Dipti's Kabyopalit

Dipti's Kabyopalit Deepika Palit (DiptiMitra)
Admin This Page. Page Create Diptimitra. Dipti's Kabyopalit. Phone number - 91 9123056930/

   কলমে    দীপিকা ✍️ পালিত (dipti mitra) ©®কাব্য ও কবিতা ___©®" বকুল ফুল "__________________________________এই  অবেলায় ব...
04/03/2026


কলমে দীপিকা ✍️ পালিত (dipti mitra) ©®
কাব্য ও কবিতা ___©®
" বকুল ফুল "
__________________________________
এই অবেলায় বসে নিরালায়,
আনমনা হই কিসের আশায়!

মনে পড়ে যায় ছোট্ট বেলায়,
রেখেছি যত্নে আঁচলে তোমায়।

গেঁথেছি মালা তোমার ফুলে,
দিয়েছি মালা মায়ের চুলে।

কলেজেও বসেছি বকুল তলায়,
মধুর গুঞ্জনে মেতেছি দুজনায়।

হঠাৎ বিস্মরণে পথ ভুলে
এই পড়ন্ত বিস্বাদ বিকেলে ____

ঘাড়ের উপর উষ্ণ নিশ্বাসে,
চমকে উঠলাম তোমাকে দেখে।

তুমি কেন ডাকছো আমায়!
বলছো শাখায় পাতার ছায়ায়।

" ভুলে গেছো নাকি আমায় "?
চলে এসেছি কিশোরী বেলায়!

এসেছি প্রিয় যৌবন বেলায়!
ভুলিনি সখা বকুল তোমায়।

তবে একি শ্রীহীন রূপ
বাকল খসেছে শীর্ণ ত্বক।

দেহের কারুকাজ বলছে বয়স,
শিরদাঁড়া উঁচিয়ে দিচ্ছো আশ্রয়।

নীড়ে ফেরা পাখিদের শাখায়,
পড়ন্ত বিকেলে আদরের ডাকায়।

এসেছি প্রিয় সৌরভের আশায়
জড়িয়ে ধরি বড় মমতায়।

ঠিক যেন আরশিতে দেখা
প্রতিবিম্ব দাঁড়িয়ে আছে একা।

অজস্র ফুলে ভরিয়েছো জীবন,
নিঃস্ব আমরা আজ দুজন।

কিছুই নেই তোমাকে দেওয়ার
ক্রন্দন আছে অজস্র ধারায়।

পড়ন্ত বিকেল কাটে অবহেলায়,
সুরভিত পরাগ মাখালে অবেলায়।

অজস্র ফুল ঝরালে মাথায়,
বিভোল স্পন্দিত তোমার ভালোবাসায়।

এতো আনন্দ দিতে পারে কেউ
এই পড়ন্ত বিকেল বেলায়?

কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)ছোটগল্প _ শান্তিজল। __________  আগামী কাল মন্দাকিনীর জন্মদিন বলে  সুশীলা কয়েকজন পরিচিত...
16/02/2026

কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)
ছোটগল্প _ শান্তিজল।

__________

আগামী কাল মন্দাকিনীর জন্মদিন বলে সুশীলা কয়েকজন পরিচিত বান্ধবীকে নিমন্ত্রণ করতে বেরিয়েছিল জলখাবার খেয়ে। এসে বিছানায় একটু আয়েস করে লেখার খাতাটা নিয়ে বসেছেন ফোন এলো কর্তার আজকে ফিরতে একটু দেরী হবে একেবারে শ্যালকবাবুর বাড়ী হয়ে আসবো।

" দেখেছো কান্ড আজই দেরী হবে! ফোনে তো বৌদিকে বলে দিয়েছেন উনি " ভাবতে ভাবতেই একটা গলার আওয়াজ পেলেন জানলাদিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন। আবারো এলো আওয়াজটা।

"মা গো একটু খাইতে দেবে"? " কে রে ? কোত্থেকে

এসেছিস?" ওই তোমাগো বাড়ীর পিছনের বসতি

থেকে। "সুশীলা গেটের কাছে এসে দেখেন একটা ঝাঁকড়াচুলো ছোট ছেলে পেটটা টিপে ধরে বসে আছে। তিনি বাইরে বেরিয়ে এসে বলেন "ভিতরে আয়,বাগান পরিস্কার করতে পারিস "?

