেখানোর মতো তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে, তারও কোনও আভাস নেই দিল্লির কোনও বিবৃতিতে।

গাজ়ায় ইজ়রায়েলি গণহত্যা তথা দমনপীড়নকে প্রকাশ্যে সমর্থন! এবং সেই ইজ়রায়েলি কায়দাতেই বাংলাদেশকে ‘সবক’ শেখানোর নিদান! শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য ঘিরে বিতর্কই শুধু তৈরি হয়নি, তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তিও। তৃণমূল প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছে: কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান বা বিজেপির কেন্দ্রীয় লাইনের মধ্যে থেকেই কি এ ধরনের কথা বলছেন শুভেন্দু? অন্য দিকে রাজ্য বিজেপির শীর্ষনেতা এ প্রশ্ন খানিক পাশ কাটিয়েই জানাচ্ছেন, সাধারণ মানুষের ভাবাবেগের কথা শোনা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কণ্ঠে।

বাংলাদেশে ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রতিবাদে সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ হয়েছে। পড়শি দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে। ঢাকার উপর এই মর্মে চাপ তৈরি করেছে নয়াদিল্লিও। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মতো রাজনৈতিক বিক্ষোভ হয়েছে কলকাতাতেও। সম্প্রতি এমনই এক কর্মসূচিতে কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাসের সামনে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “ইজ়রায়েল যে ভাবে গাজ়াকে শিক্ষা দিয়েছে, ওই ভাবে আমাদের ভারতের ১০০ কোটি হিন্দু… দেশের সরকার হিন্দুহিতে চলছে। অপারেশন সিঁদুরে যে ভাবে আমরা পাকিস্তানকে সবক শিখিয়েছি, সে ভাবেই সবক শেখানো উচিত।” সেই ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে এনডিটিভি। এবং শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে নানা স্তরে শুরু হয়েছে আলোচনা।

এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের সরকারের তরফে কেউ বা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রথম সারির কেউ ইজ়রায়েলি আগ্রাসনকে সমর্থন করেননি। দ্বিতীয়ত, ঢাকার সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কও এ হেন ‘সবক’ শেখানোর মতো তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে, তারও কোনও আভাস নেই দিল্লির কোনও বিবৃতিতে। বরং কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্যের ক্ষেত্রে সংযত এবং সতর্ক। দীপুহত্যার বিচার নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে ভারত সরকার। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ নিয়েও। কেন্দ্রের ওই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বা প্রথম সারির কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে এখনও দেখা যায়নি।

তৃণমূল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে, শুভেন্দুর বক্তব্য কি আসনে বিজেপির বক্তব্যই? রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার কথায়, “বিরোধী দলনেতা যা বলেছেন, তা কি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সমর্থন করেন? তবে তা প্রকাশ্যে বলুন।’’ এ প্রশ্নে কী বক্তব্য বিজেপির? দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দলীয় মত নিয়ে প্রশ্ন শুনে মনে করিয়ে দিলেন, বিরোধী দলনেতা কোনও ‘দলীয় পদ নয়’, এটি একটি সাংবিধানিক পদ। শুভেন্দুর মন্তব্য সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে শমীকের ব্যাখ্যা, “এটি বঙ্গবাসীর আবেগ। বিরোধী দলনেতা কোনও দলীয় পদ নয়। এটা সাংবিধানিক পদ। বিরোধী দলনেতার কাজই হল মানুষের আবেগকে স্পর্শ করা। তিনি সেটা করেছেন।” অন্য দিকে শশীর মতে, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি বিপদে আছে। তাই শুভেন্দুকে বাজার গরম করার জন্য এ সব কথা বলতে হচ্ছে।”

শুভেন্দুর ওই বক্তব্যকে অবশ্য অনেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করে দেখতেই রাজি নন। বিজেপির এক ‘আদি’ নেতা যেমন বলেই দিলেন, ‘‘আসলে পশ্চিমবঙ্গের ভোটকে মাথায় রেখেই শুভেন্দু আগ্রাসী হিন্দু তাস খেলতে শুরু করেছেন। এটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের রাজনীতি বা বাংলাদেশের বিশৃঙ্খলা বাংলায় বা ত্রিপুরায় যে প্রভাব ফেলে, দেশের আর কোথাও তা নয়।’’ মনে করিয়ে দিলেন— গাজ়া, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ এই তিনটি দেশের কথাই শুভেন্দু এক বন্ধনীতে এনেছেন। এবং তিনটিই মুসলমান-প্রধান দেশ। তৃণমূলের শশী অবশ্য মনে করছেন, ‘‘এ রাজ্যে হিন্দু তাস খেলে কোনও লাভ নেই। মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই ভোট দেবে। এখানকার হিন্দুরা বিপদে নেই। বিপদে রয়েছে বিজেপি।’’

Address

Hailakandi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BNG Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share