"সব পারি গো মা পেটে খেতে পাইলে "

" এটা কে আবার কোথা থেকে জোগাড়

করলে"! চমকে ফিরে দেখেন ভাইপো শ্যামল মিটি মিটি হাসছে, ভারি ফাজিল, বাড়ী থাকলেই পিসের সাথে বসে রাঙাপিসিকে রাগানো ওর একটা মহান কাজ।রাঙাপিসির লেখার খাতাখানা ঠিক খুজে বের করে তাঁর লেখার খুঁত ধরা ওর একটা প্রধান কাজ।"আ গেলো আমি জোগাড় করবো কি করে!"

"না তুমি তো মাঝে মাঝে জুটিয়ে আনো তাই বলছিলাম।" গুণধর ভাইপোটি কলেজ থেকে এলেন, শুধু বাকচাতুরী আর ফাজলামো শিখছে এখনকার ছেলেপুলে গুলো।" কুটো নেড়ে দুটো করবে না। সবসময় ফোন হাতে কি করে ফোনে কি জানি! উনি তো শুধু ফোন এলে ধরেন, ওনাকে মাঝে মাঝে বলে " এসো তোমাকে একটা ফেসবুক খুলে দিই দেখবে কতো বন্ধু হবে " এসব ছেলেপুলে ধরে তাদের পুত্তুরের মতো পালন করতে চাইলেই কি পারবে তোমার মন মতন গড়তে "? আগের ছেলেটা তো দুদিনেই অতিষ্ঠ হয়ে নিরুদ্দেশ হলো অতো শাসন এই শ্যাম সহ্য করবে বলে সবাই কি সহ্য করবে? একটা হেরিডিটি আছে তো না কি"?

" তা তুই বংশের মুখ রাখলি, তোর বাবা অতো বড়ো প্রফেসর, তুই H.S র রেজাল্ট টা ভালো করতে পারলিনা বলে তো তোকে কলকাতা ছেড়ে এই এঁদো শ্রীরামপুরের এসে থাকতে হচ্ছে এখানের কলেজে ভর্তি হতে হলো? " আরিব্বাস না এলে এতো ফ্রেস হাওয়া কোথায় পেতাম?" মনে মনে বলল মন্দাকিনীতে অবগাহন করতে না পারি বাতাস তো খাচ্ছি, যদিও সেটা কুলোর বাতাস। একটু হাতটা ধরলেই ছিটকে ওঠেন মহারানী, মুখে তখন বদমাশ হতচ্ছাড়া সব রাঙাপিসির কথাগুলো বুলেটের মতো বেরোতে থাকে। সন্ধ্যায় ফুচকা খেতে যাওয়ার সময় যা একটু হাসিমুখ, একা একা বেরোতে দেয়না তো পিসি। " চল শ্যাম তোকে খেতে দিই, ভাইপো নিয়ে এগোতে এগোতে ওই ছেলেটিকে হাতছানি দিয়ে ডাকলেন।ছেলেটা অনড় হয়ে বসে রইলো ওখানেই।

Deepika

তিনি ভিতর থেকে দুটো রুটি ঠাকুরের প্রসাদী সন্দেশ দিয়ে বললেন আগে খেয়ে জল খা।

তারপর মন্দিরের পাশের ঘাটে , চান করে পরিস্কার হয়ে আয়, একটা সাবান নিয়ে যা।

"তোর ঝোলায় কি আছে রে! "আজকে বসতি তুলে দিচ্ছে, সব উ*চ্ছে*-*দ করে তাড়িয়ে দিচ্ছে বলে যা ছেলো নিয়ে বেরোইচি গো মা"।"তোর কে কে আছে?" কেউ নেই গো, মাটা আমি জম্মাতেই কদিন বাদে চোখ বুঁজেছে। বাপটা একটা খান্ডারনী এনে সংসার পাতিছিলো আমার ঠাঁই হলো নি।ঘুরতে ঘুরতে একদল লোকের সাথে চলে এলুম বাঁকুড়া থেকে শিয়ালদহর ওই বস্তিতে।তারপর টেরেনে করে এখান সেখান করে এলাম এখেনে ছিরামপুরে। তোমার ওই মন্দিরের চাতালে বসেছিলাম" "সেবাইত বলল কিনা ভিতরে যা মাতা ঠাকরান খুব দয়ালু।"
*-----------***********-****----******
যতোবার বাচ্চা পেটে আসে তিনচার মাস হলেই নষ্ট হয়ে যায় সুশীলার, সেবার গড়ালো নয়মাস পর্যন্ত । কলকাতার বিখ্যাত এক নার্সিং হোমে ভর্তি করলেন তথাগত, বাচ্চাটা হলো কিন্তু সুশীলার যায় যায় অবস্থা, বাচ্চাটাও বাঁচলো না। ওর দাদা সৌরেনের এক বিপত্নীক বন্ধু তার একমাসের মেয়েটাকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিলেন। অনেক পরামর্শের পর ওকে দত্তক নিলেন পিসে তথাগত।



সৌরেন ওর স্ত্রী ছাড়া কেউ একথা জানলো না। শ্যামল তখন বছর চারেক হলেও প্রায় সবটাই বুঝেও গুলিয়ে গেলো ভাবলো পিসি ডলপুতুলের মতো বাচ্চাটা তবে কিনলো? পেটের বাচ্চাটা মরে গেছে কাজের মাসী বলল ওকে।

আগের ছেলেদের জামাপ্যান্ট খুঁজে বের করে ছেলেটাকে গিয়ে পুকুরঘাটে দিয়ে এলেন।
চুলগুলো নাপিতকে ফোন করে ডেকে কাটালেন। এইবার দেখলেন বাঃহ সুন্দর লাগছে তো ছেলেটাকে। " অতো মুগ্ধ হওয়ার কি পেলে বাবা কি জানি? " এই এক আদুরে ছেলে হয়েছে, কারুর দিকে মন দেওয়ার উপায় নেই "বললেন সুশীলা। " চলো পেটে চুহা দৌড়চ্ছে যে "। "চল বাবা রাঁধুনী মায়ের রান্না হয়ে গেছে মনে হয় "। শ্যামলের মর্নিং কলেজে ডিউটি। মন্দাকিনীর ডে তে স্কুল ফিরতে সেই পাঁচটা।

খাওয়ার পর ছেলেটা নিজেই একটা খুরপি নিয়ে বাগানের গাছগুলো খুঁড়তে বসলো। পিসিও বসলো গিয়ে ওর পাশে, সব গাছের পরিচয় দিতে।ছেলেটা শুধু মুচকি মুচকি হাসছে শেষে বলে "অতোটাও মুখ্যু নই তুমি যতোটা ভেবেছো ",ফোর ক্লাস অব্দি পড়েছিলাম, তখন ছিলাম খুলনায়, তারপর ওহান থেকে চলে আসতে হলো গো মা। আমাদের একটু জমি জায়গা ছেলো, সে সব... " থাকরে বুঝেছি

তা তোর নাম টা কি রে কি বলে ডাকবো তোকে"?

"আমার নাম বাদল হক্কলে বাদলা বলে ডাকে ঘোর ঝড়বৃষ্টির মধ্যে আইলাম আমি, প্রত্থম পৃথিবী দেখলাম কিন্তু যে দেখালো তাকে বেশিদিন পেলুমনি গো মা ঠাকরন। আমরা আবার মনিষ্যি নাকি? বাবা বলে আমরা জলের মতো যখন যে জায়গায় থাকি সেই নাম ধারণ করি,কোথাও আনোয়ার, কোথাও রাম, কোথাও বংশী! পদবী নাই গো মোদের মা ঠাকরুন। তবে তুমি পদবী ভালোবাসলে নিজেই একটা দাও না গো মা "

" এতো দিব্য দর্শন হয়ে গেছে তোর, দাঁড়া কাল একটা পৈতে তোকে পরিয়ে দিয়ে আমি তোর পদবী দেবো " পিছনে কখন শ্যাম এসে দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসছে।

সুশীলা বলে ওঠেন " কি রে দিবানিদ্রা ভাঙলো কুম্ভকর্ণ "? তবে একটু বাজারে যা না কিছু জিনিসপত্র আনতে হবে, তোর পিশে কলকাতা থেকে কেক আনবে বলে গেছে "। " বুঝলাম ওর মাপের নতুন জামা কাপড় তো " আচ্ছা মন্দার আসুক ও কে নিয়ে যাবো, নয়তো গাল ফুলোবে তোমার মেয়ে"। নিজেও তাকিয়ে আছে গেটের দিকে কখন রাঙাপিসির রাঙা কন্যা ফিরবে।

ছুটতে ছুটতে এসেই আহ্লাদী মেয়ে জড়িয়ে ধরলো মা কে। লোভীর মতো তাকিয়ে আছে শ্যাম দেখে পিসি বললো তুই আয় আমার কাছে, পিসির আড়ালে মন্দাকিনীকে কাতুকুতু দিয়ে অস্থির করবে ভাবছিলো কিছু না পেরে পা দিয়ে পায়ে ঘষতে লাগলো মন্দারের, মন্দার চোখ বড় বড় করে তাকালেও কে শুনবে ওর কথা।

পিসি বাড়ীতে নেই দেখে মন্দারের ঘরে ঢুকেই শ্যাম ওকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরতেই চটাস করে একটা কষিয়ে চড় দেয় ওর গালে। ততক্ষণে ওর কুর্তির তলায় হাত ঢুকিয়ে দিয়েছে শ্যাম, এলিয়ে পড়েছে মন্দাকিনী। একে একে ওকে পোষাক মুক্ত করতে থাকে শ্যাম, মুখ ঘষতে থাকে ওর সুডৌল বুকে, ঠোঁট চেপে ধরে ওর ঠোঁটে, গন্ধপায় পারিজাতের। কতক্ষণ ছিলো ওরা এভাবে জানে না মনে হয় অনন্তকাল। হঠাৎ গেটের শব্দে চমকে উঠে মন্দাকিনী ওকে ঠেলে দেয়। শ্যাম বোঝে রাধা ওর বশ মেনেছে। একটু হেসে বেরিয়ে যায়। পিসি ফিরে মন্দারের মুখটা লাল দেখে একটু কিছু অনুমান করে। মোটে তো শ্যামের পঁচিশ মন্দারের একুশ, এর মধ্যেই কি দুহাত এক করে দিতে হবে ভাবতে থাকে সুশীলা।

বাদলা কে ডাকতেই চোখ ডলতে ডলতে বেরিয়ে আসে বাদলা, বেশ বড়ো হয়ে গেছে এই দুইবছরে

এখন একটু একটু করে সব কাজই করে, মন্দিরটা ঝাঁটপাট দেয় ধোয় তকতকে করে। সেবাইত খুব খুশী ওর গলার পৈতে দেখে, শুধু সুশীলার মনটা একটু খুঁতখুঁত করে যখন পুরুতমশাই বিকেলের শীতলটা ওকে দিতে বলেন। যতই লিবারেল হোন না কেন মনটা ঠিক সায় দেয়না প্রতিষ্ঠা করা শ্যামরায়।তবে বাদল খুব খুশী, একটা পোক্ত জায়গা হয়ে গেছে এই বাড়ীতে ওর।আরো পোক্ত করতে হবে জায়গাটা ভাবতে থাকে। তক্কে তক্কে থাকে পিসিকে শেতলের দুধটা খাওয়ানোর জন্য।

তথাগত একদিন বোঝালেন শোনো তোমার শ্যামরায় তো গোয়ালার ঘরে মানুষ হলেন তবে তো তার জাত আগেই গেছে শ্যামল ও বলে ও যতই ঘি ঢালো পিসে সবই ভস্মে যাবে। পিসি বিকেলের শেতলটা দেওয়ার জন্য পুরুতমশাইকেই বলেন রোজ।

ঠাকুর মশাই বলেন ও দিচ্ছে দিক গো, ওকে আমি

শিখিয়ে পড়িয়ে নিয়েছি, তুমি ভেবোনা বৌমা। ছেলেটার খুব মেধা তাড়াতাড়ি সব আয়ত্ত করে নিয়েছে।

বাদল ভাবে দেখা যাক, রোজই শীতলের দুধের মধ্যে একটা শিশি থেকেএকটু মধু দিয়ে পিসিকে দেয় পিসি খায়না দুধে এলার্জি বলে।

একদিন একটু এলাচিগুঁড়া আর সংগ্রহের সদ্য চাকভাঙা মধু মিশিয়ে নিয়ে বারান্দায় বসে থাকা রামায়ণ পাঠরতা পিসিকে দেয়। পিসি অন্যমনস্ক হয়ে খেয়েও নেয় শান্তিজল বলে। পরম শান্তি সেইদিন রাতে নেমে এলো পিসির,শুয়েই ঘামতে লাগলেন একটু বমি করলেন বেসিনে, তারপর বুকটা একটু ধড়ফড় তারপর দুচোখে ঘুম জড়িয়ে এলো। ডাক্তার এলেন বেলা আটটায় পিসিকে কেউ জাগাতে পারছেনা বলে। ততক্ষণে নাড়ী ছেড়ে গেছে, ডেথ সার্টিফিকেট দিলেন ডাক্তার হার্ট ফেলিওর যদিও মুখটা একটু নীলচে, মনে করলেন চোখের ভুল।

শ্মশানের ডাক্তার একটু সন্দেহ করলেও কিছু করতে পারেন নি বাদলা অনেক বন্ধু জুটিয়ে এনেছিলো যাতে পিসিকে রোদে লাইনে না ফেলে রাখে। সবার প্রথমে লাশ দাহ হলো সুশীলা পিসির। সবাই বলতে লাগলো ভাগ্যবতী মেয়ে সিঁথের সিঁদুর নোয়া নিয়ে যেতে পারলো।কতো পুজো আচ্ছা করতো গরীবদের দান ধ্যান করতো।পুরুত মশাই সেদিনের কোষাকুশির শান্তিজলটা খোঁজ করেও দেখতে পাননি। কয়েকটা ইঁদুর ঠাকুরের পাশে *ম**পড়েছিলো কোন বাড়ী থেকে কি খেয়ে এসেছিলো? বাদলা ঘরদোর তকতকে করে ধুয়ে পরিস্কার করে রাখলো, ইঁদুরগুলো ফেলে দিয়ে।

নিশ্চিন্তমনে বাদলা একটা বিড়ি ধরিয়ে ভাবতে লাগলো ওর বাবা তো সাপুড়ে ওরা তো চিরকাল বনে বাঁদাড়ে ঘুরেছে,সাপও চেনে। এক ফোঁটায় এতবড় শরীলটা শ্যাষ! লোভে চকচক করতে লাগলো চোখ মুখ ওর।
আমরা কি চিরকাল লাঞ্ছনায় এ জায়গা ও জায়গা
করে বেড়াবো?

©

01/02/2026

অসাবধান।
ক্ষণিকা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
পাঠে
____________

আমায় যদি মনটি দেবে

দিয়ো, দিয়ো মন--

মনের মধ্যে ভাবনা কিন্তু

রেখো সারাক্ষণ।

খোলা আমার দুয়ারখানা,

ভোলা আমার প্রাণ--

কখন যে কার আনাগোনা

নইকো সাবধান।

পথের ধারে বাড়ি আমার,

থাকি গানের ঝোঁকে--

বিদেশী সব পথিক এসে

যেথা-সেথাই ঢোকে।

ভাঙে কতক, হারায় কতক

যা আছে মোর দামি--

এমনি ক'রে একে একে

সর্বস্বান্ত আমি।



আমায় যদি মনটি দেবে দিয়ো, দিয়ো মন--

মনের মধ্যে ভাবনা কিন্তু রেখো সারাক্ষণ।



আমায় যদি মনটি দেবে.....

কলমে দীপিকা ✍️পালিত( Dipti Mitra)   স্বরচিত কবিতা - "  তৃষ্ণা "©® Dipti Mitra Dipti's Kabyopalit **************রাতগুলো  ...
01/02/2026

কলমে দীপিকা ✍️পালিত( Dipti Mitra)
স্বরচিত কবিতা - " তৃষ্ণা "©®
Dipti Mitra Dipti's Kabyopalit
**************
রাতগুলো চন্দনগন্ধ মেখে আসে,
সমস্ত দহনের হয় শেষ।
বারুদের গন্ধ মোছে অবশেষে,
মন ভরে মধুর আবেশে।

সেই সৌরভে বনজোছনা মেখে,
স্নাপিত হই অন্য আশ্লেষে।
বানভাসা জোছনার মধুর আলোয়,
হৃদয় ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

তোমার তরে ব্যাকুল এ* মন,
হৃদয়ে আকুল বৃষ্টি নামে তখন।
ব্যাকুল তৃষায় ইচ্ছেরা লজ্জায়,
পুলকে আবেশে রংমশাল জ্বালায়।
.
.

কলমে দীপিকা ✍️পালিত Dipti's Kabyopalit ____ শিরোনাম -" বসন্ত "- ( স্বরচিত কবিতা) কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)   *ব...
01/02/2026

কলমে দীপিকা ✍️পালিত Dipti's Kabyopalit
____
শিরোনাম -" বসন্ত "- ( স্বরচিত কবিতা)
কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)
*বসন্ত*

বসন্তে কুহুতানে উতলা বনানী,
ঋতুরাজ উল্লসিত শুনে রাগিনী।
উতলা নবরাগে কামিনী মঞ্জরি,
মধুপ পুলকিত, উঠিছে গুঞ্জরি।

ভ্রমর একেলা বসে ঝরোকায়,
রাধাচূড়া ডাক দিলো ইশারায়।
চন্দ্রমা ঢেকেছে মুখ লজ্জায়,
ফাগুন কেন ফাগেতে রাঙায়!

বসন্ত আজ অচেনা পথ চিনুক,
জোছনা রাত লজ্জায় থাক নিশ্চুপ।
বনবিতান হোক আজ তছরুপ,
ঠোঁটের কোলাজে আজ বাঁধ ভাঙুক।

এসো বসন্ত প্রেমের নিবিড়তায়,
প্লাবিত করো এই বনজোছনায়।
লাল টুকটুক পলাশ কৃষ্ণচূড়া,
তৃষ্ণায় অধর রাঙালো রাধাচূড়া।
. ©®

 #সুরের__আরাধনায়__আমরা__কজন__ বিভাগে ১১/১/ ২৬ তারিখের লাইভ অনুষ্ঠানে অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানাই শ্রদ্ধেয় মিতু দাস   ও শ্রদ...
11/01/2026

#সুরের__আরাধনায়__আমরা__কজন__
বিভাগে ১১/১/ ২৬ তারিখের লাইভ অনুষ্ঠানে অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানাই শ্রদ্ধেয় মিতু দাস
ও শ্রদ্ধেয় উজ্জ্বল কর মহাশয়কে 🙏💞🙏
বিভাগের শ্রদ্ধেয় এডমিন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ
শিল্পী Mitu Dasকে অজস্র ভালোবাসা ও
শুভেচ্ছা জানাই বিভাগকে একটি মনোরম সান্ধ্য সঙ্গীতানুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য। 🙏💞🙏
তাঁর সুমধুর সুরের আলাপনে আমরা বিমুগ্ধ 💞🙏
আমরা সকলে আগামীর অপেক্ষায় রইলাম।
শ্রদ্ধেয় শিল্পী মিতু দাসকে একটি সম্মাননা স্মারক
দিতে পেরে আমরা ধন্য ও গর্বিত বোধ করছি।
বিভাগের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা
জানাই, সকলে 💞🙏💞

Krishna Adhikari
Kasturi Nag
Swapna Ghosh
Arup Biswas
Mousumi Das
Fauzia Kumkum
Pkbiswas Amateurish
রবির সুরাশ্রয়ী
Sikha Sarkar
Shaswati Mukherjee
Debasis Basu
Madhu Chanda Chakraborty
Ashish Adhikari
Indrani Pradhan
Deepika Palit

Highlightsss

Big thanks to Sabyasachi Chakrabortyfor all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
11/01/2026

Big thanks to Sabyasachi Chakraborty

for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!

কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)      স্বরচিত কবিতা " অধরা "   All right reserved. ****** প্রজ্ঞা  তোমার আলোয়  যখন উদ্...
18/12/2025

কলমে দীপিকা ✍️পালিত ( Dipti Mitra)
স্বরচিত কবিতা " অধরা "
All right reserved.
******
প্রজ্ঞা তোমার আলোয় যখন উদ্ভাসিত ভেবেছি,
দিব্যাঙ্গ উন্মোচন করতে গিয়েছি..
তুমি ধোঁয়াশায় মুখ ঢেকে লুকিয়েছো অন্তরিক্ষে।

হে ঐশ্বর্যময়ী রিদ্ধিমা আকাঙ্ক্ষার তীব্রতায়,
ঘুমোতে পারিনি কতো রাত
ক্ষতবিক্ষত হয়েছি অধর চুম্বনের স্পৃহায়।

পাল ছেঁড়া দিশাহারা নাবিকের মতো,
ভেসে গেছি নিয়ে উতলা হৃদয়,
মাধুকরী করেছি গভীর অমানিশায়।

মিথ্যার মুখোশে মুখ ঢেকে দাঙ্গা বাধিয়েছি,
রুধিরে প্লাবিত করেছি রাজপথ,
পাহাড়ে উঠবো ভেবে শ্লোগানে ভরেছি জনপথ।

কবিতা, আমি ছুটে গেছি বহু বন বীথিকায়,
তোমাকে ছুঁতে পারিনি সুভাষিণী,
ছুঁয়েছে আমায় কুহকিনী মায়াবিনী ।

সৌদামিনী বিদ্যুন্মালার তীব্র কটাক্ষে -
ফানুসের মতো আকাশে ছুটেছি,
রঙমশাল জ্বালাতে গিয়ে অঙ্গার হয়েছি।

কবিতা তোমার বুকে ঝড় তুলতে গিয়ে,
নিজেকে চিনেছি, প্রজ্ঞাকে করেছি আরতি--------
আমি জানুপেতে অঞ্জলি দিয়েছি ভারতী।

কবিতা শুধু তোমাকে নিয়ে থাকবো পারমিতা----
ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখাও নিশিথে সুস্মিতা,
চন্দ্রলেখা ধরা দাও , কবিতা হও উদ্ভাসিতা।

©®.

28/11/2025

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 💞💞💞💞🙏
Congratulations... Best wishes Friends 💞🙏💞

23/11/2025

Address

Kolkata City Of India
India

Telephone

+919123056930

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dipti's Kabyopalit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dipti's Kabyopalit:

Share